আজঃ সোমবার ৯ মার্চ, ২০২৬

চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে ইন্টারনাল মেডিসিন দিবসের সেমিনার

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ইন্টারনাল মেডিসিন দিবস-২০২৫ উদযাপন উপলক্ষে চট্টগ্রাম ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের উদ্যোগে ‘চিকিৎসার ভিত্তি হিসাবে অভ্যন্তরীন মেডিসিন সম্পর্কিত বৈজ্ঞানিক সেমিনার’ গতকাল ২৮ অক্টোবর মঙ্গলবার দুপুরে হাসপাতালের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।

চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ও বিশিষ্ট হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. মোঃ একরাম হোসেনের সভাপতিত্বে এবং মেডিসিন বিভাগের জুনিয়র কনসালট্যান্ট ডা. এইচ.এম হামিদুল্লাহ মেহেদীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সেমিনারে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন হাসপাতালের সিনিয়র কন্সাল্ট্যান্ট (মেডিসিন) ডা. এ.এস.এম লুৎফুল কবির শিমুল, ইএনটি বিভাগের সিনিয়র কনসালট্যান্ট ডা. মোঃ আবুল বশর। সেমিনারে বৈজ্ঞানিক নিবন্ধ পাঠ করেন হাসপাতালের সহকারী রেজিস্টার (মেডিসিন) ডা. নাজমুস সালেহ ও ডা. এ.এইচ.এম তারেকুল মজিদ। বিভিন্ন প্রোডাক্ট নিয়ে আলোচনা করেন ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালসের সিনিয়র ব্র্যান্ড ম্যানেজার নুরুল আবছার বিন মহসীন ও কর্মকর্তা বিজন বিকাশ লোধ।

হাসúাতালের মেডিসিন বিভাগসহ বিভিন্ন বিভাগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও মেডিকেল অফিসারবৃন্দ সেমিনারে অংশগ্রহণ করেন। শুরুতে কেক কেটে ইন্টারনাল মেডিসিন দিবসের উদ্বোধন করেন চট্টগ্রাম ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মোঃ একরাম হোসেন।সেমিনারে বক্তারা বলেন, কোভিড, চিকুনগুনিয়া ও ডেঙ্গুসহ সকল সংক্রামক রোগ, ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, লিভার ও পরিপাকতন্ত্র রোগ, বাত রোগও কিডনি রোগসহ সকল রোগের সমন্বিত চিকিৎসার ক্ষেত্রে ইন্টারনাল মেডিসিন অপরিহার্য।

রোগী প্রথমে যে কোন সমস্যা নিয়ে ইন্টার্নাল মেডিসিন বিশেষজ্ঞকে দেখালে তার রোগ দ্রত নিরুপণ করা সম্ভব হয়। ইন্টার্নাল মেডিসিন চিকিৎসক প্রয়োজনবোধে রোগীকে অন্য বিভাগের চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়ার জন্য বলবেন। যে কোনজটিল রোগীর চিকিৎসার টিমে ইন্টার্নাল মেডিসিন বিশেষজ্ঞ মুখ্য সমন্বয়ক হিসাবে দায়িত্ব পালন করে থাকেন।

সেমিনারে বক্তারা ইন্টার্নাল মেডিসিন বিষয়ের বিভিন্ন দিক যেমন সমন্বিত রোগ ব্যব¯’াপনা, রেফারেল সিস্টেম, জটিল রোগীর চিকিৎসায় ইন্টার্নিস্টের ভূমিকা, ডেঙ্গু, কোভিড ইত্যাদিতে মেডিসিন বিভাগের অনন্য ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করেন। এমবিবিএস এবং পোস্ট গ্র্যাজুয়েট কোর্সে শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণ ও একাডেমিক দায়িত্বও ইন্টার্নিস্টগণ পালন করেন। চট্টগ্রামে কোভিড, ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার মহামারী মোকাবেলায় ইন্টার্নিস্টগণ নেতৃত্ব দিয়ে যা”েছন। সেমিনাওে সভাপতির বক্তব্যে চট্টগ্রাম ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ও বিশিষ্ট হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. মোঃ একরাম হোসেন বলেন, কোভিড মহামারির সময় জেনারেল হাসúাতালের মেডিসিন বিভাগ এবং অন্যান্য বিভাগসমুহ মিলে রোগীদের যেই চিকিৎসা সেবা প্রদান করেছেন তা অবিস্মরণীয়। বর্তমানে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া রোগীদের চিকিৎসা-সেবায় টিম জেনারেল হাসপাতাল আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। ভবিষ্যতেও এই হাসúাতাল সুনামের সাথে সমন্বিত চিকিৎসা সেবা প্রদান করে যাবে বলে আশাবাদ ব্যাক্ত করেন তিনি।

উল্লেখ্য যে, বিশ্বব্যাপী পালিত হ”েছ ইন্টারনাল মেডিসিন দিবস। বাংলাদেশেও সকল মেডিকেল কলেজ ও হাসúাতালে এই দিবসটি উৎসব মুখর পরিবেশে পালিত হ”েছ। দিবসটি উপলক্ষে চট্টগ্রাম ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসúাতালেও একটি বৈজ্ঞানিক সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

অফিস সময়ে হাসপাতাল ছেড়ে প্রাইভেট প্রাকটিস করলে নিবন্ধন বাতিল করবে সরকার- স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অফিস সময়ে হাসপাতাল ছেড়ে প্রাইভেট প্রাকটিস করলে নিবন্ধন বাতিল করবে সরকার- স্বাস্থ্যমব্ত্রী।

চট্টগ্রামে বিনামূল্যে স্বাস্থ্য ও চক্ষু চিকিৎসা সেবা পেল ৬৩০ জন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরের উত্তর কাট্টলীতে বিনামূল্যে স্বাস্থ্য ও চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে। ভগবান শ্রীকৃষ্ণের দোলযাত্রা উপলক্ষে উক্ত ক্যাম্পে হিন্দু, মুসলিম ও বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীসহ মোট ৬৩০ জন মানুষ চক্ষু ও সাধারণ স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণ করেন।

সোমবার দিনব্যাপী শ্রীশ্রী সেবাখোলা ও বৈকুন্ঠ ধাম উৎসব উদযাপন পরিষদের উদ্যোগে উত্তর কাট্টলী সেবাখোলা মন্দির প্রাঙ্গণে এ ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়। ক্যাম্পে আগত সাধারণ মানুষের জন্য বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষা, চক্ষু চিকিৎসা এবং প্রয়োজনীয় ওষুধ বিতরণ করা হয়।চিকিৎসাসেবায় সহযোগিতা করে লায়ন্স দাতব্য চক্ষু হাসপাতাল এবং বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, চট্টগ্রাম জেলা ইউনিট। ওষুধ সরবরাহে সহযোগিতা করে এলবিয়ন ল্যাবরেটরিজ লিমিটেড।

অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন শ্রীশ্রী জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদ বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় কমিটির কার্যকরী সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব দে। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিএনপির ওয়ার্ড পর্যায়ের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শামসুল আলম। তিনি বলেন, মানুষের কল্যাণে ধর্মীয় সংগঠনগুলোর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। চিকিৎসাসেবা মানুষের মৌলিক চাহিদা। এ ধরনের বিনামূল্যের ক্যাম্প সাধারণ মানুষের জন্য বড় সহায়তা।সভাপতিত্ব করেন শ্রীশ্রী সেবাখোলা ও বৈকুন্ঠ ধামের আহ্বায়ক সলিল সেন। এছাড়া এন্টন দাশ, ইকবাল, জুয়েল শীল, বিরাজ মণি আচার্য্য ও আশীষ দাশ বক্তব্য দেন।

আলোচিত খবর

চরম বিপাকে হাজার হাজার যাত্রী শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গত ৮ দিনে এই বিমানবন্দর থেকে মধ্যপ্রাচ্যগামী ও সেখান থেকে আসা মোট ৮০টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের অস্থির যুদ্ধাবস্থায় দুবাই, আবুধাবি, শারজাহ ও দোহার এয়ারফিল্ডগুলো গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে বন্ধ রয়েছে। শনিবার নতুন করে বাতিল হয়েছে আরো ১২টি ফ্লাইট। এই টানা ৮ দিন ধরে ফ্লাইট বাতিলে চরম বিপাকে পড়েছেন হাজার হাজার যাত্রী, যাদের বড় একটি অংশ মধ্যপ্রাচ্য প্রবাসী শ্রমিক। অনেক যাত্রী দূর-দূরান্ত থেকে বিমানবন্দরে এসে ফ্লাইট বাতিলের খবর শুনে কান্নায় ভেঙে পড়ছেন।

বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি তাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে যুদ্ধাবস্থার কারণে দুবাই, আবুধাবি ও দোহার মতো গুরুত্বপূর্ণ এয়ারফিল্ডগুলো বন্ধ থাকায় এই অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং এয়ারফিল্ডগুলো খুলে দিলেই পুনরায় নিয়মিত ফ্লাইট চালু করা সম্ভব হবে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, অনেক প্রবাসী তাদের ছুটির মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার শঙ্কায় রয়েছেন। যথাসময়ে কর্মস্থলে ফিরতে না পারলে চাকরি হারানোর ভয় কাজ করছে তাদের মনে।অন্যদিকে, মধ্যপ্রাচ্য থেকে যারা দেশে ফেরার অপেক্ষায় ছিলেন, তারা সেখানের এয়ারফিল্ডে আটকা পড়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। টিকিটের টাকা ফেরত পাওয়া বা রি-শিডিউল করা নিয়ে এয়ারলাইনস অফিসগুলোতে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।

শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল জানান, শনিবার সারাদিনে ১২টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে: বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ১টি অ্যারাইভাল ও ২টি ডিপার্চার।এয়ার আরাবিয়ারের ২টি অ্যারাইভাল ও ২টি ডিপার্চার। ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ১টি অ্যারাইভাল ও ২টি ডিপার্চার। সালাম এয়ারের ১টি অ্যারাইভাল ও ১টি ডিপার্চার।
পুরো সূচি বিপর্যস্ত হলেও শনিবার সীমিত কিছু ফ্লাইট সচল রয়েছে। এর মধ্যে সালাম এয়ারের মাস্কাট-চট্টগ্রাম রুটে দুটি (ওভি-৪০১ ও ওভি-৪০২) এবং বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মদিনা (বিজি-১৩৮) ও মাস্কাট (বিজি-১২২) থেকে আসা দুটি ফ্লাইট অবতরণ করেছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ