আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

সত্যিকারের গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্টায় সকলের অংশগ্রহন নিশ্চিত করা দরকার

প্রেস রিলিজ

চকরিয়াতে আইএসডিই‘র উদ্যোগে ইনক্লোসিভ ভোটার এডুকেশন এন্ড এওয়ারন্যান্স প্রকল্পর প্রকল্প পরিচিতি সভায় বক্তাগন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

গনতন্ত্রকে সংখ্যাগরিষ্টের শাসন বলা হলেও দলমত, ধর্ম, বর্ন, গোষ্টি ও পেশার মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহন না হলে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা কায়েম ও টেকসই হয় না। যার কারণে ভোটে নির্বাচিত হয়েও অনেকেই স্বৈরচারী, বেপরোয়া ও জনমতকে উপেক্ষা করার ঘটনা বেড়ে যায়। একজন নাগরিক রাস্ট্রের যে কোন সিদ্ধান্তের সাথে দ্বিমতপোষন করতেই পারেন। কিন্তু অর্থ এই নয় যে, সে রাস্ট্রের বিরোধীতা করছে। তবে তার মতামত প্রকাশ করার স্বাধীনতা থাকতে হবে। যারা ভোট প্রদান করেন, তাদের সকলের প্রার্থী উ্ত্তীর্ন না ও হতে পারে। কিন্তু ভোটারের মত প্রকাশ করা, ও পছন্দসই প্রার্থীকে ভোট দেয়ার মাধ্যমে তার নাগরিক অধিকার ও গনতন্ত্রিক প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহন জরুরি। সে জন্য সমাজের কোন অংশকে বাদ দিয়ে যে কোন উন্নয়ন ও প্রক্রিয়া যেরকম পরিপুর্নতা লাভ করে না সেরকম সমাজের কোন গোষ্ঠি বা অংশকে বাদ দিয়ে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াও শক্তিশালী হবে। তাই আগামি ২০২৬ সালের মহান জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠী বিশেষ করে উপকূলীয় মৎস্যজীবী, ধর্মীয় সংখ্যালঘু, নতুন ভোটারদেরকে ভোটদানের পদ্ধতি, ভোটের গুরুত্ব এবং ভোটার হিসেবে করণীয় বিষয়ে সচেতন করে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় আনতে নির্বাচনের সকল স্টেকহোল্ডারদের প্রতি আহবান জানানো হয়েছে।

সোমবার ২৪ নভেম্বর ২০২৫ ইং তারিখ সকাল ১১টায় কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলা পরিষদ হল রুম- সুগন্দায় আইএসডিই বাংলাদেশ এর উদ্যোগে ইন্টারন্যাশনাল ফাউন্ডেশন ফর ইলেকটোরাল সিস্টেমস (আইএফইএস)-এর সহযোগিতায় ইনক্লোসিভ ভোটার এডুকেশন এন্ড এওয়ারন্যান্স প্রকল্পর প্রকল্প পরিচিতি সভায় বিভিন্ন বক্তাগন উপরোক্ত মন্তব্য করেন।

ক্যাব কেন্দ্রিয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট ও আইএসডিই নির্বাহী পরিচালক এস এম নাজের হেসাইন এর সভাপতিত্বে অনুষ্টিত সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আতিকুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন চকরিয়া-পেকুয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(এএসপি) অভিজিত দাশ, আইএফইএস এর ডেপুটি কান্ট্রি ডিরেক্টর রোমেনা আমিন আর্চি। আইএসডিই মনিটরিং অফিসার সুপম বডুয়ার সঞ্চালনায় এতে আরও বক্তব্য রাখেন চকরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ তৌহিদুল আনোয়ার, আইএফইএস এর সিনিয়র কর্মসুচি ব্যবস্থাপক কানিজ ফাতেমা, আইএসডিই কর্মসুচি সমন্বয়কারী জাহাঙ্গীর আলম, দৈনিক পূর্বকোণের স্টাপ রিপোর্টার সংবাদিক জাহেদ চৌধুরী, দৈনিক সমকালের স্টাপ রিপোর্টার এমআর মাহমুদ, সমাজ কর্মী সো্য়াইবুল ইসলাম সবুজ, আশরাফ আলী প্রমুখ।

বক্তাগন একটি শান্তিপূর্ণ ও গ্রহনযোগ্য নির্বাচন সম্পন্ন করতে স্থানীয় প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনের যে রকম দায়িত্ব ঠিক একই ভাবে সকল ভোটারদেরকে নির্বাচনীয় প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহন যে রকম জরুরি। জনগন স্বতঃসপুর্ত অংশগ্রহন করলে কোন অপশক্তি নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধও করতে সাহস পাবে না অথবা বাধাগ্রস্থ করতে পারবে না। তাই আগামি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সকল দলমত ও ধর্ম সম্প্রদায়ের সকলকে সংবিধান প্রদত্ত ভোটাধিকার প্রয়োগে উদ্ধুদ্ধ করতে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা, স্বাধীনভাবে নিজ নিজ এলাকার প্রতিনিধি নির্বাচনে অংশগ্রহনের মাধ্যমে আত্মবিশ্বাস ও নাগরিক মর্যাদা প্রয়োগ করার আহবান জানান।


উল্লেখ্য বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা আইএসডিই আর্ন্তজাতিক উন্নয়ন সংস্থা আইএফইএস এর সহযোগিতায় আসন্ন ২০২৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে অংশগ্রহণমূলক, অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং সকল নাগরিকের ভোটাধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে “ইনক্লোসিভ ভোটার এডুকেশন এন্ড এওয়ারনেস প্রকল্পটি চকরিয়া, পেকুয়া এবং মহেশখালী উপজেলায় বাস্তবায়ন করছে। এ প্রকল্পের আওতায় উপকূলীয় মৎস্যজীবী, ধর্মীয় সংখ্যালঘু, যুব ভোটারসহ বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে ভোটদানের পদ্ধতি, ভোটের গুরুত্ব এবং ভোটার হিসেবে করণীয় বিষয়ে সচেতন করার জন্য ওঠান বৈঠক, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময়, মাইকং, প্রচারপত্র বিলি, মগ ভোটিং সেশন পরিচালনাসহ নানা প্রচারণা কর্মসুচির আয়োজন করা হবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে কর্ণফুলী নদীর তীরে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের দাবি, প্রতিবাদে অবস্থান ধর্মঘট

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর তীরে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে হাইকোর্টে চলমান মামলায় দখলদারদের পক্ষে অবস্থান না নেওয়ার দাবিতে অবস্থান ধর্মঘট পালন করেছে ৮টি পরিবেশবাদী ও সামাজিক সংগঠন।

বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় নগরীর চেরাগি পাহাড় চত্বর এলাকায় চট্টগ্রাম নদী ও খাল রক্ষা আন্দোলন এই ধর্মঘটের আয়োজন করে। বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. মাহফুজুর রহমানের সভাপতিত্বে ও কর্ণফুলী নদী সাম্পান মাঝি কল্যাণ সমিতি ফেডারেশনের সভাপতি এস এম পেয়ার আলী সঞ্চালনায় অবস্থান ধর্মঘটে অংশ নেয় বাংলাদেশ পরিবেশ ফোরাম, সৃষ্টি, কর্ণফুলী নদী সাম্পান মাঝি কল্যাণ সমিতি ফেডারেশন, কর্ণফুলী সুরক্ষা পরিষদ, ইউনাইটেড সোশ্যাল নেটওয়ার্ক, রেজাউল করিম শিকদার ফাউন্ডেশন, বাংলাদেশ জাহাজী শ্রমিক ফেডারেশন।
অবস্থান র্ধমঘট চলাকালে বক্তারা বলেন, কর্ণফুলী নদী রক্ষায় তিন দফা দাবি অচিরেই বাস্তবায়ন করা না হলে বৃহত্তর আন্দোলনের মাধ্যম কর্ণফুলীতে সাম্পান ও জাহাজ চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হবে।

তিনটি দাবি হচ্ছে- মহামান্য হাইকোর্টে চলমান মামলায় দখলদারদের পক্ষ নিয়ে জনস্বার্থ মামলার বিরোধিতাকারীদের প্রত্যাহার করতে হবে। হাইকোর্ট নির্দেশিত নদী জীবত্ব সত্ত্বা আদেশ অনুযায়ী কর্ণফুলী দখল দূষণমুক্ত করতে হবে এবং সরকারের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আওতায় কর্ণফুলী নদীর তীরে টিকে থাকা সাড়ে তিন শতাধিক দেশিয় প্রজাতির গাছ সংরক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহন করতে হবে।পাশাপাশি নদী তীরে ব্যাপকহারে গাছ লাগাতে হবে। সভাপতির বক্তব্যে ডা. মাহফুজুর রহমান বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদলে গ্রাম সরকার বা ওয়ার্ড সরকার করে তাদের সমন্বয়ে দেশ পরিচালনা না করলে এই অব্যবস্থাপনা যাবে না।

বীর মুক্তিযোদ্ধা সোহরাব হোসেন বলেন, বাংলাদেশ অর্থনৈতিক দিক দিয়ে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে কর্ণফুলীর কারণে। দুখের কথা হচ্ছে- দেশের সঞ্চালক এই নদী রক্ষার জন্য সরকার ও প্রশাসন বরাবর উদাসীন। আমরা দীর্ঘদিন ধরে দাবি জানিয়ে আসছি- আপনারা কর্ণফুলী দখল দূষণমুক্ত করুন, না হয় জনগণ আপনাদের ক্ষমা করবে না। সাংবাদিক আলীউর রহমান বলেন, নতুন সরকারের নদী ও খাল রক্ষার ঘোষণায় কর্ণফুলীর অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ হওয়ার আশায় ছিলাম। এখন অনেকে দখলদারদের পক্ষ নিয়ে কর্ণফুলীকে চিরতরে ধ্বংস করার পাঁয়তারা করছে, যা চট্টগ্রামের সর্বস্তরের জনগণ প্রতিহত করবে।

এসময় বক্তব্য দেন ক্যাব চট্টগ্রাম মহানগর সহ-সভাপতি জানে আলম, কর্ণফুলী সুরক্ষা পরিষদের সভাপতি কামাল পারভেজ, বাংলাদেশ জাহাজি শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি এম নুরুল হুদা চৌধুরী, রেজাউল করিম সিকদার ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক জাহিদুল করিম বাপ্পি, কর্ণফুলী নদী সাম্পান মাঝি কল্যাণ সমিতি ফেডারেশনের সিনিয়র সহ-সভাপতি জাফর আলম, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক লোকমান দয়াল, ইউনাইটেড সোশ্যাল নেটওয়ার্কের পরিচালক আমির হোসেন, হস্তচালিত বড় সাম্পান মাঝি সমিতির সভাপতি মোজাম্মেল হোসাইন, চরপাথরঘাটা ব্রিজঘাট সাম্পান সমিতির সাধারণ সম্পাদক কোরবান আলী, মৎস্যজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক সুমন রায়, সমাজসেবক আরমান হোসেন প্রমুখ।

বালু নদের কায়েতপাড়া-নগরপাড়া সেতু আগামী এক বছরের মধ্যে চালু করা হবে – প্রতিমন্ত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মাহাবুবুর রহমান রনি, রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ

সড়ক পরিবহন ও সেতু প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ বলেছেন, বালু নদের কায়েতপাড়া-নগরপাড়া সেতু আগামী এক বছরের মধ্যে চালু করা হবে। সেতু চালু হলে দীর্ঘদিনের কাঙ্খিত প্রত্যাশা পূরণে ঢাকার পূর্বাঞ্চলের সঙ্গে রাজধানীর যোগাযোগ ব্যবস্থা আরো একধাপ এগিয়ে যাবে। একটি কুচক্রী মহল এতদিন সেতু নির্মাণ কাজ বাঁধাগ্রস্থ করে রাখে। আজ ১৮জুন বৃহস্পতিবার রূপগঞ্জ উপজেলার ইছাপুরা সেতু ও কায়েতপাড়া-নগরপাড়া সেতু পরিদর্শন শেষে নগরপাড়ায় আয়োজিত এক সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

এসময় নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান, নারায়ণগঞ্জ-১ (রূপগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য মুস্তাফিজুর রহমান ভুঁইয়া দিপু, রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: সাইফুল ইসলাম, নারায়ণগঞ্জ জেলা সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মেহেদী ইসলাম, নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব গোলাম ফারুক খোকন, রূপগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি এডভোকেট মাহফুজুর রহমান হুমায়ুন, সাধারণ সম্পাদক হাজী বাছির উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।

সড়ক পরিবহন ও সেতু প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, ঢাকার পূর্ব মাদারটেক, সবুজবাগ হয়ে বালু নদের সেতু পার হয়ে সিলেট ও চট্টগ্রামসহ ঢাকার পূর্বাঞ্চলীয় এলাকায় সহজেই আসা-যাওয়া করা যাবে। সেই দিক থেকে বালু নদের সেতুটি অত্যন্ত জনগুরুত্বপূর্ণ। বালু নদের সেতু নির্মাণ কাজ আগামী এক বছরের মধ্যে সমাপ্ত করা হবে। সেতু দু’টি চালু হলে লাখো মানুষের যাতায়াত সহজ হবে। কৃষি ও ব্যবসা বাণিজ্যে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। সিলেটসহ ঢাকার পূর্বাঞ্চলীয় জেলায় যানবাহন চলাচল আরো সহজ ও দ্রুত হবে। উল্লেখ বালু নদের কায়েতপাড়া-নগরপাড়া সেতু নির্মাণ ২৩ বছরেও শেষ হয়নি।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ