পটিয়ায় নতুন সচিবকে দায়িত্ব দিতে গিয়ে লাঞ্ছিত বিদায়ী সচিব মনছুরুল আলম

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার বড়লিয়া ইউনিয়ন পরিষদে দায়িত্ব হস্তান্তরকে কেন্দ্র করে সদ্য বিদায়ী সচিব মো. মনছুরুল আলমকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সোমবার (১৩ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে এ ঘটনা ঘটে।

পরে রাতে সচিব মনছুরুল আলম বাদী হয়ে দুইজনের নাম উল্লেখ করে পটিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।জিডিতে তিনি উল্লেখ করেন, নতুন সচিব আবদুল মালেককে দায়িত্ব বুঝিয়ে দিতে গেলে স্থানীয় মো. নাছির উদ্দীন ও সেকান্দরসহ কয়েকজন উত্তেজিত ব্যক্তি তাকে অর্তকিতভাবে আক্রমণ করে ও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে।

ঘটনার আগে থেকেই সম্ভাব্য উত্তেজনার বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অবহিত করেছিলেন বলে জানান মনছুরুল আলম। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে উদ্ধার করে নিরাপদে স্থানান্তর করে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বড়লিয়া ইউনিয়নে দায়িত্ব পালনকালে সচিব মনছুরুল আলমের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ ছিল। সম্প্রতি তাকে অন্যত্র বদলি করা হয়। এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।

পটিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. নুরুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “ঘটনা তদন্ত চলছে। জিডিতে যাদের নাম রয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

নারায়ণগঞ্জে জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে’ আগুন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নারায়ণগঞ্জে জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে’ আগুন দিয়েছে দুবৃত্তরা। ২১ জুলাই ভোররাত ৩ টার দিকে নগরীর হাজীগঞ্জ এলাকায় দুর্বৃত্তরা এ ঘটনা ঘটািয়েছে বলে
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়।তবে দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনায় স্মৃতিস্তম্ভটির বড় ধরনের কোনো ক্ষতি হয়নি।

এব্যাপারে নারায়ণগঞ্জ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও অপারেশন) তারেক আল মেহেদী জানান, ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করতে আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। তবে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কাউকে শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে নিহতদের স্মরণে নির্মিত স্মৃতিস্তম্ভটি গত বছরের ১৪ জুলাই উদ্বোধন করা হয়।

বোয়ালখালীতে লবণ কারখানার ট্যাজেডি মৃতের সংখ্যা দাড়াল ৪

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের বোয়ালখালীর কনফিডেন্স লবণ কারখানায় বিস্ফোরণে দগ্ধ আরও দুই শ্রমিক চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। এ নিয়ে এ দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ জনে।নিহতরা হলেন বোয়ালখালী উপজেলার পশ্চিম গোমদণ্ডী ইউনিয়নের চরখিজিরপুর গ্রামের উত্তর সাতঘড়িয়া পাড়ার নূর ছফার ছেলে নুর নবী হৃদয় (২৫) এবং রাঙ্গুনিয়া উপজেলার পোমরা ইউনিয়নের শান্তিরহাট এলাকার মধুরামপাড়ার বাসিন্দা উজ্জ্বল দাস (৫৩)। উজ্জ্বল দাস মহান মুক্তিযুদ্ধে পোমরায় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর হাতে জীবন্ত কবর দেওয়া ১৪ শহীদের অন্যতম শহীদ বিরাজ দাশের ছেলে।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ নুরুল আলম আশেক জানান, রবিবার (১৯ জুলাই) বিকেল ৩টা ও রাত সাড়ে ১০টায় আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত হৃদয়ের খালা নার্গিস আক্তার বলেন, ছেলেটাকে আর বাঁচানো গেল না। গত বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে বোয়ালখালীর কনফিডেন্স লবণ কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণে ১১ জন শ্রমিক দগ্ধ হন। তাদের মধ্যে উজ্জ্বল দাসের শরীরের প্রায় ৫০ শতাংশ এবং নুর নবী হৃদয়ের শরীরের প্রায় ৪৫ শতাংশ পুড়ে যায়। পরে দুজনকে চমেক হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে ভর্তি করা হয়।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, নুর নবী হৃদয় ঠিকাদারের অধীনে চুক্তিভিত্তিক শ্রমিক হিসেবে কারখানায় কাজ করতেন। দুই বছর আগে বিয়ে করা হৃদয়ের এক বছর দুই মাস বয়সী একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। আইসিইউতে নেওয়ার আগে তিনি পরিবারের সদস্যদের উদ্দেশে বলেন, “চোখের অংশ পুড়ে গেছে, আমি দেখতে পাচ্ছি না। আমাকে মাফ করে দেবেন। আমার ছোট্ট বাচ্চাটাকে দেখে রাখবেন।”

অন্যদিকে, উজ্জ্বল দাসের পরিবার জানায়, সংসারের আর্থিক সচ্ছলতা ফেরাতে দুর্ঘটনার মাত্র কয়েক দিন আগে তিনি চুক্তিভিত্তিক শ্রমিক হিসেবে কনফিডেন্স সল্ট লিমিটেডে কাজে যোগ দিয়েছিলেন।এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় নিহতদের প্রতি গভীর শোক এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানানো হয়েছে।

আলোচিত খবর

নতুন ভোটার হওয়ার আবেদন ৩১ জুলাই পর্যন্ত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তির সুযোগ পাচ্ছেন নিবন্ধিত না হওয়া নাগরিকরা। আগামী ৩১ জুলাই পর্যন্ত নতুন ভোটার হওয়ার আবেদন গ্রহণ করা হবে। ইসি জানিয়েছে, ২০০৮ সালের ৩১ জুলাই বা তার আগে জন্মগ্রহণকারী যেকোনো ব্যক্তি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন করলে আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সুযোগ পাবেন। স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখেই এ কার্যক্রম পরিচালনা করছে নির্বাচন কমিশন।

এদিকে নির্বাচন কমিশনের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ৯ আগস্ট খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা এবং উপজেলা বা থানা নির্বাচন অফিসে তালিকাটি প্রদর্শন করা হবে। তালিকায় নাম বাদ পড়া বা তথ্যগত ভুল থাকলে সংশ্লিষ্টরা ২৪ আগস্ট পর্যন্ত নতুন অন্তর্ভুক্তি বা তথ্য সংশোধনের আবেদন করতে পারবেন। সব আপত্তি নিষ্পত্তি শেষে ৩১ আগস্ট চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ১০ আগস্ট খসড়া ভোটকেন্দ্রের তালিকা প্রকাশ করা হবে। এরপর আপত্তি গ্রহণ ও যাচাই-বাছাই শেষে ২৭ আগস্ট চূড়ান্ত ভোটকেন্দ্রের তালিকা প্রকাশ করবে নির্বাচন কমিশন। এ-সংক্রান্ত নির্দেশনা সিনিয়র সহকারী সচিব মো. রশিদ মিয়া স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে জানানো হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমানেল মাছউদ জানিয়েছেন, আগামী অক্টোবর থেকে ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভা নির্বাচন দিয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে। এ লক্ষ্যে আগস্টের মাঝামাঝি বা শেষ সপ্তাহে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হতে পারে।

বর্তমানে দেশে মোট ভোটারের সংখ্যা ১২ কোটি ৮৩ লাখ ২৩ হাজার ২৪০ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৫২ লাখ ১২ হাজার ৭৩১ জন, নারী ভোটার ৬ কোটি ৩১ লাখ ৯ হাজার ২৬৬ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ১ হাজার ২৪৩ জন

আরও পড়ুন

সর্বশেষ