গণপূর্ত ঠিকাদার সমিতির উদ্যোগে খালেদা জিয়ার রূহের মাগফিরাত কামনা।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের অন্যতম প্রতীক, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনায় খতমে কোরআন ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। চট্টগ্রাম মহানগরীর রহমতগঞ্জস্থ গণপূর্ত অধিদপ্তরের এবাদত খানায় ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে এ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

খতমে কোরআন ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে গণপূর্ত ঠিকাদার সমিতি, রহমতগঞ্জ সার্কেল–১, চট্টগ্রাম। অনুষ্ঠানে পবিত্র কোরআন খতম শেষে মরহুমার রূহের মাগফিরাত কামনা, তাঁর কবরকে নূরে ভরপুর করা এবং জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করার জন্য বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। একইসঙ্গে দেশ ও জাতির শান্তি, স্থিতিশীলতা, সমৃদ্ধি এবং গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য মহান আল্লাহর দরবারে বিশেষ প্রার্থনা করা হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন গণপূর্ত ঠিকাদার সমিতির সভাপতি ওসমান আলী (সেগুন)। সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন আপসহীন নেতৃত্বের প্রতীক। দেশের গণতন্ত্র ও মানুষের ভোটাধিকার রক্ষায় তিনি জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত সংগ্রাম করে গেছেন। তাঁর আদর্শ ও ত্যাগ নতুন প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।

মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সহ-সভাপতি একরামুল হক ছুট্টু, সাধারণ সম্পাদক তানভির ইসলাম (মামুন), জামাল খোরশেদ মুন্না, সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুল জলিল, মো. আলাউদ্দিন, তথ্য ও প্রচার সম্পাদক রবিউল ইসলাম রবিন, সাখাওয়াত হোসেন আলভী, শহীদুল্লাহ্ খান,আলী আকবর, সাইফুল ইসলাম, দিদাদ্রুল আলম দিদার, মেহেদী হাসানসহ গণপূর্ত ঠিকাদার সমিতির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

এছাড়াও আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের উপদেষ্টা মো. মহসীন ও নুরুল আলম চৌধুরী মুক্তা। তাঁরা তাঁদের বক্তব্যে বলেন, মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া শুধু একটি রাজনৈতিক দলের নেত্রী নন, তিনি ছিলেন এ দেশের গণতন্ত্রকামী মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতীক। দুঃসময়ে তাঁর সাহসী ভূমিকা ও ত্যাগ জাতি চিরদিন স্মরণ করবে।


অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন গণপূর্ত ঠিকাদার সমিতির সদস্যবৃন্দ, বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, ঠিকাদারি পেশার প্রতিনিধিসহ ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা। পুরো অনুষ্ঠানজুড়ে ছিল গভীর শোক, শ্রদ্ধা ও ধর্মীয় আবহ।দোয়া মাহফিল শেষে মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তাঁর আদর্শ অনুসরণ করে দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন আয়োজকরা।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ভাঙ্গুড়ার খানমরিচ ইউনিয়ন বিএনপির দ্বি-বার্ষিক কাউন্সিলে সভাপতি নির্বাচিত আবুল কালাম আজাদ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার খানমরিচ ইউনিয়ন বিএনপির দ্বি-বার্ষিক কাউন্সিল-২০২৬ উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার ২৮ জুলাই অনুষ্ঠিত এ কাউন্সিলে সভাপতি পদে সরাসরি ভোটগ্রহণের মাধ্যমে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচন করা হয়। সকাল থেকেই ভোট কেন্দ্রে নেতাকর্মী ও কাউন্সিলরদের প্রাণবন্ত উপস্থিতিতে উৎসবের আমেজ সৃষ্টি হয়।

নির্বাচনের ফলাফল অনুযায়ী, ছাতা প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা মোঃ আবুল কালাম আজাদ ২৫৫ ভোট পেয়ে সভাপতি পদে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঘোড়া প্রতীকের মোঃ শহিদুল ইসলাম শহিদ পান ১৯২ ভোট।
ফুটবল প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বী করা মোঃ আতাউর রহমান খোকন ৩১৪ ভোট পেয়ে সাধারণ সম্পাদক পদে বিজয়ী হন।তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মাছ প্রতীকের মোঃ আতাউর রহমান আতা পান ১০৮ ভোট।দেওয়াল ঘড়ি প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বী করা মোঃ আবু তাহের ১০৮ ভোট পেয়ে সাংগঠনিক সম্পাদক পদে বিজয়ী হন।তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দোয়াত কলম প্রতীকের মোহাম্মদ আলী খাঁন পান ৯৭ ভোট।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, মোট ৪৫৯ জন ভোটারের মধ্যে ৪৫৩ জন তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। অনুপস্থিত ছিলেন ৬ জন ভোটার এবং বাতিল হয় ৩টি ভোট। ভোট গণনা শেষে সর্বাধিক ভোট পাওয়ায় মোঃ আবুল কালাম আজাদ কে আনুষ্ঠানিকভাবে সভাপতি নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়।

ফলাফল ঘোষণার পরপরই নব-নির্বাচিত সভাপতি কে ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দনে সিক্ত করেন দলীয় নেতাকর্মী, সমর্থক এবং শুভানুধ্যায়ীরা। এ সময় উপস্থিত নেতাকর্মীদের মধ্যে আনন্দ-উচ্ছ্বাসের পরিবেশ সৃষ্টি হয়।

নব-নির্বাচিত সভাপতি মোঃ আবুল কালাম আজাদ সকল কাউন্সিলর, নেতাকর্মী ও সমর্থকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, দলকে আরও সুসংগঠিত, ঐক্যবদ্ধ ও শক্তিশালী করতে তিনি সবার সহযোগিতা নিয়ে কাজ করবেন।

নেতাকর্মীরা আশা প্রকাশ করেন, নতুন নেতৃত্বের হাত ধরে খানমরিচ ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে এবং তৃণমূল পর্যায়ে দলের কার্যক্রম নতুন গতি লাভ করবে।

ভাঙ্গুড়ায় প্রিজম প্রি-ক্যাডেট এন্ড হাইস্কুলে দুই হাজার গাছের চারা বিতরণ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিশেষ প্রতিনিধিঃ পাবনার ভাঙ্গুড়ায় পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং সবুজ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে।

রবিবার ২৬ জুলাই ২০২৬ দুপুরে রোটারি ক্লাব অফ ঢাকা লিজেন্ড এর আয়োজনে ভাঙ্গুড়া উপজেলার প্রিজম প্রি-ক্যাডেট এন্ড হাইস্কুল প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। কর্মসূচিতে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মাঝে ফলজ, বনজ এবং ঔষধি প্রজাতির মোট ২ হাজার গাছের চারা বিতরণ করা হয়।

ভাঙ্গুড়া উপজেলার দিলপাশার ইউনিয়নের বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক,বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক মোঃ আব্দুল হাই এর সভাপতিত্বে এবং শাকিল আহমেদ সজিব এর সঞ্চালনায় এই গাছের চারা বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রোগ্রাম চেয়ারপারসন রোটারিয়ান ফারজানা আক্তার।

এসময়ে উপস্থিত ছিলেন ভাঙ্গুড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আরিফুজ্জামান, সেন্টার ফর পার্টিসিপেটরি ডেভেলপমেন্ট সার্ভিসেস (সিপিডিএস) ঢাকার পরিচালক কৃষিবিদ মো. আতাউর রহমান, মো. দেলোয়ার হোসেন, ভাঙ্গুড়া পৌরসভার কমিশনার মোঃ শহিদুল ইসলাম, বিএনপি নেতা মোঃ শাহিনুর রহমান শাহিন, প্রিজম প্রি-ক্যাডেট এন্ড হাইস্কুলের পরিচালক মো. রাসেল আহমেদ মোল্লা, অত্র বিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারি সহ ছাত্র-ছাত্রী,অভিভাবক ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।

বিদ্যালয়ের অভিভাবক ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা বৃক্ষরোপন কর্মসূচীর উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, শুধু চারা গাছ লাগানো নয়, এগুলোর যথাযথ পরিচর্যা নিশ্চিত করা গেলে পরিবেশ রক্ষায় এ কর্মসূচি দীর্ঘমেয়াদে ইতিবাচকভাবে ভূমিকা রাখবে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে রোটারিয়ান ফারজানা আক্তার বলেন, মানবসেবাই রোটারির মূল আদর্শ। তার মতে, শিশুদের মানসিক সুস্থতায় পাশে দাঁড়ানো শুধু একটি সামাজিক উদ্যোগ নয়, বরং মানবিক দায়িত্ব। রোটারি শুধু সেবামূলক সংগঠন নয়, এটি মানুষের কল্যাণ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পরিবেশ উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এ ধরনের কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। অনুষ্ঠান শেষে বিতরণ করা গাছগুলোর নিয়মিত পরিচর্যা ও সংরক্ষণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আহমেদ পদত্যাগ করেছেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। আজ শুক্রবার ২৪ জুলাই বিকেলে তিনি গণমাধ্যমকে নিজেই পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র এরই মধ্যে পৌঁছানো হয়েছে।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে সংসদ ভবনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছেন।

কয়েক দিন ধরেই রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছিল। বঙ্গভবন সূত্রে জাবা যায়, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন এবং পদত্যাগপত্রও প্রস্তুত করেছেন। তবে স্পিকার বিদেশ সফরে থাকায় তা জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি।

সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। তার পাঁচ বছরের মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত থাকার কথা ছিল। দায়িত্ব পালনকালে তিনি সময়ের ব্যবধানে তিনজন সরকারপ্রধানকে শপথবাক্য পাঠ করান।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিভিন্ন মহল থেকে তার পদত্যাগের দাবি ওঠে। তখন তিনি পদত্যাগ করেনননি। গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বঙ্গভবন ঘেরাওসহ বিভিন্ন কর্মসূচিও পালিত হয়। তবে সংসদ ভেঙে দেওয়া, অন্তর্বর্তী সরকার গঠনসহ গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখেন।

২২ তম এরাষ্ট্রপতির পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হলো। নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার আগ পর্যন্ত সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে মো. সাহাবুদ্দিন জেলা ও দায়রা জজ এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় পাবনা জেলার স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ছিলেন এবং ১৯৭১ সালে প্রশিক্ষণ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ