আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

কু‌ষ্টিয়ায় যুবককে গুলির পর অস্ত্র দিয়ে কোপালো দুর্বৃত্তরা।

হৃদয় রায়হান কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কুষ্টিয়ার খোকসা উপ‌জেলায় পাপ্পু বিশ্বাস (৩৫) না‌মে এক যুবক‌কে গুলি ক‌রার পর ধারলো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়েছে দৃর্বৃত্তরা।আজ বুধবার(১০ ডি‌সেম্বর) বিকেল চারটার দিকে ওসমানপুর ইউনিয়নের জিকে খালের কাজীর ব্রিজ এলাকায় এ ঘটনা ঘ‌টে।

আহত পাপ্পু বিশ্বাস একই ইউনিয়‌নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কলপাড়া গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য ওয়াজেদ আলীর ছেলে। তা‌কে কু‌ষ্টিয়া ২৫০ শয‌্যার জেনা‌রেল হাসপাতা‌লে চি‌কিৎসা দেওয়া হ‌চ্ছে। ঘটনার পর ওসমানপুর এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে,বি‌কে‌লে পাপ্পু মোটরসাইকেল চালিয়ে উপজেলা শহ‌রের ভাড়া বাসায় ফিরছিলো। ওসমানপুর গ্রামের জিকে খালের কাজীদের ব্রিজের কাছে পৌছা‌লে দুর্বৃত্তরা তার মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে। কিছু বু‌ঝে ওঠার আগেই তাকে লক্ষ‌্য করে কয়েকরাউন্ড গুলি ছু‌ড়ে। এতে পাপ্পু গুলিবিদ্ধ হয়ে মাটিতে পরে গেলে দুর্বৃত্তরা তাকে ধারালো অস্ত্রদিয়ে কুপিয়ে জখম করে ফেলে রেখে যায়। পরে স্থানীয়রা পাপ্পুকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগে নিয়ে যায়। সেখান থেকে তাকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়।

আহত যুব‌কের বাবা ওয়াজেদ আলী ব‌লেন,প্রতিপক্ষের সন্ত্রাসীরা তার মোটরসাইকেল থামিয়ে ৫ থে‌কে ৬ রাউন্ড গুলি চালি‌য়ে‌ছে। দুটি গুলি পায়ের এক দিক দিয়ে ঢুকে অন্য দিক দিয়ে বেড়িয়ে গেছে। একটি গুলি হাটুর মধ্যে আটকে আছে। এ ছাড়া দুই হাত, পেট ও গলায় ধারালো অস্ত্রদিয়ে কুপিয়েছে। তিনি ছেলের চিকিৎসা নিয়ে ব‌্যস্ত থাকায় বিস্তারিত প‌রে জানাবেন ব‌লেন। হাসপাতা‌লের আবাসিক চি‌কিৎসা কর্মকর্তা(আরএমও) হোসেন ইমাম বলেন, গুলিবিদ্ধ যুবক‌কে অপারেশন থিয়েটারে নেওয়া হয়েছে। আশা করা হচ্ছে এখানেই চিকিৎসা দেওয়া যাবে।

খোকসা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ও‌সি) মোতালেব হোসেন বলেন,পাপ্পু গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনা জানার পর থেকে ওসমানপুরে পুলিশের একটি বড় টিম অভিযান পরিচালনা করছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

স্ত্রীর মরদেহ রেখে পালালো স্বামী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে খাদিজা আক্তার কাশফি নামের এক গৃহবধূর মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে রেখে পালিয়ে গেছেন স্বামী মো. মারুফ। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাতে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, কাশফিকে মৃত অবস্থায় আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন স্বামী মারুফ।

কর্তব্যরত চিকিৎসক কাশফিকে মৃত ঘোষণার পরপরই মরদেহ জরুরি বিভাগে রেখে কৌশলে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান তিনি। নিহতের গলায় মোটা দাগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. উপমা চৌধুরী। পরে কাশফির মৃত্যুর খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে আসেন স্বজনরা। পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চমেক হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ঘটনার পর থেকে স্বামী পলাতক রয়েছেন।

বোয়ালখালীতে বসতঘর চুরি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বোয়ালখালীর বসতঘরে ভেন্টিলেটর ভেঙে নিয়ে গেছে নগদ টাকাসহ স্বর্ণালংকার। উপজেলার পোপাদিয়ার আকুবদন্ডী মিনা গাজী মাজার এলাকার প্রবাসী জয়নাল মাস্টারের ঘরে এ ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকালে পরিবারের সদস্যরা নগরী থেকে বাড়িতে এসে এ ঘটনা জানতে পারেন।

পরিবারের সদস্য প্রবাসী মোহাম্মদ সাহাব উদ্দিন মানিক জানান, তার বড় ভাই জয়নাল মাস্টার গত সপ্তাহে পরিবার নিয়ে নগরের হালিশহরে মেয়ের বাসায় বেড়াতে গিয়েছিলেন। তিনি বলেন, সেমি-পাকা ঘরের ভেন্টিলেটর ভেঙে চোরের দল প্রবেশ করেছে। তারা আলমারি ভেঙে প্রায় ২ ভরি স্বর্ণের গয়না ও নগদ ৫০ হাজার টাকা নিয়ে গেছে এবং ঘরের সমস্ত জিনিসপত্র এলোমেলো করে রেখেছে। স্থানীয় ইউপি সদস্য মোহাম্মদ মামুন বলেন, ‘জয়নাল মাস্টার ঘরে না থাকার সুবাদে চোরের দল এ ঘটনা ঘটিয়েছে। এ ব্যাপারে থানায় অভিযোগ করার জন্য ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের বলা হয়েছে।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ