আজঃ রবিবার ১৫ মার্চ, ২০২৬

হাজিরপাড়ায় মুসলিমাবাদ শিক্ষার্থী কল্যাণ ফাউন্ডেশনের শুভ সূচনা।

মো: ইসমত দ্দোহা, লক্ষ্মীপুর :

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

” লেখা পড়ার বিকল্প নাই, চলো সবাই স্কুলে যাই, ” স্লোগান নিয়ে যাএা শুরু করলো মুসলিমাবাদ শিক্ষার্থী কল্যাণ ফাউন্ডেশন। মুসলিমাবাদ উচ্চ বিদ্যালয়ের ২০০৩ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে শুরু হয় এ ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম।

শুক্রবার বিকেলে আনুষ্ঠানিক ভাবে নিজস্ব কার্যালয়ে উদ্বোধন করা হয় ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উদ্যোগতাগণ ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে বলেন, তাদের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে মুসলিমাবাদ উচ্চ বিদ্যালয়, প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ মুসলিমাবাদে অবস্থিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর অসহায় ও মেধাবী শিক্ষার্থীীদের সহযোগিতা করা।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোর মানোন্নয়নে পরামর্শ দিয়ে পাশে থাকা, আর্থিক সংকটের কারণ কোন শিক্ষার্থীর যেন শিক্ষা জীবন বন্ধ না হতে পারে সে বিষয়ে নজরদারি রাখা ও সার্বিক সহযোগিতা নিয়ে পাশে থাকার প্রয়াস থাকবে তাদের। পাশাপাশি ৭ম শ্রেণি থেকে ১০ শ্রেণী পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের মেধাভিত্তিক পুরস্কৃত করা। এস এস সি পরীক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা করা হবে।

অনুষ্ঠানে বক্তারা আরও বলেন, লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার হাজিরপাড়া ইউনিয়নের কালিদাসের বাগ গ্রামে ১৯৫২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় মুসলিমাবাদ উচ্চ বিদ্যালয়। এ এলাকার শিক্ষা সংস্কৃতির উন্নয়নের লক্ষ্য নিয়ে মরহুম হাজী মুসা মিয়া ভূঁইয়া, মনসুর আহমেদ ভূঁইয়া, মরহুম সৈয়দ আহমদ ভূঁইয়া এ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। অএ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা দেশে বিদেশে সুনামের সাথে কাজ করছেন। তারাও এ ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম পরিচালনায় সহযোগিতা ও পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছে।

প্রধান সমন্বয়ক আলী আহমেদ (রকি)’র সভাপতিত্বে ও আহবায়ক তানভীর আহমেদ রতনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক ড. মো: আব্দুর রহমান ভূঁইয়া, ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পৃষ্ঠপোষক আরিফুর রহমান (জনি), মো: ইউসুফ আলী, শান্ত হাসান, কামরুল হাসান, সাইফুল হাসান ও স্হানীয় জনসাধারণ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

মতিউর রহমান চৌধুরী নোয়াব সভাপতি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দৈনিক মানবজমিনের প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী  মালিকদের সংগঠন- নিউজপেপার্স ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব) এর সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন।

শাহ আমানত বিমানবন্দরে আরও ৭ ফ্লাইট বাতিল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আবারও ৭টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে শনিবার ফ্লাইট বাতিলের তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল।

বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ এয়ারফিল্ডে কার্যক্রম সীমিত বা বন্ধ থাকায় এসব ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। দুবাই, আবুধাবি ও শারজাহর এয়ারফিল্ড সীমিত পরিসরে পরিচালিত হচ্ছে এবং দোহা এয়ারফিল্ড পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে।

বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে রয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের দুবাই থেকে আসা একটি আগমন (এরাইভাল) ও দুবাইগামী একটি প্রস্থান (ডিপার্চার) ফ্লাইট। এছাড়া ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা একটি আগমন এবং দুটি প্রস্থান ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। অন্যদিকে সালাম এয়ারের মাস্কাট থেকে আসা একটি আগমন এবং মাস্কাটগামী একটি প্রস্থান ফ্লাইটও বাতিল করা হয়েছে।তবে সব ফ্লাইট বন্ধ না থাকায় কিছু আন্তর্জাতিক ফ্লাইট স্বাভাবিকভাবে চলাচল করেছে। বিভিন্ন এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আগত ৬টি আগমন ফ্লাইট এবং ৪টি প্রস্থান ফ্লাইট চলাচল করেছে।শা

টররসহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল বলেন, ‘বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, এয়ার আরাবিয়া ও ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের শারজাহ ও দুবাই থেকে চট্টগ্রামগামী ফ্লাইটগুলো ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। তবে দোহা এয়ারফিল্ড এখনো পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় ধীরে ধীরে আরও কিছু রুটের ফ্লাইট স্বাভাবিক হবে বলে আশা করছি।’তিনি আরও জানান, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে বৃহস্পতিবারের ৭টি বাতিল ফ্লাইটসহ এখন পর্যন্ত শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মোট ১১৬টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।’

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ