আজঃ শনিবার ২১ মার্চ, ২০২৬

চট্টগ্রামে যুবদলের দুই গ্রুপে গোলাগুলি, ছাত্রদল কর্মী নিহত

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরীর বাকলিয়ায় যুবদলের দুই গ্রুপের মধ্যে গোলাগুলি ও সংঘর্ষে এক যুবক নিহত হয়েছেন।মঙ্গলবার রাত পৌনে ১টার দিকে নগরীর বাকলিয়া থানার সৈয়দ শাহ রোডের মদিনা আবাসিকের সামনে এক্সেস রোডে এ ঘটনা ঘটেছে।

এ সময় আহত হয়েছেন আরও অন্তত আটজন। নিহত যুবক ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে তার পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন।সংঘর্ষে নিহত মো. সাজ্জাদ (২২) চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের অনুসারী হিসেবে পরিচিত। নগরীর বাকলিয়ার তক্তারপুল এলাকার বাসিন্দা মো. আলমের ছেলে। তাদের বাড়ি কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর উপজেলায়।জানতে চাইলে বাকলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ইখতিয়ার উদ্দিন বলেন, ব্যানার লাগানো নিয়ে ঝামেলা হয়েছে। গুলিবিদ্ধ একজনের মৃত্যু হয়েছে। আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছি।


পুলিশ সূত্র ও স্থানীয়দের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের দুই নেতা এমদাদুল হক বাদশা ও বোরহানের গ্রুপের কর্মীদের মধ্যে এ সংঘাত হয়েছে। যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে টানানো ব্যানার খুলে ফেলা নিয়ে বিরোধের সূত্রপাত হয়। এদের মধ্যে এমদাদুল হক বাদশা চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। দখল-চাঁদাবাজির অভিযোগে গত জুলাইয়ে তাকে বহিষ্কার করা হয়।

নিহত সাজ্জাদের বড় ভাই মো. ইমরান জানান, তাদের পুরো পরিবার বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত এবং মেয়র শাহাদাতের সমর্থক। সাজ্জাদের পদ-পদবি না থাকলেও ছাত্রদলের সক্রিয় কর্মী ছিলেন। নগরীর পাথরঘাটার একটি কলেজ থেকে এবার এইচএসসি
পরীক্ষা দিয়েছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বাকলিয়া এলাকার ‘যুবদল নেতা’ বোরহান সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে মেয়র শাহাদাতের ছবিসহ একটি ব্যানার টানান সৈয়দ শাহ রোডে। রাতে বাদশা গ্রুপের নেতাকর্মীরা গিয়ে মেয়রের নির্দেশের কথা বলে সেটি নামিয়ে ফেলার চেষ্টা করেন। এসময় বোরহান ও তার লোকজন মিলে তাদের বাধা দেয়। এ নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে বাদশা গ্রুপের কর্মীরা ব্যানারটি ছিঁড়ে ফেলেন। এতে উভয় গ্রুপে মারামারি ও গোলাগুলি শুরু হয়। এতে সাজ্জাদসহ আট থেকে ১০ জন গুলিবিদ্ধ হন।

পুলিশ জানায়, আহতদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। জরুরি বিভাগে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসক সাজ্জাদকে মৃত ঘোষণা করেন।আহত আটজনকে বিভিন্ন ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। এরা হলেন- জুয়েল, সাব্বির, শরীফ, ইয়াসিন, একরাম, পারভেজ ও মারুফ। তাদের বাসা বাকলিয়ার বৌবাজার এলাকায়।

নিহত সাজ্জাদের ভাই ইমরান বলেন, আমার ভাই বাসায় ছিল। মোবারক নামে একজন তাকে কল করে ডেকে নিয়ে যায়। মোবারক বিএনপি করে। বাসা সৈয়দ শাহ রোডে। সাজ্জাদ বাসা থেকে বের হবার পর কয়েক মিনিটের মধ্যে গোলাগুলি শুরু হয়। সৈয়দ শাহ রোডের মুখ থেকে একেবারে শান্তিনগরের মুখ পর্যন্ত ব্লক করে তারপর গোলাগুলি করা হয়। রাত ২টার দিকে শুনতে পাই, আমার ভাই মেডিকেলে মারা গেছে। শুনেছি, মেয়র সাহেবের নামে ব্যানার লাগানো নিয়ে ঝামেলা হয়েছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

কুতুবদিয়ায় ঈদ উপলক্ষে বাতিঘর সী-বীচে প্যাডেল বোট ও কায়াকিং বোটের শুভ উদ্বোধন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কক্সবাজারের কুতুবদিয়া দ্বীপে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বাতিঘর সী-বীচে প্যাডেল বোট ও কায়াকিং বোটের শুভ উদ্বোধন করেন স্থানীয় দক্ষিণ ধূরুং ইউপি চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন আল আজাদ। ২০ মার্চ, বিকালে জনসাধারণ নিয়ে উদ্বোধন করেন। এ উদ্যোগে স্থানীয় পর্যটন শিল্পে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। সমুদ্র উপকূলে পর্যটকদের জন্য নতুন এই বিনোদন সুবিধা চালুর প্রশংসা করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ইউপি সদস্য মো: ফোরকান, কুতুবদিয়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হাসান কুতুবী, সাংবাদিক ও পর্যটন সংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তারা উপস্থিত ছিলেন।

স্থানীয় দক্ষিণ ধূরুং ইউপির চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন আল আজাদ বলেন, এই উদ্যোগের ফলে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের আকর্ষণ বাড়বে এবং কুতুবদিয়ার পর্যটন খাত আরও সমৃদ্ধ হবে। একই সঙ্গে স্থানীয় যুবকদের জন্য কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর কুতুবদিয়ার বাতিঘর সী-বীচ ইতোমধ্যে পর্যটকদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। নতুন এই বোট সার্ভিস চালুর মাধ্যমে এলাকাটির আকর্ষণ আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

উদ্বোধনের পরপরই পর্যটকরা প্যাডেল বোট ও কায়াকিং বোটে চড়ে সাগরের মনোরম পরিবেশ উপভোগ করেন। আয়োজকরা জানান, পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
পরে ইফতার ও মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান সমাপ্তি হয়।

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দিরা ঈদুল ফিতরের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারবেন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দিরা ঈদুল ফিতরের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারবেন। কারা কতৃপক্ষ জানিয়েছেন -বন্দিদের ঈদের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলার সুযোগ দেয়া হবে। এর পাশাপাশি রয়েছে বিশেষ খাওয়া দাওয়ার আয়োজন।এছাড়া বাড়ি থেকে পাঠানো খাবার খাওয়ার সুযোগ মিলছে বলে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার সৈয়দ শাহ্ শরীফ জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, প্রতিবছরের মত এবারও ঈদের দিন সকালে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। ঈদের দিন সকালে বন্দিদের জন্য থাকছে পায়েস ও মুড়ি। আর দুপুরে থাকবে পোলাও, গরু অথবা খাসি, সালাদ, মিষ্টি, পান-সুপারি। আর রাতের বেলায় সাদা ভাত, আলুর দম ও রুই মাছের আয়োজন করা হয়েছে।

জেলার শাহ্ শরীফ আরো জানান-এছাড়া ঈদের পরদিন বন্দিরা বাড়ি থেকে পাঠানো খাবার খাওয়ার সুযোগ পাবেন। ঈদের দিন থেকে তিন দিন বন্দিরা স্বজনদের সাথে পাঁচ মিনিট করে টেলিফোনে এবং একবার স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাত করতে পারবেন।

সাধারণ সময়ে হাজতিরা মাসে দুই বার এবং কয়েদীরা মাসে একবার করে স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পেলেও ঈদের সময় বিশেষ ভাবে সাক্ষাতের সুযোগ পাবেন।একই ভাবে ১০ টাকার বিনিময়ে মাসে দুই বার স্বজনদের সাথে টেলিফোনে ১০ মিনিট কথা বলার সুযোগ পান বন্দীরা। তবে ঈদে বিনামূল্যে পাঁচ মিনিট করে কথা বলার সুযোগ পাবেন।বর্তমানে কারাগারে হাজতি ও কয়েদী মিলে পাঁচ হাজার ৮৫৮ জন বন্দি রয়েছেন।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ