আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

মাইজভাণ্ডারী গাউসিয়া হক কমিটি বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় পর্ষদ এর নিয়মিত ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিত।

বরুণ আচায্য বলাই

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মাইজভাণ্ডারী গাউসিয়া হক কমিটি বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় পর্ষদ এর নিয়মিত ত্রৈমাসিক সভা চট্টগ্রাম পাচঁলাইশ থানাধীন গাউসিয়া হক ভাণ্ডারী খানকাহ শরীফ অস্থায়ী কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে। পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত,নাতে রাসুল (সাঃ) ও মাইজভাণ্ডারী কালাম পরিবেশনের মধ্য দিয়ে সভার কার্যক্রম শুরু হয়। উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করেন মাইজভাণ্ডারী গাউসিয়া হক কমিটি বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় পর্ষদ-এর সম্মানিত সভাপতি জনাব আলহাজ্ব রেজাউল আলী জসীম চৌধুরী। কেন্দ্রীয় পর্ষদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা জনাব শামসুল আলম ও দিদারুল আলম-এর যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত উক্ত সভায় বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় পর্ষদ সহ-সভাপতি জনাব সৈয়দ ফরিদ উদ্দিন আহমদ,সাংগঠনিক সম্পাদক জনাব কাজী মোঃ ইউসুফ,কেন্দ্রীয় পর্ষদ সদস্য সর্বজনাব শেখ মুজিবুর রহমান বাবুল,সাহেদ আলী চৌধুরী,শেখ মাকসুদুর রহমান দুলাল,এস এম মোর্শেদূল আমিন,মোহাম্মদ হারেছ, শফিউল আজম নিজাম,এম মকসুদুর রহমান হাসনু,মোহাম্মদ আলী,ইউসুফ আলী,মোহাম্মদ রেজোয়ান নূর সিদ্দিকী উজ্জ্বল,মোঃ আশরাফুজ্জামান,এইচ এম আলী আবরাহা দুলাল,আশরাফ সিদ্দিকী,মোহাম্মদ আজম,মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন প্রমুখ। সভায় পূর্বনির্ধারিত আলোচ্যসূচী মোতাবেক সম্মানিত সদস্যগণ আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন।

সভায় এৈমাসিক প্রতিবেদন পাঠ করা হয় এবং বিগত সভার সিদ্ধান্তসমূহ পাঠান্তে সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদিত হয়। উক্ত সভায় আসন্ন মহান ১০ মাঘ মাইজভাণ্ডার দরবার শরীফ এর প্রতিষ্ঠাতা ও মাইজভাণ্ডারীয়া ত্বরীকার প্রবর্তক শাহসুফি হযরত সৈয়দ আহমদ উল্লাহ মাইজভাণ্ডারী (কঃ)-র ১২০ তম পবিত্র বার্ষিক ওরশ শরীফ উদযাপনের প্রস্তুতি বিষয়ে বিস্তারিত আলাপ-আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় ব্যাপক প্রচারণার মাধ্যমে এই মহান ওরশে পাকের জন্য গৃহীত সকল কর্মসূচি প্রতিপালনের বিষয়ে সকলে মতামত প্রদান করেন।

ওরশে পাকে আগত আশেক ভক্ত জায়েরীণদের গমনাগমন নির্বিঘ্ন করতে হাইওয়ে পুলিশের পাশাপাশি স্বেচ্ছাসেবকদের অংশগ্রহণের বিষয়ে মতামত ব্যক্ত করা হয়। এছাড়াও সাংগঠনিক সেল,প্রচার ও মিডিয়া সেল, অর্থ ও হিসাব সেল,তাত্ত্বিক সেল সহ বিভিন্ন সেলের দায়িত্বশীল সম্মানিত সদস্যগণ তাদের স্ব স্ব সেলের সুবিধা-অসুবিধা ও ভবিষ্যত কর্মপন্থা তুলে ধরেন। মিলাদ,কিয়াম শেষে সভায় দেশ-জাতি উম্মাহ ও বিশ্বমানবতার মুক্তি কামনা করে আল্লাহ সুবহানাহুতাআলার দরবারে ফরিয়াদ করা হয়। মুনাজাত পরিচালনা করেন কেন্দ্রীয় পর্ষদ সদস্য জনাব মাওলানা হাবিবুল হোসাইন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে ৮০০ কেজি চিনিসহ ২ চোরাকারবারি আটক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে ৮০০ কেজি চোরাই চিনিসহ দুই চোরাকারবারিকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। শুক্রবার ভোর ৫টার দিকে পতেঙ্গা থানার চরপাড়া ঘাট সংলগ্ন মেরিন ড্রাইভ সড়কে কোস্ট গার্ড আউটপোস্ট পতেঙ্গার সদস্যরা অভিযান পরিচালনা করে এদের আটক করে।

কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত জানান, একটি চক্র বাণিজ্যিক জাহাজ থেকে অবৈধভাবে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে খালাস করা বিপুল পরিমাণ চিনি বাজারজাত করার উদ্দেশ্যে পরিবহন করবে গোপনে এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওই এলাকায় বিশেষ অভিযান চালানো হয়।অভিযান চলাকালে একটি সন্দেহভাজন ট্রাকে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা মূল্যের ৮০০ কেজি চিনি উদ্ধার করা হয়।

এ সময় চোরাচালানে ব্যবহৃত ট্রাকসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়।লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত আরো বলেন, জব্দ করা চিনি, ট্রাক এবং আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

স্ত্রীর মরদেহ রেখে পালালো স্বামী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে খাদিজা আক্তার কাশফি নামের এক গৃহবধূর মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে রেখে পালিয়ে গেছেন স্বামী মো. মারুফ। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাতে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, কাশফিকে মৃত অবস্থায় আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন স্বামী মারুফ।

কর্তব্যরত চিকিৎসক কাশফিকে মৃত ঘোষণার পরপরই মরদেহ জরুরি বিভাগে রেখে কৌশলে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান তিনি। নিহতের গলায় মোটা দাগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. উপমা চৌধুরী। পরে কাশফির মৃত্যুর খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে আসেন স্বজনরা। পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চমেক হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ঘটনার পর থেকে স্বামী পলাতক রয়েছেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ