আজঃ শনিবার ২৪ জানুয়ারি, ২০২৬

চট্টগ্রামে পুলিশ ছাড়া অন্য কোনো বাহিনী থাকবে না: সিএমপি কমিশনার

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম নগরীতে পুলিশ ছাড়া অন্য কোনো বাহিনী বা সন্ত্রাসী গ্রুপ থাকতে পারবে না বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) কমিশনার ও অতিরিক্ত আইজিপি হাসিব আজিজ।
বৃহস্পতিবার ১৮ ডিসেম্বর চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের কর্ণফুলী হলে সিএমপি কমিশনারের সঙ্গে সাংবাদিকদের মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।


তিনি বলেছেন- সাজ্জাদ বাহিনী, লাল্টু বাহিনী, পল্টু বাহিনী এই সমস্ত বাহিনীকে নির্মূল করতে হবে। চট্টগ্রাম মহানগরীতে পুলিশ বাহিনী ছাড়া অন্য কোনো বাহিনী থাকতে পারবে না। এব্যাপারে প্রয়োজনে চরম পন্থা অবলম্বন করতেও আমি বিন্দুমাত্র দ্বিধাবোধ করব না।


তিনি বলেন, নির্বাচন উপলক্ষে সাঁড়াশি অভিযান চলমান রয়েছে। এই অভিযানটা আমরা আরো তিন-চার মাস আগেই শুরু করেছি। নির্বাচন সংক্রান্ত নানা রকমের চ্যালেঞ্জ আছে, চ্যালেঞ্জগুলো কিন্তু এখন মোটামুটি দৃশ্যমান। আমরা বুঝতে পারছি কোন কোন জায়গা থেকে কি কি ধরনের ঝুঁকি আমাদের উপর আসতে পারে। ঝুঁকির বিষয়টি ঢাকায় দেখলাম, চট্টগ্রামে দেখলাম, খুলনায় দেখছি। বিতাড়িত স্বৈরাচারের যারা কুচক্রী এবং দুর্বৃত্ত, যারা দোসর এবং তাদের যে বিদেশী প্রভু, তারা চেষ্টা করছে কিন্তু এখানে অনেক রকমের সহিংস ঘটনা ঘটিয়ে বাংলাদেশে যে নির্বাচনটা হতে না দেওয়া এবং একটা পর্যায়ে বাংলাদেশকে একটি ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করা। বিতাড়িত স্বৈরাচার আওয়ামী লীগ এবং তাদের বিদেশী প্রভু যারা আছে, তাদের এই প্রচেষ্টাকে আমাদেরকে নস্যাৎ করতে হবে।

পুলিশ কমিশনার বলেন, যেকোনো রাষ্ট্র তিনটা পিলারের ওপরে দাঁড়িয়ে থাকে। একটি নির্বাহী বিভাগ, একটি বিচার বিভাগ আরেকটি হচ্ছে সার্বভৌম সংসদ। এই তিনটা বিভাগের মধ্যে একটি ভারসাম্যমূলক অবস্থান তৈরি করে এবং এই ভারসাম্যমূলক অবস্থানের ওপর ভিত্তি করে একটি রাষ্ট্র টিকে থাকে। পরবর্তীকালে বলা হলো, এর বাইরেও আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ, সেটা হচ্ছে মিডিয়া।

এই যে রাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গগুলো আছে, এগুলো যদি একটা অ্যালাইনমেন্টে থাকে, পরস্পর পরস্পরের সাথে এক হয়ে যায়, সেক্ষেত্রে রাষ্ট্রব্যবস্থার যে কতখানি বিপর্যয় হয় সেটা কিন্তু গত ১৭ বছরে দেখেছি। সাধারণ প্রশাসন, বিচারালয়, পুলিশ, সাংবাদিক, সব একটা অ্যালাইনমেন্টে চলে আসছিল। একটা অ্যালাইনমেন্টে তাদেরকে নিয়ে আসা হয়েছিল, রুলিং পার্টি নিয়ে এসেছিল আওয়ামী লীগ। তার ফলে রাষ্ট্র ব্যবস্থাটা একটা বিপর্যয়ের মুখে পড়লো। আওয়ামীপন্থী প্রশাসন, আওয়ামীপন্থী বিচারক, আওয়ামীপন্থী পুলিশ, আওয়ামীপন্থী সাংবাদিক সব এক অ্যালাইনমেন্টে। কি হলো? শেষমেশ একটা ফ্যাসিস্ট রাষ্ট্রব্যবস্থা কায়েম হলো।
পুলিশের লুণ্ঠিত অস্ত্র উদ্ধার প্রসঙ্গে সিএমপি কমিশনার জানান, লুণ্ঠিত অস্ত্রের ৮০ শতাংশ উদ্ধার করা হয়েছে। বাকি ২০ শতাংশ অস্ত্র পাহাড়ি এলাকার বিচ্ছিন্নতাবাদী গ্রুপের হাতে চলে গেছে বলে তথ্য রয়েছে। তবে নির্বাচনের আগে এসব অস্ত্র উদ্ধারে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চলছে।

মতবিনিময় সভায় সম্মানীত অতিথি হিসেবে একুশে পদকপ্রাপ্ত ও দৈনিক আজাদী পত্রিকার সম্পাদক এম এ মালেক বলেন, জনগণের একটা ভীতি থাকে, এই যে পুলিশ ভীতি যেটা, সেটাকে আমাদের মন থেকে দূর করে আমরা যাতে তাদের কাছে গিয়ে সমাজকে কিছু দিতে পারি এবং ভীতিটা দূর করে সমাজে যে সমস্ত রন্ধ্রে রন্ধ্রে যে সমস্ত অপকর্ম হচ্ছে, সেগুলির ইনফরমেশনটা দিতে পারেন। ইনফরমেশনটা দিলেই কিন্তু পুলিশ গিয়ে সেখানে দেখবে এবং সেখানে তার প্রতিকার করার যে ব্যবস্থা সেটা ওনারা করতে পারেন। কারণ সব জায়গায় গিয়ে, পুরো শহরে আসলে ওনাদের পক্ষে গিয়ে কোনো কিছু করা সম্ভব নয়। আমার মনে হয় এইদিকে আমাদের আরেকটু মনোযোগী হওয়া উচিত।


চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচির সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মিয়া মো. আরিফ। চ্যানেল ওয়ানের ব্যুরো প্রধান মো. শাহনেওয়াজ রিটনের সঞ্চালনায় সভায় আরও বক্তব্য রাখেন, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ডেইলি পিপলস ভিউ সম্পাদক ওসমান গণি মনসুর, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) ওয়াহিদুল হক চৌধুরী, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) মো. হুমায়ুন কবির, প্রেস ক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি মুস্তফা নঈম, ক্লাবের কার্যকরী সদস্য ও চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সালেহ নোমান ও রফিকুল ইসলাম সেলিম।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

নেত্রকোনায় শারীরিক প্রতিবন্ধী হিরনের পাশে দাঁড়ালেন মদন বাংলাদেশ প্রেসক্লাব।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নেত্রকোনার মদন উপজেলায় হতদরিদ্র প্রতিবন্ধী এক হাত এক পা বিকলাঙ্গ হিরন মিয়ার একটিমাত্র সম্বল ছিল তার একটি ব্যাটারি চালিত ইজিবাইক।
গত ২২ জানুয়ারি রাতে এই ইজিবাইকটি কেবা কারা চুরি করে নিয়ে যায়। পরিবারের একমাত্র উপার্জনের বাহন হারিয়ে আজ পরিবার দু’মুঠো আহার যোগাতে দুচোখ দিয়ে অশ্রুজল ঝরছে প্রতিবন্ধী হিরন মিয়া।
এই চুরি হওয়া ঘটনাটি ঘটেছে মদন উপজেলার মদন ইউনিয়নের বাজিতপুর গ্রামে।প্রতিবন্ধী হিরণ মিয়া বাজিতপুর গ্রামের মৃত আব্দুল খালেক এর ছেলে।

পরিবার ও স্থানীয় এলাকাবাসীর সূত্রে জানা যায়,
১০ বছর পূর্বে টাইফয়েড জ্বর হওয়ার পর হিরন মিয়া একটি পা এবং একটি হাত প্যারালাইস অবশ হয়ে যায়। এরপর থেকে পরিবার নিয়ে বিপাকে পড়ে প্রতিবন্ধী হিরন মিয়া পরে স্থানীয় এলাকাবাসীর সহায়তা তাকে একটি ইজিবাইক ব্যাটারি চালিত অটো রিক্সা কিনে দেন তাকে।

ব্যাটারি চালিত অটোরিক্সা দিয়ে যা উপার্জন হতো পরিবারের ৫ সদস্যদের কোনরকম ডাল ভাত খেয়ে জীবন যাপন করছিল।গত ২২ জানুয়ারি আনুমানিক রাত তিনটার দিকে কেবা কারা এই ইজি বাইকটি চুরি করে নিয়ে যায়।

অটোরিক্সা ৪টা ব্যাটারি অটো রিক্সার মটারটা নিয়ে গিয়ে মদন উচিতপুর ব্রিজের পাশে খালি অটো রিক্সাটা ফেলে রেখে চলে যায় চুরচক্রের সদস্যরা।প্রতিবন্ধী হিরনের স্ত্রী বলেন, অটোরিক্সা দিয়ে যা উপার্জন করত বিকেল বেলা চাল ডাল নিয়ে আসতো আমার স্বামী আমাদের পরিবার চলত । অটো রিক্সার ব্যাটারি চুরি হওয়াতে এখন আমরা খুব কষ্টে আছি।

এমন সময় হতদরিদ্র হিরন মিয়ার পাশে দাঁড়ালেন মদন উপজেলার বাংলাদেশ প্রেসক্লাব। নিজেদের উদ্যোগে এবং নিজেদের অর্থায়নে কিছু প্রয়োজনীয় সামগ্রী নিয়ে হিরন মিয়ার পাশে দাঁড়িয়েন। এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মদন উপজেলা বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের প্রধান উপদেষ্ট কবি সাহিত্যিক সিনিয়র সাংবাদিক বীর মুক্তিযোদ্ধা আজহারুল ইসলাম হিরু।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মদন সরকারি হাজী আব্দুল আজিজ খান ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক গিয়াস মাহমুদ রুবেল,বাংলাদেশ প্রেসক্লাব মদন উপজেলা শাখার সভাপতি দৈনিক আমাদের সময় উপজেলা প্রতিনিধি হাবিবুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক শেখ আসাদুজ্জামান মাসুদ, সহ-সভাপতি দৈনিক অগ্নিশিখা জেলা প্রতিনিধি এ এম শফিক, দৈনিক যুগ যুগান্তর জেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক রাজিব প্রমুখ। এলাকার স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

পাবনার ভাঙ্গুড়ার গুমানি নদীতে বাঁশের বেড়া দিয়ে চুরি, ডাকাতি ঠেকাতে গ্রামবাসীর উদ্যোগ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার দিলপাশার ইউনিয়নের বেতুয়ান গ্রামে সম্প্রতি নৌ-পথে চুরি ও ডাকাতি বেড়ে যাওয়ায় গ্রামবাসী গুমানি নদীর মাঝেই বাঁশের বেড়া দিয়েছেন। নদীর মাঝ অংশে একটির পর একটি বাঁশ দিয়ে তৈরি করা হয়েছে এ বাঁশের বেড়া। একটি অংশে নৌ চলাচলের পথ রাখা হয়েছে। জানা গেছে, সম্প্রতি বেতুয়ান গ্রাম থেকে দুটি মহিষ ও একটি গরু চুরি হয়েছে। এছাড়াও উপজেলার অষ্টমণিষা বাজারে সোনার দোকানে ডাকাতি এবং কয়েকটি পৃথক স্থানে গরু চুরির ঘটনা এই গুমানি নৌ-পথেই হয়েছে।
দুর্বৃত্তরা ইঞ্জিনচালিত নৌকা ব্যবহার করে গুমানি নদী দিয়ে ভাটির দিকে পালিয়ে যায়। এ কারণেই নিজ এলাকা নিরাপদ রাখাতে গ্রামবাসীর স্বেচ্ছাশ্রমে গুমানি নদীর মাঝেই বাঁশের বেড়া দিয়েছেন।


বেতুয়ান গ্রামের তানজু শেখ বলেন, আমাদের গ্রাম থেকে সাম্প্রতিক সময়ে দুটি মহিষ ও একটি গরু নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। আমরা গ্রামে নিরাপত্তা বাড়াতে নিজেরাই নদীর মাঝ বরাবর বাঁশের বেড়া দিয়েছি।

একই গ্রামের বাসিন্দা রুমান উদ্দিন বলেন, রাতের বেলা নৌকা নিয়ে চোরদের গ্রামে ঢুকার ভয় ছিল। এখন বেড়া থাকায় আমরা অনেকটা নিরাপদ বোধ করছি।গ্রামের অন্য একজন বাসিন্দা রুকসানা আক্তার বলেন, গ্রামবাসী সবাই মিলে কাজ করেছে। আমাদের নিরাপত্তার জন্য এটি খুব জরুরি উদ্যোগ ছিল।

দিলপাশার ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ শরিফুল ইসলাম সজীব খাঁন জানান, বাঁশের খুঁটি পুঁততে তিন দিন সময় লেগেছে। গ্রামের মানুষ রাতের অন্ধকারে স্বেচ্ছাশ্রমে কাজ করেছেন। বেড়ার একটি অংশে নৌ চলাচলের জন্য পথ রাখা হয়েছে যাতে দিনে নৌকা চলাচলে কোনো সমস্যা না হয়।

ভাঙ্গুড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম মোস্তাাফিজুর রহমান বলেন, নৌ-পথে গরু চুরি ও ডাকাতির ঘটনায় গ্রামবাসীর মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছিল। তারা গ্রামবাসী গুমানি নদীর মাঝ বরাবর বেড়া দেওয়ার উদ্যোগ নিয়ে বাঁশের বেড়া কাজ করেছে। দিনে নৌকা চলাচলে যাতে কোনো সমস্যা না হয়, সেটা নিশ্চিত করতে গ্রামবাসীর পক্ষে সার্বক্ষণিক নজরদারি চলছে।

আলোচিত খবর

জাতীয় নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণায় বেশি সময় লাগতে পারে- ইসি সচিব।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটারদের দুই ধরনের ব্যালটে ভোট দিতে হবে এবং প্রার্থীর সংখ্যাও তুলনামূলক বেশি হওয়ায় ভোটগ্রহণ ও গণনা—উভয় প্রক্রিয়াতেই স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে বেশি সময় লাগতে পারে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে মোবাইল অপারেটর, ব্যাংক ও বিএনসিসি কর্মকর্তাদের সঙ্গে পৃথক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।

তিনি আরও জানান, এবারের নির্বাচনে প্রবাসী ভোটার ও দেশের অভ্যন্তরীণ ভোটারদের জন্য আলাদা ব্যালট ব্যবহৃত হবে। এর সঙ্গে প্রার্থীর সংখ্যা বেশি থাকায় ভোট গণনায় অতিরিক্ত সময় প্রয়োজন হবে। বিশেষ করে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে পোস্টাল ব্যালট গণনা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

উদাহরণ হিসেবে সচিব বলেন, ফেনী-৩ আসনে পোস্টাল ভোটার ১৬ হাজার ৩৮ জন, চট্টগ্রাম-১৫ আসনে ১৪ হাজার ২৭৪ জন এবং কুমিল্লা জেলায় ১৩ হাজার ৯৩৯ জন ভোটার পোস্টাল পদ্ধতিতে নিবন্ধিত। একটি কেন্দ্রে সাধারণত তিন হাজার ভোটার থাকলেও পোস্টাল ব্যালটের চাপ পাঁচ থেকে ছয় গুণ বেশি, যা ফল প্রকাশে বিলম্ব ঘটাতে পারে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ