আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

কবি রিপন শানকে নিয়ে শব্দকুঠি সাহিত্য অঙ্গনের ৭৭ তম আসর আগামি ৩১ অক্টোবর ।

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


“জীবনের জন্য কবিতা” শ্লোগানের ধারক-বাহক সংগঠন শব্দকুঠি সাহিত্য অঙ্গনের ৭৭ তম আড্ডার মধ্যমণি (সভাকবি) নির্বাচিত হয়েছেন- নদীর বুকে জীবন জ্বলে, ফিনিক্স পাখির উড়াল, রত্নখচিত কুয়াশা গ্রন্থের লেখক কবি রিপন শান । সমকালীন শিল্প-সাহিত্যের বহুমাত্রিক প্রতিভাবান বীরমুক্তিযোদ্ধার সন্তান, প্রভাষক, সাংবাদিক, নদীমাতৃক এই কবিকে নিয়ে আগামি ৩১ অক্টোবর ২০২৫, সন্ধ্যায় রাজধানীর পরিবাগে অবস্থিত সংস্কৃতি বিকাশ কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে শব্দকুঠির নিয়মিত সাপ্তাহিক সাহিত্য সভা ।

শব্দকুঠি সাহিত্য অঙ্গনের প্রতিষ্ঠাতা ও সাধারণ সম্পাদক কবি রোকসানা রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সাহিত্য সভায় সভাপতিত্ব করবেন- শব্দকুঠির সভাপতি ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক তারুণ্যের কবি রেজাউদ্দিন স্টালিন । গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করবেন- সাংবাদিক কবি আশফাকুজ্জামান । অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত থাকবেন – কবি রোকেয়া ইসলাম, কবি তাহমিনা কোরাইশী, কথাসাহিত্যিক কালাম ফয়েজী, ডক্টর মিজান রহমান , মাকসুদ তালুকদার, কবি ব্যারিস্টার সাদিয়া আরমান, কলামিস্ট মোমিন মেহেদী, সাংবাদিক সোনিয়া দেওয়ান প্রীতি প্রমুখ। কবিতা ও গল্পপাঠে অংশ নেবেন শব্দকুঠি সাহিত্য আড্ডার নিয়মিত লেখকগণ ।

কবি রিপন শান ঢাকা ও ভোলা থেকে একযোগে প্রকাশিত স্বতন্ত্রধারার সংবাদপত্র দৈনিক অমৃতালোক এর ফিচার এডিটর । জাতীয় দৈনিক মাতৃজগতের সহব্যবস্হাপনা সম্পাদক । জনপ্রিয় ম্যাগাজিন মুক্তবুলির প্রধান সম্পাদক । ১৯৯৮ সালে বরেণ্য অভিনেত্রী রোকেয়া প্রাচী সম্পাদিত পাক্ষিক নটনন্দন দিয়ে সাংবাদিকতা জীবন শুরু করা বহুমাত্রিক লেখক সংগঠক রিপন শান বিভিন্ন সময়ে যুক্ত ছিলেন- সাপ্তাহিক বর্তমান সংলাপ, সাপ্তাহিক খবরের কাগজ (আজকের কাগজ), সাপ্তাহিক শীর্ষকাগজ, দৈনিক খবরপত্র, বাংলারিপোর্ট২৪, বজ্রকণ্ঠ, দৈনিক দেশজনপদ, দৈনিক বাংলাদেশ বাণী, ইউরোসমাচার, ইউরোবাংলাটাইমস, সহ দেশী-বিদেশী বিভিন্ন গণমাধ্যমে।

অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনা থেকে প্রকাশিত বাংলা গণমাধ্যম ইউরোবাংলাটাইমসে ম্যানেজিং এডিটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন টানা তিন বছর । অস্ট্রিয়া বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের বাংলাদেশ কো- অর্ডিনেটর হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন টানা পাঁচ বছর।
বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির অবিস্মরণীয় “কবিকণ্ঠে আবৃত্তি সন্ধ্যা ২০০৭” অনুষ্ঠানের গ্রন্থিক ও উপস্থাপক, লালমোহন উপজেলা শিল্পকলা একাডমির নির্বাচিত সাবেক সাধারণ সম্পাদক কবি রিপন শান, টানা তিন টার্ম লালমোহন উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন । ব্র্যাক সিইপি প্রযোজিত গণনাটক ‘নতুন সকাল’ এর কেন্দ্রীয় মাস্টার চরিত্রে ৫৪ টি প্রদর্শনীতে অভিনয় করে তিনি সাউন্ডবাঙলা কর্তৃক জাতীয় পর্যায়ে সংবর্ধিত হয়েছেন ।

তাঁর সনদীয় নাম মোঃ শাহাবুদ্দিন রিপন । লেখালেখি, সমাজকর্ম ও সাংস্কৃতিক পরিমন্ডলে রিপন শান নামেই সমধিক পরিচিত। মূলত কবি হিসেবে সমাদৃত হলেও তুখোড় বক্তা, আবৃত্তিশিল্পী, উপস্থাপক, অভিনেতা, মঞ্চ নাট্যকার, নির্দেশক, লিটলম্যাগ সম্পাদক, সাংবাদিক, কলেজ শিক্ষক এবং কণ্ঠশিল্পী হিসেবেও বহুমাত্রিক পরিচয় রয়েছে তাঁর। ১৯৭৫ সালের ৩ মার্চ দ্বীপজেলা ভোলার লালমোহন উপজেলার ঐতিহ্যবাহী ধলীগৌরনগর ইউনিয়নের চতলা গ্রামে এক বনেদি পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন তিনি । পিতা একাত্তরের রণাঙ্গনের বীরমুক্তিযোদ্ধা শিক্ষাবিদ মরহুম সালাউদ্দিন আহমাদ।

মাতা লালমোহনের প্রথম এন্ট্রান্স শিক্ষিতা মরহুমা বেগম রওশান আরা পঞ্চায়েত। পিতামহ মরহুম মাওলানা মনসুর আহমাদ গোল্ডমেডেলিস্ট ছিলেন ভোলা সরকারি কলেজের খ্যাতিমান অধ্যাপক। মাতামহ মরহুম দানবীর মজিবুর রহমান পঞ্চায়েত ছিলেন লালমোহন ইউপির জননন্দিত চেয়ারম্যান । জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের সাবেক ছাত্র , ঢাকা কলেজ থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে স্নাতকোত্তর বহুমুখী সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও সাংবাদিক রিপন শান বদরপুর মহাবিদ্যালয়ে (সাবেক নুরুন্নবী চৌধুরী মহাবিদ্যালয়) একটানা ১৪ বছর ধরে বাঙলা বিষয়ে অধ্যাপনায় নিয়োজিত আছেন । পাশাপাশি মাতৃজগত আইপিএ টিভির পরিচালক , ভয়েস চট্টগ্রামের উপদেষ্টা সম্পাদক, ভোলার কণ্ঠের বিশেষ প্রতিনিধি ও দ্য রেডটাইমসের সিনিয়র রিপোর্টার হিসেবে সংযুক্ত আছেন।

লেখক রিপন শান এর প্রকাশিত গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে : কাব্যগ্রন্থ- নদীর বুকে জীবন জ্বলে, রত্নখচিত কুয়াশা; গল্পগ্রণ্হ- ফিনিক্স পাখির উড়াল। প্রকাশের পথে- শিল্পের আলাপ ( সাক্ষাৎকার সংকলন ), অপার বিস্ময় ( তথ্য সংকলন ), আট বেহেশতের সুবাস ( কাব্যগ্রন্থ ), কবিতা-কলাপ ( নির্বাচিত কবিতা ) । শ্যামল মাটির কমলেরা, বাউন্ডুলে, বেকার অমানিশা- নাট্যকার রিপন শান রচিত ও নির্দেশিত মঞ্চসফল তিনটি নাটক। সম্পাদনা করেছেন দুই বাংলার কবিতা সংকলন- জ্বলে ওঠার কবিতা ; লিটল ম্যাগ- রোদসী, বেতুয়া , প্রমিত বাংলার মুখ। বাংলাদেশ রোদসী কৃষ্টিসংসারের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান রিপন শান- ভোলা দক্ষিণ প্রেসক্লাব, জাতীয় কবিতা পরিষদ ভোলা, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ ভোলা, লালমোহন মিডিয়া ক্লাব ও নেক্সাস ৯৩ ফ্রেন্ডস প্লাটফর্মের প্রতিষ্ঠাতা ।

সামাজিক সাংস্কৃতিক কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ বিভিন্ন সময়ে অর্জন করেছেন- জাতীয় ছাত্রধারা পুরস্কার, চরফ্যাসন প্রগতি ইউনিটি এওয়ার্ড, আমরা করবো জয় পুরস্কার, মিরপুর এইচ এইচ মাইক্রো ইনস্টিটিউট সম্মাননা, নবকল্লোল পুরস্কার, এম আর মনজু কালচারাল সোসাইটি সম্মাননা, লালমোহন ফাউন্ডেশন ঢাকা পুরস্কার, সাউন্ডবাঙলা বেস্টবুক এওয়ার্ড, নিউন্যাশন মডেল স্কুল সম্মাননা, দৈনিক মাতৃজগত সম্মাননা , ম্যাজিক লণ্ঠন আড্ডার কবি সম্মাননা ইত্যাদি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

জীবন সংস্কৃতি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কতনা অদ্ভূত সমাজ
মিথ্যাকে বিশ্বাস করে
সত্যের প্রমান চায়,
সাপের মতো খোলস বদল
স্বভাব থেকে যায় ।

কতনা অদ্ভূত সমাজ
ভাল কাজ মুছে যায়
সময়ের বাঁকে,
মন্দ কাজ রেকর্ড হয়
ইতিহাসের ফাঁকে ।

কতনা বিচিত্র জীবন সংস্কৃতি
একদিন না পেলে
ভুলে যায় স্মৃতি ,
স্বার্থের মোহে অন্ধ মানুষ
লাভের গায় গীতি ।।

কতনা অদ্ভূত মানুষ
অবুঝ তার মন,
সত্যকে আড়াল করে
মিথ্যার অনুশীলন।

কতনা অসহায় মানুষ
যত পায় তত চায় ,
অফুরন্ত চাহিদা তার
অভাব থেকে যায় ।

কতনা অবুঝ মানুষ
হিসেবের খাতায় ভুল
ক্ষনিকের মোহ মায়ায়
সৃষ্টির প্রেমে আকুল ।

কতনা অসহায় মানুষ
হেরে যায় টাকার কাছে
লোভের কাছে
বন্ধুত্বের কাছে
কখনো ভালবাসার কাছে ।

কতনা অসহায় মানুষ
হেরে যায় বিবেকের কাছে
সময়ের কাছে
অবশেষে মৃত্যুর কাছে ।

কতনা অসহায় মানুষ
উজাড় করে জীবন,
একদিন নিজেই বোঝা
কেউ থাকেনা আপন।

কতনা অসহায় মানুষ
জানেনা তার কখন মরণ,
যেতে হবে ছেড়ে
মায়ার বাঁধন,
সব যাবে মুছে
কেউ করবেনা স্মরণ ।

এই বুঝি দুনিয়ার নিয়ম
বিদায়ের পরিনতি,
হাসি আর কান্নার মাঝে
জীবনের ইতি ।

রচনাকাল: ১৫/১২/২০২৫

দেশের জাতীয় সম্পদ ধ্বংসকারীদের চিহ্নিত করা প্রয়োজন : মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান বলেছেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা, মহান মুক্তিযুদ্ধ ও রাষ্ট্র গঠনে ইতিহাসে এক অনন্য নাম। তাঁর স্মৃতি সংরক্ষণে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় সব উদ্যোগ গ্রহণ করবে। মন্ত্রী শুক্রবার চট্টগ্রামে জিয়া স্মৃতি জাদুঘর, কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র ও স্বাধীনতা কমপ্লেক্স পরিদর্শন পরবর্তী উপস্থিত সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের অভ্যুদয়ে মেজর জিয়া থেকে শুরু করে রাষ্ট্রপতি জিয়া ইতিহাসের প্রতিটি বাঁকে তাঁর অবদান দেশকে আলোড়িত ও সমৃদ্ধ করেছে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতি রক্ষার্থেই এই স্মৃতি জাদুঘর প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

স্বাধীনতা কমপ্লেক্স প্রসঙ্গে মন্ত্রী আহমেদ আযম খান বলেন, ফ্যাসিবাদী সময়ে ‘জিয়া স্মৃতি কমপ্লেক্স’-এর নাম পরিবর্তন করে ‘স্বাধীনতা কমপ্লেক্স’ করা হয়েছিল, যা প্রতিহিংসামূলক রাজনীতির বহিঃপ্রকাশ। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে পুনরায় এর নাম ‘শহীদ জিয়া স্মৃতি কমপ্লেক্স’ করা হবে।

তিনি আরো বলেন, কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকেই মহান মুক্তিযুদ্ধের স্বাধীনতার ঘোষণা করেছিলেন মেজর জিয়া। পরবর্তীতে তিনি বীর মুক্তিযোদ্ধা,সেক্টর কমান্ডার, বীর উত্তম, সেনাপ্রধান ও সফল রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে দেশের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তাঁর নাম ও অবদান ইতিহাস থেকে মুছে ফেলার অপচেষ্টা কখনো সফল হবে না।মন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, সাম্প্রতিক সময়ে এসব স্থাপনায় হামলা ও ভাঙচুর অত্যন্ত দুঃখজনক। যারা দেশের জাতীয় সম্পদ ধ্বংস করেছে, তাদের চিহ্নিত করা প্রয়োজন। সরকার এসব স্থাপনা পুনর্গঠন করে জনগণের জন্য আবার উন্মুক্ত করবে।

দেশের চলমান পরিস্থিতি প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি ও বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু সামান্য মূল্য সমন্বয়কে কেন্দ্র করে দেশে যে ধ্বংসাত্মক কর্মসূচি দেওয়া হচ্ছে, তা অযৌক্তিক। সকলকে দেশপ্রেমিক হতে হবে, কোনো ধরনের ধ্বংসাত্মক রাজনীতি বা গণতন্ত্রহীনতার দিকে আমরা যেতে চায় না। প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের নেতৃত্বে একটি সমৃদ্ধ, গণতান্ত্রিক ও স্বচ্ছ বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে। রাষ্ট্রের প্রতিটি পর্যায়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। আমরা সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে কাজ করছি।

তিনি আরো উল্লেখ করে বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যে সমৃদ্ধ বাংলাদেশের যাত্রা শুরু করেছিলেন এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া যা এগিয়ে নিয়েছিলেন, সেই ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশকে সামনে এগিয়ে নিচ্ছেন।পরিদর্শনকালে অন্যান্যের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন, চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য এরশাদ উল্লাহ এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ আশরাফুল ইসলাম, চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ড. মোঃ জিয়াউদ্দীন, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা ও জেলার সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাসহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ