আজঃ বুধবার ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৫

দীপেন-এনামুল চট্টগ্রামে নজরুল সঙ্গীত শিল্পী সংস্থার নেতৃত্বে

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে ‘নজরুল সঙ্গীত শিল্পী সংস্থা’র দ্বিবার্ষিক সাধারণ সভা হয়েছে। এতে শিল্পী দীপেন চৌধুরীকে সভাপতি ও মুহাম্মদ এনামুল হককে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে। সংস্থার প্রধান উপদেষ্টা শিক্ষাবিদ অধ্যাপক হাসিনা জাকারিয়া বেলার সভাপতিত্বে এ সভা হয়েছে। সংস্থাটির কার্যালয়ে শিক্ষাবিদ রীতা দত্ত ও নজরুল গবেষক সিরাজুল ইসলাম এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

নির্বাচিত অন্যান্য কর্মকর্তারা হলেন- সহ-সভাপতি নির্মল বৈদ্য, শান্তিময় চক্রবর্তী, মৃনালিনী চক্রবর্ত্তী, রোকসানা আক্তার চৌধুরী, রুহি মোস্তফা ও দ্বীজেন চক্রবর্ত্তী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পিন্টু কুমার ঘোষ ও মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক অনুপম চৌধুরী শংকর, অর্থ সম্পাদক সৃজন কান্তি পাল, সাংস্কৃতিক সম্পাদক শিল্পী দাশগুপ্তা, সহ-সাংস্কৃতিক সম্পাদক শিমু বিশ্বাস, সাহিত্য ও গবেষণা সম্পাদক মানু মজুমদার, দফতর সম্পাদক অরুন কুমার দত্ত, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মুহাম্মদ আরসাদুর রহমান, নির্বাহী সদস্য সুচিত্রা চৌধুরী, সঞ্জীব চৌধুরী, আশীষ দেব, লিটন কান্তি দাশ, শিউলী রাণী নাথ, এমিলী দাশ ও সব্যসাচী নন্দী।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের আলোচনা সভা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে দোয়া ও আলোচনা সভার আয়োজন করেছে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব। রোববার দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন ক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচি। অনুষ্ঠানে মুনাজাত পরিচালনা করেন শাহ আনিস জামে মসজিদের খতিব মাওলানা জামাল উদ্দিন।

চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মিয়া মো. আরিফের সঞ্চালনায় আলোচনায় অংশ নেন সিনিয়র সহ সভাপতি মুস্তফা নঈম, কার্যকরী সদস্য সালেহ নোমান, গ্রন্থগার সম্পাদক শহিদুল ইসলাম, সমাজসেবা ও অপ্যায়ন সম্পাদক হাসান মুকুল, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ফারুক আবদুল্লাহ ও সিনিয়র সাংবাদিক মোস্তফা কামাল পাশা প্রমুখ।

এসময় বক্তারা বলেন, এবার ভিন্ন প্রেক্ষাপটে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস ফিরে এসেছে। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে গত ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ফ্যাসিবাদ সরকারের পতন ঘটে। পরে অর্ন্তর্র্বতী সরকারের নেতৃত্বে জাতি নতুন এক গণতান্ত্রিক অভিযাত্রা শুরু করে। জুলাই বিপ্লবে ছাত্র জনতার নেতৃত্বে সকল পেশার, সকল শ্রেণীর মানুষের মধ্যে যে জাতীয় ঐক্য গড়ে উঠেছে এই ঐক্যের আলোকে আগামী দিনের বাংলাদেশ নির্মাণের আহ্বান জানান নেতৃবৃন্দ।

শাহজাদপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের সাথে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মতবিনিময়।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

‎সিরাজঞ্জের শাহজাদপুরে উপজেলা রিপোর্টার্স ক্লাবের সদস্যদের সাথে অর্থাৎ কর্মরত প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করেছেন নবাগত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিস মাসফিকা হোসেন। এসময়ে উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ মুশফিকুর রহমান। উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসময় উপজেলা রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি মোঃ শফিকুল ইসলাম,সাধারণ সম্পাদক হাজী মোঃ তামিম (হিটলার), সহ-সভাপতি মোঃ মেহেদী হাসান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ মনোয়ার হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ নাঈম উদ্দিন সিরাজী, সিনিয়র সাংবাদিক মোঃ বাবলু শেখ, কার্যনির্বাহী সদস্য মোঃ মোসলেম উদ্দিন সিরাজী, মোঃ নাহিয়ান খান। মোঃ রইচ উদ্দিন, এছাড়াও উক্ত ক্লাবের সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। মতবিনিময় সভার শুরুতে উপজেলা রিপোর্টার্স ক্লাবের সদস্যরা তাদের পরিচয় তুলে ধরেছিলেন।

পরে উপজেলা রিপোর্টার্স ক্লাবের সদস্যবৃন্দরা বক্তব্য রেখেছিলেন, তারা নবাগত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট শাহজাদপুরের ইতিহাস তথা ঐতিহ্য ও বিভিন্ন সমস্যা যেমনঃ মাদক, অনলাইন জুয়া, যানজট, কাপড় হাটের জীর্ণ দশা, গোষ্ঠীগত বিরোধ সহ বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের বিষয় গুলো তুলে ধরেছিলেন। এসময় নবাগত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিস মাসফিকা হোসেন বলেছেন, আপনারা যে সমস্যা গুলো তুলে ধরেছেন, এই সকল বিষয় নিয়ে কাজ করার ইচ্ছা আমার আছে। এছাড়া ও সামনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন তাই শাহজাদপুরে গ্রহনযোগ্য ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের সকল কাজ সুস্থ ভাবে সম্পূর্ণ করা হবে। এসময় তিনি সাংবাদিকদের সহযোগিতা কামনা করেছেন।

আলোচিত খবর

আরব আমিরাতে ভিসা সংকটে বড় হুমকির মুখে বাংলাদেশি শ্রমবাজার।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মধ্যপ্রাচ্যের  অন্যতম বৃহৎ শ্রমবাজার সংযুক্ত আরব আমিরাতে ভিসা জটিলতায় চরম অনিশ্চয়তায় পড়েছেন বাংলাদেশি কর্মীরা। নতুন ভিসা ইস্যু বন্ধ থাকা এবং অভ্যন্তরীণ ভিসা পরিবর্তনের সুযোগ না থাকায় বিপাকে পড়েছেন প্রবাসীরা। কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালালেও কবে ভিসা উন্মুক্ত হবে— সে বিষয়ে নিশ্চিত কিছু জানাতে পারছে না বাংলাদেশ মিশন। বিষয়টি সম্পূর্ণ নির্ভর করছে আমিরাত সরকারের সিদ্ধান্তের ওপর।

ভিসা জটিলতা শ্রমবাজারের জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রভাব পড়ছে প্রবাসীদের কর্মসংস্থান, আয়-রোজগার এবং দেশের রেমিট্যান্স প্রবাহে। বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশি কর্মীদের বিরুদ্ধে ভিসার মেয়াদ শেষে অবৈধভাবে বসবাস, লিঙ্গ পরিবর্তন, সনদ জালিয়াতিসহ নানা অভিযোগ ওঠায় ভিসা নীতিতে কড়াকড়ি করেছে আমিরাত সরকার। এতে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছেন বাংলাদেশিরা।

এদিকে দুবাইয়ে স্কিল ভিসা চালু থাকলেও সেখানেও কঠোর শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়েছে। গ্র্যাজুয়েশন সনদ ছাড়া বাংলাদেশিদের ভিসা দেওয়া হচ্ছে না। সনদকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সত্যায়ন, পরে দূতাবাস বা কনস্যুলেটের যাচাই এবং শেষে আমিরাতের বৈদেশিক মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন নিতে হচ্ছে। দীর্ঘ ও জটিল এ প্রক্রিয়ায় হতাশ কর্মপ্রত্যাশীরা।

বাংলাদেশ মিশনের তথ্যানুসারে, স্কিল ভিসায় সনদ জালিয়াতি ঠেকাতে তিন মাস আগে চালু করা হয়েছিল বারকোড ব্যবস্থা। তবে অল্প সময়ের মধ্যেই সেটিও জাল করে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। এ কারণে ইউএই সরকারের পক্ষ থেকে নিয়মিত অভিযোগ আসছে। রাষ্ট্রদূতের মতে, বাংলাদেশিদের মানসিকতা না বদলালে ভিসা সংকট নিরসন সম্ভব নয়।

আবুধাবি বাংলাদেশ রাষ্ট্রদূত তারেক আহমেদ বলেন, “গত সাত মাস ধরে ভিসা ইস্যুতে চেষ্টা চালিয়েও কোনো অগ্রগতি হয়নি।কবে হবে সেটিও অনিশ্চিত। আমরা কাজ চালিয়ে যাচ্ছি, তবে বিষয়টি পুরোপুরি আমাদের নিয়ন্ত্রণে নেই। ”

 

জনশক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, ভিসা পরিবর্তনের জটিলতা দ্রুত সমাধান না হলে অনেক বাংলাদেশি কর্মীকে দেশে ফিরে যেতে হতে পারে। অনেকেই জানেন না, ভিসা বাতিল হলে কী পদক্ষেপ নিতে হবে। এতে প্রবাসীদের মানসিক চাপ বাড়ছে। বিশেষ করে বর্তমানে যারা আমিরাতে অবস্থান করছেন, তারা পড়েছেন চরম অনিশ্চয়তায়।

বাংলাদেশি প্রবাসী সংগঠকরা মনে করেন, এ অচলাবস্থা কাটাতে সরকারের কূটনৈতিক প্রচেষ্টার পাশাপাশি প্রবাসীদেরও ভিসা নীতিমালা মেনে চলা জরুরি। নইলে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ শ্রমবাজারে বাংলাদেশ বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়বে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ