বেগম খালেদা জিয়ার ইন্তেকালে ইউএই প্রবাসী সাংবাদিকদের শোক প্রকাশ।

ইউএই প্রতিনিধি :

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সাবেক তিনবারের প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ইন্তেকালে সংযুক্ত আরব আমিরাতে অবস্থানরত বাংলাদেশের ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার প্রবাসী সাংবাদিকরা এক যৌথ বিবৃতিতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।

বিবৃতিতে সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ বলেন, বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক সংগ্রামে বেগম খালেদা জিয়ার অবদান ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। দেশ গঠন ও উন্নয়নে তিনি যে বলিষ্ঠ নেতৃত্ব দিয়েছেন, তা বাংলাদেশের আপামর জনসাধারণের কাছে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

তারা আরও বলেন, তারেক রহমানের প্রতি বাংলাদেশের মানুষ ও গণমাধ্যমের অনেক প্রত্যাশা রয়েছে। বেগম খালেদা জিয়া যে স্বপ্ন ও আদর্শ নিয়ে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে চেয়েছিলেন, সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে তারেক রহমান অগ্রণী ভূমিকা রাখবেন বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বিবৃতিতে গণমাধ্যমকর্মীরা মরহুমার আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারবর্গের প্রতি সমবেদনা জানান।বিবৃতিদাতারা হলেন-
সময় টেলিভিশনের আরব আমিরাত প্রতিনিধি শিবলী আল সাদিক, প্রবাসী সাংবাদিক সমিতি (প্রসাস) ‘র সভাপতি ও ডিবিসি টেলিভিশন ইউএই প্রতিনিধি সাইফুল ইসলাম তালুকদার, দীপ্ত টিভির আরব আমিরাত প্রতিনিধি মাহাবুব হাসান হৃদয়, বাংলা টিভির আরব আমিরাত প্রতিনিধি শেখ ফয়সাল সিদ্দিকী ববি,

রিপোর্টার্স ইউনিটি আরব আমিরাতের সভাপতি ও এটিএন নিউজের আরব আমিরাত প্রতিনিধি সিরাজুল হক, দৈনিক ইনকিলাবের আরব আমিরাত প্রতিনিধি ছালাহউদ্দিন, প্রবাসী সাংবাদিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও বাংলা টিভি আবুধাবি প্রতিনিধি আবদুল মান্নান, ডিবিসি নিউজ আবুধাবি প্রতিনিধি মোহাম্মদ মঈনুল ইসলাম, ৫২ টিভির ইউএই প্রতিনিধি ওবায়দুল হক মানিক,

দৈনিক আজকের সূর্যোদয় আরব আমিরাত প্রতিনিধি নাসিম উদ্দিন আকাশ, দৈনিক ইত্তেফাকের আরব আমিরাত প্রতিনিধি ফয়জুল্লাহ শহিদ, নাগরিক টিভির আরব আমিরাত প্রতিনিধি খোরশেদুল আলম জাসেদ, গাজী টিভির আরব আমিরাত প্রতিনিধি ফখরুদ্দিন মুন্না, দেশ বার্তার প্রতিনিধি আবু সালেহ, বণিক বার্তার প্রতিনিধি গোলাম সরওয়ার, গ্লোবাল টেলিভিশন আরব আমিরাত প্রতিনিধি নওশের আলম, একাত্তর টেলিভিশনের আরব আমিরাত প্রতিনিধি আমিনুল হক, যুগান্তর প্রতিনিধি সরোয়ার উদ্দিন রনি, সংবাদ প্রতিদিন প্রতিনিধি মাসুম বিল্লাহ, দৈনিক সমাচার প্রতিনিধি মোহাম্মদ গিয়াসউদ্দিন, চ্যানেল এস টেলিভিশনের আরব আমিরাত প্রতিনিধি মামুনুর রশিদ,

ভালো সংবাদ প্রতিনিধি মনির হোসেন, ক্রীড়া সাংবাদিক অনিক, দৈনিক চট্টগ্রামের আরব আমিরাত প্রতিনিধি গিয়াস উদ্দিন সিকদার, ঢাকা প্রতিদিনের আরব আমিরাত প্রতিনিধি মোঃ এনাম হোসেন,কে টিভি প্রতিনিধি নুরুল্লাহ শাহজাহান, বিশ্ব বাংলা প্রতিনিধি মাহবুব সরকার, বঙ্গ টিভি মোহাম্মদ সেলিম, সিএনএন বাংলার আরব আমিরাত প্রতিনিধি মোহাম্মদ ওসমান চৌধুরী, দৈনিক আমার সময় আমিরাতে প্রতিনিধি চৌধুরী মোহাম্মদ আরমান প্রমুখ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর ৫৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর ৫৮তমপ্রতিষ্ঠাবার্ষিকী,উপলক্ষ্য উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী চট্টগ্রাম জেলা সংসদের উদ্যোগে আয়জন করা হয় আলোচনা সভা,সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, আবৃত্তি এবং এস এস সি উত্তীর্ণ সম্মাননা। আজ ৩১ অক্টোবর সন্ধ্য ছয়টায় মোমিন রোডস্থ চট্টগ্রাম একাডেমী প্রাঙ্গনে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী কেন্দ্রীয় সংসদের সহসভাপতি এবং চট্টগ্রাম জেলা সংসদের সভাপতি বিশিষ্টা প্রাবন্ধিক জসীম চৌধুরী সবুজ।উদীচী চট্টগ্রাম জেলা সংসদের সাধারন সম্পাদক এডভোকেট অসীম বিকাশ দাশের সঞ্চালনায় কথা মালায় অংশ নেন উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী কেন্দ্রীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হাবিবুল আলম,চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি এডভোকেট রেজাউল করিম চৌধুরী,

চট্টগ্রাম জেলা শিল্পকলা একাডেমীর কালচারাল অফিসার আয়াজ মাবুদ,এবং উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী চট্টগ্রাম জেলা কমিটির সহসভাপতি সুনীল ধর,প্রমুখ। কথামালায় অংশ নিয়ে বক্তারা বলেন, ১৯৬৮ সালের এই দিনে মেহনতি মানুষের সার্বিক মুক্তির স্বপ্ন বুকে নিয়ে শিল্পী-সাহিত্যিক-সংগ্রামী সত্যেন সেন, রণেশ দাশগুপ্ত, শহীদুল্লাহ কায়সার প্রমুখের নেতৃত্বে যাত্রা শুরু করেছিল উদীচী। প্রতিষ্ঠার প্রায় ছয় দশক ধরে উদীচী কেবল একটি সাংস্কৃতিক সংগঠন হিসেবে নয়; বরং রাজনৈতিক গণ-আন্দোলনের এক নিরন্তর ধারায় শোষিত-নির্যাতিত মানুষের দ্রোহের মশাল হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে। সত্যেন সেন খুব সচেতনভাবেই শিল্পী-জনতার এই সংগঠনটির নাম রেখেছিলেন ‘উদীচী’—যার অর্থ ধ্রুবতারা বা উত্তর দিক। দিগ্‌ভ্রান্ত নাবিক যেমন দূর দিগন্তের ধ্রুবতারা দেখে লক্ষ্য স্থির করেন, তেমনি বাংলাদেশের সংস্কৃতি ও গণমানুষের অধিকারের সংগ্রামকে মুক্তিযুদ্ধের অসাম্প্রদায়িক ও বহুত্ববাদের চেতনায় সঠিক পথ দেখাতে উদীচী ধ্রুবতারার মতোই আলোকবর্তিকা হয়ে পথ চলছে ৫৭ বছর ধরে। যুদ্ধবিধ্বস্ত এই সময়ে বিকারগ্রস্তের রাজত্বে উদীচী তার ৫৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর স্লোগান ঠিক করেচে “ফিরিয়ে নাও ঘাতক কাঁটা,এবার আমি গোলাপ নিব,” এই দ্ব্যর্থহীন স্লোগানই আজকের সংক্ষুব্ধ সময়ের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক বাস্তবতা।

প্রধান অতিথির বক্তব্য হাবিবুল আলম বলেন,সারা পৃথিবী আজ এক নজিরবিহীন যুদ্ধোন্মাদনা ও সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসনের জাঁতাকলে পিষ্ট। সাম্রাজ্যবাদ আর সাম্প্রদায়িকতার প্রত্যক্ষ মদদে নিরীহ মানুষের রক্ত ঝরছে দেশে দেশে, আধিপত্য আর মুনাফার লোভে চলছে মানবতাবিনাশী ধ্বংসযজ্ঞ। প্রিয় স্বদেশও আজ এই আগ্রাসী থাবার নির্মম শিকার। নানা ভূরাজনৈতিক ষড়যন্ত্রে বাংলাদেশ আজ সাম্রাজ্যবাদী শক্তিগুলোর দাবার ঘুঁটিতে পরিণত হচ্ছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তথাকথিত কৌশলগত অংশীদারত্বের আড়ালে যে জনবিরোধী দাসত্বমূলক চুক্তি হয়েছে, তা আমাদের রক্তস্নাত সার্বভৌমত্বকে ঠেলে দিয়েছে চরম সংকটের মুখে। আমাদের জাতীয় অর্থনীতির প্রাণকেন্দ্র চট্টগ্রাম বন্দরকে বিদেশিদের হাতে তুলে দেওয়ার রাষ্ট্রঘাতী অপতৎপরতা আমাদের ভবিষ্যৎকে অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিয়েছে। উদীচী তার জন্মলগ্ন থেকেই সাম্রাজ্যবাদ ও আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে আপসহীন। দেশের সম্পদে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে গণ-প্রতিরোধের মাধ্যমে উদীচীর লড়াই অব্যাহত থাকবে আজ ও আগামীতে।

এডভোকেট রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন,,সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসনের পাশাপাশি দেশের অভ্যন্তরীণ সমাজ ও রাজনীতিতে সাম্প্রদায়িকতার বিষবাষ্প ছড়িয়ে পড়েছে। মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে যে অসাম্প্রদায়িক, বহুত্ববাদী ও ধর্মনিরপেক্ষ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, তা আজ সুপরিকল্পিতভাবে পদদলিত করার অপচেষ্টা চলছে। সমাজ ও রাষ্ট্রে বিজ্ঞানমনস্ক, সাংস্কৃতিক ও মুক্তচিন্তার ধারাকে রুদ্ধ করে বিভাজনের কূপমণ্ডূকতা চাপিয়ে দেওয়ার এই বিনাশকালে সাম্প্রদায়িক অপশক্তি আজ আক্রমণ করছে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে। আমাদের অস্তিত্ব, ভাষা আন্দোলন, স্বাধিকার লড়াই ও মননচর্চার প্রধান বাতিঘর রবীন্দ্রনাথের ওপর আজ বারবার আঘাত হানা হচ্ছে। অথচ ১৯৬১ সালে পাকিস্তানি সামরিক জান্তার রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে এই বাংলার মানুষ লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে রবীন্দ্রনাথকে নিজের করে নিয়েছিল। একষট্টির সেই লড়াই ছিল আমাদের মুক্তিযুদ্ধের প্রধানতম সাংস্কৃতিক ভিত্তি।

পাকিস্তান সরকারের রবীন্দ্রসংগীত নিষেধাজ্ঞার অন্যায় সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রবল প্রতিরোধ গড়ে বাংলার মানুষ সেদিন প্রমাণ করেছিল রবীন্দ্রনাথের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক কেবলই সাংস্কৃতিক নয়, রাজনৈতিকও বটে। উদীচী দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে, রবীন্দ্রনাথের রচনা ও দর্শন কেবল সাহিত্য বা শিল্পচর্চাই নয়; এটি বাংলাদেশের মানুষের আত্মমর্যাদা ও ধর্মনিরপেক্ষ জাতিসত্তা টিকিয়ে রাখার মৌলিক সাংস্কৃতিক পরিচয়। এ কারণেই এই সাংস্কৃতিক পরিচয় রক্ষার রাজনৈতিক লড়াইয়ে উদীচী একাত্তরের চেতনাকেই একমাত্র আদর্শ হিসেবে গ্রহণ করেছে। তাই যেখানেই রবীন্দ্রবিরোধিতা ও অন্ধকারের আস্ফালন, সেখানেই উদীচীর কর্মীরা বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়েছেন কণ্ঠে প্রতিরোধের গান-কবিতা নিয়ে।

জসীম চৌধুরী সবুজ বলেন,প্রায় ছয় দশক ধরে উদীচীর এই পথচলা সহজ ছিল না। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে উদীচীর শিল্পী-কর্মীরা যেমন কাঁধে রাইফেল তুলে নিয়ে লড়াই করেছিলেন, তেমনি স্বাধীন দেশে সামরিক দুঃশাসন, স্বৈরতন্ত্র ও সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে রাজপথে লড়াই করেছেন। মুক্তিযুদ্ধের আদর্শের রাজনৈতিক সত্তাকে গণমানুষের নিজস্ব ভাষায় রূপান্তরের প্রয়াসেই উদীচী আজও কাজ করে যাচ্ছে। এই আপসহীন দ্রোহের কারণেই প্রতিক্রিয়াশীল অপশক্তির নির্মম আক্রমণের শিকার হতে হয়েছে উদীচীকে। ১৯৯৯ সালের ৬ মার্চ যশোর টাউন হলের দ্বাদশ জাতীয় সম্মেলনে বর্বরোচিত বোমা হামলা এবং ২০০৫ সালের ৪ ডিসেম্বর নেত্রকোনার কার্যালয়ে উগ্র ধর্মান্ধ জঙ্গিদের বোমা হামলায় উদীচী হারিয়েছে তার নিবেদিতপ্রাণ কর্মী-সংগ্রামীদের। কিন্তু রক্তের বিনিময়েও উদীচী মুক্তিযুদ্ধের অসাম্প্রদায়িক আদর্শ থেকে একচুলও বিচ্যুত হয়নি। ভবিষ্যতেও হবে না।প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই আয়োজন মুক্তিযুদ্ধের স্বপ্ন বাস্তবায়ন, একটি বৈষম্যহীন, অসাম্প্রদায়িক এবং সাম্যবাদী রাষ্ট গঠনে রাজপথের লড়াইকে আরও শাণিত করার এক নতুন শপথ। আলোচনা সভা শেষে

সংগীতপরিবেশনকরেন,বিশ্বতান”,আবৃত্তি করেন জয়শ্রী মজুমদার, এবং গণসংগীত পরিবেশন করেন উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী চট্টগ্রাম জেলা সংসদের শিল্পীকর্মীরা।সাংস্কৃতিক পরিবেশনার পরপরই এস এস সি উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের সম্মাননা প্রদান করা হয়।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে নতুন দায়িত্বে দুবাই কনস্যুলেটের আশফাক হোসেইন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

*পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে নতুন দায়িত্বে দুবাই কনস্যুলেটের আশফাক হোসেইন সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে নিযুক্ত বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলের সাবেক সফল কাউন্সেলর মুহাম্মদ আশফাক হোসেইন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে যোগদান করেছেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সাম্প্রতিক অফিস আদেশে তাকে ‘পরিচালক (পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দপ্তর)’ পদে পদায়ন করা হয়েছে। পাশাপাশি তিনি ‘পরিচালক (অভিবাসন ও অনিবাসী বাংলাদেশি বিষয়ক অনুবিভাগ)’ এবং ‘পরিচালক (আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বিষয়ক অনুবিভাগ)’ হিসেবে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করবেন।

সংযুক্ত আরব আমিরাতে (ইউএই) নিজের কর্মকালীন মেয়াদে প্রবাসীদের কল্যাণ এবং কনস্যুলার সেবার মান উন্নয়নে মুহাম্মদ আশফাক হোসেইন অত্যন্ত প্রশংসনীয় ও দূরদর্শী ভূমিকা পালন করেছেন।

দুবাইয়ে দায়িত্ব পালনকালে তিনি প্রবাসী বাংলাদেশিদের সার্বিক সহায়তায় সর্বদা তৎপর ছিলেন। কনস্যুলেটের সার্বিক অবকাঠামোগত উন্নয়ন, নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা এবং সেবা প্রদান প্রক্রিয়ায় একটি আধুনিক ও সুশৃঙ্খল সিস্টেম গড়ে তুলতে তিনি নিরলস চেষ্টা চালিয়েছেন। তার এই সংস্কারমুখী উদ্যোগের ফলে প্রবাসীরা অত্যন্ত সহজে ও দ্রুততম সময়ে সেবা পেতে শুরু করেন, যা কনস্যুলেটের সার্বিক ভাবমূর্তি অনেকাংশে উজ্জ্বল করেছে।

দুবাই কনস্যুলেটে তার সফল মেয়াদ শেষ করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একাধারে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ পদে যোগদানে সংযুক্ত আরব আমিরাত প্রবাসী বাংলাদেশি সম্প্রদায়, ব্যবসায়ী নেতা ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকে তাকে আন্তরিক অভিনন্দন ও উষ্ণ শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে।

প্রবাসীরা আশা প্রকাশ করেন, দুবাইয়ে অর্জিত তার অভিজ্ঞতা এবং পেশাদারিত্ব পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নতুন এই দায়িত্ব বাস্তবায়নে বড় ভূমিকা রাখবে। অভিবাসন, আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা এবং প্রবাসীদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট নানা বিষয়ে তার দূরদর্শী নেতৃত্ব দেশের কূটনৈতিক ও প্রবাসীবান্ধব পদক্ষেপে নতুন গতি সঞ্চার করবে।

মুহাম্মদ আশফাক হোসেইনের এই নতুন সাফল্য ও উত্তরোত্তর উন্নতি কামনা করছেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রবাসী বাংলাদেশিরা।

আলোচিত খবর

১২ লাখ ৭০ হাজার এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ আগামীকাল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল আগামীকাল শনিবার প্রকাশিত হতে যাচ্ছে। এর মধ্য দিয়ে এ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া সারা দেশের ১২ লাখ ৭০ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থীর দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটছে।আগামীকাল সকাল ১১টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করা হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ফল প্রকাশ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।


অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুই বিভাগের সচিব, সকল বোর্ডের চেয়ারম্যানসহ মন্ত্রণালয় ও বোর্ডের পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন।
উদ্বোধনের পরপরই পরীক্ষার্থীরা একযোগে নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, নির্ধারিত ওয়েবসাইট এবং এসএমএসের মাধ্যমে তাদের কাঙ্ক্ষিত ফলাফল জানতে পারবেন। অনলাইনে https://eduboardresults.gov.bd I https://educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইট থেকে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে ফল জানা যাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ