আজঃ বৃহস্পতিবার ১৬ এপ্রিল, ২০২৬

চলে গেলেন প্রবীণ সাংবাদিক সরওয়ার উদ্দিন আহমেদ

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের রাউজান প্রেস ক্লাবের সভাপতি, প্রবীণ সাংবাদিক, সরওয়ার উদ্দিন আহমেদ (৭৮) আর নেই। তিনি শনিবার রাতে চট্টগ্রাম মহানগরীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। রোববার বাদে জোহর রাউজানের সিকদার ঘাটা ঈদগাহে নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ৩ মেয়ে ১ ছেলে রেখে গেছেন। এছাড়া সরওয়ার উদ্দিন আহমেদ চুয়েটের ডেপুটি ডিরেক্টর ফজলুর রহমানের শ্বশুর।

সরওয়ার উদ্দিন আহমেদ চট্টগ্রাম মেট্টোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন এবং চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের স্থায়ী সদস্য এবং রাউজান প্রেস ক্লাবের সভাপতিও। তিনি চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার (পৌরসভার) সুলতানপুর গ্রামে আলেপ খান সওদাগর বাড়িতে জন্মগ্রহন করেন। তিনি পাকিস্তানের করাচী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি বিভাগ থেকে স্নাতক ডিগ্রি সম্পন্ন করেছেন। দীর্ঘ ৫৫ বছরের চাকুরী জীবনে একটানা ১৭ বছর বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের নির্বাহী কর্মকর্তা ছিলেন। পরবর্তীতে কর্মজীবনে তিনি দি ডেইলি করোনিকেল, দি ইউনিটি, ডেইলি ফিন্যান্সিয়েল এক্সপ্রেস, ডেইলি নিউজ টুডে, দি ডেইলি লাইফ, দি নিউ নেশান পত্রিকার ব্যুরো চিফ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া ডেইলি পিপলস্ ভিউ, দি ইকোনোমিক্স টাইমস, দি ডেইলি কমার্শিয়াল টাইমস’র নিউজ এডিটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

তার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিসান বিন মাজেদ, রাউজান পৌরসভার প্রশাসক অংচিং মারমা, রাউজান থানার ওসি মনিরুল ইসলাম ভূইয়া, রাউজান প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি জাহেদুল আলম, আজীবন সদস্য ও সাবেক সভাপতি তৈয়ব চৌধুরী, সিনিয়র সহ-সভাপতি নাজিম উদ্দিন মিয়াজি, সহ-সভাপতি মিলন বড়ুয়া, সহ-সভাপতি মাওলানা দিদারুল আলম, সিনিয়র সদস্য কাজী সরোয়ার খান মঞ্জু, যুগ্ম সম্পাদক জাহাঙ্গীর সিরাজ তালুকদার, সহ-সম্পাদক রবিউল হোসেন রবি, সাংগঠনিক সম্পাদক ইরফাত হোসেন চৌধুরী, অর্থ সম্পাদক কে.এম বাহাউদ্দীন, দপ্তর সম্পাদক এ.কে বাবর, প্রচার প্রকাশনা সম্পাদক নুর মোহাম্মদ, শিক্ষা সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক সুপন বিশ্বাস, সদস্য এ.এম মামুনুর রশিদ প্রমূখ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগ বাড়ানোর বিকল্প নাই : বিদ্যালয়ে প্রচারণা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সৌর, পানি ও বায়ু বিদ্যুতের মতো প্রাকৃতিক উৎস থেকে উৎপাদিত নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ বাড়ানো ছাড়া জ্বালানীতে সক্ষমতা উন্নয়নের বিকল্প নাই। কারণ জ্বীবাষ্ম ভিত্তিক জ্বালানীতে নির্ভরশীলতার কারণে পুরো দেশ ও জাতি এখন চরম সংকটে। জ্বালানী তেলের অভাবে পেট্রোল পাম্পগুলিতে দিনের পর দিন দাঁড়িয়ে থেকে তেল পাওয়া যাচ্ছে না। আর জ্বালানীর অভাবে শিল্প, কলকারখানা, অফিস আদালতে স্বাভাবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখা যাচ্ছে না। টাকা থাকালেও জ্বালানী পাওয়া যাচ্ছে না। সেজায়গায় যদি নবায়নযোগ্য জ্বালানীখাতে সক্ষমতা বাড়ানো যেত তাহলে, অর্থনীতির চাকা সচল থাকতো। তাই এখনথেকেই জ্বীবাষ্ম জ্বালানীর ওপর নির্ভরশীলতা হ্রাস করে নবয়ানযোগ্য জ্বালানীতে অধিক জোর প্রদান করতে হবে।

একই সাথে সবুজ জ্বালানী ও টেকসই জ্বালানীর ব্যবহার বাড়ানোর বিষয়ে তরুন প্রজন্মকে সচেতন করতে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সবুজ জ্বালানী বিষয়ক প্রচারণা কর্মসুচির মতো আরও গণসচেতনতামুলক কর্মসুচি আয়োজন করতে হবে।বুধবার বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা আইএসডিই বাংলাদেশ, ‘ক্লিন’ এবং ‘বিডব্লিউজিইডি’-এর উদ্যোগে নগরীর কাপাসগোলা সিটিকরপোরেশন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সবুজ জ্বালানী বিষয়ক প্রচারণা কর্মসুচির আওতায় আয়োজিত রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বক্তারা উপরোক্ত মন্তব্য করেন।


কাপাসগোলা সিটিকরপোরেশন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা রুমা বড়ুয়া সভাপতিত্বে ক্যাব চট্টগ্রাম ক্যাব বিভাগীয় সংগঠক রাসেল উদ্দীনের সঞ্চালনায় প্রচারণা কর্মসুচির অংশহিসাবে রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহনকারীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ক্যাব কেন্দ্রিয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট ও আইএসডিই এর নির্বাহী পরিচালক এস এম নাজের হোসাইন, বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক আবদুল মান্নান, ক্যাব চান্দগাও থানা সভাপতি মোঃ জানে আলম, আইএসডিই বাংলাদেশের প্রকল্প সমন্বয়কারী শম্পা কে নাহার, প্রজেক্ট অফিসার রাইসুল ইসলাম, অ্যাডমিন অফিসার আবদুল মান্নান জিহাদ প্রমুখ।
রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় রচনা প্রতিযোগিতায় চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় ১ম হয়েছে ৯ শ্রেণীর ছাত্রী স্হোাইলা করিম চৌধুরী, ২য় হয়েছে ৯ম শ্রেনীর তাহিয়াত তারান্নুম আরশি ও ৩য় হয়েছে ১০ম শ্রেনীর তুনাজ্জিয়া নুর। রচনা প্রতিযোগিতায় ১ম হয়েছে ১০ শ্রেনীর উনাইছা আমরিন, ২য় হয়েছে ১০ম শ্রেণীর আদওয়া জাহান, ৩য় ১০ শ্রেনীর মৌমিতা দাস বর্ষা। এ প্রচারণা কর্মসূচিতে বিদ্যালয়ের বিপুল পরিমান শিক্ষার্থী উৎসাহের সঙ্গে অংশগ্রহণ করেন।

কাপাসগোলা সিটিকরপোরেশন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা রুমা বড়ুয়া বলেন, জ্বীবাস্ম জ্বালানীর ওপর নির্ভরশীলতার কারণে দেশ আজ চরম হুমকির সম্মুখীন। জ্বালানী তেল সংগ্রহ করা কঠিন হয়ে যাচ্ছে। টাকা থাকলেও জ্বালানী তেল আমদানিও করা যাচ্ছে না।সেকারণে আগামি প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের মাঝে সবুজ জ্বালানী বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টি ও টেকসই জ্বালানী নিয়ে আরও সচেতনতামূলক কর্মসূচি আয়োজন করা দরকার। তাহলে পুরো জাতি উপকৃত হবে।
ক্যাব কেন্দ্রিয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট ও আইএসডিই এর নির্বাহী পরিচালক এস এম নাজের হোসাইন বলেন, জ্বীবাষ্ম জ্বালানীর ওপর নির্ভরশীলতার কারণে দেশ জ্বালানী খাতে সক্ষমতা অর্জনে সমর্থ হয়নি। যার কারণে ইরান যুদ্ধের ফলে টাকা থাকলেও জ্বালানী তেল পাওয়া যাচ্ছে না। জ্বালানী নিরাপত্তা আজকে হুমকির সম্মুখীন। সেকারণে যদি নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগ বাড়ানো হতে তাহলে বিপদের সময় এধরনের হুমকিতে পড়তে হতো না। এ জন্য সবুজ জ্বালানীর সক্ষমতা বাড়াতে জনসচেতনতার পাশাপাশ সরকারের উদ্যোগের বিকল্প নাই। আর প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এ ধরনের আয়োজনের মূল লক্ষ্য হলো, তরুন প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের মাঝে পরিবেশবান্ধব সবুজ জ্বালানির ব্যবহার সম্পর্কে গণসচেতনতা সৃষ্টি করা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে টেকসই জ্বালানি ব্যবহারে উৎসাহিত করা।P

চট্টগ্রামের উন্নয়নে গণমাধ্যমকে পাশে চান মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামকে একটি বাসযোগ্য, পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ ও আধুনিক নগরী হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষে গণমাধ্যমকর্মীদের সক্রিয় সহযোগিতা ও পরামর্শ কামনা করেছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। তিনি বলেন, এই শহর শুধু আমার একার নয়, এটি আমাদের সবার শহর। তাই সবাইকে সঙ্গে নিয়েই আমি একটি ক্লিন, গ্রিন, হেলদি ও সেফ সিটি গড়ে তুলতে চাই।

বুধবার (১৪ এপ্রিল) সন্ধ্যায় নগরীর কাজীর দেউরী ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে পহেলা বৈশাখ বাংলা নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে গণমাধ্যমকর্মীদের সম্মানে নৈশ ভোজ ও এক বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।অনুষ্ঠানটি চট্টগ্রামের সাংবাদিকদের এক মিলনমেলায় পরিণত হয়। সন্ধ্যায় বিভিন্ন গণমাধ্যমের কর্মীরা সপরিবারে অনুষ্ঠানস্থলে উপস্থিত হন। মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন নিজে অতিথিদের অভ্যর্থনা জানান। অনুষ্ঠানে অসময় ব্যান্ড ও চসিকের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের গান ও নাচের বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক পরিবেশনা দর্শকদের মুগ্ধ করে।

মেয়র বলেন, গত ১৬ মাসে সিটি কর্পোরেশন বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ বাস্তবায়ন করেছে এবং সেই ধারাবাহিকতায় নতুন বছরেও বেশ কিছু পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। নগরবাসীর মতামত, সমালোচনা ও পরামর্শের মাধ্যমে উন্নয়ন কার্যক্রম আরও গতিশীল করা সম্ভব।তিনি আরও বলেন, আপনারা আমাদের কাজের ভুল ধরিয়ে দেবেন, সমালোচনা করবেন, এভাবেই আমরা এগিয়ে যেতে চাই।

বর্জ্য থেকে সম্পদ ও বিদ্যুৎ উৎপাদন পরিকল্পনা নিয়ে মেয়র জানান, নগরের বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকে আধুনিক করতে দুইটি ল্যান্ডফিল থেকে বায়োগ্যাস উৎপাদনের সম্ভাব্যতা যাচাই চলছে। এছাড়া একটি ল্যান্ডফিল থেকে ১৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে চুক্তি হয়েছে। প্রায় ১৫০০ কোটি টাকা ব্যয়ে ল্যান্ডফিলগুলোকে পরিবেশবান্ধব ও টেকসইভাবে উন্নয়ন করা হবে।

জলাবদ্ধতা সমস্যার বিষয়ে মেয়র বলেন, গত বছর আমরা ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ জলাবদ্ধতা কমাতে পেরেছি। এ বছর খাল ও ড্রেন পরিষ্কারে ৪৫ কোটি টাকার বাজেট বরাদ্দ হয়েছে এবং হিজড়া খাল ও জামালখান খালের কাজ চলমান রয়েছে।
মেয়র জানান, স্কুল শিক্ষার্থীদের জন্য ‘স্কুল হেলথ স্কিম’ চালু করা হচ্ছে, যার মাধ্যমে তারা ৫০-৬০ শতাংশ ছাড়ে চিকিৎসা সুবিধা পাবে।এছাড়া শহরের বিভিন্ন মাঠ উন্নয়ন, নতুন খেলার মাঠ তৈরি এবং কিশোরদের খেলাধুলায় উৎসাহিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যাতে কিশোর গ্যাং ও মাদক সমস্যা মোকাবিলা করা যায়।
মেয়র বলেন, নগরজুড়ে নিরাপত্তা জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ

স্থানে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে। পাশাপাশি স্মার্ট ট্রাফিক সিস্টেম চালুর পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে। যানজট নিরসনে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা জরুরি।‘চট্টগ্রাম অ্যাপ’ চালুর ঘোষণা দিয়ে মেয়র জানান, নগরবাসীর অভিযোগ দ্রুত সমাধানে একটি মোবাইল অ্যাপ চালু করা হবে, যার মাধ্যমে নাগরিকরা সরাসরি সমস্যার ছবি তুলে পাঠাতে পারবেন।

স্বাস্থ্যখাতে মেয়র জানান, ইতোমধ্যে ১০ লাখ শিশুকে বিনামূল্যে টাইফয়েড টিকা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ক্যান্সার সচেতনতা কর্মসূচি, স্বল্পমূল্যে এনআইসিইউ ও ডায়ালাইসিস সেন্টার চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, বন্দর, পানি উন্নয়ন বোর্ড, পুলিশ ও জেলা প্রশাসনসহ সব সংস্থাকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।শেষে মেয়র বলেন, নগর সরকার শক্তিশালী না হলে পরিকল্পিত নগরায়ন সম্ভব নয়। সবাই মিলে কাজ করলে আমরা আগামী প্রজন্মের জন্য একটি সুন্দর, বাসযোগ্য শহর উপহার দিতে পারব।

এতে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহবায়ক ও চট্টগ্রাম ৮ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এরশাদ উল্লাহ, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও চট্টগ্রাম ৯ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব আবু সুফিয়ান, চট্টগ্রাম ১০ আসনের সংসদ সদস্য সাইদ আল নোমান, ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনার ডা. রাজিব রঞ্জন, বিসিবি পরিচালক ইসরাফিল খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সিএমপি কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী, দৈনিক পূর্বকোণের পরিচালনা সম্পাদক জসিম উদ্দিন চৌধুরী, দৈনিক আজাদীর পরিচালনা সম্পাদক ওয়াহিদ মালেক,

প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির ভিসি অধ্যাপক ড. নসরুল কদির, চট্টগ্রাম রেঞ্জ পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজ নাজমুল হাসান, সিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার ওয়াহিদুল হক চৌধুরী, সিএমপির উপ কমিশনার হোসাইন মোহাম্মদ কবির ভূঁইয়া, এডিসি শামসুজ্জামান, চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মো. আশরাফুল আমিন, প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ বীর মুক্তিযোদ্ধা একরামুল করিম চৌধুরী, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচি, সাধারণ সম্পাদক গোলাম মওলা মুরাদ, সাবেক সভাপতি সালাউদ্দীন রেজা, মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সালেহ নোমান, সিইউজে’র সভাপতি রিয়াজ হায়দার, সাধারণ সম্পাদক সবুর শুভ সহ বিপুল সংখ্যক গণমাধ্যমকর্মী।

আলোচিত খবর

ইস্টার্ন রিফাইনারির পরিশোধন কার্যক্রম সাময়িক বন্ধ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড (ইআরএল) পরিশোধন কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করেছে। মঙ্গলবার ১৪ এপ্রিল সকাল থেকে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। সবশেষ গত রোববার ১২ এপ্রিল বিকালে তেল পরিশোধন কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

এরপর ক্রুড তেলের সংকটের কারণে মজুত ক্রুড তেল শেষ হয়ে যাওয়ায় উৎপাদন চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি।
ইরানের সঙ্গে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান সংঘাতের প্রভাবে গত প্রায় দুই মাস ধরে ক্রুড তেল আমদানি ব্যাহত হচ্ছে এমনটাই জানা যায়।

পরিশোধনের পরিমাণ কমিয়ে আনা হয় সংকট মোকাবিলায় মার্চ মাস থেকেই। যেখানে দৈনিক গড়ে ৪ হাজার ৫০০ টন ক্রুড তেল পরিশোধন করা হতো, সেখানে তা কমিয়ে ৩ হাজার ৫০০ টনে নামিয়ে আনা হয়। তবে শেষ পর্যন্ত মজুত শেষ হওয়ায় সম্পূর্ণভাবে কার্যক্রম বন্ধ করতে বাধ্য হয় প্রতিষ্ঠানটি।

এদিকে জ্বালানি বিভাগ জানিয়েছে, দেশে পরিশোধিত জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। ফলে সরবরাহ ব্যবস্থায় কোনো ধরনের বিঘ্ন ঘটবে না বলে আশ্বস্ত করা হয়েছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ