আজঃ শুক্রবার ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

মুক্তদৃষ্টি সাহিত্য ও সংস্কৃতি পরিষদের উদ্যোগে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

প্রভাষক গিয়াস উদ্দিন সরদার পাবনা প্রতিনিধি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাবনা প্রতিনিধিঃ“সাহিত্য সংস্কৃতির চর্চা করি, আলোকিত দেশ গড়ি।” এই স্লোগানকে ধারণ করে মুক্তদৃষ্টি সাহিত্য ও সংস্কৃতি পরিষদের আয়োজনে এক মনোজ্ঞ আলোচনা সভা,সংগীত, নৃত্য ও কবিতা আবৃত্তির অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানটি সফল করতে সার্বিক সহযোগিতা করে কৃষ্ণচূড়া যুব সংঘ ও পাবনা উদ্যোক্তা কমিটি।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লেখক ও নদী গবেষক ড. মনসুর আলম। তিনি অনুষ্ঠানে উদ্বোধনী বক্তব্য রাখার পাশাপাশি নিজের স্বরচিত কবিতা আবৃত্তি করে শ্রোতাদের মুগ্ধ করেন।

অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন মুক্তদৃষ্টি সাহিত্য ও সংস্কৃতি পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, কলামিস্ট ও সাংবাদিক শফিক আল কামাল। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন কৃষ্ণপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র ইংরেজি শিক্ষক ও পরিষদের সহ-সভাপতি নাছিমা খন্দকার।

শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন ও সুরেলা কণ্ঠে গান পরিবেশন করেন আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক ও সংগঠনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক উম্মে ছালমা কোহিনূর, কবিতা আবৃত্তি করেন শিমুলচড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জান্নাতুল ফেরদৌস হীরা।

শিশু ও তরুণ শিল্পীদের প্রাণবন্ত পরিবেশনায় মুখরিত হয় মুক্তমঞ্চ কবিতা আবৃত্তি করে শিশু শিক্ষার্থী শামস শাহরিয়ার, লালনগীতি পরিবেশন করে শিক্ষার্থী স্নেহাশিষ বিশ্বাস, আধুনিক গান পরিবেশন করে দীপ্রতা জাহান, যৌথ আধুনিক নৃত্য পরিবেশন করে পিয়া সরকার ও পায়েল সরকার এবং বিন বাজিয়ে দর্শকদের মুগ্ধ করে তুষ্টি সরকার। তাদের প্রাণবন্ত উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানটি হয়ে ওঠে আনন্দ, শিল্প আর সংস্কৃতির মিলনমেলা। কবিতার সুর, নৃত্যের ছন্দ ও গানের মেলবন্ধনে “মুক্তদৃষ্টি সাহিত্য ও সাংস্কৃতি পরিষদ” যেন নতুন করে সাহিত্য ও সংস্কৃতির আলো ছড়িয়ে দিতে থাকবে আলোকিত মানবতার পথে।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জাহানারা খাতুন, শামীমা আক্তার, তামান্না আক্তার, সুরাইয়া আক্তার মিম, পিংকি বিশ্বাস, মিজানুর রহমান, জাকারিয়া হোসেন, জাকিয়া খাতুন, জান্নাতুল ফেরদৌস রিতা ও দিশা বিশ্বাস সহ বহু সাহিত্য প্রেমী,শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও দর্শক স্রোতা।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে ভোটের লাইনে -১ জন ও খুলনায় হট্টগোলে -১ জন নিহত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

খুলনা সদরের আলিয়া মাদরাসা ভোটকেন্দ্রে দুই পক্ষের উত্তেজনা ও হট্টগোলের মাঝে মহিবুজ্জামান কচি নামে এক বিএনপি নেতার মৃত্যু হয়েছে।বৃহস্পতিবার ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল আনুমানিক ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। সূত্রে জানা যায়, নিহত মহিবুজ্জামান কচি খুলনা মহানগর বিএনপির সাবেক দপ্তর সম্পাদক।
চট্টগ্রাম নগরীতে ভোট দিতে এসে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় অসুস্থ হয়ে এক বৃদ্ধ ভোটারের মৃত্যু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকালে নগরীর কাজীর দেউড়ি বালক উচ্চ বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।নিহত ব্যক্তির নাম মনু মিয়া (৫৫)। তিনি চট্টগ্রাম–১৪ আসনের বাগমনিরাম ব্যাটারিগলি এলাকার বাসিন্দা।

সিইসির সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন ১১ দলীয় জোট।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য জোটের নেতারা।বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সোয়া ৩টার দিকে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে এ বৈঠক শুরু হয়।

আরও পড়ুন: ঢাকা-৫ আসনে ধীরগতিতে ভোটগ্রহণ নিয়ে অসন্তোষ ভোটাররা বৈঠকে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিমসহ ১১ দলীয় জোটের ১০ সদস্য অংশ নিয়েছেন। নির্বাচন কমিশনে প্রবেশের সময় সাংবাদিকরা বৈঠকের বিষয়বস্তু জানতে চাইলে জোটের নেতারা কোনো মন্তব্য করেননি। তবে বৈঠক শেষে তারা ব্রিফিং করবেন বলে জানা গেছে।

আলোচিত খবর

নির্বাচনি দায়িত্বে থাকবেন প্রায় ৮ লাখ। কর্মকর্তা- ইসি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে বিশাল এক কর্মীবাহিনী মাঠে নামিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ভোটের কর্মযজ্ঞ সফল করতে সারা দেশে প্রায় ৮ লাখ কর্মকর্তা সরাসরি নির্বাচনি দায়িত্ব পালন করবেন। কমিশনের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এই বিশাল তালিকায় প্রিজাইডিং অফিসার থেকে শুরু করে পোলিং অফিসার পর্যন্ত সর্বমোট ৭ লাখ ৮৫ হাজার ২২৫ জন দক্ষ কর্মকর্তা অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।  

নির্বাচন পরিচালনার ৬৯ জন রিটার্নিং অফিসার, ৫৯৮ জন সহকারী রিটার্নিং অফিসার। মোট ৪২ হাজার ৭৭৯টি ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এরই মধ্যে প্রায় ৯ লাখ পোস্টাল ব্যালট প্রতিটি কেন্দ্রের প্রধান দায়িত্ব সামলাবেন একজন করে প্রিজাইডিং অফিসার, সেই হিসেবে ৪২ হাজার ৭৭৯ জন প্রিজাইডিং অফিসার এখন কেন্দ্রগুলোতে যাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন। এছাড়াও ভোটকক্ষগুলোতে দায়িত্ব পালনের জন্য ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৮২ জন সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার এবং ৪ লাখ ৯৪ হাজার ৯৬৪ জন পোলিং অফিসারকে চূড়ান্তভাবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ