বোয়ালখালী সমিতি-ঢাকা: দ্বিবার্ষিক সভায় সহ-সভাপতি নির্বাচিত মোঃ মোজাম্মেল হক চৌধুরী।

এম মনির চৌধুরী রানা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বোয়ালখালীর ঐতিহ্যবাহী সামাজিক সংগঠন বোয়ালখালী সমিতি-ঢাকা এর দ্বিবার্ষিক সাধারণ সভায় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। সভায় সকলের সিদ্ধান্তে ও মতামতের ভিত্তিতে সংগঠনের নেতৃত্বের ওপর আস্থা ও বিশ্বাস রেখে সহ-সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব, যাত্রী আন্দোলনের প্রবক্তা ও যাত্রী সাধারণের একমাত্র সাহসী কণ্ঠস্বর, বিশিষ্ট মিডিয়া ব্যক্তিত্ব এবং দক্ষিণ চট্টগ্রামের কৃতি সন্তান মোঃ মোজাম্মেল হক চৌধুরী।

এটি শুধু একটি পদ নয়, বরং দক্ষিণ চট্টগ্রাম তথা বোয়ালখালীর মানুষের জন্য একটি গৌরবময় অর্জন। যাত্রী কল্যাণ আন্দোলনে তার সাহসিকতা, ন্যায্যতার প্রতিফলন ও মানবিক মূল্যবোধ সব সময়ই অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন । তার এই অর্জন বোয়ালখালী সমিতি-ঢাকার সদস্যদের মধ্যে নতুন আশা ও অনুপ্রেরণা সৃষ্টি করেছে।

মোঃ মোজাম্মেল হক চৌধুরী সামাজিক সংগঠন, যাত্রী কল্যাণ ও গণমানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় দীর্ঘদিন ধরে নিরলসভাবে কাজ করে আসছেন। তার দৃঢ় নেতৃত্ব, আত্মবিশ্বাস, অটল সংকল্প এবং সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা তাকে সবার কাছে এক বিশ্বস্ত ব্যক্তিত্বে পরিণত করেছে। তিনি যাত্রীদের অধিকার আদায়ে যেসব পদক্ষেপ নিয়েছেন, তা শুধু একটি সংগঠনের নয়, সমগ্র সমাজের জন্য দৃষ্টান্ত।

এই নির্বাচনে তার নাম উঠেছে সদস্যদের উচ্চাভিলাষ ও আস্থা থেকেই। সদস্যদের বিশ্বাস, ভক্তি ও ভালোবাসার প্রতিফলন এই পদ অর্জনের মাধ্যমে স্পষ্টভাবে প্রকাশ পায়। বোয়ালখালী সমিতি-ঢাকার দ্বিবার্ষিক সভায় সংগঠনের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা, সামাজিক উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড আরও শক্তিশালীভাবে এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

মোঃ মোজাম্মেল হক চৌধুরীর নির্বাচিত হওয়ায় বোয়ালখালী সমিতি-ঢাকা আরও নতুন দিগন্তে প্রবেশ করবে এটাই সবাই আশা করছেন। তার নেতৃত্বে সংগঠনটি আরও বেশি জনসেবামূলক কাজ, সামাজিক সহায়তা ও কল্যাণমূলক কার্যক্রম বাস্তবায়ন করবে।

এই গৌরবময় মুহূর্তে আমরা সবাই তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আলহামদুলিল্লাহ একজন নিষ্ঠাবান সমাজসেবী, নির্ভীক কণ্ঠস্বর ও উদ্যমী নেতাকে এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে নির্বাচিত হতে দেখে আমরা গর্বিত।আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, মোঃ মোজাম্মেল হক চৌধুরীর নেতৃত্বে বোয়ালখালী সমিতি-ঢাকা আরও উজ্জ্বল ও শক্তিশালী হয়ে উঠবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতা কর্মী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষে ২০ জন আহত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাজধানীতে পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের সঙ্গে স্থানীয়দের সংঘর্ষের ঘটনায় বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান এবং স্থানীয় সংসদ সদস্য জাহাঙ্গীর হোসেনের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। নেপচুন এক্সেসরিজ নামে একটি গার্মেন্টস প্রতিষ্ঠানের পক্ষ হয়ে ভাড়াটে সন্ত্রাসীরা এ হামলা চালায়।ডিএনসিসির জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. জাকির হোসেন এক জরুরি বার্তায় গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান।

জানা যায়, উত্তর সিটির ৪৬ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তরখান রাজাবাড়ি সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।ডিএনসিসির তথ্য অনুযায়ী, হামলায় চারজন গুরুতর আহতসহ ১৫ থেকে ২০ জন পরিচ্ছন্নতাকর্মী আহত হন। গুরুতর আহত চারজনকে উত্তরা বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

রূপগঞ্জে কলেজ ছাত্রী অপহরণ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পূর্বাচল উপশহরের নীলা মার্কেট এলাকা থেকে কাজল রেখা (১৭) নামের এক কলেজ ছাত্রী অপহরণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। আজ ৩ জুন বুধবার সকালে বেড়াতে এসে সে অপহরণকারীদের কবলে পড়ে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, আজ ৩ জুন বুধবার সকালে পূর্বাচল উপশহরের নীলা মার্কেট এলাকায় বান্ধবীদের সঙ্গে রাজধানীর উত্তরখান থানার কাঁচকুড়া এলাকার রনি আহম্মেদের মেয়ে কাজল রেখা বেড়াতে আসে। এসময় রাজধানীর খিলক্ষেত থানার পাতিরা এলাকার জিসান তার বন্ধুদের সহযোগীতায় কলেজ ছাত্রীর মুখ বেঁধে অপহরণ করে মাইক্রোবাসে তুলে ঢাকার দিকে নিয়ে যায়।

এঘটনায় কাজল রেখার মা চামেলি বেগম বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে পাতিরা এলাকার জিসান (২২), জিল মিয়া (৬০), মিলন মিয়াকে (৪০) নামীয় ও অজ্ঞাত ২/৩ জনকে আসামী করে রূপগঞ্জ থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। রূপগঞ্জ থানার ওসি এএইচএম সালাউদ্দিন বলেন, কলেজ ছাত্রী কাজল রেখা অপহরণের ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আহমেদ পদত্যাগ করেছেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। আজ শুক্রবার ২৪ জুলাই বিকেলে তিনি গণমাধ্যমকে নিজেই পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র এরই মধ্যে পৌঁছানো হয়েছে।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে সংসদ ভবনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছেন।

কয়েক দিন ধরেই রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছিল। বঙ্গভবন সূত্রে জাবা যায়, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন এবং পদত্যাগপত্রও প্রস্তুত করেছেন। তবে স্পিকার বিদেশ সফরে থাকায় তা জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি।

সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। তার পাঁচ বছরের মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত থাকার কথা ছিল। দায়িত্ব পালনকালে তিনি সময়ের ব্যবধানে তিনজন সরকারপ্রধানকে শপথবাক্য পাঠ করান।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিভিন্ন মহল থেকে তার পদত্যাগের দাবি ওঠে। তখন তিনি পদত্যাগ করেনননি। গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বঙ্গভবন ঘেরাওসহ বিভিন্ন কর্মসূচিও পালিত হয়। তবে সংসদ ভেঙে দেওয়া, অন্তর্বর্তী সরকার গঠনসহ গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখেন।

২২ তম এরাষ্ট্রপতির পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হলো। নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার আগ পর্যন্ত সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে মো. সাহাবুদ্দিন জেলা ও দায়রা জজ এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় পাবনা জেলার স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ছিলেন এবং ১৯৭১ সালে প্রশিক্ষণ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ