আজঃ সোমবার ৯ মার্চ, ২০২৬

চট্টগ্রামে ডাকাতের ১৭ বছরের কারাদণ্ড, অস্ত্র-কার্তুজ উদ্ধার মামলা

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরের চান্দগাঁও থানার অস্ত্র ও কার্তুজের মামলায় এক ডাকাতকে ১৭ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার চতুর্থ অতিরিক্ত চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ বেগম সিরাজাম মুনীরার আদালত এই রায় দেন। দন্ডিত মো. আবদুর রহিম (৫০) প্রকাশ ডাকাত রহিম একই থানার হামিদ চর এলাকার মৃত আবদুর রশিদের ছেলে।

মামলার নথি থেকে জানা যায়, ২০১৫ সালের ২২ মে নগরের চান্দগাঁও থানার মধ্যম মোহরা হিন্দুপাড়া এলাকায় একজন ব্যক্তি পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে পুলিশ সদস্যরা আবদুর রহিম প্রকাশ ডাকাত রহিমকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় রহিমের দেহ তল্লাশি করে একটি একনলা বন্দুক এবং একটি নীল রঙের শর্ট গানের কার্তুজ উদ্ধার করা হয়। বন্দুকটির দৈর্ঘ্য প্রায় ২৬ ইঞ্চি এবং তাতে ট্রিগার, ট্রিগার গার্ড ও ফায়ারিং পিন সংযুক্ত রয়েছিলেন। এ ঘটনায় তৎকালীন চান্দগাঁও থানার উপপরিদর্শক (এসআই) গোলাম মোহাম্মদ নাসিম হোসেন বাদী হয়ে চান্দগাঁও থানায় মামলা করেন। মামলায় তদন্ত শেষে ২০১৫ সালের ২১ জুন আদালতে অভিযোগপত্র দিলে ২০১৬ সালের ১০ এপ্রিল অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন।

আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মোরশেদুর রহমান চৌধুরী রোকন বলেন, ছয়জন সাক্ষীর সাক্ষ্যপ্রমাণে অস্ত্র ও কার্তুজের মামলায় অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আসামি মো. আবদুর রহিমকে অস্ত্রের জন্য ১০ বছর ও কার্তুজ জন্য ৭ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। দুইটি সাজা একসঙ্গে চলেবে, সেই হিসেবে ১০ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে ছিলেন। সাজা পরোয়ানা মূলে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

নিউ জিল‍্যান্ডকে উড়িয়ে ফের টি-টোয়েন্টির বিশ্ব চ‍্যাম্পিয়ন ভারত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নিউ জিল‍্যান্ডকে উড়িয়ে ফের টি-টোয়েন্টির বিশ্ব চ‍্যাম্পিয়ন ভারত।

জনপ্রিয় সাংস্কৃতিক ও বিনোদনমূলক অনুষ্ঠানের উপস্থাপক হানিফ সংকেত স্বাধীনতা পদকে ভূষিত হচ্ছেন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জনপ্রিয় সাংস্কৃতিক ও বিনোদনমূলক অনুষ্ঠানের উপস্থাপক
হানিফ সংকেত স্বাধীনতা পদকে ভূষিত হচ্ছেন।

আলোচিত খবর

চরম বিপাকে হাজার হাজার যাত্রী শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গত ৮ দিনে এই বিমানবন্দর থেকে মধ্যপ্রাচ্যগামী ও সেখান থেকে আসা মোট ৮০টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের অস্থির যুদ্ধাবস্থায় দুবাই, আবুধাবি, শারজাহ ও দোহার এয়ারফিল্ডগুলো গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে বন্ধ রয়েছে। শনিবার নতুন করে বাতিল হয়েছে আরো ১২টি ফ্লাইট। এই টানা ৮ দিন ধরে ফ্লাইট বাতিলে চরম বিপাকে পড়েছেন হাজার হাজার যাত্রী, যাদের বড় একটি অংশ মধ্যপ্রাচ্য প্রবাসী শ্রমিক। অনেক যাত্রী দূর-দূরান্ত থেকে বিমানবন্দরে এসে ফ্লাইট বাতিলের খবর শুনে কান্নায় ভেঙে পড়ছেন।

বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি তাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে যুদ্ধাবস্থার কারণে দুবাই, আবুধাবি ও দোহার মতো গুরুত্বপূর্ণ এয়ারফিল্ডগুলো বন্ধ থাকায় এই অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং এয়ারফিল্ডগুলো খুলে দিলেই পুনরায় নিয়মিত ফ্লাইট চালু করা সম্ভব হবে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, অনেক প্রবাসী তাদের ছুটির মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার শঙ্কায় রয়েছেন। যথাসময়ে কর্মস্থলে ফিরতে না পারলে চাকরি হারানোর ভয় কাজ করছে তাদের মনে।অন্যদিকে, মধ্যপ্রাচ্য থেকে যারা দেশে ফেরার অপেক্ষায় ছিলেন, তারা সেখানের এয়ারফিল্ডে আটকা পড়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। টিকিটের টাকা ফেরত পাওয়া বা রি-শিডিউল করা নিয়ে এয়ারলাইনস অফিসগুলোতে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।

শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল জানান, শনিবার সারাদিনে ১২টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে: বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ১টি অ্যারাইভাল ও ২টি ডিপার্চার।এয়ার আরাবিয়ারের ২টি অ্যারাইভাল ও ২টি ডিপার্চার। ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ১টি অ্যারাইভাল ও ২টি ডিপার্চার। সালাম এয়ারের ১টি অ্যারাইভাল ও ১টি ডিপার্চার।
পুরো সূচি বিপর্যস্ত হলেও শনিবার সীমিত কিছু ফ্লাইট সচল রয়েছে। এর মধ্যে সালাম এয়ারের মাস্কাট-চট্টগ্রাম রুটে দুটি (ওভি-৪০১ ও ওভি-৪০২) এবং বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মদিনা (বিজি-১৩৮) ও মাস্কাট (বিজি-১২২) থেকে আসা দুটি ফ্লাইট অবতরণ করেছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ