আজঃ রবিবার ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের আলোচনা সভা।

চট্টগ্রাম ব্যুরো

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে দোয়া ও আলোচনা সভার আয়োজন করেছে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব। রোববার দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন ক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচি। অনুষ্ঠানে মুনাজাত পরিচালনা করেন শাহ আনিস জামে মসজিদের খতিব মাওলানা জামাল উদ্দিন।

চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মিয়া মো. আরিফের সঞ্চালনায় আলোচনায় অংশ নেন সিনিয়র সহ সভাপতি মুস্তফা নঈম, কার্যকরী সদস্য সালেহ নোমান, গ্রন্থগার সম্পাদক শহিদুল ইসলাম, সমাজসেবা ও অপ্যায়ন সম্পাদক হাসান মুকুল, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ফারুক আবদুল্লাহ ও সিনিয়র সাংবাদিক মোস্তফা কামাল পাশা প্রমুখ।

এসময় বক্তারা বলেন, এবার ভিন্ন প্রেক্ষাপটে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস ফিরে এসেছে। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে গত ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ফ্যাসিবাদ সরকারের পতন ঘটে। পরে অর্ন্তর্র্বতী সরকারের নেতৃত্বে জাতি নতুন এক গণতান্ত্রিক অভিযাত্রা শুরু করে। জুলাই বিপ্লবে ছাত্র জনতার নেতৃত্বে সকল পেশার, সকল শ্রেণীর মানুষের মধ্যে যে জাতীয় ঐক্য গড়ে উঠেছে এই ঐক্যের আলোকে আগামী দিনের বাংলাদেশ নির্মাণের আহ্বান জানান নেতৃবৃন্দ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

গাউসিয়া কমিটি সারজাহ শাখার নবগঠিত পরিষদের অভিষেক ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

গাউসিয়া কমিটি সারজাহ শাখার নবগঠিত পরিষদের অভিষেক অনুষ্ঠান ও আলোচনা সভা শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) রাতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজাহ জেএনপি খানকা শরীফে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানের প্রথম অধিবেশন পরিচালনা করেন আলহাজ মোহাম্মদ ইয়াসিন। এতে সভাপতিত্ব করেন আলহাজ মোহাম্মদ সৈয়দ মুসা। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলহাজ মাওলানা মোহাম্মদ আবদুল কাদের এবং প্রধান বক্তা ছিলেন আলহাজ মাওলানা মোহাম্মদ দিদারুল আলম।

এ সময় শাখার পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের আহ্বায়ক আলহাজ মোহাম্মদ মুনসুর আলম। আরও বক্তব্য রাখেন যুগ্ম আহ্বায়ক হাজী নুর নবী, ইউনিয়ন মল শাখার সভাপতি মোহাম্মদ ছৈয়দ হোসাইন মানিক, যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ নেজাম উদ্দীন এবং সদস্য মোহাম্মদ আলমগীর ও মোহাম্মদ আব্দুল করিম।
অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় অধিবেশন পরিচালনা করেন মাওলানা মোহাম্মদ হাসান মুরাদ। এতে সভাপতিত্ব করেন আলহাজ মোহাম্মদ মনছুর আলম। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আরব আমিরাত কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি কাজী মোহাম্মদ ওমর গনি এবং প্রধান বক্তা ছিলেন আলহাজ মাওলানা মোহাম্মদ মোবারক।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুফতি মাওলানা মোহাম্মদ ইকতিয়ার, মাওলানা মোহাম্মদ আব্দুল গফুর নোমানী, মাওলানা মোহাম্মদ মহিউদ্দিন, মাওলানা মোহাম্মদ আমিন ও হাজী ইয়াকুব,সাংবাদিক সাইফুল ইসলাম তালুকদার, সাংবাদিক আরমান চৌধুরী সহ আরও অনেকে।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদ মাঈনুদ্দীন, মাওলানা মোহাম্মদ মুনসুর আলম, মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, মোহাম্মদ ইয়াসিন, মোহাম্মদ মুনসুর, মোহাম্মদ শাফি, হাফেজ এনাম, মোহাম্মদ হারুন এবং মাওলানা মোহাম্মদ আব্দুল হক।আলোচনা সভা শেষে সর্বসম্মতিক্রমে ১৪৪ সদস্যবিশিষ্ট গাউসিয়া কমিটি সারজাহ শাখার নতুন কার্যনির্বাহী পরিষদ গঠন করা হয়।

এতে আলহাজ মোহাম্মদ আব্দুল কাদের সভাপতি,
মোহাম্মদ মুনসুর আলম নির্বাহী সভাপতি এবং
নুরুল আবছার সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে আখেরি মোনাজাত পরিচালনা করেন মাওলানা আব্দুল করিম। দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

চট্টগ্রাম-১২ আসনে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন এলডিপির প্রার্থী।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) সংসদীয় আসনে আসন্ন গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীকে সমর্থন জানিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন ১১ দলীয় জোটের অন্যতম শরিক দল লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) মনোনীত প্রার্থী এম এয়াকুব আলী।বৃহস্পতিবার বিকেলে চট্টগ্রামের নাসিরাবাদস্থ এয়াকুব ট্রেড সেন্টারে এক সাংবাদ সম্মেলনে ‘১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য’ জোটের মনোনীত এলডিপির সংসদ সদস্য প্রার্থী এম এয়াকুব আলী।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা এলডিপির সভাপতি শিল্পপতি এম এয়াকুব আলী জানান, ২৮৯ চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) থেকে ‘১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য’ জোট সমর্থিত ও এলডিপি মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী। আমার নির্বাচনী প্রতীক ছাতা।মনোনয়ন সংক্রান্ত জটিলতার কারণে আমাকে দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। প্রতীক চূড়ান্তভাবে প্রাপ্তিতে বিলম্ব হওয়ায় নির্ধারিত সময় অনুযায়ী নির্বাচনী মাঠে প্রচার-প্রচারণা শুরু করা সম্ভব হয়নি। এর ফলে আমার গুরুত্বপূর্ণ সময় অপচয় হয়েছে।বর্তমানে যে অল্প সময় অবশিষ্ট রয়েছে, তাতে সকল নির্বাচনী কর্মকাণ্ড যথাযথভাবে সম্পন্ন করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। উপরন্তু আমার ব্যক্তিগত ও পারিবারিক কারণ বিবেচনায় আমি এ নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি।

একই সঙ্গে ‘১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য’ জোটের অন্যতম প্রধান শরিক দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী ডা. মোহাম্মদ ফরিদুল আলমকে আমার পূর্ণ সমর্থন প্রদান করছি।
এদিকে পটিয়ার স্থানীয় জামায়াত নেতাকর্মীরা বলছেন, রাজনীতিবিদ ও শিল্পপতি এম এয়াকুব আলী দীর্ঘদিন ধরে নিষ্ঠা, সততা ও ত্যাগের সাথে তার দলের রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছেন। জনগণের প্রতি তার দায়বদ্ধতা ও নেতৃত্বের গুণাবলীর প্রতি সম্মান জানিয়ে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে এ জন্য তাকে আন্তরিক মোবারকবাদ জানাচ্ছি।
অপরদিকে, এলডিপির নেতাকর্মীরা বলছেন রাজনীতিতে ব্যক্তিগত প্রার্থিতার চেয়ে জোটের বৃহত্তর স্বার্থ বেশি গুরুত্বপূর্ণ। ১১ দলীয় জোটের ঐক্য অটুট রাখতে এলডিপি প্রার্থী এম এয়াকুব আলী ভাইয়ের এই সিদ্ধান্ত সময়োপযোগী ও প্রশংসনীয়। এই সিদ্ধান্ত জোটের রাজনীতিকে আরো শক্তিশালী করবে এবং চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনে নির্বাচনী সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ করবে।

আলোচিত খবর

টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্র বিস্ফোরণ সংক্রান্ত মামলায় ক্ষতিপূরণ পাওয়ার রায় পেয়েছে বাংলাদেশ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্র বিস্ফোরণ সংক্রান্ত মামলায় ক্ষতিপূরণ পাওয়ার রায় পেয়েছে বাংলাদেশ। আন্তর্জাতিক সালিশি আদালত কানাডাভিত্তিক জ্বালানি প্রতিষ্ঠান নাইকোকে বাংলাদেশ সরকারকে ৪ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর সেটেলমেন্ট অব ইনভেস্টমেন্ট ডিসপিউটস (আইসিডি/ICSID)-এর ট্রাইব্যুনাল এই রায় ঘোষণা করে। জ্বালানি মন্ত্রণালয় সূত্রে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।


জ্বালানি সচিব বলেন, বাংলাদেশ এই মামলায় প্রায় ১০০ কোটি মার্কিন ডলার ক্ষতিপূরণ দাবি করেছিল। প্রাপ্ত অর্থ সেই দাবির তুলনায় অনেক কম। রায়ের বিভিন্ন দিক পর্যালোচনার জন্য সংশ্লিষ্ট আইনজীবীদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে এবং পরবর্তী করণীয় ঠিক করা হবে।প্রসঙ্গত, ২০০৩ সালের ১৬ অক্টোবর টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্রে খনন ও উন্নয়ন কাজের দায়িত্ব পায় কানাডিয়ান প্রতিষ্ঠান নাইকো।

পরবর্তীতে নাইকোর পরিচালনাধীন অবস্থায় টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্রে ভয়াবহ বিপর্যয় ঘটে। ২০০৫ সালের ৭ জানুয়ারি এবং একই বছরের ২৪ জুন গ্যাসক্ষেত্রে পরপর দুটি মারাত্মক বিস্ফোরণ হয়। এসব বিস্ফোরণের ফলে বিপুল পরিমাণ মজুদ গ্যাস পুড়ে যায় এবং আশপাশের অবকাঠামো, পরিবেশ ও সম্পদের ব্যাপক ক্ষতি হয়। টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্র কার্যত অচল হয়ে পড়ে, যা দেশের জ্বালানি খাতে দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ