এসএসসি ’৯১ চট্টগ্রাম ক্লাব লিমিটেড’র দ্বিতীয় বর্ষপূতি।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


দীর্ঘ ৩৪ বছর পর আবার একসঙ্গে। চুলে পাক ধরা, বয়সের ভার কাঁধে, তবুও চোখে সেই স্কুলজীবনের চেনা উ”ছ¡াস। বন্ধুত্ব যে সময়ের কাছে হার মানে না, তারই জীবন্ত প্রমাণ হয়ে থাকল এসএসসি ’৯১ চট্টগ্রাম ক্লাব লিমিটেড–এর দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উদযাপন। চট্টগ্রামের বন্ধুদের সম্মিলিত উদ্যোগে গড়ে ওঠা এই ক্লাবের দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য আয়োজন গত শনিবার ঐতিহ্যবাহী চিটাগাং ক্লাবে অনুষ্ঠিত হয়।

বর্তমানে বিপুল সংখ্যক সদস্য নিয়ে এগিয়ে চলা এই সংগঠনটি কেবল একটি ক্লাব নয় এটি ৩৪ বছরের স্মৃতি, আবেগ আর নির্ভেজাল বন্ধুত্বের এক দৃঢ় বন্ধন। অনেকের বয়স পঞ্চাশের কাছাকাছি, কেউ কেউ পঞ্চাশ পেরিয়েছেন, তবু একে অপরকে দেখে সবাই ফিরেগেলেন কৈশোরের সেই দিনগুলোতে। ১২ ঘন্টার অনুষ্ঠানে ফুটে উঠে ৩৪ বছরের পুরোনো স্মৃতি।

সকাল ৯টায় সদস্যদের আগমন, গিফট ও কূপন সংগ্রহের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের প্র¯‘তি শুরু হয়। সকাল ১০টায় পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত, পবিত্র গীতা পাঠ ও ত্রিপিটক পাঠের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়। মিলনমেলায় সম্প্রীতি ও মানবিকতার এক অনন্য বার্তা বহন করে। জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানে যোগ হয় দেশপ্রেমের আবহ।

এরপর প্রয়াত বন্ধুদের স্মরণে শোক প্রস্তব উপ¯’াপন, মোনাজাত ও নিরবতা পালন করা হয়। এই মুহূর্তে অনেকের চোখ ছলছল করে ওঠে কারণ বন্ধুত্বের পথচলায় কেউ কেউ আর ফিরে আসেননি।

এর পর স্বে”ছাসেবক প্যানেল ও উপদেষ্টা পরিষদের পরিচিতি পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। আহবায়ক ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ আলাউদ্দিন আলো শুভে”ছা বক্তব্য রাখেন। তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে বন্ধুত্বের শক্তি, সময়ের মূল্য এবং সবাইকে একত্রে রাখার প্রত্যয়।

তার বক্তব্যের পর শুরু হয় বন্ধুদের স্মৃতিচারণ পর্ব। বহুদিন পর একে অপরের সামনে দাঁড়িয়ে কেউ হারিয়ে যাওয়া স্কুলজীবনের গল্পে ফিরে যান, কেউ আবার নীরবে চোখের কোণে জমে ওঠা অশ্রু লুকিয়ে রাখেন। ছবি তোলা, কাঁধে হাত রেখে আড্ডা আর প্রাণখোলা হাসিতে পুরো মিলনমেলা মুহূর্তেই হয়ে ওঠে স্মৃতির এক জীবন্ত অ্যালবাম যেখানে সময়ের সব দূরত্ব মুছে যায়।

এরপর শুরু হয় দিনব্যাপী সাংস্কৃতিক আয়োজন। প্রথম পর্বে সংগীত পরিবেশন করেন পারভেজ, বিশ্বজিৎ, শেখ মো. শহিদুজ্জামান ও লিংকন। বন্ধু সুজন দেবের কন্যা অনন্যা দেব প্রাচীরের একক নৃত্য পরিবেশনা উপ¯ি’ত সবাইকে মুগ্ধ করে। বান্ধবীদের সংগীত পরিবেশন করেন ফাতেমা জোহরা, ফেন্সি, মৌসুমী ও নিপু।

মধ্যাহ্নভোজের বিরতির পর বিকেলজুড়ে শুরু হয় একের পর এক মনোজ্ঞ পরিবেশনা। রতœার বিশেষ পারফরম্যান্স, বন্ধু ওসমানের একক গান, অতিথি বন্ধু হাসান ফারুক (জিপিডি)-এর বক্তব্য। ঢাকা থেকে আগত এসএসসি ’৯১ ব্যাচের খ্যাতিমান শিল্পীরা উত্তম, হিমেল, সুজন, আসাদ, লিটনসহ অনেকেই তাঁদের কণ্ঠে গানের মায়াজাল ছড়ান। জুনি চাকমার ডুয়েট পারফরম্যান্স ছিল চোখ ধাঁধানো।বিকেলে পাহাড়ি নৃত্য, একক সংগীত ও বান্ধবীদের বিশেষ পরিবেশনায় পুরো আয়োজন হয়ে ওঠে বৈচিত্রময়য় ও প্রাণবন্ত। ঢাকার বন্ধু সোনিয়া ববির পারফরম্যান্স, অতিথি শিল্পী সুইটি ও পপির মনমাতানো গানের আসর মিলনমেলার আবেগকে আরও গভীর করে তোলে।

এই বর্ষপূর্তি আয়োজনে সারা বাংলাদেশ থেকে সাড়ে ৮শত বন্ধু রেজিস্ট্রেশন করেন, প্রায় সকলে উপ¯ি’ত ছিলেন। সবচেয়ে বেশি বন্ধু উপ¯ি’ত ছিলেন চন্দনাইশ, রাঙ্গুনিয়া, মিরশ্বরাই ও পটিয়া থেকে। অনুষ্ঠানে অংশগ্রণকারী সবাইকে টি-শার্ট, আকর্ষণীয় ব্যাগ, চার রঙের স্মরণীয় স্যুভেনির, কলম ও ব্যাজ উপহার দেওয়া হয়।

পুরো অনুষ্ঠান সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালনা করেন সাখাওয়াত হোসেন সাজ্জাদুল ইসলাম চৌধুরী, তত্ত্বাবধানে ছিলো গোফরান উদ্দিন, নুরউদ্দিন, মোহাম্মদ ইকবাল শহীদুল ইসলাম, মঈনুল ইসলাম, ইদ্রিস মিয়া, জাহানারা বেবী, সুজন দেব, শামসুন্নাহার, সাখাওয়াত সাজিদ, শহীদুল ইসলাম সাজ্জাদ, রাশেদ মীর, মোহাম্মদ নুরুল আবছার, সৈয়দ মোহাম্মদ খালেদ, রাজেশ চক্রবর্তী, মোহাম্মদ আনোয়ার, মঈনুল আহসান আলী, আহসান জামান, শারমিন সুলতানা, তানজিনা তৃষা, রোজিনা রোজী, এড. দিলরুবা লিজা, এড. কানিজ কাউসার রীমা, শিমু চৌধুরী, মোহাম্মদ ফারুক, নোমান সোহেল, মফিজ উল্লাহ,পলাশ বড়ুয়া, আরিফ উল ইসলা,ডাঃ মঈনুদ্দীন ইলিয়াস। ব্যারিষ্টার এস এম কফিল উদ্দিন ও যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী কাকলি।

রাতে র‌্যাফেল ড্র এবং প্রধান সমন্বয়কারী মোহাম্মদ শাখাওয়াত হোসেনের সমাপ্তি বক্তব্যের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের পরিসমাপ্তি ঘটে।এই আয়োজন প্রমাাণ করেছে বয়স বাড়ে, সময় বদলায়, কিš‘ বন্ধুত্ব কখনো পুরোনো হয় না। ৩৪ বছর পর আবার একসঙ্গে বসে হাসি, গল্প করা আর স্মৃতিতে ডুবে যাওয়া এসএসসি ’৯১ চট্টগ্রাম ক্লাব লিমিটেডের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি হয়ে থাকল জীবনের পাতায় লেখা এক অবিস্মরণীয় অধ্যায়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

কর বিরোধ, উচ্চ আদালতে যাবে চট্টগ্রাম বন্দর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের (চবক) হোল্ডিং ট্যাক্স বা পৌরকর ১৫ শতাংশ কমিয়েছেন। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) দাবি করা ২৬৪ কোটি ৩৫ লাখ টাকার বিপরীতে এই কর ২২৪ কোটি ৭০ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। গত সোমবার (২ নভেম্বর) চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন উভয়পক্ষের শুনানি শেষে এ সিদ্ধান্ত দেন। সিটি করপোরেশন এই সিদ্ধান্তে সন্তুষ্ট হলেও বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তারা এই আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিট করবে।

রায়ের বিষয়ে চসিকের আইনজীবী মঈনুদ্দিন সোহেল বলেছেন, দাবি করা কর ১৫ শতাংশ কমিয়ে ২২৪ কোটি ৭০ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এটি একটি ঐতিহাসিক রায়। সিটি করপোরেশন এই রায়ে সন্তুষ্ট।
অন্যদিকে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ ইয়াসিন আরাফাত সাজ্জাদ বলেছেন, হোল্ডিং ট্যাক্সের আপিল আংশিক মঞ্জুর হয়েছে। মোট মূল্যায়ন ১ হাজার ৫৫৫ কোটি টাকা থেকে ২৩৩ কোটি কমানো হয়েছে। চট্টগ্রাম বন্দর এই রায়ে সংক্ষুব্ধ। এ বিষয়ে হাইকোর্টে রিট করা হবে।

জানা গেছে, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত চসিক ও বন্দরের একটি যৌথ দল ১ কোটি ৯৭ লাখ বর্গফুট জায়গার ওপর মূল্যায়ন সম্পন্ন করে। এর ভিত্তিতে বন্দরের ওপর ২৬৪ কোটি ৩৫ লাখ টাকা হোল্ডিং ট্যাক্স ধার্য করা হয়। এই মূল্যায়নের বিরুদ্ধে বন্দর কর্তৃপক্ষ বিভাগীয় কমিশনারের কাছে আপিল করে। তবে আইন অনুযায়ী আপিল করার শর্ত হিসেবে মোট দাবির ৭৫ শতাংশ, অর্থাৎ ১৯৮ কোটি ২৬ লাখ ৯৪ হাজার ৬৫১ টাকা চসিকের তহবিলে জমা দেয় বন্দর কর্তৃপক্ষ। চসিকের ইতিহাসে আগে কখনো একক কোনো প্রতিষ্ঠান থেকে একসঙ্গে এত বড় অঙ্কের টাকা জমা হয়নি।তবে এই জমা দেওয়া অর্থ চূড়ান্ত পৌরকর নয় বলে আগেই জানিয়েছিল চট্টগ্রাম বন্দর।

বন্দরের মুখপাত্র ও ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. নাসির উদ্দিন জানিয়েছিলেন, আপিলের আইনি বাধ্যবাধকতা রক্ষার্থে ওই টাকা ‘জামানত’ হিসেবে জমা দেওয়া হয়েছে। বিভাগীয় কমিশনার শুনানিতে যে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবেন, সে অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

বাগীশিক কেন্দ্রীয় সংসদের নবনির্বাচিত কমিটির অভিষেক ৬ নভেম্বর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ গীতা শিক্ষা কমিটি (বাগীশিক) কেন্দ্রীয় সংসদের নবনির্বাচিত কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠান আগামী ৬ নভেম্বর (শুক্রবার) নগরীর জিইসি কনভেনশন হলে দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত হবে। এতে রাষ্ট্রীয় অতিথি, বাগীশিক কেন্দ্রীয় সংসদ, জেলা ও মহানগর সংসদের নেতৃবৃন্দ, সনাতনী সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক ব্যক্তিত্ব, শিক্ষাবিদ, আইনজীবী, সাংবাদিক, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার সুধীজন উপস্থিত থাকবেন।

আজ মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) বিকাল ৫টায় নগরীর আন্দরকিল্লাস্থ বাগীশিক কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান অভিষেক পরিষদের আহ্বায়ক অ্যাড. প্রণব কুমার মজুমদার। সম্মেলন পরিচালনা করেন অভিষেক উদযাপন পরিষদের সদস্য সচিব অরুন কান্তি মল্লিক।

লিখিত বক্তব্যে অ্যাড. প্রণব কুমার মজুমদার বলেন, অভিষেক অনুষ্ঠান কেবল একটি আনুষ্ঠানিক পরিচিতি বা দায়িত্ব গ্রহণের আয়োজন নয়; বরং এটি বাগীশিকের সাংগঠনিক অগ্রযাত্রা, নতুন নেতৃত্বের দায়িত্ব গ্রহণ, ঐক্য ও সম্প্রীতির বন্ধন সুদৃঢ়করণ এবংহ গীতার শিক্ষা সমাজের সর্বস্তরে ছড়িয়ে দেওয়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষ্য। বাগীশিক’র কার্যক্রম বর্তমানে সারাদেশের প্রায় ৫৪টি জেলায় বিস্তৃত।

যেখানে প্রায় ৮ হাজার গীতা স্কুলের প্রায় ৪ লাখ শিক্ষার্থী ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষা লাভ করছে। পাশাপাশি বিভিন্ন মানবিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড তথা মেধাবী শিক্ষার্থীদের শিক্ষা বৃত্তি, প্রাকৃতিক দূর্যোগ ও অগ্নিদূর্গতদের সহায়তা, কন্যা দায়গ্রস্ত পিতাদের আর্থিক সহায়তা, বৃক্ষরোপণ, জাতীয় দিবস উদযাপন, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধকল্পে প্রচারণা, মন্দিরভিত্তিক বিবাহ ও স্বাত্বিক পূজা নিশ্চিতকরণের মতো কর্মকান্ড নিয়মিত ও ধারাবাহিকভাবে সংগঠনের পক্ষ থেকে পরিচালিত হয়ে আসছে।

তিনি জানান, দিনব্যাপী এই অনুষ্ঠানে থাকছে পার্থসারথি পূজা, জাতীয় ও সাংগঠনিক পতাকা উত্তোলন, উদ্বোধনী অনুষ্ঠান, সমবেত গীতাপাঠ, নবনির্বাচিত কেন্দ্রীয় সংসদের শপথবাক্য পাঠ, অভিষেক অনুষ্ঠান, গীতি আলেখ্য, সংবর্ধনা, আলোচনা সভা, অন্নপ্রসাদ বিতরণসহ বিভিন্ন ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক ও শিক্ষামূলক আয়োজন। অনুষ্ঠানে মহাত্মা মহারাজদের মধ্যে আশীর্বাদক থাকবেন সীতাকুণ্ড শঙ্করমঠ ও মিশনের অধ্যক্ষ শ্রীমৎ স্বামী তপনানন্দ গিরি মহারাজ এবং পাঁচরিয়া তপোবন আশ্রমের অধ্যক্ষ শ্রীমৎ স্বামী রবীশ্বরানন্দ পুরী মহারাজ। অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করবেন বাগীশিক কেন্দ্রীয় সংসদের উপদেষ্টা তিনকড়ি চক্রবর্তী। মঙ্গলপ্রদীপ প্রজ্বলন করবেন বাগীশিক কেন্দ্রীয় সংসদের উপদেষ্টা শিবু প্রসাদ দত্ত। প্রধান অতিথি থাকবেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ডা. শাহাদাত হোসেন। প্রধান বক্তা থাকবেন চট্টগ্রাম-১০ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান।

মহান অতিথি থাকবেন বাগীশিক কেন্দ্রীয় সংসদের উপদেষ্টা ও মনস্বী শিক্ষাবিদ অধ্যাপক হারাধন নাগ। সংবর্ধিত অতিথি থাকবেন বাংলাদেশ হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি সুব্রত চৌধুরী, একুশেপদক প্রাপ্ত বরেণ্য শিক্ষাবিদ প্রফেসর ড. হরিশংকর জলদাস ও প্রথিতযশা মানবিক চিকিৎসক প্রফেসর ডা. বিনয় পাল। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন বাগীশিক কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি ঝুন্টু চৌধুরী। বিশেষ বক্তব্য রাখবেন বাগীশিক কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. শুভাশীষ শর্মা। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখবেন অভিষেক উদযাপন পরিষদের আহ্বায়ক অ্যাড. প্রণব কুমার মজুমদার ও স্বাগত বক্তব্য রাখবেন অভিষেক উদযাপন পরিষদের সদস্য সচিব অরুণ কান্তি মল্লিক।

লিখিত বক্তব্যে আরো বলা হয়, বাগীশিক বাংলাদেশের সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে শ্রীমদ্ভগবদ্গীতার শাশ্বত শিক্ষা, মানবিক মূল্যবোধ, নৈতিকতা, অসাম্প্রদায়িক চেতনা, ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং মানবকল্যাণের আদর্শ প্রচার ও প্রসারে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসছে। গীতার অমর বাণীকে ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে ধারণ এবং তার আলোকে একটি নৈতিক ও মানবিক সমাজ বিনির্মাণই এই সংগঠনের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। এই ধারাবাহিকতায় বাগীশিক’র নবনির্বাচিত কেন্দ্রীয় সংসদের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল, সুসংগঠিত ও সম্প্রসারিত করার লক্ষ্যে অভিষেক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছে। আমাদের দৃঢ় প্রত্যয়, বাগীশিক একটি সুশৃঙ্খল, ঐক্যবদ্ধ ও আদর্শিক সংগঠন হিসেবে সনাতনী সমাজের শিক্ষা, সংস্কৃতি, নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধ বিকাশে আরও কার্যকর অবদান রাখবে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বাগীশিক কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা অধ্যক্ষ বিজয় লক্ষ্মী দেবী, দিলীপ কুমার ভট্টাচার্য্য, লায়ন শম্ভু দাশ, অধ্যাপক বিশ্বজিৎ রায় চৌধুরী, দেবব্রত দাশ, সভাপতি ঝুন্টু চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. শুভাশীষ শর্মা, সাবেক সভাপতি দেশপ্রিয় চৌধুরী বিনয়, সিনিয়র সহ-সভাপতি ডা. অঞ্জন কুমার দাশ ও প্রীতম চৌধুরী, সহ-সভাপতি সুশীল দত্ত, কর্মকর্তা পলাশ কান্তি নাথ রণী, এস প্রকাশ পাল, যীশু সেন, রাশু কান্তি বিশ্বাস, বিপ্লব পাল চৌধুরী, সুমন দাশ, ডা. রূপম রুদ্র, শিল্পী চৌধুরী, ডা. দেবাশীষ মজুমদার, সজীব দত্ত সৌরভ, সজিব মজুমদার, মোহন চৌধুরী প্রমুখ।

আলোচিত খবর

১২ লাখ ৭০ হাজার এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ আগামীকাল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল আগামীকাল শনিবার প্রকাশিত হতে যাচ্ছে। এর মধ্য দিয়ে এ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া সারা দেশের ১২ লাখ ৭০ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থীর দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটছে।আগামীকাল সকাল ১১টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করা হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ফল প্রকাশ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।


অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুই বিভাগের সচিব, সকল বোর্ডের চেয়ারম্যানসহ মন্ত্রণালয় ও বোর্ডের পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন।
উদ্বোধনের পরপরই পরীক্ষার্থীরা একযোগে নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, নির্ধারিত ওয়েবসাইট এবং এসএমএসের মাধ্যমে তাদের কাঙ্ক্ষিত ফলাফল জানতে পারবেন। অনলাইনে https://eduboardresults.gov.bd I https://educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইট থেকে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে ফল জানা যাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ