আজঃ বুধবার ২৫ মার্চ, ২০২৬

চব্বিশের গণ অভ্যুত্থানের জাতীয় ঐক্য সমুন্নত রাখতে হবে : এবি পার্টির জনসমাবেশ

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-৯ (কোতোয়ালী ডবলমুরিং চান্দগাঁও) আসনে আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি) হতে মনোনয়নপ্রাপ্ত প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা হায়দার আলী চৌধুরীর সমর্থনে বৃহস্পতিবার বিকেলে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সামনে জনসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সহ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা লায়ন হায়দার আলী চৌধুরীর সভাপতিত্বে উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন এবি পার্টি’র কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান ও চট্টগ্রাম-৮ আসনে মনোনয়নপ্রাপ্ত এড. গোলাম ফারুক। তিনি বলেন, আমার বাংলাদেশ পার্টি চব্বিশের গণ অভ্যুত্থানের অন্যতম প্রধান নেতৃত্বকারী দল।

প্রধান অতিথি ছিলেন, এবি পার্টি’র কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান ও চট্টগ্রাম-৫ আসনে মনোনয়নপ্রাপ্ত লে. কর্নেল (অব.) দিদারুল আলম। তিনি বলেন, জাতি অতীতের মিথ্যা আশ্বাস প্রদানকারী চাঁদাবাজি লুটপাট ও ফ্যাসিবাদী রাজনীতিকে চব্বিশের গণ অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছে। সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের পরিবেশ থাকলে ভোটাররা এবি পার্টি-র প্রতীক ঈগল মার্কার প্রার্থীদেরকেই ভোট প্রদান করবেন। এবি পার্টি বহু যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে সৎ, যোগ্য, মেধাবী ও জননন্দিত প্রার্থীদেরকেই মনোনয়ন দিয়েছে।

কেন্দ্রীয় কমিটির বিদ্যুৎ ও খনিজ সম্পদ বিষয়ক সম্পাদক ও চট্টগ্রাম-১১ আসনে মনোনয়নপ্রাপ্ত ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ লোকমান বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বলেন, চট্টগ্রামের এই বিশাল সমাবেশ প্রমাণ করেছে, এবি পার্টি রাজনৈতিক অঙ্গনে নবাগত হলেও প্রার্থীদেরকে খাটো করে দেখার কোন সূযোগ নাই।

কেন্দ্রীয় কমিটির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও জাতীয় নির্বাচন ব্রান্ডিং সমন্বয়ক ছিদ্দিকুর রহমান বিশেষ আলোচকের বক্তব্যে বলেন, ১৪০০ শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত দ্বিতীয় স্বাধীনতা লাভের কারণেই ফ্যাসিস্টমুক্ত বাংলাদেশে জনগণ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তাদের পছন্দের প্রার্থীকে বিজয়ী করতে পারবেন।

এবি পার্টি চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির সদস্য সচিব ও চট্টগ্রাম-১০ আসনে মনোনয়নপ্রাপ্ত এড. সৈয়দ আবুল কাশেম বিশেষ আলোচকের বক্তব্যে বলেন, আমাদেরকে যে কোন মূল্যে চব্বিশের গণ অভ্যুত্থানের জাতীয় ঐক্য সমুন্নত রাখতে হবে। সভাপতির ভাষণে বীর মুক্তিযোদ্ধা লায়ন হায়দার আলী চৌধুরী বলেন, চট্টগ্রাম-৯ আসনে নির্বাচিত হতে পারলে স্বাধীনতা পরবর্তী ৫৪ বছর যাবত অবহেলা বঞ্চনায় জর্জরিত বৃহত্তর বাকলিয়া, চাক্তাই, খাতুনগঞ্জ, টেরিবাজারসহ চট্টগ্রাম-৯ আসনের সমূদয় এলাকায় মেঘা প্রকল্প প্রণয়নের মাধ্যমে আধুনিক নগরীতে পরিণত করবেন।

মহানগর এবি পার্টি-র যুগ্ম সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার জায়েদ হাসানের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন, খাগড়াছড়ি এবি পার্টর আহ্বায়ক ও খাগড়াছড়ি আসনে মনোনয়নপ্রাপ্ত প্রার্থী বেগম ফারজানা আলম, এবি পার্টির নেতা শহীদুল ইসলাম বাবুল, চট্টগ্রাম মহানগর এবি যুব পার্টির সদস্য সচিব জাবেদ ইকবাল প্রমূখ। এর আগে এক র‌্যালী কয়েকটি সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

কুতুবদিয়ায় ঈদ উপলক্ষে বাতিঘর সী-বীচে প্যাডেল বোট ও কায়াকিং বোটের শুভ উদ্বোধন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কক্সবাজারের কুতুবদিয়া দ্বীপে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বাতিঘর সী-বীচে প্যাডেল বোট ও কায়াকিং বোটের শুভ উদ্বোধন করেন স্থানীয় দক্ষিণ ধূরুং ইউপি চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন আল আজাদ। ২০ মার্চ, বিকালে জনসাধারণ নিয়ে উদ্বোধন করেন। এ উদ্যোগে স্থানীয় পর্যটন শিল্পে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। সমুদ্র উপকূলে পর্যটকদের জন্য নতুন এই বিনোদন সুবিধা চালুর প্রশংসা করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ইউপি সদস্য মো: ফোরকান, কুতুবদিয়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হাসান কুতুবী, সাংবাদিক ও পর্যটন সংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তারা উপস্থিত ছিলেন।

স্থানীয় দক্ষিণ ধূরুং ইউপির চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন আল আজাদ বলেন, এই উদ্যোগের ফলে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের আকর্ষণ বাড়বে এবং কুতুবদিয়ার পর্যটন খাত আরও সমৃদ্ধ হবে। একই সঙ্গে স্থানীয় যুবকদের জন্য কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর কুতুবদিয়ার বাতিঘর সী-বীচ ইতোমধ্যে পর্যটকদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। নতুন এই বোট সার্ভিস চালুর মাধ্যমে এলাকাটির আকর্ষণ আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

উদ্বোধনের পরপরই পর্যটকরা প্যাডেল বোট ও কায়াকিং বোটে চড়ে সাগরের মনোরম পরিবেশ উপভোগ করেন। আয়োজকরা জানান, পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
পরে ইফতার ও মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান সমাপ্তি হয়।

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দিরা ঈদুল ফিতরের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারবেন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দিরা ঈদুল ফিতরের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারবেন। কারা কতৃপক্ষ জানিয়েছেন -বন্দিদের ঈদের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলার সুযোগ দেয়া হবে। এর পাশাপাশি রয়েছে বিশেষ খাওয়া দাওয়ার আয়োজন।এছাড়া বাড়ি থেকে পাঠানো খাবার খাওয়ার সুযোগ মিলছে বলে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার সৈয়দ শাহ্ শরীফ জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, প্রতিবছরের মত এবারও ঈদের দিন সকালে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। ঈদের দিন সকালে বন্দিদের জন্য থাকছে পায়েস ও মুড়ি। আর দুপুরে থাকবে পোলাও, গরু অথবা খাসি, সালাদ, মিষ্টি, পান-সুপারি। আর রাতের বেলায় সাদা ভাত, আলুর দম ও রুই মাছের আয়োজন করা হয়েছে।

জেলার শাহ্ শরীফ আরো জানান-এছাড়া ঈদের পরদিন বন্দিরা বাড়ি থেকে পাঠানো খাবার খাওয়ার সুযোগ পাবেন। ঈদের দিন থেকে তিন দিন বন্দিরা স্বজনদের সাথে পাঁচ মিনিট করে টেলিফোনে এবং একবার স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাত করতে পারবেন।

সাধারণ সময়ে হাজতিরা মাসে দুই বার এবং কয়েদীরা মাসে একবার করে স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পেলেও ঈদের সময় বিশেষ ভাবে সাক্ষাতের সুযোগ পাবেন।একই ভাবে ১০ টাকার বিনিময়ে মাসে দুই বার স্বজনদের সাথে টেলিফোনে ১০ মিনিট কথা বলার সুযোগ পান বন্দীরা। তবে ঈদে বিনামূল্যে পাঁচ মিনিট করে কথা বলার সুযোগ পাবেন।বর্তমানে কারাগারে হাজতি ও কয়েদী মিলে পাঁচ হাজার ৮৫৮ জন বন্দি রয়েছেন।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ