আজঃ বৃহস্পতিবার ১৯ মার্চ, ২০২৬

নেত্রকোণায় ব্রি ধান১১০-এর বাম্পার ফলন

মোঃ নূর উদ্দিন মন্ডল দুলাল নেত্রকোণা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নেত্রকোণার কলমান্দায় বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) কর্তৃক উদ্ভাবিত ধানের নতুন জাত ব্রি ধান১১০-এর শস্য কর্তন ও মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (০১ নভেম্বর ২০২৫) সকালে নতুন ০৬ টি আঞ্চলিক কার্যালয় স্থাপনের মাধ্যমে স্থানভিত্তিক ধানের নতুন জাত ও প্রযুক্তি উদ্ভাবন এবং বিদ্যমান গবেষণাগার উন্নয়ন (এলএসটিডি) প্রকল্পের অর্থায়নে ও ব্রি, আঞ্চলিক কার্যালয়, নেত্রকোণার আয়োজনে উপজেলার রংছাতি ইউনিয়নের কেবলপুর গ্রামে কৃষক মোখশেদ আলীর আঙিনায় উক্ত মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়।

ব্রি, নেত্রকোণার বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা এবং প্রধান মোঃ খালিদ হাসান তারেক-এর সঞ্চালনায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রকল্পের প্রণয়ণকারী ও পরিচালক ড. মোঃ আনোয়ার হোসেন। সভার সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, খামারবাড়ি, নেত্রকোণার উপপরিচালক মোঃ আমিরুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ সাইফুল ইসলাম, এলএসটিডি প্রকল্পের বিজ্ঞানী মোঃ খালিদ হাসান সৌরভ, মোঃ রবিন ইসলাম সহ উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান ভুঁইয়া প্রমুখ। এছাড়াও ব্রি, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট কৃষি বিভাগের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ স্থানীয় শতাধিক কৃষক-কৃষাণী উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে উপস্থিত অতিথি ও কৃষক-কৃষাণীদের নিয়ে শস্য কর্তন অনুষ্ঠিত হয়। পরে তা মাড়াই করে উপস্থিতির সামনে পরিমাপ করে বিঘাপ্রতি ২২-২২.৫ মণ ফলন পাওয়া যায়। ফলনে ব্যাপক উচ্ছাস প্রকাশ করেন কৃষকগণ।

উল্লেখ্য, ব্রি ধান১১০ ও ব্রি ধান৫১ আকস্মিক বন্যা সহিষ্ণু জাত। উক্ত অঞ্চল সীমান্তবর্তী হওয়ায় সাম্প্রতিক সময়ে আকস্মিক বন্যায় কৃষকগণ যখন নতুন জাতের প্রত্যাশায় ছিলেন, তখন ব্রি, নেত্রকোণার প্রধান মোঃ খালিদ হাসান তারেক এই অঞ্চলে বন্যা সহিষ্ণু জাতসমূহের প্রাযোগিক পরীক্ষণ স্থাপন করেন। মূলত দ্বিফসলি উক্ত ফসলের মাঠকে ত্রিফসলিতে রুপান্তর করতে স্বল্পমেয়য়াদি িএ জাত স্থাপন করেন তিনি। পরে স্বল্প মেয়াদি সরিষা চাষের পর পুণরায় বোরো ধান রোপণে উপযোগী করতেই ব্রি, নেত্রকোণার এ প্রয়াস।
উপকারভোগী কৃষক মোখশেদ জানিয়েছেন, আমি ধান গবেষণার প্রতি কৃতজ্ঞ। বন্যায় আমার জমি ১০ দিন ডুবে থাকার পরও কাঠা প্রতি (৮ শতাংশ) ৫.৫ মণ ফলন পেয়েছি, যা বোরো মৌসুমেও সাধারণত পাওয়া যায়না। আমি উক্ত জমির সকল ধান বীজ ভবিষ্যতের জন্য সংরক্ষণ করব। স্থানীয় কৃষকরা যাতে আর আকস্মিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ না হয় সেজন্য বীজ তাদেরকে সরবরাহ করব।

বিজ্ঞানী ড. আনোয়ার হোসেন জানান, এলএসটিডি প্রকল্পের উদ্দেশ্যই হলো স্থানীয় আবহাওয়া, মাটির ধরণ ও জলবায়ুর সাথে সামঞ্জস্য রেখে প্রযুক্তি উদ্ভাবন এবং তা মাঠ পর্যায়ে এর প্রচলন করা। এরই ধারাবাহিকতায় এবারই প্রথম আমন মৌসুমে কলমান্দার মতো সীমান্ত অঞ্চলে এমন নতুন একটি জাতের প্রযুক্তি স্থাপন করা হয়েছে। কৃষকের সাফল্যে আমরা বিজ্ঞানীরাও আনন্দিত।
পরে বিকেলে প্রকল্প অফিস পরিদর্শন শেষে জেলা শহরের ছোটগাড়ায় ব্রি ধান৮৭ জাতের একটি মাঠ দিবস ও শস্য কর্তন অনুষ্ঠানে যোগ দেন পিডি ড. আনোয়ার হোসেন। কার্যালয়ের কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি এবং এ ধারা বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় সকল বিষয়ের প্রতি লক্ষ্য রাখবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ঈদ জামাত সকাল ৮টায়, প্রস্তুত চট্টগ্রামের জমিয়তুল ফালাহ ময়দান :চসিক মেয়র

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঈদ-উল-ফিতরের কেন্দ্রীয় জামাত উপলক্ষে চট্টগ্রামের জমিয়তুল ফালাহ ঈদগাহ ময়দান সম্পূর্ণ প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। বুধবার জমিয়তুল ফালাহ মসজিদ প্রাঙ্গণ পরিদর্শনকালে তিনি এ কথা বলেন। পরিদর্শনকালে মেয়র নগরবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানান এবং রমজানের শিক্ষাকে হৃদয়ে ধারণ করে চট্টগ্রামের উন্নয়নে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন- ইসলামিক ফাউন্ডেশন চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক মোস্তফা মনসুর আলম খান, চসিকের জনসংযোগ ও প্রটোকল কর্মকর্তা আজিজ আহমদ, নির্বাহী প্রকৌশলী আনু মিয়া, মেয়রের একান্ত সহকারী জিয়াউর রহমান জিয়া এবং সমাজকল্যাণ ও সংস্কৃতি কর্মকর্তা মামুনুর রশীদ।

পরিদর্শনকালে মেয়র বলেন, প্রায় ৬৫ হাজার বর্গফুট এলাকাজুড়ে বিশাল প্যান্ডেল নির্মাণ করা হয়েছে এবং নিচে কার্পেটিংয়ের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। বৃষ্টির সম্ভাবনা মাথায় রেখে ওপরে টারপলিন দেওয়া হয়েছে, যাতে আবহাওয়া প্রতিকূল হলেও ঈদের জামাতে কোনো বিঘ্ন না ঘটে। এছাড়া প্রায় ২৫০টি পাখা, পর্যাপ্ত আলোকসজ্জা, ৫০টি মাইক এবং সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে গত সাত দিন ধরে চসিকের উদ্যোগে এসব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে, যাতে মুসল্লিরা নির্বিঘ্নে ও স্বাচ্ছন্দ্যে নামাজ আদায় করতে পারেন।

ডা. শাহাদাত বলেন, প্রতিবছরের মতো এবারও প্রায় ২০ থেকে ২৫ হাজার মুসল্লি এই কেন্দ্রীয় জামাতে অংশ নেবেন বলে আশা করা হচ্ছে। অতিরিক্ত মুসল্লির কথা বিবেচনায় রেখে দুটি জামাতের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে-প্রথম জামাত সকাল ৮টায় এবং দ্বিতীয় জামাত সকাল ৮টা ৪৫ মিনিটে অনুষ্ঠিত হবে।তিনি আরও বলেন, মুসল্লিদের নির্বিঘ্ন প্রবেশ ও বের হওয়ার জন্য তিনটি গেট খোলা রাখা হবে, পাশাপাশি পেছনের গেটটিও ব্যবহারের উপযোগী করা হচ্ছে, যাতে কোনো ধরনের ভিড় বা হুড়োহুড়ি না হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ বাহিনীর জন্য বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

নগরীর সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে মেয়র বলেন, চট্টগ্রামকে একটি নিরাপদ ও বাসযোগ্য নগরীতে পরিণত করতে চসিক ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সমন্বিতভাবে কাজ করছে। অপরাধ দমনে চট্টগ্রাম মেট্টোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) সঙ্গে নিয়মিত সমন্বয় চলছে এবং নগরের বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। তিনি বলেন, গত ১৬ মাসে চট্টগ্রামে সব ধর্ম ও বর্ণের মানুষের মধ্যে একটি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির পরিবেশ তৈরি হয়েছে, যা একটি ‘সেফ সিটি’ বা নিরাপদ নগরী গড়ার জন্য অত্যন্ত জরুরি।

মাঠ পরিদর্শনকালে মেয়র আরো বলেন, প্রথম ও প্রধান জামাতে ইমামতি করবেন জমিয়াতুল ফালাহ জাতীয় মসজিদের খতিব আলহাজ্ব সৈয়দ আবু তালেব মোহাম্মদ আলাউদ্দীন আল কাদেরী এবং দ্বিতীয় জামাতে ইমামতি করবেন মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা মোহাম্মদ আহমদুল হক আল কাদেরী।এছাড়া নগরীতে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের তত্ত্বাবধানে সকাল ৮টায় ঈদ জামাতের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে যথাক্রমে লালদীঘি চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন শাহী জামে মসজিদ, হযরত শেখ ফরিদ (রঃ) চশমা ঈদগাহ মসজিদ, সুগন্ধা আবাসিক এলাকা জামে মসজিদ, চকবাজার সিটি কর্পোরেশন জামে মসজিদ, জহুর হকার্স মার্কেট জামে মসজিদ, দক্ষিণ খুলশী (ভিআইপি) আবাসিক এলাকা জামে মসজিদ, আরেফীন নগর কেন্দ্রীয় কবরস্থান জামে মসজিদ, সাগরিকা গরুবাজার জামে মসজিদ এবং মা আয়েশা সিদ্দিকী চসিক জামে মসজিদ (সাগরিকা জহুর আহমদ চৌধুরী স্টেডিয়াম সংলগ্ন)।

চট্টগ্রাম কারাগারে ঈদের হাসি ফোটাতে নানা উদ্যেগ, বন্দীরা আপ্যায়িত হবে বিশেষ খাবারে ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঈদে কারাবন্দীদের মুখে হাসি ফোটাতে নানা উদ্যোগ নিয়েছে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার কর্তৃপক্ষ। প্রায় ছয় হাজার বন্দীদের মাঝে কারাগার কর্তৃপক্ষ ছড়িয়ে দিতে চায় ঈদের আনন্দ। ঈদের দিন কারাগারে স্বজনদের কাছে ছুটলেও চার দেয়ালের বাইরে যাবার সুযোগ নেই কারাবন্দীদের। সরকারি নিয়মীতির মধ্যে থেকেই দেখা করতে হয়। এবার ঈদে কারাগারে বন্দীদের পায়েস, মুড়ি, গরুর ও ছাগলের মাংসের ব্যবস্থা থাকবে। তবে ঈদের পরদিন স্বজনরা বাসায় রান্না করা খাবার দিতে পারবেন বন্দীদের। বাহিরের কোন বাবুচি নয়, কারাবন্দী কয়েদীরা এই রান্না করবেন বলে জানা গেছে। এবার কারাবন্দী মায়ের সাথে ৪৫ শিশুও ঈদ করবে বলে জানা গেছে।

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার সৈয়দ শাহ শরীফ জানান, বিধি অনুযায়ী আমরা সর্বাত্মক চেষ্টা করছি ঈদে যেন বন্দীদের মন খারাপ না থাকে। ঈদ উপলক্ষে বিশেষ রান্নার আয়োজন করা হবে কারাগারে। কারাগারের ভেতরে অনুষ্ঠিত হবে ঈদের জামাত। সকাল সাড়ে সাতটায় কারাগারে কর্মরত অফিসার ও কর্মচারীরা নামাজ পড়বেন।

সাড়ে আটটায় অনুষ্ঠিত হবে বন্দীদের ঈদের নামাজ। সকালে বন্দীদের সরবরাহ করা হবে পায়েস, মুড়ি। দুপুরে মুসলিম বন্দীদের জন্য গরুর মাংস। অন্য ধর্মালম্বীদের জন ছাগলের মাংসের ব্যবস্থা থাকবে। এছাড়া সবার জন্য থাকবে মুরগির মাংস ও মিষ্টি। রাতে পোলাও এবং পান সুপারির ব্যবস্থা করা হয়েছে। ঈদের পরদিন স্বজনরা বাসায় রান্না করা খাবার দিতে পারবেন বন্দীদের।
কারগারসূত্রে জানা যায়, চট্টগ্রাম কে›ন্দ্রীয় কারাগারে সাজা, মত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ও হাজতি মিলে বন্দীর সংখ্যা ছিলো প্রায় ছয় হাজার। সেই হিসেবে প্রায় ছয় হাজার বন্দী এবার চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে ঈদ উদযাপন করবেন।

বিপুল সংখ্যাক বন্দীর জন্য কারাগারে উন্নত খাবারের রান্নার আয়োজন করা হয়েছে। করা হয়েছে বাহারি আলোকসজ্জা। ইচ্ছে করলেও কারাবন্দীরা সারাবছর ঘরে রান্নার স্বাদ নিতে পারেন না। তবে ঈদের পরদিন স্বজনরা চাইলে বাড়ির রান্না করা খাবার দিতে পারবেন বন্দীদের।
জানা গেছে, ১৮৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত চট্টগ্রাম কারাগার ১৯৯৯ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর কেন্দ্রীয় কারাগারে উন্নীত হয়। কারাগারের পাঁচ তলা বিশিষ্ট পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা ভবনের প্রতিটিতে ৩০০ জন ও কর্ণফুলী, সাংগু ও হালদা ভবনের প্রতিটিতে ২৪০ জন বন্দী ধারণক্ষমতা সম্পন্ন। পাঁচ কক্ষ বিশিষ্ট দুটি ফাঁসির সেল ভবন, ৩২ কক্ষ বিশিষ্ট একটি সেল ভবন রয়েছে।

এবার পেশাদার কোন বাবুর্চি নয়, কারাবন্দী কয়েদীরা ২৮ চুলায় এসব রান্না তৈরি করবেন। বন্দীদের রান্নার জন্য দুটি রান্না ঘরে ২৮টি চুলা (চৌকা) রয়েছে। এছাড়া চারতলা বিশিষ্ট একটি মহিলা কয়েদি ও দুই তলা বিশিষ্ট মহিলা হাজতি ব্যারাক রয়েছে দুটি। কাগজে কলমে দুই হাজার ২’শ ৪৮ জন বন্দীর ধারণক্ষমতা সম্পন্ন চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দীর সংখ্যা ছিল প্রায় ছয় হাজার। এদিকে কোন অপরাধ না করেও কারাগারে বন্দী রয়েছে ৪৫ শিশু। নানা অপরাধে জড়িত কারাবন্দী মায়ের সাথে শিশুরাও বন্দী জীবনযাপন করছে। জেলার সৈয়দ শাহ শরীফ জানান, বন্দী মায়ের সাথে শিশুদের ছয় বছর বয়স পর্যন্ত কারাগারে রাখা হয়। কারাগারে থাকা শিশুদের জন্য খেলাধূলা ও পড়াশোনার ব্যবস্থা রয়েছে। ছয় বছর বয়স পার হলেও তাদেরকে সমাজ সেবার আওতাধীন বিভিন্ন শিশু সদনে পাঠানো হয়।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ