আজঃ বুধবার ১৮ মার্চ, ২০২৬

প্রগতির পথে,জীবনের গান , সকল অশুভ শক্তির হবে অবসান

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

এই আহবানে উদীচী চট্টগ্রাম জেলা সংসদের ৫৭ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন ----

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


সাম্প্রদায়িক অপশক্তিকে প্রতিহত করার আহ্বানের মধ্য দিয়ে এবং প্রগতির লড়াইকে দৃঢ় করার দৃপ্ত শপথের মধ্য দিয়ে উদীচীর ৫৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত হয়েছে। বুধবার, সন্ধ্যা ৭ টায়,উদীচী চট্টগ্রাম জেলা সংসদের আয়োজনে জেলা শিল্পকলা একাডেমী প্রাঙ্গনে জাতীয় সংগীত ও সংগটন সংগীত পরিবেশনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়।উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর বর্তমান এবং সাবেক শিল্পীকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীদের অংশগ্রহণে এক আনন্দময় পরিবেশের সৃষ্টি হয় জেলা শিল্পকলা একাডেমির গ্যালারী প্রাঙ্গন।

কথামালায় অংশ নিয়ে অতিথি এবং শিল্পীকর্মীরা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় প্রতিবাদী উচ্চারণ করেন,এবং গানের সুরে, কবিতার ছন্দে ও কথনে ব্যক্ত করেন সাংস্কৃতিক শক্তি দিয়ে অশুভ শক্তিকে রুখে দেওয়ার প্রত্যয়। প্রগতির পথে জীবনের জয়গান গেয়ে সকল শোষিত নিপীড়িত মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াইকে বেগবান করার দৃপ্ত ধ্বনি উচ্চারিত হয়। আলোচনা হতে।

কথামালায় সভাপতিত্ব করেন উদীচী কেন্দ্রীয় সংসদের সহ সভাপতি ও চট্টগ্রাম জেলা সভাপতি বিশিষ্ট সাংবাদিক ও, প্রাবন্ধিক জসীম চৌধুরী সবুজ। উদীচী চট্টগ্রাম জেলা সংসদের সহ সাধারন সম্পাদক জয়তী ঘোষের সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন উদীচী চট্টগ্রাম জেলা সংসদের সাধারন সম্পাদক এডভোকেট অসীম বিকাশ দাশ।আলোচনায় অংশ নেন বিশিষ্ট নাট্যকার লেখক ও কবি অভীক ওসমান,, প্রবীন নারীনেত্রী নুরজাহান খান, দৃষ্টি’র উপদেষ্টা বৃজেট,ডায়েস, জেলা শিল্পকলা একাডেমির কালচারাল অফিসার সৈয়দ আয়াজ মাবুদ,

আবৃতি সংগঠন প্রমার সভাপতি রাশেদ হাসান, কবি ও প্রকাশক মুহাম্মদ নুরুল আবসার, খেলাঘর সংগঠক ওসমান গনি চৌধুরী বাবুল, গ্রুপ থিয়েটার ফোরাম এর সভাপতি সুচরিত দাশ খোকন, গ্রুপ থিয়েটার ফোরাম সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম, খেলাঘর চট্টগ্রাম মহানগরী কমিটির সাধারন সম্পাদক মোরশেদুল আলম,স্বরলিপি সাংস্কৃতিক ফোরামের সভাপতি মানস শেখর,উদীচী বোয়ালখালী উপজেলার সাধারণ সম্পাদক মৃত্যুঞ্জয় দাশ প্রমুখ।


সাংস্কৃতিক পর্বে একক, এবং দলীয়ভাবে সংগীত পরিবেশন করেন উদীচী চট্টগ্রাম জেলা সংসদের শিল্পীকর্মীরা।আমন্ত্রিত সংঘটন হিসেবে সংগীত ও আবৃত্তি পরিবেশন করেন স্বরলিপি সাংস্কৃতিক ফোরাম ও প্রমা আবৃত্তি সংগঠন।


আলোচনা সভায় অংশ নিয়ে বক্তারা বলেন,সত্য ও সুন্দরের আকাঙ্খাকে ধারণ করে ১৯৬৮ সালের ২৯ অক্টোবর উদীচীর যাত্রা শুরু হয়। এরপর সংস্কৃতির সেই জাগরিত শক্তি দিয়ে অব্যাহত রয়েছে মুক্ত মানুষের মুক্ত পৃথিবী গড়ার সংগ্রাম। কালের পরিক্রমায় সংগ্রামী সেই সাংস্কৃতিক অভিযাত্রার ৫৬ বছর পূর্ণ করলো ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক সংগঠন উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী। দীর্ঘ পথচলার আনন্দে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে সংগঠনের কর্মীদের মাঝে বয়ে যায় প্রাণের উচ্ছ্বাস।
সেই উচ্ছ্বাসের সঙ্গে ছিল অপশক্তির বিরুদ্ধে জ্বলে ওঠার সংগ্রামী প্রকাশ।

বক্তারা বলেন,- মুক্তমত ও সংস্কৃতিচর্চার অবাধ পরিবেশ নিশ্চিত করে বাহাত্তরের সংবিধানের মূলনীতির ভিত্তিতে দেশ পরিচালনা করতে হবে। সারাদেশে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও মূল্যবোধসম্পন্ন সাংস্কৃতিক বলয় কেন্দ্র  গড়ে তুলতে হবে। উন্নয়নের নামে প্রাণ-প্রকৃতি ধ্বংসকারী সকল প্রকল্প বাতিল ও উচ্ছেদ বন্ধ করতে হবে, সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিল্পকলাবিষয়ক কর্মকান্ড বৃদ্ধি করতে হবে। সাম্প্রদায়িকীকরণ বন্ধ এবং বিভেদ, বিদ্বেষ ও ঘৃণা সৃষ্টিকারী লেখা ও উপাদান পাঠ্যপুস্তক থেকে তুলে নিতে হবে।

বক্তারা আরও বলেন, সাম্য, স্বাধীনতা, অর্থনৈতিক মুক্তি এবং মানবিক সমাজ নির্মাণে উৎসর্গিত লাখো লাখো মানুষের রক্তস্নাত এই দেশের মানুষের লড়াই এখনও বিদ্যমান।

উদীচীর লক্ষ্য মেহনতি মানুষের শোষণ-বঞ্চনা, দুঃখ-দুর্দশা এবং অধিকার সম্পর্কে গণসংগীতের মাধ্যমে মানুষকে সচেতন করা। উদীচী মূলত গণসংগীতের সংগঠন হিসেবেই পরিচিত। এসব গানে থাকে শোষণের স্বরূপ উদ্ঘাটন, শোষকের স্বরূপ ও শোষণমুক্তির আন্দোলনের প্রেরণা। কৃষকের প্রয়োজনীয় উপকরণ আর পণ্যের ন্যায্যমূল্য, শ্রমিকের মজুরি, নিরন্ন মানুষের ভাতের দাবি সুরে-শব্দে উঠে এসেছে উদীচীর গানে, শিল্পীদের প্রতিবাদী কণ্ঠে। অধিকার আদায়ের আন্দোলনে নিপীড়িতকে উজ্জীবিত ও সংঘবদ্ধ করেছে উদীচী তার গণসংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে।


এই গণসংগীতের বাণী যেন সাধারণ জনতার জন্য সহজবোধ্য হয়, সে বিষয়ে বিশেষ দৃষ্টি দেওয়া হয়ে থাকে। গণ-মানুষের অধিকার আদায়ের গান তাঁদের প্রাণ স্পর্শ করতে পারলেই তা সার্থক হবে।

বাংলার চিরায়ত সুর আজ রুদ্ধ। ধর্মান্ধতার মাস্তানীর কাছে গুমরে কাঁদছে সম্প্রীতির বাংলাদেশ। সাংস্কৃতিক শক্তি দিয়েই পরাভূত করতে হবে এই অপশক্তিকে। রুখে দিতে হবে অপশক্তির অপতৎপরতা। বিনির্মাণ করতে হবে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত সম্প্রীতির বাংলাদেশ।
বার্তা প্রেরক
ভাস্কর ধর।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রমে আত্মসমর্পণকারী ১২৭ জন জলদস্যুর মাঝে র‌্যাবের ঈদ উপহার।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষ্যে আত্মসমর্পণকারী ১২৭ জন সাবেক জলদস্যুর মাঝে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ করেছে র‌্যাবের চট্টগ্রাম ইউনিট। বুধবার চট্টগ্রাম ইউনিটের সদর দপ্তর পতেঙ্গা এলিট হলে র‌্যাব মহাপরিচালকের পক্ষ থেকে মহেশখালী, কুতুবদিয়া, বাঁশখালী ও পেকুয়া উপকূলীয় অঞ্চলের আত্মসমর্পণকারী ব্যক্তিদের মাঝে এসব উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয়।একইসঙ্গে তাদের বর্তমান জীবনযাপন নিয়ে এক মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।

র‌্যাব জানায়, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই সংস্থাটি অপরাধ দমন ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে কাজ করে আসছে। বিশেষ করে চট্টগ্রাম অঞ্চলে অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী, ডাকাত, চাঁদাবাজ, খুনি ও মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে সফলতা অর্জন করেছে র‌্যাব। র‌্যাবের ধারাবাহিক অভিযানে ২০১৮ ও ২০২০ সালে ৭৭ জন এবং ২০২৪ সালে আরও ৫০ জন জলদস্যু আত্মসমর্পণ করে। আত্মসমর্পণের পর তাদের পুনর্বাসনে বিভিন্ন সহায়তা প্রদান করা হলে তারা স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসে বলে জানায় সংস্থাটি। অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম র‌্যাবের কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হাফিজুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় আত্মসমর্পণকারী ব্যক্তিরা র‌্যাবের কল্যাণমূলক উদ্যোগে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং অপরাধমুক্ত স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে পারার জন্য কৃতজ্ঞতা জানান। তারা ভবিষ্যতে সৎ ও শান্তিপূর্ণ জীবনযাপন অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

ডিসির নির্দেশে যন্ত্রপাতি বিক্রি করে শ্রমিকদের ১৬ লাখ টাকা পরিশোধ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার হস্তক্ষেপে অবশেষে নগরের বায়েজিদ এলাকার একটি পোশাক কারখানার শ্রমিকদের বকেয়া বেতন পরিশোধ করা হয়েছে। জেপি সনেট লিমিটেডের মালিকপক্ষ বুধবার (১৮ মার্চ) কারখানার যন্ত্রপাতি বিক্রি করে প্রায় ১৬ লাখ টাকা শ্রমিকদের মধ্যে বিতরণ করতে বাধ্য হয়েছে।

জানা যায়, ডিসির নির্দেশে কারখানার যন্ত্রপাতি তাৎক্ষণিকভাবে ১৬ লাখ টাকায় বিক্রি করে মালিকপক্ষ। জেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে ভোরে সেই অর্থ শ্রমিকদের মধ্যে বিতরণ করা হয়।কারখানার মালিকপক্ষের প্রতিনিধি সজিব দাস বলেন, আমরা বিভিন্নভাবে টাকা জোগাড় করার চেষ্টা করেছি। কিন্তু ব্যর্থ হয়ে শেষ পর্যন্ত যন্ত্রপাতি বিক্রি করেই শ্রমিকদের বকেয়া পরিশোধ করতে হয়েছে।
তিনি জানান, জেলা প্রশাসনের উপস্থিতিতে শ্রমিক ও মালিকপক্ষের মধ্যে সমঝোতা হওয়ায় কোনো ধরনের ভাঙচুর বা অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।কারখানার সিনিয়র অপারেটর মো. মনির হোসেন বলেন, ডিসি স্যার প্রথমে নিজে টেলিফোনে সব পক্ষের সঙ্গে কথা বলেন।তিনি অচলাবস্থা সার্বক্ষণিকভাবে অফিসারদের মাধ্যমে মনিটরিং করেন। এছাড়া তিনি মালিকপক্ষকে সতর্ক করে দেন—প্রয়োজনে যন্ত্রপাতি বিক্রি করে হলেও বকেয়া পরিশোধ করতে হবে, না হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এরপরই মালিকপক্ষ তালবাহানা বন্ধ করে।

শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের বায়েজিদ থানার সভাপতি মো. জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, শ্রমিক অসন্তোষের খবর পেয়ে তিনি স্থানীয় থানায় গিয়ে পুলিশ পাঠানোর অনুরোধ করেন এবং উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে জেলা প্রশাসনকে অবহিত করেন।তিনি বলেন, ডিসি স্যার হস্তক্ষেপ না করলে ঈদের আগে শ্রমিকরা তাদের পাওনা পেতেন না।

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্লাবন কুমার বিশ্বাস জানান, প্রতিষ্ঠানটির বকেয়া পরিশোধের সক্ষমতা ছিল না। জেলা প্রশাসক স্যারের নির্দেশে আমরা যন্ত্রপাতি ও স্টক মালামাল বিক্রির ব্যবস্থা করি। প্রথমে ক্রেতা গড়িমসি করলেও ডিসি স্যার কঠোর অবস্থান নেওয়ায় তিনি রাজি হন। রাত ১২টার দিকে সমঝোতা হয় এবং ভোর ৬টায় পুরো টাকা পরিশোধ করা হয়।

চট্টগ্রাম কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের উপমহাপরিদর্শক মোহাম্মদ মাহবুবুল হাসান বলেন, আমাদের ক্ষমতার সীমাবদ্ধতা আছে। তবে জেলা প্রশাসকের সক্রিয় ভূমিকার কারণে মালিকপক্ষ বাধ্য হয়েছে বকেয়া পরিশোধ করতে। জেলা প্রশাসক বারবার খোঁজ নিয়েছেন এবং স্পষ্টভাবে নির্দেশ দিয়েছেন—শ্রমিকদের বেতন পরিশোধ নিশ্চিত করতে হবে।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, ঘটনাটি জানার সঙ্গে সঙ্গেই একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে কারখানায় সার্বক্ষণিকভাবে মোতায়েন করা হয়। ঈদের আগে তিন মাসের বেতন বকেয়া এবং শ্রমিকদের দুর্দশার কথা বিবেচনা করে যন্ত্রপাতি বিক্রি করার মতো কঠোর নির্দেশ দিতে হয়েছে।

জানা গেছে, কয়েক মাসের বকেয়া বেতন-ভাতা নিয়ে সৃষ্ট এই শ্রম অসন্তোষের সূত্রপাত হয় গত ১৪ মার্চ, যখন প্রায় ১৩০ জন শ্রমিক তিন মাসের বেতন-ভাতার দাবিতে কারখানার ভেতরে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলে ১৬ মার্চ জেলা প্রশাসন, মালিকপক্ষ, শ্রমিক প্রতিনিধি, শিল্প পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের উপস্থিতিতে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে মালিকপক্ষ যন্ত্রপাতি বিক্রির মাধ্যমে বকেয়া পরিশোধের লিখিত অঙ্গীকার করে।

তবে নির্ধারিত সময় পেরিয়ে ১৭ মার্চ রাত পর্যন্ত সেই অঙ্গীকার বাস্তবায়ন না হওয়ায় শ্রমিকদের মধ্যে অসন্তোষ বাড়তে থাকে। নারী শ্রমিকসহ অনেকে কারখানায় অবস্থান অব্যাহত রাখেন। সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, মালিকপক্ষ সময়ক্ষেপণ করছিল। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জেলা প্রশাসন দ্রুত ব্যবস্থা নেয়। পরে ১৮ মার্চ ভোরে যন্ত্রপাতি বিক্রির মাধ্যমে প্রায় ১৬ লাখ টাকা পরিশোধ করা হয়। এর আগে মোট পাওনার মধ্যে ১ লাখ টাকা আংশিক পরিশোধ করা হয়েছিল।জেলা প্রশাসন জানায়, শ্রমিকদের পাওনা নিশ্চিত করতে মালিকপক্ষ, ক্রেতা ও শ্রমিক প্রতিনিধিদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখা হয়েছিল এবং প্রশাসনের উপস্থিতিতেই অর্থ বিতরণ সম্পন্ন হয়।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ