আজঃ মঙ্গলবার ৫ মে, ২০২৬

নারায়নগঞ্জ আড়াইহাজার সড়ক ও জনপথের জায়গায় রাতের আধারে মাটি কাটতে গিয়ে মাটি ধ্বসে বিদ্যুতের খুঁটি পড়ে নিহত -১

নারায়ণগঞ্জ (আড়াইহাজার) সংবাদদাতা

হাই ভোল্টেজেী তারে জড়িয়ে মডার্ন হাসপাতালের ব্যাপক ক্ষতি,মূল্যবান যন্ত্রপাতি নষ্ট। ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নারায়নগঞ্জ জেলার আড়াই হাজার উপজেলায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের পাঁচরুখী বাজারে চলমান প্রকল্পের কাজে বৈদ্যুতিক খুঁটি হেলে পড়ে একজন নিহতহ হয়েছে। নিহত ব্যক্তির নাম সজল।সজলের বাড়ী পাবনার সাথীয়া থানায়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মহাসড়কের পাশে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর নারায়নগঞ্জ কর্তৃপক্ষের এজায়গাটি পাঁচরুখী বাজারে। এখানে সওজ এর
ফ্লাইওভার নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে। পাশেই রয়েছে আব্দুল মালেক মডার্ণ হাসপাতাল। হাসপাতালটিরও অনেক ক্ষতি হয়েছে বলে হাসপাতাল কতৃপক্ষের দেয়া তথ্যে জানা যায়। দূর্ঘটনাস্থল থেকে সজলের মৃত দেহ ডাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়েছে,এমনটাই
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান।

মোহাম্মদ জসিম নামে এক ব্যক্তির সড়কের পাশে তার এক শতাংশ জায়গা রয়েছে। উক্ত জায়গায় সড়ক ও জনপথের বিনা অনুমতিতে ১৫ থেকে ২০ ফুট গর্ত করা হয় এক্সেবেটর দিয়ে। এর ফলে বিদ্যুতের খুঁটি হেলে পড়ে বিদ্যুতের শর্টসার্কিট হয়ে যায়। এতে করে হাই ভোল্টেজে বিদ্যুৎ লাইনে জড়িয়ে শ্রমিক সজলের মৃত্যু হয়। বিদ্যুতের খুঁটি হেলে পড়ে মডার্ণ হাসপাতালের মূল্যবান যন্ত্রপাতিগুলো নষ্ট হয়ে অকেজো যায়, একই সাথে এলাকায় আতংকের সৃষ্টি হয়।

এ ঘটনায় হাসপাতালের প্রায় ১ কোটি টাক্ষা ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। ঘটনার পরদিন উক্ত এলাকায় ৫.৭ মাত্রার ভুমিকম্প হওয়ায় ফ্লাইওভারের কাজটিও ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। সড়ক ও জনপথ বিভাগ থেকে মোহাম্মদ জসিমকে ফ্লাইওভার প্রকল্প সমাপ্ত হওয়ার আগ পর্যন্ত মাটির গর্ত না করার নিষেধ করলেও কিন্তু মোহাম্মদ জসিম অফিস আদেশকে তোয়াক্কা না করে রাতের আঁধারে উক্ত জায়গায় কাজ চলমান রাখে। ফলে হাই ভোল্টেজের বৈদ্যুতিক তারের সাথে স্পর্শ লেগে শ্রমিক সজল মারা যায়। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ফায়ার সার্ভিসের কোন লোক দূর্ঘটনাস্থলে আসেনি। তবে বিদ্যুৎ বিভাগের লোকজন ঘটনাস্থলে এসে দেখেছেন এবং এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন বলে জানিয়েছেন।


হাজী আব্দুল মালেক মডার্ণ হাসপাতালের মো. আল আমিন প্রধান জানান, ঢাকা-সিলেটের মহাসড়কে অবস্থিত নারায়নগঞ্জ আড়াই হাজার উপজেলার পাঁচরুখী এলাকায় আমার মালিকানাধীন একটি বেসরকারী হাসপাতাল রয়েছে। হাসপাতালের সামনের পশ্চিম দিকে রয়েছে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক। সংযত কারণে সড়কের পাশে জায়গাটি সড়ক ও জনপথ বিভাগ নারায়নগঞ্জের। সওজের জায়গা দখলে রেখে আমার হাসপাতালের আসা যাওয়া বাধাগ্রস্থ করতে মোহাম্মদ জসিম রাস্তার পাশে বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতাসহ ১৫ থেকে ২০ ফুটের একটি গর্ত করে। এতে আমার হসাপাতাল ভবনের লাগোয়া গর্তের মাটি ধসে পড়ে বিদ্যুতের খুঁটি আমার হাসপাতালে হেলে পড়ে এবং আমার সপ্তম তলা বিশিষ্ট ভবনটি ক্ষতি হবার সম্ভবনা দেখ দিয়েছে এবং নির্মাণাধীন ফ্লাইওভারও ক্ষতি হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে।

মো. আল আমিন প্রধান আরো জানান, মোহাম্মদ জসিম সড়ক বিভাগের ওই জায়গা দখল করায় আমার হাসপাতালে চলাচলে বাধাগ্রস্থের বিষয়টি ইতিপূর্বে লিখিতভাবে আড়াই হাজার থানায় ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) কে লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। উক্ত বিষয়ে নারায়নগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে পিটিশন মামলা নং-৩২৪/২০২৫ দায়ের করেছিলাম। আদালত মোহাম্মদ জসিমকে এ মামলা থেকে অব্যহতি দিলেও আড়াই হাজার থানায় সহকারী কমিশনার (ভূমি),কে সড়ক ও জনপথ বিভাগের অধিগ্রহনকৃত জায়গাটি সরকারের স্বার্থ সংরক্ষণে ব্যবস্থা গ্রহনের নির্দেশ দেন।

একই সাথে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকেও শান্তি শৃংখলা বজায় রাখতে বলেন। কিন্তু জসিম রাস্তার পাশে নিজের এক শতক জমির পাশে সড়কের জায়গায় গর্ত করে রাষ্ট্রীয় স্থাপনা নষ্ট করছেন এবং আমার হাসপাতালের ব্যাপক ক্ষতি করেছেন। ইতিপূর্বে আমার দেয়া অভিযোগ প্রশাসন ও ভূমি অফিস জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা বাস্তবায়নে পদক্ষেপ গ্রহন করলে এ দূর্ঘটনা ঘটতোনা, এমনকী রাষ্ট্রীয় স্থাপনাও নষ্ট হতোনা।

এ ব্যাপারে আড়াই হাজার থানার কর্তৃপক্ষ যথাযত ব্যবস্থা গ্রহন করেবেন বলে গণমাধ্যমকে আশ্বস্থ করেছেন। বিদ্যুত বিভাগও আইনী পদক্ষেপ গ্রহন করবেন এমনটি গন্যমাধ্যমকে জানিয়েছেন তারা। সড়ক বিভাগ নারায়নগঞ্জ জানান, আমরা সরেজমিনে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করবো।
অভিযোগে জানা গেছে, সড়ক ও জনপথ বিভাগের দূর্নীতিগ্রস্থ কোন এক কর্মকর্তার সহযোগিতার করণে সরকারী এ জায়গা মোহাম্মদ জসিম দখলে রেখে স্থায়ী স্থাপনা নির্মাণ করার উদ্যোগ নিয়েছে।,

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ভারতের কেরালায় মুসলিম লীগের ফাতেমার বিজয়।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ভারতের কেরালা রাজ্যের রাজনীতিতে নতুন অধ্যায়ের সৃষ্টি করেছে পেরামব্রা বিধানসভা ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন মুসলিম লীগের ফাতেমা তাহলিয়া।বাম রাজ্য হিসেবে খ্যাত সিপিআই(এম)-এর প্রবীণ নেতা রামকৃষ্ণান-কে পরাজিত করেন ৩৪ বছর বয়সী তাহলিয়া। তিনি মোট ৬৩ হাজার ৯৯৯ ভোট পেয়ে ৪ হাজার ৭০০ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হন। এ জয়ের মধ্য দিয়ে তিনি মুসলিম লীগের ইতিহাসে প্রথম নারী বিধায়ক হিসেবে নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।

কোজিকোড জেলার পেরুভায়ালে জন্ম নেওয়া তাহলিয়া ছাত্র রাজনীতির মাধ্যমে পরিচিতি লাভ করেন। তিনি মুসলিম স্টুডেন্ট ফেডারেশনের নেতৃত্ব দেন এবং পরবর্তীতে কোজিকোড করপোরেশনের কাউন্সিলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করে চলেছেন। বর্তমানে তিনি মুসলিম ইয়ুথ লীগের রাজ্য সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাহলিয়া কোজিকোড সরকারি আইন কলেজ থেকে আইন বিষয়ে স্নাতক এবং ত্রিশুর সরকারি আইন কলেজ থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। বর্তমানে তিনি কালিকট জেলা আদালতে আইন পেশায় নিয়োজিত রয়েছেন।

ডায়ালাইসিস মেশিন স্থাপিত হওয়ায় মানুষ উপকৃত হবে-আবু সুফিয়ান এমপি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে এই প্রথমবারের মতো দীর্ঘদিনের প্রতিক্ষিত ডায়ালাইসিস সেবা কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়েছে। রোববার সকালে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে আইসিইউতে ডায়ালাইসিস সেবার শুভ উদ্বোধন করেন চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) মোঃ আবু সুফিয়ান। এর পর হাসপাতালের আয়োজনে সম্মেলন কক্ষে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোঃ আবু সুফিয়ান এমপি বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয়ের মাধ্যমে বিএনপি সরকার গঠনের পর মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্বাস্থ্যসেবা মানুষের দৌড়গোড়ায় পৌঁছে দিতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। আমরা জনগণের সেবক হিসেবে কাজ করতে চাই। বিশিষ্ট সমাজসেবক ও ব্যবসায়ী বন্ধু আনামুল হক ইকবালের সহযোগিতায় চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের আইসিইউতে একটি ডায়ালাইসিস মেশিন স্থাপিত হয়েছে। এর মাধ্যমে মানুষ উপকৃত হবে-এটা আমাদের পরম পাওনা।

পর্যায়ক্রমে এ হাসপাতালে কিডনি রোগীদের জন্য আলাদাভাবে ডায়ালাইসিস ইউনিট করার পরিকল্পনা রয়েছে। ইতোপূর্বে চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতাল ও চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতাল পরিদর্শন করেছি। হাসপাতাল দু’টির সমস্যা পুঙ্খানুপঙ্খরূপে ফাইল আকারে নিয়েছি এবং এ ব্যাপারে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সাথে কথা বলেছি। চট্টগ্রামের কৃতি সন্তান অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এমপি’র সাথেও হাসপাতালগুলোর সমস্যা নিয়ে বিস্তারিত আলাপ হয়েছে। সমস্যা সমাধানসহ চট্টগ্রামের স্বাস্থ্যখাতে যত বরাদ্ধ লাগবে তা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নিরসন করবেন বলে মন্ত্রী আশ্বস্ত করেছেন এবং আগামী ৬ মাসের মধ্যে চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতাল ও চমেক হাসপাতালে স্বাস্থ্যসেবার চেহারা পাল্টে যাবে বলে আমি বিশ্বাস করি।

তিনি বলেন, সরকারের উপর চাপিয়ে দিয়ে বা সরকারের দিকে চেয়ে থেকে আমরা সবকিছু করতে পারবো না। বিশিষ্ট সমাজসেবক ও ব্যবসায়ী আনামুল হক ইকবাল জেনারেল হাসপাতালের আইসিইউতে ডায়ালাইসিস সেবা সহযোগিতা দিয়ে বেসরকারীভাবে এগিয়ে এসেছেন। সরকার থাকা সত্ত্বেও সম্পূর্ণ বেসরকারী উদ্যোক্তাদের সহযোগিতায় চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল চিকিৎসা সুবিধা ও অবকাঠামোগতভাবে অনেকদূর এগিয়ে গিয়েছে। এগুলো আমাদেরকে খেয়াল রেখে বেসরকারী উদ্যোক্তা ও সমাজে ইকবাল ভাইয়ের মতো যারা মানবপ্রেমী আছেন তাদেরকে খোঁজ করব এবং হাসপাতালের সমস্যাগুলো কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা সাপেক্ষে তা সমাধানে উদ্যোগের পাশাপাশি জেনারেল হাসপাতালে আপাততঃ আগামী ৬ মাস ডায়ালাইসিস সরঞ্জামগুলো চালু রাখার ব্যবস্থা হয়ে যাবে।

এমপি আবু সুফিয়ান আরও বলেন, চিকিৎসাসেবায় মানুষ অবর্ণনীয় কষ্টে আছে। প্রাইভেট সেক্টরে যে সকল হাসপাতালগুলো গড়ে উঠেছে সেগুলোতে চিকিৎসা থাকলেও চিকিৎসা নিতে মানুষের আর্থিক সক্ষমতা নেই। প্রাইভেট হাসপাতালগুলোতে অনেকে চিকিৎসার জন্য যায়, কিন্তু বের হওয়ার সময় সবকিছু দিয়ে নিঃস্ব হয়ে বের হতে হয়। আমরা এই ব্যবস্থার পরিবর্তন চাই-যাতে আমরা স্বাস্থ্যসেবা মানুষের দৌড়গোড়ায় পৌঁছে দিতে পারি। সরকারী হাসপাতালে গিয়ে মানুষ যাতে সেবাগুলো পায় সে ব্যবস্থা আমরা নিশ্চিত করবো। এ ব্যাপারে সকলের সহযোগিতা ও সমর্থন প্রত্যাশা করেন এমপি। চট্টগ্রাম ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ও সহযোগী অধ্যাপক (কার্ডিওলজি) ডা. মোঃ একরাম হোসেনের সভাপতিত্বে, এনেস্থেসিওলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. মৌমিতা দাশ ও সার্জারী ওয়ার্ডের রেজিস্টার ডা. সাকিব জিয়াউদ্দিন মোঃ চৌধুরীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত ডায়ালাইসিস সেবা কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন এনেস্থিসিওলজি বিভাগের কনসালট্যান্ট ডা. মইনুল আহসান।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের শিশু স্বাস্থ্য বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক, ডক্টর এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ’র (ড্যাব) কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম মহাসচিব ও জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক ডা. বেলায়েত হোসেন ঢালী, ড্যাব চট্টগ্রাম মহানগর শাখার সাধারণ সম্পাদক ডা. এ.এস.এম ইফতেখারুল ইসলাম লিটন, বিশিষ্ট সমাজসেবক ও ফার্মাসিস্ট আনামুল হক ইকবাল, হাসপাতালের সার্জারী বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও সিনিয়র কনসালট্যান্ট ডা. বিজন কুমার নাথ, আইসিইউ ইনচার্জ ও এনেস্থেসিওলজি বিভাগের কনসালট্যান্ট ডা. রাজদীপ বিশ্বাস, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হারুন জামান, নিয়াজ মোহাম্মদ খান, ইয়াসিন চৌধুরী লিটন, আনোয়ার হোসেন লিপু, মহানগর বিএনপি নেতা ইব্রাহিম বাচ্চু, ইউনূস চৌধুরী হাকিম, আন্দরকিল্লা ওয়ার্ড বিএনপি’র আহ্বায়ক আলাউদ্দিন আলী নূর, বিশিষ্ট সমাজসেবক কায়সার আলী চৌধুরী প্রমূখ। হাসপাতালের সর্বস্তরের চিকিৎসক-নার্স-কর্মচারী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

ওয়ার্ডের রেজিস্টার ডা. সাকিব জিয়াউদ্দিন মোঃ চৌধুরীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত ডায়ালাইসিস সেবা কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন এনেস্থিসিওলজি বিভাগের কনসালট্যান্ট ডা. মইনুল আহসান। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের শিশু স্বাস্থ্য বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক, ডক্টর এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ’র (ড্যাব) কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম মহাসচিব ও জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক ডা. বেলায়েত হোসেন ঢালী, ড্যাব চট্টগ্রাম মহানগর শাখার সাধারণ সম্পাদক ডা. এ.এস.এম ইফতেখারুল ইসলাম লিটন, বিশিষ্ট সমাজসেবক ও ফার্মাসিস্ট আনামুল হক ইকবাল, হাসপাতালের সার্জারী বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও সিনিয়র কনসালট্যান্ট ডা. বিজন কুমার নাথ, আইসিইউ ইনচার্জ ও এনেস্থেসিওলজি বিভাগের কনসালট্যান্ট ডা. রাজদীপ বিশ্বাস, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হারুন জামান, নিয়াজ মোহাম্মদ খান, ইয়াসিন চৌধুরী লিটন, আনোয়ার হোসেন লিপু, মহানগর বিএনপি নেতা ইব্রাহিম বাচ্চু, ইউনূস চৌধুরী হাকিম, আন্দরকিল্লা ওয়ার্ড বিএনপি’র আহ্বায়ক আলাউদ্দিন আলী নূর, বিশিষ্ট সমাজসেবক কায়সার আলী চৌধুরী প্রমূখ। হাসপাতালের সর্বস্তরের চিকিৎসক-নার্স-কর্মচারী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

আলোচিত খবর

ক্রুড অয়েলের সরবরাহ স্বাভাবিক উৎপাদনে ফিরবে একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি তেল পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দীর্ঘ এক মাস বন্ধ থাকার পর আবার চালু হতে যাচ্ছে দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি তেল পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসি।মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে দীর্ঘ সময় ধরে ক্রুড অয়েল (অপরিশোধিত তেল) আমদানি ব্যাহত হওয়ায় গত ১৪ এপ্রিল প্রতিষ্ঠানটির ক্রুড অয়েল প্রসেসিং ইউনিট বন্ধ হয়ে যায়। যার প্রভাব পড়ে পুরো রিফাইনারিতে। ক্রুড অয়েল (অপরিশোধিত তেল) সংকট কেটে যাওয়ায় উৎপাদনে ফিরছে রিফাইনারিটি।সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ৭ মে থেকে প্রতিষ্ঠানটির অপারেশন কার্যক্রম পুনরায় শুরু হবে। এদিকে, বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন জানিয়েছে, চলতি মাসের শেষদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকেও আরও এক লাখ টন ক্রুড অয়েল আসার কথা রয়েছে।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন সূত্রে জানা গেছে, রিফাইনারিতে সাধারণত সৌদি আরবের এরাবিয়ান লাইট এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের মারবান ক্রুড অয়েল পরিশোধন করা হয়। প্রতিবছর চাহিদা অনুযায়ী প্রায় ১৫ লাখ মেট্রিক টন ক্রুড অয়েল আমদানি করা হয়ে থাকে। কিন্তু সাম্প্রতিক যুদ্ধ পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় গত ১৮ ফেব্রুয়ারির পর আর কোনো ক্রুড অয়েল দেশে আসেনি।

এতে করে প্রথমবারের মতো উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয় প্রতিষ্ঠানটি, যা ১৯৬৮ সালে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরুর পর নজিরবিহীন ঘটনা।পরবর্তীতে বিকল্প রুট ব্যবহার করে তেল আমদানির উদ্যোগ নেয় বিপিসি। এর অংশ হিসেবে লোহিত সাগর হয়ে সৌদি আরব থেকে ‘এমটি নিনেমিয়া’ নামের একটি জাহাজে এক লাখ টন ক্রুড অয়েল দেশে আনা হচ্ছে। জাহাজটি ৫ মে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছাবে এবং ৬ মে থেকে তেল খালাস শুরু হবে। ইস্টার্ন রিফাইনারির উপ-মহাব্যবস্থাপক (প্ল্যানিং অ্যান্ড শিপিং) মো. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, সৌদি আরব থেকে আমদানি করা এক লাখ টন ক্রুড অয়েলবাহী একটি জাহাজ ৫ মে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাবে। জাহাজ থেকে তেল খালাস শেষে ৭ মে থেকে পরিশোধন কার্যক্রম শুরু হবে। তিনি আরও বলেন, আপাতত ক্রুড অয়েলের বড় ধরনের কোনো সংকটের আশঙ্কা নেই। চলতি মাসেই আরও একটি জাহাজ তেল নিয়ে দেশে আসার কথা রয়েছে, ফলে সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ