আজঃ শনিবার ২৪ জানুয়ারি, ২০২৬

চট্টগ্রামে কফিন মিছিল : ওসমান হাদীর হত্যার প্রতিবাদ।

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যার প্রতিবাদে চট্টগ্রাম মহানগরে কফিন মিছিল করেছে জুলাই ঐক্য। শুক্রবার জুমার নামাজ শেষে নগরের আন্দরকিল্লা শাহী মসজিদ এলাকা থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে জামালখান মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা কফিনের আদলে তৈরি প্রতীকী বাংলাদেশের লাল সবুজ পতাকা জড়িয়ে বহন করে রাস্তায় নেমে আসেন। এ সময় তারা ‘হাদির হত্যাকারীদের ফাঁসি চাই’, ‘শরিফ ওসমান হাদির রক্ত বৃথা যাবে না’, ‘খুনিদের বিচার চাই’ ‘আমি কে, তুমি কে—হাদি, হাদি’ ‘দিল্লি না ঢাকা—ঢাকা, ঢাকা’,

‘আমরা সবাই হাদি হবো, বুক চিতিয়ে লড়ে যাবো’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন। মিছিল শেষে জামালখান মোড়ে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে বক্তারা বলেন, ভারতীয় আধিপত্যবাদ বিরোধী আন্দোলনের একজন সাহসী কণ্ঠস্বর শহীদ শরীফ ওসমান হাদিকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। ওসমান হাদির খুনিদের গ্রেপ্তার করাসহ দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
বক্তারা আরো বলেন, শরিফ ওসমান হাদি শুধু একজন সংগঠক ছিলেন না, তিনি ছিলেন গণমানুষের কণ্ঠস্বর ও নিপীড়িত মানুষের সাহসী প্রতিনিধি। তার ওপর পরিকল্পিত ও কাপুরুষোচিত হামলা চালিয়ে যারা তাকে হত্যা করেছে, তাদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।সমাবেশে বক্তারা, আগামীর প্রজন্মকে ভারত বিদ্বেষী করে গড়ে তোলার আহ্বন জানান।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার রাতে হাদির মৃত্যুর খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিক্ষুব্ধ জনতা নগরের ষোলশহর দুই নম্বর গেট এলাকায় অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করে। বিক্ষোভ চলাকালে তারা চট্টগ্রামে অবস্থিত ভারতীয় সহকারী হাইকমিশন ঘেরাও করার ঘোষণা দেন এবং হাইকমিশন বন্ধের দাবি তোলেন।


এছাড়া নগরের অন্যান্য এলাকায় ভারতীয় হাইকমিশনের সামনে বিক্ষোভের খবরও পাওয়া গেছে। রাত ১১টার পরে বিক্ষুব্ধরা দুই নম্বর গেট এলাকা থেকে মিছিল নিয়ে সাবেক শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলের চশমা হিলের বাসভবনের দিকে যান। সেখানে ভবনের সামনে থাকা একটি মোটরসাইকেলে আগুন জ্বালিয়ে তারা ব্যাপক ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ চালান। এছাড়া ফটিকছড়ি উপজেলার বিবিরহাট এলাকায় চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি সড়ক অবরোধ করে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ শুরু করে বিক্ষুদ্ধ জনতা।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

নেত্রকোনায় শারীরিক প্রতিবন্ধী হিরনের পাশে দাঁড়ালেন মদন বাংলাদেশ প্রেসক্লাব।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নেত্রকোনার মদন উপজেলায় হতদরিদ্র প্রতিবন্ধী এক হাত এক পা বিকলাঙ্গ হিরন মিয়ার একটিমাত্র সম্বল ছিল তার একটি ব্যাটারি চালিত ইজিবাইক।
গত ২২ জানুয়ারি রাতে এই ইজিবাইকটি কেবা কারা চুরি করে নিয়ে যায়। পরিবারের একমাত্র উপার্জনের বাহন হারিয়ে আজ পরিবার দু’মুঠো আহার যোগাতে দুচোখ দিয়ে অশ্রুজল ঝরছে প্রতিবন্ধী হিরন মিয়া।
এই চুরি হওয়া ঘটনাটি ঘটেছে মদন উপজেলার মদন ইউনিয়নের বাজিতপুর গ্রামে।প্রতিবন্ধী হিরণ মিয়া বাজিতপুর গ্রামের মৃত আব্দুল খালেক এর ছেলে।

পরিবার ও স্থানীয় এলাকাবাসীর সূত্রে জানা যায়,
১০ বছর পূর্বে টাইফয়েড জ্বর হওয়ার পর হিরন মিয়া একটি পা এবং একটি হাত প্যারালাইস অবশ হয়ে যায়। এরপর থেকে পরিবার নিয়ে বিপাকে পড়ে প্রতিবন্ধী হিরন মিয়া পরে স্থানীয় এলাকাবাসীর সহায়তা তাকে একটি ইজিবাইক ব্যাটারি চালিত অটো রিক্সা কিনে দেন তাকে।

ব্যাটারি চালিত অটোরিক্সা দিয়ে যা উপার্জন হতো পরিবারের ৫ সদস্যদের কোনরকম ডাল ভাত খেয়ে জীবন যাপন করছিল।গত ২২ জানুয়ারি আনুমানিক রাত তিনটার দিকে কেবা কারা এই ইজি বাইকটি চুরি করে নিয়ে যায়।

অটোরিক্সা ৪টা ব্যাটারি অটো রিক্সার মটারটা নিয়ে গিয়ে মদন উচিতপুর ব্রিজের পাশে খালি অটো রিক্সাটা ফেলে রেখে চলে যায় চুরচক্রের সদস্যরা।প্রতিবন্ধী হিরনের স্ত্রী বলেন, অটোরিক্সা দিয়ে যা উপার্জন করত বিকেল বেলা চাল ডাল নিয়ে আসতো আমার স্বামী আমাদের পরিবার চলত । অটো রিক্সার ব্যাটারি চুরি হওয়াতে এখন আমরা খুব কষ্টে আছি।

এমন সময় হতদরিদ্র হিরন মিয়ার পাশে দাঁড়ালেন মদন উপজেলার বাংলাদেশ প্রেসক্লাব। নিজেদের উদ্যোগে এবং নিজেদের অর্থায়নে কিছু প্রয়োজনীয় সামগ্রী নিয়ে হিরন মিয়ার পাশে দাঁড়িয়েন। এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মদন উপজেলা বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের প্রধান উপদেষ্ট কবি সাহিত্যিক সিনিয়র সাংবাদিক বীর মুক্তিযোদ্ধা আজহারুল ইসলাম হিরু।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মদন সরকারি হাজী আব্দুল আজিজ খান ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক গিয়াস মাহমুদ রুবেল,বাংলাদেশ প্রেসক্লাব মদন উপজেলা শাখার সভাপতি দৈনিক আমাদের সময় উপজেলা প্রতিনিধি হাবিবুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক শেখ আসাদুজ্জামান মাসুদ, সহ-সভাপতি দৈনিক অগ্নিশিখা জেলা প্রতিনিধি এ এম শফিক, দৈনিক যুগ যুগান্তর জেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক রাজিব প্রমুখ। এলাকার স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

পাবনার ভাঙ্গুড়ার গুমানি নদীতে বাঁশের বেড়া দিয়ে চুরি, ডাকাতি ঠেকাতে গ্রামবাসীর উদ্যোগ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার দিলপাশার ইউনিয়নের বেতুয়ান গ্রামে সম্প্রতি নৌ-পথে চুরি ও ডাকাতি বেড়ে যাওয়ায় গ্রামবাসী গুমানি নদীর মাঝেই বাঁশের বেড়া দিয়েছেন। নদীর মাঝ অংশে একটির পর একটি বাঁশ দিয়ে তৈরি করা হয়েছে এ বাঁশের বেড়া। একটি অংশে নৌ চলাচলের পথ রাখা হয়েছে। জানা গেছে, সম্প্রতি বেতুয়ান গ্রাম থেকে দুটি মহিষ ও একটি গরু চুরি হয়েছে। এছাড়াও উপজেলার অষ্টমণিষা বাজারে সোনার দোকানে ডাকাতি এবং কয়েকটি পৃথক স্থানে গরু চুরির ঘটনা এই গুমানি নৌ-পথেই হয়েছে।
দুর্বৃত্তরা ইঞ্জিনচালিত নৌকা ব্যবহার করে গুমানি নদী দিয়ে ভাটির দিকে পালিয়ে যায়। এ কারণেই নিজ এলাকা নিরাপদ রাখাতে গ্রামবাসীর স্বেচ্ছাশ্রমে গুমানি নদীর মাঝেই বাঁশের বেড়া দিয়েছেন।


বেতুয়ান গ্রামের তানজু শেখ বলেন, আমাদের গ্রাম থেকে সাম্প্রতিক সময়ে দুটি মহিষ ও একটি গরু নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। আমরা গ্রামে নিরাপত্তা বাড়াতে নিজেরাই নদীর মাঝ বরাবর বাঁশের বেড়া দিয়েছি।

একই গ্রামের বাসিন্দা রুমান উদ্দিন বলেন, রাতের বেলা নৌকা নিয়ে চোরদের গ্রামে ঢুকার ভয় ছিল। এখন বেড়া থাকায় আমরা অনেকটা নিরাপদ বোধ করছি।গ্রামের অন্য একজন বাসিন্দা রুকসানা আক্তার বলেন, গ্রামবাসী সবাই মিলে কাজ করেছে। আমাদের নিরাপত্তার জন্য এটি খুব জরুরি উদ্যোগ ছিল।

দিলপাশার ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ শরিফুল ইসলাম সজীব খাঁন জানান, বাঁশের খুঁটি পুঁততে তিন দিন সময় লেগেছে। গ্রামের মানুষ রাতের অন্ধকারে স্বেচ্ছাশ্রমে কাজ করেছেন। বেড়ার একটি অংশে নৌ চলাচলের জন্য পথ রাখা হয়েছে যাতে দিনে নৌকা চলাচলে কোনো সমস্যা না হয়।

ভাঙ্গুড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম মোস্তাাফিজুর রহমান বলেন, নৌ-পথে গরু চুরি ও ডাকাতির ঘটনায় গ্রামবাসীর মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছিল। তারা গ্রামবাসী গুমানি নদীর মাঝ বরাবর বেড়া দেওয়ার উদ্যোগ নিয়ে বাঁশের বেড়া কাজ করেছে। দিনে নৌকা চলাচলে যাতে কোনো সমস্যা না হয়, সেটা নিশ্চিত করতে গ্রামবাসীর পক্ষে সার্বক্ষণিক নজরদারি চলছে।

আলোচিত খবর

জাতীয় নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণায় বেশি সময় লাগতে পারে- ইসি সচিব।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটারদের দুই ধরনের ব্যালটে ভোট দিতে হবে এবং প্রার্থীর সংখ্যাও তুলনামূলক বেশি হওয়ায় ভোটগ্রহণ ও গণনা—উভয় প্রক্রিয়াতেই স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে বেশি সময় লাগতে পারে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে মোবাইল অপারেটর, ব্যাংক ও বিএনসিসি কর্মকর্তাদের সঙ্গে পৃথক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।

তিনি আরও জানান, এবারের নির্বাচনে প্রবাসী ভোটার ও দেশের অভ্যন্তরীণ ভোটারদের জন্য আলাদা ব্যালট ব্যবহৃত হবে। এর সঙ্গে প্রার্থীর সংখ্যা বেশি থাকায় ভোট গণনায় অতিরিক্ত সময় প্রয়োজন হবে। বিশেষ করে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে পোস্টাল ব্যালট গণনা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

উদাহরণ হিসেবে সচিব বলেন, ফেনী-৩ আসনে পোস্টাল ভোটার ১৬ হাজার ৩৮ জন, চট্টগ্রাম-১৫ আসনে ১৪ হাজার ২৭৪ জন এবং কুমিল্লা জেলায় ১৩ হাজার ৯৩৯ জন ভোটার পোস্টাল পদ্ধতিতে নিবন্ধিত। একটি কেন্দ্রে সাধারণত তিন হাজার ভোটার থাকলেও পোস্টাল ব্যালটের চাপ পাঁচ থেকে ছয় গুণ বেশি, যা ফল প্রকাশে বিলম্ব ঘটাতে পারে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ