আজঃ মঙ্গলবার ১৭ মার্চ, ২০২৬

চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড কর্মকর্তা প্রতিবেদনে অভিজ্ঞতা সনদ জাল প্রমাণিত, ফের পদোন্নতির তদবির।

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডে জাল অভিজ্ঞতা সনদ দিয়ে চাকুরী নেন সহকারী পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক আবদুল আজিজ। পরবর্তীতে গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে অভিজ্ঞতার সনদটি জাল প্রমানিত হলে তিনি বরখাস্তও হন। পরে তদন্ত কমিটি মানবিক কারণ দেখিয়ে তাকে চাকুরীতে ফের যোগদানের সুপারিশ করেন। এখনও বহাল রয়েছেন তিনি। বর্তমানে নির্বিঘ্নে পদোন্নতির তদবির চালিয়ে যাচ্ছেন ওই কর্মকর্তা।

এদিকে অবৈধ পন্থায় আজিজকে টাইম স্কেল প্রদান করায় বোর্ডের প্রচুর আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলে বোর্ডের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা জানান। অপরাধের পরও সনদ জালিয়াতকারী আজিজের কোন শান্তি না হওয়ায় অন্যান্য কর্মকর্তা কর্মচারীদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সহকারী পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক বলেন, কোন বিধান আছে কি না জানি না, চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত হওয়ার পর সাময়িক বরখাস্ত আপাতত প্রত্যাহারে পদোন্নতি, সিলেকশন গ্রেড, টাইম স্কেল নিতে পারে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে সেকশন অফিসার পদে লোক নিয়োগের জন্য ১৯৯৫ সালে ৫ ডিসেম্বর পত্রিকায় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেয়া হয়। সেকশন অফিসার পদে নিয়োগে ডিগ্রি পাসসহ ৪ বছরের অভিজ্ঞতা চাওয়া হয়। আবদুল আজিজ নামে এক ব্যক্তি ১৯৯২ সালের ১ মার্চ থেকে ১৯৯৬ সালের ১ মার্চ পর্যন্ত কানায় কানায় ৪ বছর দেখিয়ে এলজিইডি অফিসের জাল অভিজ্ঞতা সনদ তৈরি করে সেকশন অফিসার পদে নিয়োগ লাভ করে।তবে আবদুল মালেক নামে এক ব্যক্তি আজিজের সনদ জালিয়াতির বিষয়টি নিয়ে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান বরাবর এক হাজার টাকা ফি দিয়ে আবদুল আজিজ, সেকশন অফিসার-এর বিরুদ্ধে ভুয়া অভিজ্ঞতা সনদ জালিয়াতির অভিযোগ দাখিল করে।

অভিযোগ পেয়ে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের সাবেক সচিব প্রফেসর নুরুল হুদার স্বাক্ষরে প্রফেসর সুচারু বিকাশ বড়ুয়া, উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগ, চট্টগ্রাম কলেজ, চট্টগ্রামকে আহ্বায়ক ও জনাব মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক, সহযোগী অধ্যাপক, চট্টগ্রাম কলেজ, চট্টগ্রাম এবং জনাব এনামুল হক খন্দকার, উপ-বিদ্যালয় পরিদর্শককে সদস্য করে ৩ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করেন ২০১০ সালের ১৪ ডিসেম্বর। গঠিত কমিটি ওই বছরের ৬ ডিসেম্বর দাখিলকৃত প্রতিবেদনে উল্লেখ করে আবদুল মালেক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, চট্টগ্রাম-এর চেয়ারম্যান বরাবরে ডাকযোগে প্রেরিত এক পত্রের মাধ্যমে অভিযোগ করে, মোহাম্মদ আবদুল আজিজ, সহকারী পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক, চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে ০১/০৩/১৯৯২ইং হতে ০১/০৩/১৯৯৬ইং পর্যন্ত এলজিইডি অফিসে দৈনিক ভিত্তিক অফিস সহকারী হিসেবে কর্মরত ছিলেন মর্মে ভুয়া অভিজ্ঞতা সনদ প্রদান করে সেকশন অফিসার পদে নিয়োগ লাভ করেন। এ অভিযোগের প্রেক্ষিতে গঠিত তদন্ত কমিটি তদন্ত করে প্রাপ্ত তথ্যসমূহ উপস্থাপন করেন।

এতে রয়েছে এলজিইডি, চট্টগ্রাম অফিস থেকে প্রাপ্ত অভিজ্ঞতা সনদ যথার্থভাবে যাচাইয়ের জন্য তদন্ত কমিটি ২০১০ সালের ৩ মার্চ নির্বাহী প্রকৌশলী, এলজিইডি, চট্টগ্রাম বরাবরে সরেজমিনে তদন্তের জন্য পত্র প্রেরণ করেন। সে মোতাবেক ওই বছরের ১৪ মার্চ তদন্ত কমিটির আহ্বায়কসহ সকল সদস্য এলজিইডি, চট্টগ্রাম অফিসে উপস্থিত হন। এলজিইডি, চট্টগ্রাম-এর নির্বাহী প্রকৌশলী বিষয়টি তখনকার সহকারী প্রকৌশলী আনিছুর রহমানকে দায়িত্ব দেন। সহকারী প্রকৌশলী আনিছুর রহমান তদন্তের বিষয়ে মোতাবেক মোহাম্মদ আবদুল আজিজ, সহকারী পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক-এর এলজিইডি অফিসে চাকরির মেয়াদকাল, চাকরি থেকে অব্যাহতিপত্র যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে আবেদনের কোন কিছুই দেখাতে সক্ষম হয়নি।

এদিকে আবদুল আজিজকে তাঁর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের বিপরীতে কোন প্রমাণাদি আছে কিনা তা তদন্ত কমিটির নিকট উপস্থাপনের জন্য ওই বছরের ২৪ মার্চ পত্র প্রেরণ করা হলে তিনি ৩১ মার্চ কমিটির সমুখে উপস্থিত হন। এতে মোহাম্মদ আবদুল আজিজ এলজিইডি অফিসের চাকরির নিয়োগপত্র, যোগদানপত্র, চাকরি থেকে অব্যাহতিপত্র যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে আবেদনের কপি উপস্থাপন করতে পারেনি।

তদন্ত কমিটি কর্তৃক দাখিলকৃত প্রতিবেদনে স্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয়, আবদুল আজিজ অভিজ্ঞতা সনদ জাল করে সেকশন অফিসার পদে নিয়োগ লাভ করেন। ২০১০ সালের ৬ এপ্রিল তদন্ত কমিটি কর্তৃক দাখিল প্রতিবেদনে সনদ জালের অভিযোগ সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত হওয়ার পরও বোর্ড কর্তৃপক্ষ ওই বছরের ১৫ মে আবদুল আজিজকে এলজিইডি অফিসে চাকরির প্রমাণপত্র দাখিলের জন্য ইস্যু করা হয়। পত্রে উল্লেখ করেন, আপনার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ তদন্তের জন্য গঠিত কমিটির তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, এলজিইডি অফিস, চট্টগ্রাম হতে আপনি

০১/০৩/১৯৯২ইং থেকে ০২/০৩/১৯৯৬ইং তারিখ পর্যন্ত ৪ বছর চাকরি দাবি করেন। উক্ত অফিসের কোন প্রমাণ বা রেকর্ডপত্র তদন্ত কমিটির কাজে প্রদর্শন করতে পারেনি। যদি আপনার দাবি সত্য হয়ে থাকে, তাহলে গ্রহণযোগ্য যে কোন দালিলিক প্রমাণ যেমন চাকরির নিয়োগপত্র, অব্যাহতিপত্র, মজুরি/বেতন গ্রহণের প্রমাণপত্র ইত্যাদি০৩ কর্মদিবসের মধ্যে চেয়ারম্যান বরাবরে দাখিল করার জন্য অনুরোধ করা হয়। অন্যথায় নিশ্চিতভাবে ধরে নেওয়া হবে যে, আপনি এলজিইডি অফিস, চট্টগ্রামে কখনো চাকরি করেননি এবং চাকরি না করেই আপনি কথিত অভিজ্ঞতা সনদ সংগহ করে বোর্ড কর্তৃপক্ষের সাথে প্রতারণা করেছেন।

আজিজ কোন দালিলিক প্রমাণ দাখিল করতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হওয়ায় অসদাচরণের দায়ে স্মারক নং-২০০৪(৬), তারিখ: ২০/০৬/২০১০ মূলে আজিজের বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারী শৃঙ্খলা ও আপিল বিধিমালা ১৯৮৫-এর বিধি-৩(বি) ও (ডি) অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সুষ্ঠুভাবে বিভাগীয় মামলা পরিচালনার স্বার্থে চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। পরবর্তীতে আজিজের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য স্মারক নং-২১৩০(৪), তারিখ: ১২/০৮/২০১০ মূলে মোহাম্মদ মঈনুদ্দীন উপ-পরিচালককে আহ্বায়ক করে ৩ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়। তবে মানবিক কারণের কথা বলে তাড়াতাড়ি করে কমিটির এখতিয়ার বহির্ভূত প্রতিবেদন দাখিল করেন। প্রতিবেদনটি নথিতে উপস্থাপন করলে বোর্ড কর্তৃপক্ষ নথিতে এই মর্মে অনুমোদন দেন, বিভাগীয় তদন্ত কমিটি তদন্তের গভীরে না গিয়ে মানবিক দিক বিবেচনায় এনেছিল। বিষয়টি অধিকতর তদন্তের প্রয়োজন।

এদিকে শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে গুঞ্জন সৃষ্টি হয়েছে, আপাতত প্রত্যাহার করা সাময়িক বরখাস্ত আদেশ কত দিন, কত মাস, কত বছর থাকবে কোন বিধিতে আছে জালিয়াতকারী প্রমাণিত না হওয়ার পর মানবিক কারণে সাময়িক বরখাস্তের আদেশ আপাতত প্রত্যাহারের নিয়ম? শুধু তাই নয়, সাময়িক বরখাস্ত আদেশ আপাতত প্রত্যাহার করার পর আজিজ তথ্য গোপন করে সুকৌশলে টাইম স্কেলের জন্য আবেদন করেন। টাইম স্কেল কমিটির আহ্বায়ক ঠিক সেই ব্যক্তি, যাকে আহ্বায়ক করে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা পরিচালনার জন্য কমিটি গঠন করা হয়েছিল, তার দ্বারা রহাস্যজনক কারণে আজিজের পক্ষে মিথ্যা প্রতিবেদন দিয়ে টাইম স্কেল প্রদানে সহায়তা করেন।
এ বিষয়ে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সেকশন অফিসার বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ক্ষমতা দেখিয়ে ফ্যাসিস্ট আজিজ সনদ জালিয়াতি, সহকারী পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক পরিচয়ে শিক্ষার্থীদের পাশ করিয়ে দেওয়ার নামে টাকা গ্রহণ, টেন্ডার করে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক নারায়ণ চন্দ্র নাথের ছেলের ফলাফল জালিয়াতি, নারায়ণ গংদের সাথে ১৮ কোটি টাকার খাতা ক্রয়, ঘুষ নেওয়াসহ বিভিন্ন অনৈতিক কাজে আজিজ জড়িত। বর্তমান যে অস্থির হয়ে আছে সকল তথ্য গোপন করে পদোন্নতি পেতে। তা যদি হয় চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে একটি অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটবে বলে কর্মচারীদের মধ্যে গুঞ্জন রয়েছে। এ বিষয়ে চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডের সহকারী পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক আবদুল আজিজের সাথে যোগাযোগ করা হলে তাঁকে পাওয়া যায়নি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

কালিয়াকৈরে ড্রাম ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে যুবক নিহত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার হাটুরিয়াচালা–লস্করচালা এলাকায় অবৈধভাবে মাটি কাটাকে কেন্দ্র করে আবারও একটি তাজা প্রাণ ঝরে গেছে। শনিবার (১৫ মার্চ) রাতে ড্রাম ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে মাসুম নামে এক যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় অবৈধভাবে মাটি কাটা ও পরিবহন কার্যক্রম চলছিল। শনিবার রাতে মাটি পরিবহনের সময় একটি ড্রাম ট্রাক চলাচলের সময় মাসুম নামে ওই যুবক ট্রাকের নিচে পড়ে যান। এতে ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় স্থানীয়দের অভিযোগ, অবৈধ মাটি কাটার সঙ্গে জড়িতদের বেপরোয়া কর্মকাণ্ডের কারণেই এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এলাকাবাসীর দাবি, প্রশাসনের নজরদারির অভাবে দীর্ঘদিন ধরে এসব অবৈধ কার্যক্রম চললেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

দুর্ঘটনার পর এলাকাজুড়ে শোক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং বিষয়টি তদন্ত করছে।এ বিষয়ে কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার নাছির উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

চট্টগ্: চট্টগ্রাম মহানগরে ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে মাসব্যাপী পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্: চট্টগ্রাম মহানগরে ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে মাসব্যাপী পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। শনিবার সকাল ১০টায় নগরীর ডিসি হিলে এই কার্যক্রমে অংশ নেন চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার মো. জিয়াউদ্দীন, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা এবং জেলার সিভিল সার্জন জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। এ সময় বিভাগীয় কমিশনার বলেন, সামনে বর্ষাকাল আসছে। তার আগেই যদি আমাদের শহরকে পরিচ্ছন্ন করতে পারি তাহলে ডেঙ্গু মশার বিস্তার রোধ করা সম্ভব হবে। এতে নগরবাসী উপকৃত হবে। ডেঙ্গু প্রতিরোধটাই সবচেয়ে বড় পদক্ষেপ। সরকার এ কাজে মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।

অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক কার্যক্রম মাসব্যাপী চলছে। এ কাজে সবচেয়ে কার্যকর উপায় হচ্ছে মানুষকে সচেতন করা ও পরিষ্কার করা। চট্টগ্রামে যেসব জায়গা বেশি অরক্ষিত, যেখানে ডেঙ্গু বেশি বিস্তার ঘটতে পারে সেগুলো আমরা পরিষ্কার করব এবং নিরাপদ ও সুস্থ চট্টগ্রাম আমরা গড়ে তুলব।
বেলুন উড়িয়ে মাসব্যাপী এই পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। এরপর পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে প্রশাসনের কর্মকর্তারা, স্কাউটের সদস্য এবং পরিচ্ছন্ন কর্মীরা অংশ নেন। এরপর চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে ‘ডেঙ্গু রোগের ভয়াবহতা ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে’ আলোচনা সভার আয়োজন করে।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ