চট্টগ্রামে শাহ আমানত বিমানবন্দরে ১৫১৪ কার্টন সিগারেট জব্দ।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে শাহ আমানত বিমানবন্দরে প্রায় ৩০ লাখ টাকার ১৫১৪ কার্টন সিগারেট জব্দ করেছে কাস্টমস কর্মকর্তারা। মনড ব্র্যান্ডের উক্ত সিগারেটগুলো দুবাই এবং শারজাহ হতে আনা হয়েছিল। দুবাই থেকে আগত ফ্লাইট নম্বর-বিএস ৩৪৪ এর চারজন যাত্রী হতে মালিকবিহীন অবস্থায় ৫২৫ কার্টন সিগারেট জব্দ করা হয়েছে।

এই চারজন যাত্রী হলো- মিজানুর রহমান, মো. রেদোয়ান, রেজাউল করিম, সালাউদ্দিন। সোমবার রাত পৌনে ১২টার দিকে এগুলো জব্দ করা হয় বলে কাস্টমস কর্মকর্তারা জানান।

কাস্টমস কর্মকর্তারা জানান, সিগারেটের চালানটি আটকপূর্বক ডিটেনশন মেমো ( ডিএম) মূলে কাস্টমস হাউস, চট্টগ্রামের গুদামে জমা করা হয়েছে এবং কাস্টমস আইনের আওতায় আইনানুগ কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

আত্মগোপনের পর গ্রেফতার সাবেক মেয়র ও উপজেলা চেয়ারম্যান গোলাম হাসনাইন রাসেল ও বশির আহমেদ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিশেষ প্রতিনিধিঃ দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকার পর পাবনা-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোঃ মকবুল হোসেনের বড় ছেলে ভাঙ্গুড়া পৌরসভার সাবেক মেয়র ও ভাঙ্গুড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান গোলাম হাসনাইন রাসেল ও উপজেলা আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক বশির আহমেদ কে গ্রেফতার করেছে পাবনা জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ভাঙ্গুড়া থানার মামলা নং-০৪, তারিখ ১৩/০৫/২০২৫, বিস্ফোরক দ্রব্য আইন ১৯০৮-এর ৩/৫/৬ ধারায় দায়ের করা মামলার এজাহারভুক্ত আসামী হিসেবে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত কার্যক্রম চলছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত বিশেষ অভিযানে ঢাকার একটি ফ্ল্যাট থেকে তাদের আটক করা হয়।

পাবনা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাশিদুল ইসলাম জানান, দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকা দুই আসামিকে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে চলমান মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

ভাঙ্গুড়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সুব্রত কুমার জানান, গ্রেফতারকৃত দুইজন বর্তমানে পাবনা জেলা গোয়েন্দা কার্যালয়ে রয়েছেন। প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম শেষে তাদের আদালতে হাজির করা হবে এবং আদালতের নির্দেশক্রমে পাবনা জেলা কারাগারে পাঠানো হবে।

ভাঙ্গুড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাকিউল আজম গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “গোলাম হাসনাইন রাসেল ও বশির আহমেদ কে ঢাকা থেকে পাবনা জেলা গোয়েন্দা পুলিশ গ্রেফতার করেছে। তারা বর্তমানে জেলা গোয়েন্দা কার্যালয়ে রয়েছেন। ভাঙ্গুড়া থানার মামলা নং-০৪, তারিখ ১৩/০৫/২০২৫, বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের ৩/৫/৬ ধারার মামলায় তাদের আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আদালতে সোপর্দ করা হবে।”

এদিকে, গ্রেফতারের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর ভাঙ্গুড়া সহ আশপাশের এলাকায় ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। স্থানীয়দের একাংশের মতে, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় গোলাম হাসনাইন রাসেল ভাঙ্গুড়ার রাজনীতিতে প্রভাবশালী ভূমিকা পালন করেছিলেন। তবে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে যে অভিযোগগুলো উত্থাপিত হয়েছে, সেগুলোর বিষয়ে আদালতের কোনো চূড়ান্ত রায়ের তথ্য এই প্রতিবেদকের কাছে নেই।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও বিভিন্ন মহলে তাদের নিয়ে নানা ধরনের দাবি ও আলোচনা চললেও সেসব তথ্যের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। এ বিষয়ে গ্রেফতারকৃতদের পরিবার, আইনজীবী বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কোনো বক্তব্যও পাওয়া যায়নি।

পুলিশ জানিয়েছে, অষ্টমনিষা বিস্ফোরক মামলার তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তদন্ত শেষ হওয়ার আগে মামলার বিষয়ে বিস্তারিত মন্তব্য করা সমীচীন নয় বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন

ঠাকুরগাঁওয়ে বাধ্যতামূলক মামলাপূর্ব মধ্যস্থতা কার্যক্রমের উদ্বোধন করলেন আইনমন্ত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আদালতে মামলা দায়েরের আগেই নির্দিষ্ট ধরনের দেওয়ানি বিরোধ নিষ্পত্তির লক্ষ্যে ঠাকুরগাঁওয়ে বাধ্যতামূলক মামলাপূর্ব মধ্যস্থতা (প্রি-কেইস মেডিয়েশন) কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে।মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকাল ১০টায় ঠাকুরগাঁও জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও সংসদ সদস্য মো. আসাদুজ্জামান।

ঠাকুরগাঁও জেলা লিগ্যাল এইড অফিসের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা ও দায়রা জজ এবং জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির চেয়ারম্যান মো. জামাল হোসেন।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, আইনগত সহায়তা প্রদান (সংশোধন) আইন, ২০২৬-এর ২১(খ) ধারার আওতায় প্রাথমিকভাবে ঠাকুরগাঁওসহ দেশের ১০টি জেলায় বাধ্যতামূলক মামলাপূর্ব মধ্যস্থতা কার্যক্রম চালু করা হয়েছে।প্রধান অতিথির বক্তব্যে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেন, আদালতে মামলা দায়েরের আগে আলোচনার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির সুযোগ সৃষ্টি হলে বিচারপ্রার্থীদের সময়, অর্থ ও ভোগান্তি কমবে। একই সঙ্গে আদালতে নতুন মামলা দায়েরের প্রবণতা কমে বিচারব্যবস্থার ওপর চাপও হ্রাস পাবে।

তিনি বলেন, আইনগত সহায়তা প্রদান আইনের তফসিলভুক্ত সাত ধরনের বিরোধে ইতোমধ্যে প্রকল্পভুক্ত ২০টি জেলায় স্পেশাল মেডিয়েটরের মাধ্যমে পরিচালিত মধ্যস্থতা কার্যক্রমে আশাব্যঞ্জক ফল পাওয়া গেছে। পারিবারিক আদালত, বাড়িভাড়া নিয়ন্ত্রণ, বণ্টন, অগ্রক্রয়, পিতা-মাতার ভরণপোষণ ও যৌতুকসংক্রান্ত বিরোধে গত বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে মে পর্যন্ত চার মাসে ১১ হাজার ২৮০টি মামলা দায়ের হলেও চলতি বছরের একই সময়ে তা কমে দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ২৮৪টিতে। নতুন মামলা দায়েরের হার ৬২ দশমিক শূন্য ২ শতাংশ কমেছে, যা বিচারব্যবস্থায় মামলার জট কমানোর ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি।

আইনমন্ত্রী জানান, আগামী ছয় মাসের মধ্যে দেশের সব জেলায় পর্যায়ক্রমে বাধ্যতামূলক মামলাপূর্ব মধ্যস্থতা কার্যক্রম চালু করা হবে। এ উদ্যোগ সফল করতে বিচারক, আইনজীবী, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, বিচারপ্রার্থী এবং গণমাধ্যমকর্মীদের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার (সিনিয়র সিভিল জজ) মজনু মিয়া বলেন, বাধ্যতামূলক মামলাপূর্ব মধ্যস্থতা কার্যক্রম বিচারপ্রার্থীদের জন্য একটি সময়োপযোগী উদ্যোগ। মামলা আদালতে গড়ানোর আগেই আলোচনার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির সুযোগ তৈরি হবে। এতে সময় ও অর্থ সাশ্রয়ের পাশাপাশি আদালতের মামলার চাপও কমবে।তিনি আরও বলেন, জেলা লিগ্যাল এইড অফিস এ কার্যক্রম বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা দেবে।

অনুষ্ঠানে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. লুৎফর রহমান, ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. রফিকুল বারী, যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ সাদিয়া আফরিনা রীমা, সিনিয়র সহকারী জজ (সদর) সুব্রত মল্লিক, জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তাহমিদুর রহমান, সিভিল জজ মাহমুদুল ইসলাম মুন্না, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. ইউসুফ আলী, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শেখ ফরিদ, লিগ্যাল এইড কমিটির সদস্য এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

আলোচিত খবর

নতুন ভোটার হওয়ার আবেদন ৩১ জুলাই পর্যন্ত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তির সুযোগ পাচ্ছেন নিবন্ধিত না হওয়া নাগরিকরা। আগামী ৩১ জুলাই পর্যন্ত নতুন ভোটার হওয়ার আবেদন গ্রহণ করা হবে। ইসি জানিয়েছে, ২০০৮ সালের ৩১ জুলাই বা তার আগে জন্মগ্রহণকারী যেকোনো ব্যক্তি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন করলে আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সুযোগ পাবেন। স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখেই এ কার্যক্রম পরিচালনা করছে নির্বাচন কমিশন।

এদিকে নির্বাচন কমিশনের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ৯ আগস্ট খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা এবং উপজেলা বা থানা নির্বাচন অফিসে তালিকাটি প্রদর্শন করা হবে। তালিকায় নাম বাদ পড়া বা তথ্যগত ভুল থাকলে সংশ্লিষ্টরা ২৪ আগস্ট পর্যন্ত নতুন অন্তর্ভুক্তি বা তথ্য সংশোধনের আবেদন করতে পারবেন। সব আপত্তি নিষ্পত্তি শেষে ৩১ আগস্ট চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ১০ আগস্ট খসড়া ভোটকেন্দ্রের তালিকা প্রকাশ করা হবে। এরপর আপত্তি গ্রহণ ও যাচাই-বাছাই শেষে ২৭ আগস্ট চূড়ান্ত ভোটকেন্দ্রের তালিকা প্রকাশ করবে নির্বাচন কমিশন। এ-সংক্রান্ত নির্দেশনা সিনিয়র সহকারী সচিব মো. রশিদ মিয়া স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে জানানো হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমানেল মাছউদ জানিয়েছেন, আগামী অক্টোবর থেকে ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভা নির্বাচন দিয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে। এ লক্ষ্যে আগস্টের মাঝামাঝি বা শেষ সপ্তাহে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হতে পারে।

বর্তমানে দেশে মোট ভোটারের সংখ্যা ১২ কোটি ৮৩ লাখ ২৩ হাজার ২৪০ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৫২ লাখ ১২ হাজার ৭৩১ জন, নারী ভোটার ৬ কোটি ৩১ লাখ ৯ হাজার ২৬৬ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ১ হাজার ২৪৩ জন

আরও পড়ুন

সর্বশেষ