আরব আমিরাতে চট্টগ্রাম উন্নয়ন পরিষদের কমিটি গঠন।

মোহাম্মদ আরমান চৌধুরী আরব আমিরাত প্রতিনিধি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সংযুক্ত আরব আমিরাতে বসবাসরত চট্টগ্রামের প্রবাসীদের জন্য একটি অত্যন্ত আনন্দের খবর। চট্টগ্রামের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি এবং প্রবাসীদের কল্যাণে কাজ করার লক্ষ্যে সম্প্রতি গঠিত হয়েছে ‘চট্টগ্রাম সমিতি ইউএই’, যা আনুষ্ঠানিকভাবে ‘চট্টগ্রাম উন্নয়ন পরিষদ ইউএই’ নামেও পরিচিত হবে।

কমিটিতে ইয়াকুব সৈনিককে সভাপতি সেলিম রেজাকে সাধারণ ও জুলফিকার ওসমানক অর্থ সম্পাদক করা হয়েছে।তকাল রবিরার (১৯ অক্টোবর) রাতে দুবাইয়ে ইয়াকুব সুনিক হাউসে এ উপলক্ষে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে কমিটির অন্য সদস্যদের মধ্যে উপদেষ্টা মীর কামাল,শরাফত আলী, সদস্য নজরুল ইসলাম, আজিম উদ্দিন, নরুল আবছার,ফরিদুল আলম উপস্থিতি ছিলেন। সভা ১৫ বিশিষ্ট কমিটি ঘোষণা করা হয়।

নবগঠিত এই কমিটি সভাপতি বলেন, আরব আমিরাতে বসবাসরত সকল চট্টগ্রামবাসীকে ঐক্যবদ্ধ করতে এবং তাদের সমস্যা ও সম্ভাবনার দিকগুলো নিয়ে কাজ করতে বদ্ধপরিকর। কমিটি গঠনের মধ্য দিয়ে চট্টগ্রামের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে বিদেশের মাটিতে তুলে ধরার একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে এমনটাই প্রত্যাশা করেন তিনি।

কমিটির উপদেষ্টা মীর কামাল ও শরাফত আলী জানান, সংগঠনের মূল লক্ষ্য ও কার্যক্রমগুলোর মধ্যে রয়েছে, চট্টগ্রামের ভাষা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে প্রবাসে তুলে ধরা, বিভিন্ন জাতীয় ও ঐতিহ্যবাহী উৎসব পালন।
দুস্থ ও অসহায় প্রবাসীদের সাহায্যার্থে তহবিল গঠন, জরুরি প্রয়োজনে মানবিক সহায়তা প্রদান এবং চিকিৎসা সেবায় সহযোগিতা করা। প্রবাসীদের মানসিক প্রশান্তির জন্য বিভিন্ন খেলাধুলা ও বিনোদনমূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা। চট্টগ্রামের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে প্রবাসীদের ভূমিকা আরও জোরদার করা এবং নিজ অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা ও প্রচার করা।

তারা বলেন, “আমরা বিশ্বাস করি, এই সংগঠনের মাধ্যমে প্রবাসে আমরা একে অপরের পাশে দাঁড়াতে পারব। আমাদের প্রিয় চট্টগ্রামের কৃষ্টি, ঐতিহ্য ও মূল্যবোধকে ধরে রেখে প্রবাসীদের সার্বিক কল্যাণে কাজ করাই আমাদের প্রধান অঙ্গীকার।” এই উদ্যোগ আমিরাতের সকল চট্টগ্রাম প্রবাসীকে একটি সুদৃঢ় সামাজিক বন্ধনে আবদ্ধ করবে এবং দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করেন তারা।

আরব আমিরাতে প্রায় প্রতিটি অঞ্চলের মানুষের সংগঠন রয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় চট্টগ্রাম সমিতি ইউএই-এর এই পথচলা প্রবাসীদের জীবনকে আরও গতিশীল ও অর্থবহ করে তুলবে—এমনটাই প্রত্যাশা সংশ্লিষ্ট সকলের।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

শ্রীলঙ্কার একটি কারাগারে আবারও কয়েদিরা সংঘাত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

শ্রীলঙ্কার একটি কারাগারে আবারও কয়েদিরা সংঘাতে জড়িয়ে পড়েছেন। এবারের ঘটনায় এখন পর্যন্ত একজন কয়েদি নিহত এবং ছয়জন আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি সামলাতে কর্তৃপক্ষ সেনা মোতায়েন করেছে।

মাইজভাণ্ডারী গাউসিয়া হক কমিটি বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় পর্ষদ ঘোষিত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মাইজভাণ্ডারী গাউসিয়া হক কমিটি বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় পর্ষদ ঘোষিত সাংগঠনিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে ফটিকছড়ি উপজেলা ‘ক’ জোনের আওতাধীন সকল শাখা কমিটিকে নিয়ে গত ৩১ জুলাই ২০২৬, রোজ শুক্রবার, সকাল ৯:০০টায় সাংগঠনিক সংলাপ-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাইজভাণ্ডারী গাউসিয়া হক কমিটি বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় পর্ষদ এর সভাপতি আলহাজ্ব মোহাম্মদ রেজাউল আলী জসিম চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লন মাইজভাণ্ডারী গাউসিয়া হক কমিটি বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় পর্ষদ এর সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ দিদারুল আলম।

এছাড়াও কেন্দ্রীয় পর্ষদের সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শেখ মজিবুর রহমান বাবুল, এস. এম. মোর্শেদুল আমিন, কাজী মোহাম্মদ নিজামুল ইসলাম, কাজী মোহাম্মদ হারেজ, মোহাম্মদ জয়নাল আবেদিন জুলু, মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম, মোহাম্মদ আবুল হাসেম, মোহাম্মদ আমির খসরু এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ শামসুল আলম। সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন ফটিকছড়ি উপজেলা ‘ক’ জোনের সাংগঠনিক সমন্বয়কারী মাষ্টার দিদারুল আলম, মাষ্টার মনির উদ্দিন খোরশেদ, মোহাম্মদ আলমগীর আলম ও মোহাম্মদ আলাউদ্দিন;

‘খ’ জোনের সাংগঠনিক সমন্বয়কারী মোহাম্মদ মাহাবুল আলম, মাষ্টার আহমদ হোসেন ও মোহাম্মদ শহিদুল; ‘গ’ জোনের সাংগঠনিক সমন্বয়কারী মাষ্টার কবির আহমদ, মোহাম্মদ নুরুল হুদা মেম্বার ও মোহাম্মদ আনিস উদ্দিন সোহেল; এবং ‘ঘ’ জোনের সাংগঠনিক সমন্বয়কারী মাষ্টার মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন, মাষ্টার মোহাম্মদ আজিম উদ্দিন ও আক্তারুজ্জামান বাবর। অনুষ্ঠানে ফটিকছড়ি উপজেলা ‘ক’ জোনের আওতাধীন সকল শাখা কমিটির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, প্রতিনিধিবৃন্দ, অতিথিবৃন্দ এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের প্রাণবন্ত উপস্থিতিতে সাংগঠনিক কার্যক্রম, দাপ্তরিক নথিপত্র পর্যালোচনা, ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাসহ সংগঠনের আদর্শ ও লক্ষ্য বাস্তবায়নে করণীয় বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। প্রধান অতিথি ও কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ সংগঠনের আদর্শ, শৃঙ্খলা, দাপ্তরিক কার্যক্রমের মানোন্নয়ন এবং তৃণমূল পর্যায়ে সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আহমেদ পদত্যাগ করেছেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। আজ শুক্রবার ২৪ জুলাই বিকেলে তিনি গণমাধ্যমকে নিজেই পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র এরই মধ্যে পৌঁছানো হয়েছে।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে সংসদ ভবনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছেন।

কয়েক দিন ধরেই রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছিল। বঙ্গভবন সূত্রে জাবা যায়, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন এবং পদত্যাগপত্রও প্রস্তুত করেছেন। তবে স্পিকার বিদেশ সফরে থাকায় তা জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি।

সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। তার পাঁচ বছরের মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত থাকার কথা ছিল। দায়িত্ব পালনকালে তিনি সময়ের ব্যবধানে তিনজন সরকারপ্রধানকে শপথবাক্য পাঠ করান।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিভিন্ন মহল থেকে তার পদত্যাগের দাবি ওঠে। তখন তিনি পদত্যাগ করেনননি। গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বঙ্গভবন ঘেরাওসহ বিভিন্ন কর্মসূচিও পালিত হয়। তবে সংসদ ভেঙে দেওয়া, অন্তর্বর্তী সরকার গঠনসহ গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখেন।

২২ তম এরাষ্ট্রপতির পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হলো। নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার আগ পর্যন্ত সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে মো. সাহাবুদ্দিন জেলা ও দায়রা জজ এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় পাবনা জেলার স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ছিলেন এবং ১৯৭১ সালে প্রশিক্ষণ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ