আজঃ রবিবার ১৫ মার্চ, ২০২৬

গুপ্ত রাজনৈতিক শক্তি নির্বাচনকে ঘিরে নানামুখী বিভ্রান্তি, গুজব এবং অস্থিতিশীলতা তৈরির অপচেষ্টায় লিপ্ত: মুহাম্মদ শাহেদ

জহিরুল ইসলাম জহির

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


 

জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় কমিটির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাবেক সহ-সভাপতি ও চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ শাহেদ বলেছেন, গুপ্ত রাজনৈতিক শক্তি নির্বাচনকে ঘিরে নানামুখী বিভ্রান্তি, গুজব এবং অস্থিতিশীলতা তৈরির অপচেষ্টায় লিপ্ত।

গণতন্ত্রকে শক্তিশালী ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে অবাধ, সুষ্ঠু এবং শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অপরিহার্য। ৭১’র পরাজিত শক্তি দুঃখজনকভাবে বিভিন্ন সময়ে নির্বাচনকে ঘিরে নানামুখী বিভ্রান্তি, গুজব এবং অস্থিতিশীলতা তৈরির অপচেষ্টা লক্ষ্য করা যায়, যা মূলত নির্বাচন বানচালের একটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রেরই অংশ। ফলশ্রুতিতে পলাতক ফ্যাসিস্ট মাথাচাড়া দিচ্ছে যা বাংলাদেশের জনগণ প্রতিহত করবে।

তিনি গতকাল ১৪ নভেম্বর শুক্রবার বিকাল ৭নং পশ্চিম ষোলশহর ওয়ার্ড যুবদলের উদ্যোগে নাগরিক সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে চট্টগ্রাম ৮ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী আলহাজ্ব এরশাদ উল্লাহ’র পক্ষে ধানের শীষের সমর্থনে উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্য এ সব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি জনগণের ভোটের অধিকার ব্যাহত করার যেকোনো প্রচেষ্টা রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা, উন্নয়ন ও গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রার জন্য হুমকি। জনগণই রাষ্ট্রশক্তির উৎস, আর তাদের অংশগ্রহণকে বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান এর নেতৃত্বে এদেশের আপামর জনগণ রুখে দিবে। যুবদলের নেতা-কর্মীদের প্রস্তুত থাকতে হবে অদৃশ্য শত্রু আস্তে আস্তে সামনে আসছে।

তিনি এ সময় চট্টগ্রাম-৮ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী এরশাদ উল্লাহ কে বিজয়ী করতে যুবদলের নেতা-কর্মীদের ঘরে ঘরে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান এর বার্তা ৩১ দফা পৌঁছে দেওয়ার আহবান জানান। ধানের শীষের প্রার্থী এরশাদ উল্লাহ বীর চট্টলার কৃতি সন্তান, উনাকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করার জন্য এলাকার ভোটারদের অনুরোধ জানান।

৭নং ওয়ার্ড যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক মোহাম্মদ জাবেদ হোসেন এর সভাপতিত্বে ও সাবেক সদস্য সচিব সোলায়মান হোসেন মনা’র সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন পাঁচলাইশ থানা যুবদলের সাবেক আহবায়ক মোহাম্মদ আলী সাকি, সাবেক মহানগর যুগ্ম সম্পাদক রাশেদুল হাসান লেবু, মোহাম্মদ এরশাদ হোসেন, সেলিম উদ্দিন রাসেল, রাজন খান, ওমর ফারুক, জিল্লুর রহমান জুয়েল, মহিউদ্দিন মুকুল,

 

হামিদুল হক চৌধুরী, হাফেজ কামাল উদ্দিন, সিরাজ সিকদার, দক্ষিণ জেলা যুবদল নেতা মোহাম্মদ আলমগীর, জাহাঙ্গীর আলম মনি, পাঁচলাইশ থানা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক সেলিম উদ্দিন সেলিম, শহিদুল ইসলাম কুট্টি, মিল্লত হোসেন, শফিউল বাশার শামু, সদস্য মোহাম্মদ আলাউদ্দিন মোহাম্মদ নাছির, মোহাম্মদ মনছুর, হাসান চৌধুরী তোফা, আরিফুল ইসলাম ইলু, মোঃ আকবর, মোহাম্মদ মোরশেদ, কোরবান আলী রহিম, জয়নাল আবেদীন খোকন, মোহাম্মদ সুমন, ছালেহ আহমদ খোকন, ৭নং ওয়ার্ড যুবদলের রাসেল আহমদ, ওমর সানি, মোঃ জাহেদ, ছাত্রদল নেতা মোহাম্মদ সাব্বির সহ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।

 

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

শাহ আমানত বিমানবন্দরে আরও ৭ ফ্লাইট বাতিল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আবারও ৭টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে শনিবার ফ্লাইট বাতিলের তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল।

বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ এয়ারফিল্ডে কার্যক্রম সীমিত বা বন্ধ থাকায় এসব ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। দুবাই, আবুধাবি ও শারজাহর এয়ারফিল্ড সীমিত পরিসরে পরিচালিত হচ্ছে এবং দোহা এয়ারফিল্ড পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে।

বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে রয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের দুবাই থেকে আসা একটি আগমন (এরাইভাল) ও দুবাইগামী একটি প্রস্থান (ডিপার্চার) ফ্লাইট। এছাড়া ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা একটি আগমন এবং দুটি প্রস্থান ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। অন্যদিকে সালাম এয়ারের মাস্কাট থেকে আসা একটি আগমন এবং মাস্কাটগামী একটি প্রস্থান ফ্লাইটও বাতিল করা হয়েছে।তবে সব ফ্লাইট বন্ধ না থাকায় কিছু আন্তর্জাতিক ফ্লাইট স্বাভাবিকভাবে চলাচল করেছে। বিভিন্ন এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আগত ৬টি আগমন ফ্লাইট এবং ৪টি প্রস্থান ফ্লাইট চলাচল করেছে।শা

টররসহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল বলেন, ‘বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, এয়ার আরাবিয়া ও ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের শারজাহ ও দুবাই থেকে চট্টগ্রামগামী ফ্লাইটগুলো ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। তবে দোহা এয়ারফিল্ড এখনো পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় ধীরে ধীরে আরও কিছু রুটের ফ্লাইট স্বাভাবিক হবে বলে আশা করছি।’তিনি আরও জানান, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে বৃহস্পতিবারের ৭টি বাতিল ফ্লাইটসহ এখন পর্যন্ত শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মোট ১১৬টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।’

কিউলেক্স মশার প্রকোপ বেড়েছে: মেয়র ডা. শাহাদাত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, নালা-নর্দমা ও ড্রেনে ময়লা-আবর্জনা জমে থাকা এবং যত্রতত্র বর্জ্য ফেলার কারণে পানির প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। ফলে স্থির পানিতে মশার বংশবিস্তার ঘটছে। তাই নালা-নর্দমা পরিষ্কার রাখা এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নাগরিক সচেতনতা বাড়ানো জরুরি।’শনিবারের অঙ্গীকার, বাসাবাড়ি করি পরিষ্কার’—এই স্লোগান সামনে রেখে ডেঙ্গু ও মশাবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন অভিযানের উদ্বোধনকালে মেয়র এসব কথা বলেন।

শনিবার (১৪ মার্চ) চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ও এর আশপাশের এলাকায় এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। কর্মসূচিটি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় সারা দেশে পরিচালিত উদ্যোগের অংশ হিসেবে চট্টগ্রামেও শুরু হয়েছে।মেয়র বলেন, নগরবাসীর সুস্বাস্থ্য ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করতে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করছে। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ এলাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থান, কারণ প্রতিদিন এখানে হাজার হাজার মানুষ চিকিৎসাসেবা নিতে আসেন।তাই মশার উপদ্রব নিয়ন্ত্রণে ও ডেঙ্গুসহ বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে এই এলাকাকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করা হচ্ছে।

ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, বর্ষা মৌসুমে টব, ডাবের খোসা, নির্মাণাধীন ভবনের সামগ্রী বা প্লাস্টিকের পাত্রে জমে থাকা স্বচ্ছ পানিতে এডিস মশার লার্ভা জন্ম নেয়, যা ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার জন্য দায়ী। তবে বর্তমানে কিউলেক্স মশার বিস্তার বেশি দেখা যাচ্ছে, যার প্রধান উৎস নোংরা ড্রেন ও জমে থাকা বর্জ্য। নিয়মিত ড্রেন পরিষ্কার রাখা এবং আশপাশ পরিচ্ছন্ন রাখার মাধ্যমে এ সমস্যার সমাধান সম্ভব।তিনি জানান, নগরের ৪১টি ওয়ার্ডে একযোগে এই পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালিত হবে। প্রতিটি ওয়ার্ডে লার্ভিসাইড ও অ্যাডাল্টিসাইড ওষুধ সরবরাহ করা হয়েছে এবং ওয়ার্ডভিত্তিক তদারকির জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা কাজ করছেন।

এছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে বিশেষ নজরদারি ও অতিরিক্ত কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রায় ১৬০ জনের একটি বিশেষ দল কাজ করছে।মেয়র বলেন, চকবাজার, বাকলিয়া, আগ্রাবাদ, ফিরিঙ্গিবাজার, হালিশহর, পাহাড়তলীসহ কয়েকটি এলাকাকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব এলাকায় বিশেষভাবে মশক নিধন ও ড্রেন পরিষ্কার কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

কার্যকর ওষুধ ব্যবহারের কারণে বর্তমানে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার প্রকোপ অনেকটাই কমেছে। আমেরিকা থেকে আনা কার্যকর লার্ভিসাইড ব্যবহার করায় ডেঙ্গুর লার্ভা ধ্বংসে ইতিবাচক ফল পাওয়া গেছে।

মেয়র নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, শহর শুধু সিটি করপোরেশনের নয়—এটি সবার শহর। তাই প্রত্যেক নাগরিককে নিজ নিজ বাসা-বাড়ির আঙিনা, ছাদ, বারান্দা এবং আশপাশ পরিষ্কার রাখতে হবে। সপ্তাহে অন্তত একদিন নিজেদের আশপাশ পরিষ্কার রাখলে একটি পরিচ্ছন্ন, সবুজ ও স্বাস্থ্যকর নগর গড়ে তোলা সম্ভব।তিনি বলেন, চট্টগ্রাম সব সময় উন্নয়ন ও উদ্যোগে পথ দেখিয়েছে। পরিচ্ছন্ন নগর গড়ার ক্ষেত্রেও চট্টগ্রাম দেশের অন্যান্য সিটি করপোরেশনের জন্য উদাহরণ হয়ে থাকবে।

উদ্বোধনের পর চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের মেইন গেট, কেবি ফজলুল কাদের সড়ক এবং প্রবর্তক মোড় এলাকায় ড্রেন পরিষ্কার করা হয় এবং মশক নিধনে লার্ভিসাইড ওষুধ ছিটানো হয়। পাশাপাশি পরিচ্ছন্নতা বিভাগের কর্মীরা ফগার মেশিন ও স্প্রে মেশিন ব্যবহার করে মশা নিধন কার্যক্রম পরিচালনা করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দীন, চসিকের প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. মোহাম্মদ ইলিয়াছ চৌধুরী, উপপ্রধান পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তা প্রণব কুমার শর্মা, ম্যালেরিয়া ও মশক নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা মো. সরফুল ইসলাম প্রমুখ।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ