স্মার্ট সড়ক বাতির আওতায় আসবে মহানগরের ৪১টি ওয়ার্ডের সড়কগুলো

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরের ৪১টি ওয়ার্ডের প্রধান সড়কগুলো স্মার্ট সড়ক বাতির আওতায় আসছে।মহানগরীকে স্মার্ট ও নিরাপদ নগরে রূপান্তর করতে ৪১ ওয়ার্ডে স্মার্ট সড়ক বাতি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সিসিটিভি ক্যামেরা বসানোর উদ্যোগ নিয়েছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক)।

এ জন্য ‘ইমপ্লিমেন্টেশন অফ স্মার্ট লাইটিং (সোলার/নন-সোলার) উইথ এআই বেইসড সিসিটিভি সার্ভেইল্যান্স সিস্টেম ইন চট্টগ্রাম সিটি এরিয়া ফর এনশিউরিং স্মার্ট অ্যান্ড সেফ সিটি’ শীর্ষক একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছে সংস্থাটি।চসিক সূত্রে জানা যায়, প্রকল্পটির লক্ষ্য হচ্ছে নগরজুড়ে আধুনিক স্মার্ট লাইটিং ব্যবস্থা স্থাপন এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ভিত্তিক সিসিটিভি ক্যামেরা নেটওয়ার্ক স্থাপন করে জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

চসিকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, শহরের প্রধান সড়ক, মোড়, সেতু, জনবহুল ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে সোলার ও নন-সোলার প্রযুক্তিনির্ভর স্মার্ট লাইট স্থাপনের পাশাপাশি উন্নতমানের নজরদারি ব্যবস্থা চালু করা হবে। এর ফলে অপরাধ দমন, যান চলাচল পর্যবেক্ষণ, দুর্ঘটনা ব্যবস্থাপনা এবং নগর নিরাপত্তায় উল্লেখযোগ্য উন্নতি ঘটবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সূত্রে জানা গেছে, ইতোমধ্যে এ প্রকল্পের ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট প্রপোজাল (ডিপিপি) প্রণয়নের উদ্দেশ্যে চার সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। গত ১৯ নভেম্বর চসিকের সচিব মো. আশরাফুল আমিন স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এই কমিটি গঠন করা হয়।

অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে- চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আবু সাদাত মোহাম্মদ তৈয়ব কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। আর চসিকের নির্বাহী প্রকৌশলী আশিকুল ইসলাম ও সহকারী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) মো. সরওয়ার আলম খান কমিটির সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত থাকবেন। এছাড়া নির্বাহী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) মো. শাফকাত বিন আমিন সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

কমিটির কার্যপরিধির মধ্যে রয়েছে- প্রকল্পের জন্য প্রয়োজনীয় সব তথ্য ও উপাত্ত সংগ্রহ করা, প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় নীতিমালার জন্য সুপারিশ করা, সংগৃহীত তথ্য ও বিশ্লেষণের ভিত্তিতে খসড়া ডিপিপি প্রস্তুত করা, কমিটিকে আগামী ৩০ কর্মদিবসের মধ্যে মেয়র বরাবরে প্রতিবেদন দাখিল করা।

এ বিষয়ে চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, আমার প্রতিশ্রুতির মধ্যে অন্যতম ছিল পরিবেশবান্ধব ও নিরাপদ নগর করা। ৪১ ওয়ার্ডে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ভিত্তিক সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হলে নগরজুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়ন ঘটবে। অন্যদিকে, পরিবেশবান্ধব সোলার সড়কবাতি স্থাপন করা হলে একদিকে যেমন বিদ্যুৎ সাশ্রয় হবে অন্যদিকে পরিবেশ দূষণ কমাবে।

চসিকের প্রধান প্রকৌশলী মো. আনিসুর রহমান সোহেল বলেন, সড়ক বাতির জন্য ইন্ডিয়ান এক্সিম ব্যাংকের সঙ্গে আমাদের একটি প্রজেক্ট হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু পরবর্তীতে প্রকল্পটি আর আলোর মুখ দেখেনি। আমরা নতুন করে একটি ডিপিপি প্রস্তুতের জন্য কাজ করছি। এর আওতায় নগরের ৪১টি ওয়ার্ডের প্রধান সড়কগুলো থাকবে। পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোও সিসিটিভি ও লাইটের আওতায় আসবে।

কমিটির সদস্য সচিব ও নির্বাহী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) মো. শাফকাত বিন আমিন বলেন, সিটিটিভি ও লাইট বসানোর জন্য আমরা রোডের তালিকা প্রস্তুতের কাজ করছি। ইতোমধ্যে প্রায় ৮০ শতাংশ তালিকা সম্পন্ন হয়েছে। আমাদের পরিকল্পনা হচ্ছে নগরের ৪১ ওয়ার্ড কাভার করা। অর্থাৎ ৪১ ওয়ার্ডের প্রধান প্রধান সড়ক থাকবে। এরপর আমরা লেন ও বাইলেন কাভার করবো।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

উত্তর পাঠানটুলীতে চাল বিতরণকালে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম নগরীর ২৩ নম্বর উত্তর পাঠানটুলী ওয়ার্ডে দুস্থ, অসহায় ও নিম্নআয়ের মানুষের মাঝে মানবিক সহায়তার অংশ হিসেবে চাল বিতরণ করা হয়েছে। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের পক্ষ থেকে এ খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হয়। স্থানীয় বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে পাঁচ শতাধিক সুবিধাবঞ্চিত পরিবারের মাঝে চাল বিতরণ করা হয়।

২৩ নম্বর উত্তর পাঠানটুলী ওয়ার্ড বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।প্রধান অতিথির বক্তব্যে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, জনগণের সেবা করাই আমাদের রাজনীতির মূল লক্ষ্য। মানুষের দুঃসময় ও দুর্যোগে তাদের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। অতীতের মতো বর্তমানেও অসহায়, দুস্থ ও নিম্নআয়ের মানুষের পাশে রয়েছি এবং ভবিষ্যতেও থাকব।

তিনি বলেন, যে পরিমাণ চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে তা যদি প্রয়োজনের তুলনায় কম হয়, তাহলে আরও চালের ব্যবস্থা করা হবে। কোনো অসহায় পরিবার যেন খাদ্য সংকটে না থাকে, সে বিষয়ে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, বিএনপি সবসময় জনগণের দল। মানুষের সুখ দুঃখ, দুর্যোগ ও সংকটের সময় বিএনপির নেতাকর্মীরা মাঠে থেকে কাজ করেছে এবং ভবিষ্যতেও করবে। জনগণের কল্যাণ ও মানবিক সেবার এ ধারা অব্যাহত থাকবে। সমাজের বিত্তবানদেরও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান তিনি।

অনুষ্ঠান শেষে প্রধান অতিথি ডা. শাহাদাত হোসেন সুবিধাবঞ্চিত পরিবারের সদস্যদের হাতে চাল তুলে দেন।
ওয়ার্ড বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুল হালিমের সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব এম এ হাসনাতের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এস এম সাইফুল আলম, নিয়াজ মোহাম্মদ খান এবং কেন্দ্রীয় মহিলা দলের যুগ্ম সম্পাদক ফাতেমা বাদশা। উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি নেতা মুস্তাফিজুর রহমান বুলু, এম এ হাসেম, বিএনপি নেতা সুলতান মোহাম্মদ খান সুমন, আকবর কবির ডিউক, সিরাজুল ইসলাম, মো. আব্বাস, মো. তাহের, মো. আলীসহ স্থানীয় বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

ঠাকুরগাঁওয়ে বাধ্যতামূলক মামলাপূর্ব মধ্যস্থতা কার্যক্রমের উদ্বোধন করলেন আইনমন্ত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আদালতে মামলা দায়েরের আগেই নির্দিষ্ট ধরনের দেওয়ানি বিরোধ নিষ্পত্তির লক্ষ্যে ঠাকুরগাঁওয়ে বাধ্যতামূলক মামলাপূর্ব মধ্যস্থতা (প্রি-কেইস মেডিয়েশন) কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে।মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকাল ১০টায় ঠাকুরগাঁও জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও সংসদ সদস্য মো. আসাদুজ্জামান।

ঠাকুরগাঁও জেলা লিগ্যাল এইড অফিসের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা ও দায়রা জজ এবং জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির চেয়ারম্যান মো. জামাল হোসেন।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, আইনগত সহায়তা প্রদান (সংশোধন) আইন, ২০২৬-এর ২১(খ) ধারার আওতায় প্রাথমিকভাবে ঠাকুরগাঁওসহ দেশের ১০টি জেলায় বাধ্যতামূলক মামলাপূর্ব মধ্যস্থতা কার্যক্রম চালু করা হয়েছে।প্রধান অতিথির বক্তব্যে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেন, আদালতে মামলা দায়েরের আগে আলোচনার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির সুযোগ সৃষ্টি হলে বিচারপ্রার্থীদের সময়, অর্থ ও ভোগান্তি কমবে। একই সঙ্গে আদালতে নতুন মামলা দায়েরের প্রবণতা কমে বিচারব্যবস্থার ওপর চাপও হ্রাস পাবে।

তিনি বলেন, আইনগত সহায়তা প্রদান আইনের তফসিলভুক্ত সাত ধরনের বিরোধে ইতোমধ্যে প্রকল্পভুক্ত ২০টি জেলায় স্পেশাল মেডিয়েটরের মাধ্যমে পরিচালিত মধ্যস্থতা কার্যক্রমে আশাব্যঞ্জক ফল পাওয়া গেছে। পারিবারিক আদালত, বাড়িভাড়া নিয়ন্ত্রণ, বণ্টন, অগ্রক্রয়, পিতা-মাতার ভরণপোষণ ও যৌতুকসংক্রান্ত বিরোধে গত বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে মে পর্যন্ত চার মাসে ১১ হাজার ২৮০টি মামলা দায়ের হলেও চলতি বছরের একই সময়ে তা কমে দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ২৮৪টিতে। নতুন মামলা দায়েরের হার ৬২ দশমিক শূন্য ২ শতাংশ কমেছে, যা বিচারব্যবস্থায় মামলার জট কমানোর ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি।

আইনমন্ত্রী জানান, আগামী ছয় মাসের মধ্যে দেশের সব জেলায় পর্যায়ক্রমে বাধ্যতামূলক মামলাপূর্ব মধ্যস্থতা কার্যক্রম চালু করা হবে। এ উদ্যোগ সফল করতে বিচারক, আইনজীবী, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, বিচারপ্রার্থী এবং গণমাধ্যমকর্মীদের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার (সিনিয়র সিভিল জজ) মজনু মিয়া বলেন, বাধ্যতামূলক মামলাপূর্ব মধ্যস্থতা কার্যক্রম বিচারপ্রার্থীদের জন্য একটি সময়োপযোগী উদ্যোগ। মামলা আদালতে গড়ানোর আগেই আলোচনার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির সুযোগ তৈরি হবে। এতে সময় ও অর্থ সাশ্রয়ের পাশাপাশি আদালতের মামলার চাপও কমবে।তিনি আরও বলেন, জেলা লিগ্যাল এইড অফিস এ কার্যক্রম বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা দেবে।

অনুষ্ঠানে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. লুৎফর রহমান, ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. রফিকুল বারী, যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ সাদিয়া আফরিনা রীমা, সিনিয়র সহকারী জজ (সদর) সুব্রত মল্লিক, জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তাহমিদুর রহমান, সিভিল জজ মাহমুদুল ইসলাম মুন্না, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. ইউসুফ আলী, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শেখ ফরিদ, লিগ্যাল এইড কমিটির সদস্য এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

আলোচিত খবর

নতুন ভোটার হওয়ার আবেদন ৩১ জুলাই পর্যন্ত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তির সুযোগ পাচ্ছেন নিবন্ধিত না হওয়া নাগরিকরা। আগামী ৩১ জুলাই পর্যন্ত নতুন ভোটার হওয়ার আবেদন গ্রহণ করা হবে। ইসি জানিয়েছে, ২০০৮ সালের ৩১ জুলাই বা তার আগে জন্মগ্রহণকারী যেকোনো ব্যক্তি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন করলে আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সুযোগ পাবেন। স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখেই এ কার্যক্রম পরিচালনা করছে নির্বাচন কমিশন।

এদিকে নির্বাচন কমিশনের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ৯ আগস্ট খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা এবং উপজেলা বা থানা নির্বাচন অফিসে তালিকাটি প্রদর্শন করা হবে। তালিকায় নাম বাদ পড়া বা তথ্যগত ভুল থাকলে সংশ্লিষ্টরা ২৪ আগস্ট পর্যন্ত নতুন অন্তর্ভুক্তি বা তথ্য সংশোধনের আবেদন করতে পারবেন। সব আপত্তি নিষ্পত্তি শেষে ৩১ আগস্ট চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ১০ আগস্ট খসড়া ভোটকেন্দ্রের তালিকা প্রকাশ করা হবে। এরপর আপত্তি গ্রহণ ও যাচাই-বাছাই শেষে ২৭ আগস্ট চূড়ান্ত ভোটকেন্দ্রের তালিকা প্রকাশ করবে নির্বাচন কমিশন। এ-সংক্রান্ত নির্দেশনা সিনিয়র সহকারী সচিব মো. রশিদ মিয়া স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে জানানো হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমানেল মাছউদ জানিয়েছেন, আগামী অক্টোবর থেকে ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভা নির্বাচন দিয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে। এ লক্ষ্যে আগস্টের মাঝামাঝি বা শেষ সপ্তাহে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হতে পারে।

বর্তমানে দেশে মোট ভোটারের সংখ্যা ১২ কোটি ৮৩ লাখ ২৩ হাজার ২৪০ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৫২ লাখ ১২ হাজার ৭৩১ জন, নারী ভোটার ৬ কোটি ৩১ লাখ ৯ হাজার ২৬৬ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ১ হাজার ২৪৩ জন

আরও পড়ুন

সর্বশেষ