আজঃ বৃহস্পতিবার ৫ মার্চ, ২০২৬

চট্টগ্রামে তিন সাংগঠনিক জেলায় কমিটি নেই বিএনপি’র, তৃণমূলে ক্ষোভ

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে তিন সাংগঠনিক জেলায় দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির কমিটি না থাকায় সাংগঠনিক কার্যক্রম চলেছে ঢিমেতালে। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পরে জেলাগুলোতে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিএনপি নেতাদের বিরোধ আরও চাঙা হয়ে উঠেছে। কেউ কাউকে ছাড় দিতে নারাজ।

বিশেষ করে মহানগর, উত্তর ও দক্ষিণ তিন সাংগঠনিক জেলায় দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন থানা, উপজেলা, পৌরসভা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড কমিটি না থাকায় সাংগঠনিকভাবে পিছিয়ে পড়ছে দলটি। এ নিয়ে তৃণমূলে দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে। এর আগে ১৪ মাসে সম্মেলন করে চট্টগ্রামে একটি কমিটিও গঠন করতে পারেনি বিএনপি।

সাংগঠনিক সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রাম মহানগরে আগে ৪১টি ওয়ার্ড ও ২টি সাংগঠনিক ওয়ার্ড মিলে মোট ওয়ার্ড ছিল ৪৩টি। এবার আরো ৫টি সাংগঠনিক ওয়ার্ড বৃদ্ধি করে মোট ওয়ার্ড হয়েছে ৪৮টি। ২০২৪ সালের ৩ ডিসেম্বর নগরের ১৫ থানা ও ৪৩ ওয়ার্ড কমিটি ভেঙে দেয় নগর বিএনপি। এরপর গত ৩ জুন দল পুনর্গঠনের অংশ হিসেবে এসব ওয়ার্ডের তিন সদস্যের কমিটি ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল।

ওই কমিটিতে আহ্বায়ক ও সদস্য সচিব ছাড়াও একজন করে সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক করা হয়। এরপর নগরীতে আরো ৫টি সাংগঠনিক ওয়ার্ড বৃদ্ধি করে ওয়ার্ড বাড়ানো হয় ৪৮টি। এর মধ্যে গত ২৪ জুন ৩১টি ওয়ার্ডের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হলেও অবশিষ্ট ১৭ ওয়ার্ডের এখনো পূর্ণাঙ্গ কমিটি হয়নি। পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষিত ৩১ ওয়ার্ডকে তখন ৪৫ দিনের মধ্যে সম্মেলন করে ইউনিট ও ওয়ার্ড সম্মেলন করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু গত ৭৮ দিনেও একটি ওয়ার্ডেরও সম্মেলন করতে পারেনি ওয়ার্ড কমিটি। একইসাথে গত ১১ মাসেও নগরের ১৫ থানার কমিটি ঘোষণা দিতে পারেনি দলটি। একারণে হতাশায় ভুগছেন দলের নেতাকর্মীরা।

বিএনপি সূত্র জানায়, চট্টগ্রামে বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রমে চালিকা শক্তি হিসেবে কাজ করে নগর, উত্তর ও দক্ষিণ জেলা কমিটি। এ তিন সাংগঠনিক জেলায় সবমিলে উপজেলা ও থানা কমিটি রয়েছে সমান সংখ্যক ১৫টি করে ৩০টি, সাংগঠনিক ইউনিট ১টি এবং পৌরসভা ১৫টি। এর মধ্যে উত্তর জেলার ৭ উপজেলা ও ৯ পৌরসভা বিএনপির কমিটি থাকলেও নগরের ১৫ থানা এবং চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার ৮ উপজেলা, ১ সাংগঠনিক ইউনিট এবং ৬ পৌরসভার কোন কমিটি নেই। এমন কি গত আড়াই মাস ধরে নেই উত্তর জেলা বিএনপির কমিটিও। গত ২৯ জুলাই রাউজানে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষের পর কেন্দ্র থেকে এ কমিটি ভেঙে দেওয়া হয়। এ অবস্থায় যেখানে কমিটি নেই সেখানে স্থবির হয়ে পড়েছে দলের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড।

এদিকে চলতি বছরের ২২ মে দক্ষিণ জেলা বিএনপির পূর্ণাঙ্গ আহ্বায়ক কমিটির প্রথম সভায় জেলার আওতাধীন মেয়াদোত্তীর্ণ সকল উপজেলা, পৌরসভা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড কমিটি বিলুপ্ত করা হয়। দলের সাংগঠনিক গতিশীলতা ও পুনর্গঠনের লক্ষ্যে জেলা কমিটি এ সিদ্ধান্ত নেয় বলে কমিটির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়।

কিন্তু গত সাড়ে ৪ মাসেও কমিটি ছাড়াই চলছে দক্ষিণ জেলার আওতাধীন ৮ উপজেলা, ৬ পৌরসভা ও ১ সাংগঠনিক ইউনিট। তবে উপজেলা, পৌরসভা ও সাংগঠনিক ইউনিটের আহ্বায়ক কমিটির কাজ চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে বলে জানিয়েছে জেলা কমিটি। যে কোন সময় কমিটি ঘোষণা আসতে পারে বলে জানিয়েছেন দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব লায়ন মো. হেলাল উদ্দিন। তিনি বলেন, বর্তমানে কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া চলছে। দ্রুত এসব কমিটি ঘোষণা দেওয়া হবে।

বিএনপির কয়েকজন ত্যাগী নেতা জানান, যেখানে অন্য দল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী ঘোষণা করে মাঠে চষে বেড়াচ্ছে, সেখানে নিজেদের প্রার্থী ঘোষণা দূরে কথা- উপজেলা, থানা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড কমিটিও করতে পারেনি বিএনপি। বর্তমানে কমিটি না থাকায় মাঠে বিএনপির মধ্যে স্থবিরতা বিরাজ করছে।

বিএনপির একাধিক সূত্র জানায়, বিগত সরকারের ১৫ বছরে ঠিকমতো সম্মেলন করতে পারেনি দলটি। কিন্তু ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দেশের পটপরিবর্তনের পর মুক্ত পরিবেশের ১৪ মাসে সম্মেলনের মাধ্যমে বিএনপি চট্টগ্রামে একটিও জেলা, উপজেলা, থানা, পৌরসভা ও মহানগর কমিটি করতে পারেনি। মূলত অভ্যন্তরীণ কোন্দল, শৃঙ্খলার অভাব, নেতৃত্বের মধ্যে আস্থার সংকট এবং যোগ্য ও ত্যাগীদের কাঙ্খিত পদ না দেওয়ার কারণে দলের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে এ সমস্যা চলে আসছে।

তাছাড়া বর্তমান দলে প্রভাব বেড়েছে কিছু সুবিধাবাদী নেতাকর্মীর। তাদের প্রতাপে অনেকটা কোণঠাসা অতীতে দলের দূসময়ে হাল ধরা, আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় থাকা এবং মামলার শিকার হওয়া অনেক নেতাকর্মী। এ অবস্থায় সম্মেলন করে কমিটি গঠন না করার কারণে সুবিধাবাদীরা নানা উপায়ে পদ ভাগিয়ে নিচ্ছেন।

এছাড়াও ঘোষিত আহ্বায়ক কমিটির মেয়াদ নিয়ে দলের মধ্যে জবাবদিহিতার চর্চা কম থাকায় এসব কমিটি কৌশলে বছরের পর বছর সময় পার করে দিচ্ছে। এ কারণে তিন মাস কিংবা ৬ মাস মেয়াদের আহ্বায়ক কমিটি সময় পার করে দিচ্ছে দুই থেকে তিন বছর। এতে দলের মধ্যে উঠে আসছে না নতুন নেতৃত্ব।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

নারীদের শক্তিশালী জনসম্পদে পরিণত করা সরকারের লক্ষ্য : প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সরকারের পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন এমপি বলেছেন, আমাদের অগ্রাধিকার ভিত্তিক কর্মসূচীর মধ্যে বাংলাদেশে নারীর ক্ষমতায়ন অন্যতম। দেশের মোট জনসংখ্যার অর্ধেক নারী। তাদেরকে স্বনির্ভর, আত্মপ্রত্যয় এবং শক্তিশালী জনসম্পদে পরিণত করা বর্তমান সরকারের লক্ষ্য। সাবেক সফল প্রধানমন্ত্রী মরহুম বেগম খালেদা জিয়া ক্ষমতায় থাকাকালীন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠন করে মেয়েদের জন্য এইচ.এস.সি পর্যন্ত অবৈতনিক শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করেছিলেন। এছাড়া নারীদের সার্বিক কল্যাণে তিনি অনেকগুলো কর্মসূচী বাস্তবায়ন করেছিলেন। তাঁরই সুযোগ্য পুত্র বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ক্সমতায় আসার পর নারীদের ক্ষমতায়নে কাজ করছেন। দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন আরও বেগবান করতে প্রত্যেক নারীকে উদ্যেক্তা হিসেবে গড়ে উঠার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতা করা হবে। এ লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। তারা কাজও শুরু করেছেন।


সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় চট্টগ্রাম জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত বিভাগীয় পর্যায়ের অদম্য নারী পুরস্কার-২০২৫ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় ও মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর যৌথভাবে অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। অনুষ্ঠানে বিভাগীয় পর্যায়ে ৩ ক্যাটাগরিতে ৪ জন অদম্য নারীকে ফুল, ক্রেস্ট ও সনদপত্রসহ সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন প্রধান অতিথি পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন এমপি। সম্মাননাপ্রাপ্ত সফল নারীরা হচ্ছেন-শিক্ষা ও চাকুরী ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারী নারী চট্টগ্রাম জেলার সাতকানিয়া উপজেলার বাজালিয়া গ্রামের মোহাম্মদ আবদুল হালিমের মেয়ে আসমা আকতার রুনা, নির্যাতনের দুঃস্বপ্ন মুছে জীবন সংগ্রামে জয়ী নারী কুমিল্লা জেলার চান্দিনা উপজেলার নোয়াপাড়া গ্রামের শামসুল ইসলামের মেয়ে শমলা বেগম, সফল জননী নারী ফেনী জেলার সোনাগাজী উপজেলার চরমজলিশপুর গ্রামের আমিন আহমদ ভূঁঞার স্ত্রী বেগম তাজকেরা চৌধুরী ও সফল জননী নারী ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সদর উপজেলার চান্দনপুর পাখাচং গ্রামের আবদুল কাদেরের মেয়ে বিলকিছ বেগম। অনুষ্ঠানে সম্মাননাপ্রাপ্ত সফল নারীরা তাদের জীবন-সংগ্রামের স্মৃতিচারণ করেন।

অদম্য নারী পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের বৈরী পরিস্থিতিতে তৃণমূল পর্যায়ের মানুষের সাথে কথা বলে সমাজ ও রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা মেরামতের লক্ষ্যে ২০২৩ সালের জুলাই মাসে বিএনপি ৩১ দফা ঘোষনা করেন এবং ২০২৪ সালের জুলাই মাসে জাতির সামনে প্রকাশ করা হয়েছিল। বিএনপি চেয়ারম্যান ও বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্বাচনী ইশতেহারে ৩১ দফার ৮টি বিষয়কে প্রাধান্য দিয়ে কাজ শুরু করেছে। তন্মধ্যে অন্যতম হচ্ছে-ফ্যামিলি কার্ড। এটি পাবেন পরিবারের প্রধান নারী। কোন রাজনৈতিক বিবেচনা বা জনপ্রতিনিদিদের মাধ্যমে নয়, প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও এডমিন ক্যাডারের কর্মকর্তাদের নিরপেক্ষ তালিকার মাধ্যমে ফ্যামিলি কার্ড দেয়া হবে, যাতে পরবর্তীতে কোন সরকার এটি নিয়ে প্রশ্ন তুলতে না পারে। পাইলট প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ে দেশের ১৪টি জেলার ১৪টি ওয়ার্ড/উপজেলার মধ্যে চট্টগ্রাম বিভাগের পতেঙ্গা, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্চারামপুর ও বান্দরবান পার্বত্য জেলার লামা উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হবে এবং পর্যায়ক্রমে বাংলাদেশের সবক’টি পরিবার ফ্যামিলি কার্ড পাবে।

পুরস্কারপ্রাপ্ত অদম্য নারীদের বক্তব্যের আলোকে তিনি বলেন, আজকের অদম্য নারীদের মধ্যে এ পুরস্কার সীমাবদ্ধ নয়, বাংলাদেশের প্রতিটি গ্রামে-ইউনিয়নে-পৌরসভা-উপজেলা-থানা-নগর ও জেলা পর্যায়ে এটি ছড়িয়ে আছে। বাংলাদেশের প্রতিটি নারী সম্মানের হকদার। বাংলাদেশে যত নারী আছেন তারা কোন না কোন জায়গায় অদম্যতার পরিচয়ে ঠিকে আছেন। অদম্য নারীদের জীবন-যুদ্ধে হার না মানার কাহিনীর ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা দরকার এবং সমাজের অন্যান্য নারীদেরকে এ ব্যাপারে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। আমরা বাংলাদেশের জন্য কাজ করতে চাই, চট্টগ্রামের জন্য অনেক কিছু করতে চাই, এজন্য সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল আরও বলেন, সংবিধানে সকলের সমান অধিকার। ১৯ কোটি মানুষের দেশে ৪ কোটি মানুষও যদি কর্মক্ষম বা অর্থনীতির বাইরে থাকে তাহলে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বা কাঙ্খিত উন্নয়ন কোনভাবে সম্ভব নয়। পুরুষের পাশাপাশি নারীরা উদ্যেক্তা হয়ে নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে আসলে দেশের অর্থনীতিতে ভূমিকা রাখবে এবং উন্নত সমৃদ্ধ নতুন বাংলাদেশ গড়তে পারবো।
তিনি বলেন, আমি বিশ্বাস করি, বাংলাদেশকে যদি সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিয়ে যেতে হয়, সমতা, সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তুলতে হয়, তাহলে আমাদের অর্ধেক জনগোষ্ঠী নারীদেরকে সাথে নিয়ে পথ চলতে হবে। উন্নত সমৃদ্ধ নতুন বাংলাদেশ গড়তে নারী-পুরুষের সমতা আনায়ন অত্যন্ত জরুরী।

চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ড. মো.জিয়াউদ্দীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অদম্য নারী পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মোঃ নাজিমুল হক, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের অদম্য নারী পুরস্কার কর্মসূচীর অতিরিক্ত পরিচালক ও কর্মসূচী পরিচাল মোঃ মনির হোসেন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত বিভাগীয় পরিচালক (উন্নয়ন) নুসরাত সুলতানা। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আতিয়া চৌধুরী। অনুষ্ঠানে বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ে নির্বাচিত অদম্য নারীগণ, সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের অধীন বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

স্থগিত শেরপুর-৩ আসনের জামায়াত প্রার্থী প্রয়াত নুরুজ্জামান বাদল ভাইয়ের ছোট ভাই মো. মাসুদুর রহমান।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

স্থগিত হওয়া শেরপুর-৩ আসনে সংসদ সদস্য পদে প্রার্থী ঘোষণা করেছে জামায়াতে ইসলামী। দলটির মনোনীত প্রার্থী হয়েছেন প্রয়াত নুরুজ্জামান বাদলের ছোট ভাই মো. মাসুদুর রহমান।রোববার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন শেরপুর জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারী ও প্রচার বিভাগের প্রধান মুহাম্মদ গোলাম কিবরিয়া। তিনি বলেন-মতামতের ভিত্তিতে এবং কেন্দ্রের পর্যালোচনায় প্রয়াত নুরুজ্জামান বাদল ভাইয়ের ছোট ভাই মো. মাসুদুর রহমানকে প্রার্থী করা হয়েছে।

আলোচিত খবর

জুলাই জাতীয় সনদের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে ডেপুটি স্পিকার বিরোধী দল থেকে নেওয়ার সিদ্ধান্ত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাজনৈতিক সমঝোতার অংশ হিসেবে জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার পদে বিরোধী দল থেকে প্রতিনিধি নেওয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন- জুলাই জাতীয় সনদের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের ধারাবাহিকতায় এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সোমবার ২ মার্চ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ তথ্য জানান। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

তিনি জানান, রাজনৈতিক ঐকমত্যকে গুরুত্ব দিয়ে প্রধান বিরোধী দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে ডেপুটি স্পিকারের জন্য একটি নাম প্রস্তাব করতে অনুরোধ করা হয়েছে। তাদের সঙ্গে এ বিষয়ে মৌখিক ও সরাসরি যোগাযোগও করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

স্পিকার নির্বাচনের দিনই ডেপুটি স্পিকার পদেও নির্বাচন সম্পন্ন করা যেতে পারে। এতে সংসদ পরিচালনায় ভারসাম্য ও অংশগ্রহণমূলক পরিবেশ তৈরি হবে বলে আশা প্রকাশ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়- জাতীয় সনদের আলোকে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে যে সমঝোতা হয়েছে, সেটি ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের লক্ষ্যেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ