আজঃ বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬

জনগণের ভোটে নির্বাচিত হবে না জেনে জামায়াত প্রশাসনকে নিয়ন্ত্রণ নিতে চায়

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

পাঠানটুলী ওয়ার্ডে গণসংযোগ পূর্ববর্তী পথসভায় আবুল হাশেম বক্কর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জনগণের ভোটে নির্বাচিত হওয়ার সামান্যতম সম্ভাবনাও না থাকায় জামায়াত এখন প্রকাশ্যে প্রশাসনকে অধীনস্থ করার হুমকি দিচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর।

জামায়াত নেতা শাহজাহান চৌধুরীর সাম্প্রতিক বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও সমালোচনা করে তিনি বলেন, এটাই জামায়াতের আসল চরিত্র। শাহজাহান চৌধুরীর বক্তব্যে গণতন্ত্র, নির্বাচন ও প্রশাসনিক নিরপেক্ষতার প্রতি প্রকাশ্য অবজ্ঞা প্রকাশ পেয়েছে। এটি সরাসরি রাষ্ট্রযন্ত্র নিয়ন্ত্রণের ঘোষণা। এমন বক্তব্য দিয়ে তারা দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে হুমকির মুখে ফেলেছে। এই বক্তব্য শোনার জন্য জুলাই আন্দোলনে ছাত্র জনতা রক্ত দেয় নাই।

এটি গণতন্ত্রকে উপহাস করা ছাড়া আর কিছুই নয়। স্কুল কলেজের শিক্ষক, প্রশাসন, ওসি, পুলিশসহ সরকারি বেসরকারি সব স্তরের মানুষকে নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার পরিকল্পনা, এটি রাজনৈতিক গুণ্ডামিরই প্রকাশ। মুলত জনগনের ভোটে নির্বাচিত হবেনা জেনে জামায়াত প্রশাসনকে নিয়ন্ত্রন নিতে চায়। মুক্তিযুদ্ধবিরোধী জামায়াতকে প্রশাসন নিয়ে কথা বলতে লজ্জা পাওয়া উচিত।

তিনি সোমবার (২৪ নভেম্বর) বিকেলে নগরীর ধনিওয়ালা পাড়া বায়তুশ শরফ জামে মসজিদের সামনে চট্টগ্রাম ৯ সংসদীয় আসনের ভোটারদের ধানের শীষ প্রতীকে ভোট প্রদানে উৎসাহিত করে রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের ৩১ দফা বাস্তবায়নে জনমত গঠনের লক্ষ্যে পাঠানটুলী ওয়ার্ড এলাকায় গনসংযোগ পূর্ববর্তী পথসভায় এসব কথা বলেন।

তিনি নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে বায়তুশ শরফ জামে মসজিদের সামনে থেকে শুরু করে ডিটি রোড়, শেখ মজিব রোড়, চৌমহনী, পাঠানটুলী রোড় ও কদমতলী দস্তগীর চত্তর এলাকায় সাধারণ মানুষের মাঝে লিফলেট বিতরন ও গণসংযোগ করেন।

তিনি বলেন, অতীতেও জামায়াত বিভিন্ন স্বৈরাচারী শক্তির হাত ধরে প্রশাসনের সুবিধা পেয়েছে। স্বৈরাচার এরশাদের ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে জামায়াতই ছিল প্রধান রাজনৈতিক সহযোগী। সেই জামায়াত আজ গণতন্ত্রের কথা বলে জাতিকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে। জনগণের ভোটে জামায়াত কখনোই শক্ত অবস্থানে নেই। তাই তারা প্রশাসনকে ‘আন্ডারে নেওয়ার’ ঘোষণা দিয়ে ভোটকে প্রভাবিত করার অপচেষ্টা করছে। এটা স্পষ্ট, জনগণের রায় নিয়ে নয়, তারা ক্ষমতায় যেতে চায় ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে। জামায়াত গণতন্ত্র চায় না, তারা শুধু শর্টকাট ক্ষমতা চায়। জনগণের ভোটের মাধ্যমে নয়, প্রশাসনকে ভয় দেখিয়ে ও প্রভাবিত করে ক্ষমতায় যাওয়া তাদের পুরনো কৌশল।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের ভোটাররা এখন সচেতন। ১৯৭১-এর ইতিহাস যারা অস্বীকার করে, যারা বারবার দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছে, তাদের কথা জনগণ বিশ্বাস করে না। জামায়াতের মুখোশ উন্মোচনে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।

২৩ নং পাঠানটুলী ওয়ার্ড বিএনপির আহবায়ক আবদুর হালিমের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব এম এ হাসনাতের পরিচালনায়এতে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক নিয়াজ মোহাম্মদ খাঁন, মহিলা দলের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সম্পাদক ফাতেমা বাদশা। উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির সাবেক সহ ক্রীড়া সম্পাদক মোস্তাফিজুর রজমান বুলু, ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক আহবায়ক হাজী মো. মহসিন,

ওয়ার্ড বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক সুলতান মাহমুদ খান সুমন, যুগ্ম আহবায়ক আকবর কবির ডিউক, সিরাজুল ইসলাম, সিরাজুল মোস্তফা, আব্বাস উদ্দিন, মো. আজাদ, আবু তাহের, মো আলী, সদস্য মো. শাহজাহান, মো. আজাদ, আনু মিয়া বাবুল, মো. হাসান, মো. নাছির উদ্দীন, আমির উদ্দিন বাবুল, মো. আজিম, অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ মজিবুর রহমান মজিব, মো. ইদ্রিস, মো. নূর মো. রুবেল, আকরাম খাঁন, মো. জনি খান, মো. খোকন, মো. ফরুক, মো. ফরিদ, মো. কাশেম, আনোয়ার হোসেন আনু, মো. আলমগীর, মো. জাহেদ, দেলোয়ার হোসেন, মো. আরিফ, মো. নবী, মো. আরফান প্রমুখ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

জনগণ গণতন্ত্রের পথে যাবে : আমীর খসরু

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও চট্টগ্রাম-১১ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, জনগণের ওপর আস্থা রেখে নির্বাচন করা ভালো। সব ধরনের খুটিনাটি নিয়ে, প্রপাগান্ডা দিয়ে বিভিন্ন ধরনের জনমনে উদ্বেগ সৃষ্টি করে গণতন্ত্রকে বাধাগ্রস্ত করার যে প্রক্রিয়া সে পথে তো জনগণ যাবে না, জনগণ যাবে গণতন্ত্রের পথে। তারা চাই সুষ্ঠু নির্বাচন এবং সে পথেই চলছে। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) চট্টগ্রাম নগরীর ৩৮ নং দক্ষিণ মধ্য হালিশহর ওয়ার্ডের সল্ট গোলা ক্রসিং থেকে নিশ্চিন্তপাড়া ওয়ার্ড অফিস মাইজপাড়া, ১ নং সাইট, হিন্দু পাড়া, বাকের আলি ফকির টেকসহ বিভিন্ন এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণাকালে তিনি এ কথা বলেন।

এ সময় তিনি ১২ তারিখ ধানের শীষে ভোট প্রার্থনা করেন।আমীর খসরু বলেন, প্রত্যেক নির্বাচনে ছোটখাটো কিছু ঘটনা ঘটে থাকে এটার জন্য বা এটার অর্থ এই নয় যে নির্বাচনে লেভেল ফিল্ড নেই। সব জায়গায় সব সময় সারা বিশ্বে ঘটে থাকে ছোটখাটো ঘটনা। এটার জন্য নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করা অর্থাৎ যারা নির্বাচন চায় না তারা এই কাজগুলো এই কথাগুলো বলে।কিছু ছোটখাটো ঘটনা, এটা সারা বিশ্বে ঘটছে, এটা বাংলাদেশেও ঘটেছে। জনগণের সমর্থনে এ নির্বাচন হচ্ছে। এটা কেউ বাধাগ্রস্ত করতে পারবে না। এই নির্বাচনে তার মালিকানা ফিরে পেতে চায় মানুষ।

তারা নির্বাচিত সরকার দেখতে চায়, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি দেখতে চায়, যারা তাদের কাছে দায়বদ্ধ থাকবে, জবাবদিহি থাকবে। সে অপেক্ষায় তারা আছে। এটাকে বাধাগ্রস্ত করতে যারাই যাবে তারা নিজেরাই বাধাগ্রস্ত হবে। তাদের রাজনৈতিক কোনো ভবিষ্যৎ থাকবে না। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আলহাজ্ব এম এ আজিজ, মহানগর বিএনপির সদস্য হাজী হানিফ সওদাগর প্রমুখ।

বাংলাদেশ প্রতিবছর প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকার গুঁড়া দুধ আমদানি করে : প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রেড চিটাগাং ক্যাটল (আরসিসি)-এর গুরুত্ব তুলে ধরে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, লাল গরুর দেশ চট্টগ্রাম। দুধ হয়তো কিছুটা কম দেয়, কিন্তু মাংসের দিক থেকে এবং জাতগত বৈশিষ্ট্যে রেড চিটাগাং ক্যাটলের তুলনা পৃথিবীর কোথাও নেই। তাই এই জাত সংরক্ষণ করা আমাদের জন্য অত্যন্ত জরুরি। উপদেষ্টা বুধবার সকালে কর্ণফুলী উপজেলার শিকলবাহা এ কে এগ্রো এন্ড ডেইরি হাব সংলগ্ন মাঠে “চট্টগ্রাম অঞ্চলে ডেইরি খাতের উন্নয়ন: সম্ভাবনা ও করণীয়” -শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপষ্টো বলেন, বাংলাদেশ প্রতিবছর প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয় করে গুঁড়া দুধ আমদানি করে। এই টাকা যদি দেশীয় দুধ উৎপাদন বাড়াতে ব্যয় করা হয়, তাহলে আমদানির প্রয়োজন কমবে। গুঁড়া দুধ তরল দুধে ভেজালের ঝুঁকিও বাড়াচ্ছে। তাই আমাদের শপথ নিতে আমদানি কমিয়ে দেশীয় তরল দুধের উৎপাদন বাড়াতে হবে।

বিদ্যুৎ বিল ও ভর্তুকি প্রসঙ্গে উপষ্টো বলেন, ব্যাপক আলোচনা ও প্রচেষ্টার পর মৎস্য ও প্রাণিসম্প খাতে ২০ শতাংশ বিদ্যুৎ বিল রেয়াত এবং ১০০ কোটি টাকা ভর্তুকি দেয়া সম্ভব হয়েছে। এটি প্রাথমিক উদ্যোগ হলেও ভবিষ্যতে প্রয়োজন অনুযায়ী আরও বাড়ানোর চেষ্টা করা হবে। তিনি খামারি নিবন্ধনের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, নিবন্ধন ছাড়া প্রকৃত চিত্র জানা সম্ভব নয়। অনলাইনে নিবন্ধন হলে সব তথ্য এক জায়গায় পাওয়া যাবে এবং নীতিনির্ধারণ সহজ হবে।

উপদেষ্টা বলেন, প্রাণিসম্প ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্প (এলডিডিপি)-এর মাধ্যমে খামারিরা প্রশিক্ষণ পেয়েছেন, পিজি গ্রুপ গড়ে উঠেছে এবং অনেকের জীবনের অংশ হয়ে উঠেছে ডেইরি কার্যক্রম। তিনি বলেন, অনেকে বলছেন, লাভ-ক্ষতির হিসাব না করেও এটি এখন তাদের জীবনের অংশ। এর মানে ভবিষ্যতে এখান থেকেই তারা টেকসইভাবে জীবিকা নির্বাহ করতে পারবেন।
নারীরে উদ্দেশে তিনি বলেন, দুধ শুধু উৎপানের পরিসংখ্যান নয়-মানুষ কতটা দুধ গ্রহণ করছে সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে নারী, শিশু ও বয়স্কদের জন্য দুধ অত্যন্ত প্রয়োজনীয়, যা হাড়ের রোগ ও অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধে সহায়ক।

এলডিডিপি’র মাধ্যমে স্কুল ফিডিং প্রোগ্রামের সাফল্যের কথা উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, স্কুলে দুধ সরবরাহ শিশুদের পুষ্টি নিশ্চিত করার পাশাপাশি তাদের মেধা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। দরিদ্র ও শহুরে শিশুদের জন্য যা কার্যকর উদ্যোগ। তিনি বলেন, বাংলাশে তরুণদের দেশ। ডেইরি ইন্ডাস্ট্রিতে তরুণদের এগিয়ে আসতে হবে। সরকার প্রয়োজনীয় সহায়তা দেবে। আমরা সংগ্রামী জাতি-দেশের উন্নয়নের জন্য এই সংগ্রাম অব্যাহত রাখতে হবে।

সেমিনারে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মোঃ আবু সুফিয়ানের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন বাংলাশে ডেইরি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী পরিচালক মিজ শাহীনা ফেরদৌসী, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক (কৃত্রিম প্রজনন) মোঃ শাহজামান খান তুহিন, পরিচালক (সম্প্রসারণ) ডা. বেগম শামছুননাহার, চট্টগ্রাম বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (পরিচালক) ডা. মোঃ আতিয়ার রহমান এবং এ কে এগ্রো এন্ড ডেইরি ফার্মের পরিচালক মোহাম্মদ ইকবাল হোসেইন।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মোঃ বয়জার রহমান। এছাড়া এলডিডিপিথর আওতায় ডেইরি হাব কার্যক্রম: বাস্তবায়ন, অগ্রগতি ও সম্ভাবনা শীর্ষক উপস্থাপনা ও ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করেন প্রকল্প পরিচালক ডা. মোঃ মোস্তফা কামাল।

আলোচিত খবর

ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অনেক জল্পনা – কল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্রায় দুই দশক ধরে ব্যাপক আলোচনার পরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হল যখন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবসা- বাণিজ্যে সম্পর্কের টানাপড়েন চলছে। এই চুক্তির মধ্যদিয়ে ইউরোপের ২৭টি দেশের সঙ্গে জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ ভারতের পণ্যের মুক্ত বাণিজ্য চলবে। ভারত এবং ইইউ সম্মিলিতভাবে বিশ্বের ২৫ শতাংশ মোট দেশজ উৎপাদন তাদের দখলে রেখেছে। দু’পক্ষের কাছে আছে দুশো কোটি ক্রেতার এক অতি বৃহৎ বাজার।

ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এবং ইইউ-র সদস্য দেশগুলি এই চুক্তিতে মান্যতা দিলে তারপরেই এবছরেরই পরের দিকে চুক্তি সই হতে পারে।এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে বিভিন্ন পণ্য ও পরিষেবায় বিপুল অঙ্কের শুল্ক কম হবে, আবার সামরিক ক্ষেত্রেও ভারত আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।

ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট এন্তোনিয়ো লুই সান্তোস দ্য কোস্টা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উর্সুলা ভন ডের লেয়ন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লিতে এক শীর্ষ বৈঠকে মিলিত হন।ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন – আজ ভারতের ইতিহাসে বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। আজ ২৭ তারিখ আর এটা অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশের সঙ্গে ভারত এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করল।
সংগৃহীত –

আরও পড়ুন

সর্বশেষ