চট্টগ্রামের দুই আসনে বিএনপির প্রার্থী নিয়ে চলছে জল্পনা-কল্পনা

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দুই দফায় চট্টগ্রামের ১৬ আসনের মধ্যে ১৪টিতে প্রার্থী ঘোষণা করেছে বিএনপি। দুই আসনে প্রার্থী ঘোষণা দেয়নি দলটি। এ দুই আসনের প্রার্থী নিয়ে জল্পনা-কল্পনার শেষ নেই। আসন দুটি হচ্ছে- চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর, পতেঙ্গা, ডবলমুরিং, ইপিজেড ও সদরঘাট) এবং চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ ও সাতকানিয়া-আংশিক)।শেষ মুহূর্তে চট্টগ্রামের এই দুই আসনে বিএনপির প্রার্থিতা নিয়ে কী চমক অপেক্ষা করছে- এ নিয়ে জল্পনা-কল্পনার শেষ নেই রাজনৈতিক অঙ্গনে। এদিকে আগামী সপ্তাহখানেকের মধ্যে যেকোন সময় বিএনপির প্রার্থী ঘোষণা হতে পারে এ দুই নির্বাচনী আসনে। এ নিয়ে চুলচেড়া বিশ্লেষণ চলছে। হিসাব মেলাতে ব্যস্তসময় পার করছেন রাজনৈতিক বোদ্ধারাও।

জানা গেছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে গত ৩ নভেম্বর ২৩৬টি এবং ৪ ডিসেম্বর ৩৬টিসহ দুই ধাপে ২৭২ আসনে সম্ভাব্য একক প্রার্থী ঘোষণা করে বিএনপি। চট্টগ্রামের ১৬ আসনের মধ্যে প্রথম দফায় ১০টি এবং দ্বিতীয় দফায় ৪টি মিলে মোট ১৪ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করে বিএনপি।ঘোষিত প্রার্থীরা হলেন- চট্টগ্রাম-১ (মিরসরাই) নুরুল আমিন চেয়ারম্যান, চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) সরোয়ার আলমগীর, চট্টগ্রাম-৩ (সন্দ্বীপ) মোস্তফা কামাল পাশা, চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড) কাজী সালাউদ্দিন, চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী ও বায়েজিদ) ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী, চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া) হুম্মাম কাদের চৌধুরী, চট্টগ্রাম-৮ (চান্দগাঁও, বোয়ালখালী ও পাঁচলাইশ-আংশিক) এরশাদ উল্লাহ, চট্টগ্রাম-৯ (কোতোয়ালী-বাকলিয়া) আবু সুফিয়ান, চট্টগ্রাম-১০ (ডবলমুরিং-পাহাড়তলী-হালিশহর-খুলশী) আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) এনামুল হক এনাম, চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা-কর্ণফুলী) সরওয়ার জামাল নিজাম, চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) নাজমুল মোস্তাফা আমিন এবং চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী) মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী পাপ্পা।
বিএনপির একাধিক নেতার সাথে কথা বলে জানা গেছে, চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর, পতেঙ্গা, ডবলমুরিং, ইপিজেড ও সদরঘাট) আসনটি দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর নিজের আসন। তবে তিনি এবার মনোনয়ন পান চট্টগ্রাম-১০ (ডবলমুরিং-পাহাড়তলী-হালিশহর-খুলশী) আসনে। তাই এবার এ আসনে মনোনয়নপ্রত্যাশী হলেন- বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপকমিটির সদস্য ইসরাফিল খসরু ও নগর বিএনপির সদস্যসচিব নাজিমুর রহমান। তাছাড়া চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ ও সাতকানিয়া-আংশিক) আসনটি বিএনপির শরিক এলডিপিকে ছেড়ে দিতে পারে বলে জানা গেছে। এক্ষেত্রে এলডিপির প্রার্থী হতে পারেন এলডিপির সভাপতি ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রম অথবা তার ছেলে অধ্যাপক ওমর ফারুক।

তিনি এলডিপির প্রেসিডিয়াম সদস্য। তবে এ আসন থেকে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী রয়েছেন বেশ কয়েকজন। তারা হলেন- বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদক ডা. মহসিন জিল্লুর করিম, দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক ও চন্দনাইশ উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক নুরুল আনোয়ার চৌধুরী, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি ও চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি এডভোকেট নাজিম উদ্দিন চৌধুরী এবং বিএনপি নেতা শফিকুল ইসলাম রাহী।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

৯ দিন পর মৃত্যুর কাছে হার মানলো সড়ক দূর্ঘটনায় আহত কলেজছাত্র হৃদয়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সড়ক দূর্ঘটনায় আহত হওয়ার নয় দিন পর ইমতিয়াজ উদ্দিন হৃদয় (২০) নামের এক কলেজছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) ভোরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এর আগে চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় বাসের ধাক্কায় গুরুতর আহত হয় সে।
নিহত ইমতিয়াজ উদ্দিন লোহাগাড়া উপজেলার কলাউজান ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মিয়াজান মাস্টারপাড়ার মো. লোকমানের দ্বিতীয় ছেলে। তিনি বান্দরবান সরকারি কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন।

দোহাজারী হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালাউদ্দিন চৌধুরী ইমতিয়াজের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, দুর্ঘটনার পর আহত কলেজছাত্রের পরিবারকে মামলা করার জন্য বলা হয়েছিল। তবে রোগী নিয়ে ব্যস্ত থাকায় তারা তখন মামলা করতে পারেনি। মঙ্গলবারও তাদের মামলা করার জন্য বলা হয়েছে। মামলা হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ওসি আরও বলেন, দুর্ঘটনার দিনই বাসটি জব্দ করা হয়েছিল। ঘটনার পর থেকে বাসটির চালক ও হেলপার পলাতক রয়েছেন।

জানা গেছে, গত ৩০ আগস্ট সকাল ১০টার দিকে নিজ বাড়ি থেকে মোটরসাইকেল চালিয়ে বান্দরবান সরকারি কলেজে যাচ্ছিলেন ইমতিয়াজ। পথে সাতকানিয়া উপজেলার চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের ছদাহা ইউনিয়নের শিশুতল বাজার এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা ঈগল পরিবহনের একটি বাস তার মোটরসাইকেলে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি সড়কে ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন। পথচারীরা মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাকে চমেক হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে আইসিইউতে নয় দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর মঙ্গলবার ভোরে তার মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনার পর ঈগল পরিবহনের বাসটি সাতকানিয়া অতিক্রম করে লোহাগাড়া এলাকায় গিয়ে মহাসড়কের পাশে রেখে চালক ও হেলপার পালিয়ে যান। পরে দোহাজারী হাইওয়ে থানা পুলিশ বাসটি জব্দ করে।

বোয়ালখালীতে পৃথক অভিযানে গ্রেপ্তার ৩ জন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে মাদক বিরোধী পৃথক অভিযান চালিয়ে ১২ লিটার দেশীয় তৈরি চোলাই মদসহ মোঃ করিম (৪৮) এবং মাদক সেবনের অপরাধে জয় দে (২৬) ও রাজীব নাথকে ৭ দিনে বিনাশ্রম কারাদন্ড ও ১০০ টাকা জরিমানা সহ অনাদায়ে আর ও ২দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করা হয়েছে।

শনিবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এসআই (নিঃ) মোঃ জুয়েল রানার নেতৃত্বে বোয়ালখালী থানার একদল পুলিশ ১২ লিটার চোলাই মদসহ শ্রীপুর-খরণদ্বীপ ইউনিয়নের জ্যৈষ্ঠপুরা গোলক কানুন বাজারের পূর্ব পার্শ্বে হামিদিয়া মাদ্রাসা সংলগ্ন ব্রীজের উপর থেকে মোঃকরিমকে এবং ৪নং শাকপুরা ইউনিয়নের পূর্ব শাকপুরা এলাকা থেকে জয় দে (২৬) ও রাজীব নাথকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত মোঃকরিম ৮নং শ্রীপুর-খরণদ্বীপ ইউনিয়নের জ্যৈষ্ঠপুরা গোলক কানুন বাজারের ০৮নং ওয়ার্ডের মমিন সাহেবের বাড়ীর মৃত আব্দুল হকের পুত্র এবং জয় দে
পূর্ব শাকপুরা এলাকার মৃত বাবুল দে’র পুত্র ও রাজীব নাথ উত্তর কঞ্জুরী এলাকার মৃত রতন নাথের পুত্র।

বোয়লখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোজাফফর হোসেন বলেন,আসামীদের বিধি মোতাবেক যথাযথ পুলিশ স্কট এর মাধ্যমে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। এলাকাকে মাদকমুক্ত রাখতে পুলিশের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আলোচিত খবর

জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর তিনি শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে। তখন বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ