মাইজভাণ্ডারী গাউসিয়া হক কমিটি বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় পর্ষদ এর নিয়মিত ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিত।

বরুণ আচায্য বলাই

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মাইজভাণ্ডারী গাউসিয়া হক কমিটি বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় পর্ষদ এর নিয়মিত ত্রৈমাসিক সভা চট্টগ্রাম পাচঁলাইশ থানাধীন গাউসিয়া হক ভাণ্ডারী খানকাহ শরীফ অস্থায়ী কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে। পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত,নাতে রাসুল (সাঃ) ও মাইজভাণ্ডারী কালাম পরিবেশনের মধ্য দিয়ে সভার কার্যক্রম শুরু হয়। উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করেন মাইজভাণ্ডারী গাউসিয়া হক কমিটি বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় পর্ষদ-এর সম্মানিত সভাপতি জনাব আলহাজ্ব রেজাউল আলী জসীম চৌধুরী। কেন্দ্রীয় পর্ষদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা জনাব শামসুল আলম ও দিদারুল আলম-এর যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত উক্ত সভায় বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় পর্ষদ সহ-সভাপতি জনাব সৈয়দ ফরিদ উদ্দিন আহমদ,সাংগঠনিক সম্পাদক জনাব কাজী মোঃ ইউসুফ,কেন্দ্রীয় পর্ষদ সদস্য সর্বজনাব শেখ মুজিবুর রহমান বাবুল,সাহেদ আলী চৌধুরী,শেখ মাকসুদুর রহমান দুলাল,এস এম মোর্শেদূল আমিন,মোহাম্মদ হারেছ, শফিউল আজম নিজাম,এম মকসুদুর রহমান হাসনু,মোহাম্মদ আলী,ইউসুফ আলী,মোহাম্মদ রেজোয়ান নূর সিদ্দিকী উজ্জ্বল,মোঃ আশরাফুজ্জামান,এইচ এম আলী আবরাহা দুলাল,আশরাফ সিদ্দিকী,মোহাম্মদ আজম,মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন প্রমুখ। সভায় পূর্বনির্ধারিত আলোচ্যসূচী মোতাবেক সম্মানিত সদস্যগণ আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন।

সভায় এৈমাসিক প্রতিবেদন পাঠ করা হয় এবং বিগত সভার সিদ্ধান্তসমূহ পাঠান্তে সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদিত হয়। উক্ত সভায় আসন্ন মহান ১০ মাঘ মাইজভাণ্ডার দরবার শরীফ এর প্রতিষ্ঠাতা ও মাইজভাণ্ডারীয়া ত্বরীকার প্রবর্তক শাহসুফি হযরত সৈয়দ আহমদ উল্লাহ মাইজভাণ্ডারী (কঃ)-র ১২০ তম পবিত্র বার্ষিক ওরশ শরীফ উদযাপনের প্রস্তুতি বিষয়ে বিস্তারিত আলাপ-আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় ব্যাপক প্রচারণার মাধ্যমে এই মহান ওরশে পাকের জন্য গৃহীত সকল কর্মসূচি প্রতিপালনের বিষয়ে সকলে মতামত প্রদান করেন।

ওরশে পাকে আগত আশেক ভক্ত জায়েরীণদের গমনাগমন নির্বিঘ্ন করতে হাইওয়ে পুলিশের পাশাপাশি স্বেচ্ছাসেবকদের অংশগ্রহণের বিষয়ে মতামত ব্যক্ত করা হয়। এছাড়াও সাংগঠনিক সেল,প্রচার ও মিডিয়া সেল, অর্থ ও হিসাব সেল,তাত্ত্বিক সেল সহ বিভিন্ন সেলের দায়িত্বশীল সম্মানিত সদস্যগণ তাদের স্ব স্ব সেলের সুবিধা-অসুবিধা ও ভবিষ্যত কর্মপন্থা তুলে ধরেন। মিলাদ,কিয়াম শেষে সভায় দেশ-জাতি উম্মাহ ও বিশ্বমানবতার মুক্তি কামনা করে আল্লাহ সুবহানাহুতাআলার দরবারে ফরিয়াদ করা হয়। মুনাজাত পরিচালনা করেন কেন্দ্রীয় পর্ষদ সদস্য জনাব মাওলানা হাবিবুল হোসাইন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

পরিচ্ছন্নতাকে কর্মসূচিতে সীমাবদ্ধ না রেখে অভ্যাসে পরিণত করতে হবে : ডিসি জাহিদ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেছেন, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ শুধু প্রশাসন বা কোনো একটি প্রতিষ্ঠানের একার প্রচেষ্টায় নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকালে নগরের জিয়া স্মৃতি কমপ্লেক্সে ‘পরিচ্ছন্ন করি নগর-গ্রাম, গড়ি নান্দনিক চট্টগ্রাম’ স্লোগানে আয়োজিত পরিচ্ছন্নতা অভিযানে তিনি এ কথা বলেন। তিনি পরিচ্ছন্নতাকে সাময়িক কর্মসূচিতে সীমাবদ্ধ না রেখে নাগরিকদের দৈনন্দিন অভ্যাসে পরিণত করার আহ্বান জানিয়েছেন।

জেলা প্রশাসক জানান, গত ২৫ জুলাই থেকে জেলায় ধারাবাহিকভাবে এ কার্যক্রম চলছে। প্রথম দিনে ৬ হাজার ২২০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীর অংশগ্রহণে সরকারি অফিস ও প্রাঙ্গণ থেকে প্রায় ১৩৫ মেট্রিক টন বর্জ্য অপসারণ করা হয়। আজকের অভিযানে জিয়া স্মৃতি কমপ্লেক্সের পাশাপাশি চাঁদগাঁও ও পটিয়ার বিভিন্ন স্থানেও পরিচ্ছন্নতা চালানো হয়েছে।

প্রায় ১৬ একর ৩৮ শতক জায়গাজুড়ে গড়ে ওঠা ‘মিনি বাংলাদেশ’ খ্যাত জিয়া স্মৃতি কমপ্লেক্সকে দর্শনার্থীবান্ধব করতে সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনাগুলো সংস্কারে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। মন্ত্রণালয় দ্রুত টেন্ডার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সংস্কার কাজ শুরু করবে।
অভিযানে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার, চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি, সিএমপি কমিশনারসহ জেলা ও বিভাগীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতাকর্মী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য এরশাদউল্লাহ পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমকে সামাজিক আন্দোলনে রূপ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, প্রশাসনের পাশাপাশি নাগরিকদের নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্ব নিতে হবে।

চট্টগ্রামে বাসা থেকে হিজড়াদের ‘গুরুমা’ মৌসুমীর লাশ উদ্ধার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরীতে নিজ বাসা থেকে হিজড়া সম্প্রদায়ের এক নেত্রীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকালে নগরীর খুলশী থানার আমবাগান রেলওয়ে কলোনি সংলগ্ন হিজড়া কলোনি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার নাম মোহাম্মদ মহসীন ওরফে মৌসুমী হিজড়া। প্রাথমিকভাবে তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা পুলিশের। ৫২ বছরের মৌসুমী হিজড়া চট্টগ্রামে বসবাসরত হিজড়া সম্প্রদায়ের একটি গ্রুপের কাছে ‘গুরুমা’ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে নগরীর বিভিন্ন এলাকা থেকে হিজড়া কমিউনিটির লোকজন ঘটনাস্থলে জড়ো হন। তারা হত্যার বিচার দাবি করে বিক্ষোভও করেন।

ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে খুলশী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) গোলাম মোহাম্মদ নাসিম জানালেন, মৌসুমী বাসায় একা থাকতেন। সকালে প্রতিবেশীরা ঘুম থেকে উঠে তার বাসার দরজা খোলা দেখতে পান। পরে শয়নকক্ষে বিছানার ওপর তাকে উপুড় হয়ে পড়ে থাকতে দেখা যায়। তার মুখ দিয়ে রক্ত বের হচ্ছিল। পরে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

এসআই নাসিম জানান, প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে মনে হচ্ছে। মৌসুমীর গলায় গুরুতর জখমের চিহ্ন আছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়া গেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।
জানা গেছে, মৌসুমীর বাসার পেছনে একটি গরুর খামার আছে। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) খামারের একটি গরু বিক্রি করা হয়। গরু বিক্রির টাকা তার কাছে ছিল বলে জানিয়েছেন পুলিশের এই কর্মকর্তা। ওই টাকা ও তার ব্যবহৃত দুটি মোবাইল ফোন পাওয়া যাচ্ছে না। এ কারণে গরু বিক্রির টাকা লুটের জন্যই হত্যাকাণ্ডটি ঘটানো হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

এদিকে প্রতিবেশী কয়েকজন জানিয়েছেন, রাত প্রায় ২টা পর্যন্ত মৌসুমী তাদের সঙ্গে গল্প করেন। এরপর তিনি ঘুমাতে যান। পাশের কক্ষের বাসিন্দারা তার বাসার সামনে এক জোড়া জুতা দেখতে পান। ভোররাতের দিকে ওই বাসা থেকে বাকবিতণ্ডার শব্দও শুনতে পান তারা। তবে কলোনির কারও সঙ্গে কথা বলছেন মনে করে তারা বিষয়টি গুরুত্ব দেননি। সকাল ১০টা পর্যন্ত মৌসুমী ঘুম থেকে না ওঠায় প্রতিবেশীরা তাকে ডাকতে যান। এ সময় তার নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখেন তারা।

খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুর রহিম জানিয়েছেন, নিহত মৌসুমী হিজড়া সম্প্রদায়ের একজন নেতা ছিলেন। ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে বলে ওসি জানান।

আলোচিত খবর

জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর তিনি শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে। তখন বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ