চট্টগ্রামে বিএনপি’র মহাসমাবেশ রোববার, আসছেন তারেক রহমান।

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে আসছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দীর্ঘ ২১ বছর পর আগামী ২৫ জানুয়ারি চট্টগ্রামে বিএনপির নির্বাচনি মহাসমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে দলটির এ শীর্ষ নেতার উপস্থিত থাকার কথা আছে।


মহাসমাবেশকে ঘিরে ইতিমধ্যে চট্টগ্রাম সাজ সাজ রব শুরু হয়েছে। কাজীর দেউড়িসহ গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলো নেতাকর্মীদের ব্যানারে ছেয়ে গেছে। সেই কর্মসূচিতে যোগ দিতে একদিন আগেই তিনি চট্টগ্রামে পৌঁছাবেন, এমন তথ্য দিয়েছেন দলটির নেতারা।

এ বিষয়ে নগর বিএনপির সাবেক সভাপতি ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন জানিয়েছেন, ২৫ জানুয়ারি সকাল ১১টায় নগরীর পলোগ্রাউন্ড ময়দানে বিএনপির নির্বাচনি সমাবেশ হবে। সমাবেশের প্রস্তুতি ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। ‘উনি (তারেক রহমান) ২৪ জানুয়ারি রওনা দেবেন। প্রাথমিকভাবে আমরা বার্তা পেয়েছি যে, ২৪ তারিখ উনি নোয়াখালী, ফেনী, মিরসরাই এবং ফাইনালি সীতাকুণ্ড হয়ে চট্টগ্রাম শহরে আসবেন। ২৪ তারিখ রাতে উনি এখানে একটা হোটেলে অবস্থান করবেন। পরদিন সকালেই প্রোগ্রামটা করে উনি হয়তো-বা চলে যাবেন।

তিনি বলেন, বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক জিয়ার চট্টগ্রাম বিভাগীয় মহাসমাবেশের দিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিশেষ নজর রাখছে। আমাদের সঙ্গে বেশ কয়েকবার বৈঠক করেছেন। চেয়ারম্যান সিকিউরিটি ফোর্স (সিএসএফ) টিম এসেছে। উনারা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে কথা বলছেন। ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, চট্টগ্রাম একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক নগরী। এই মহাসমাবেশকে ঘিরে শৃঙ্খলা, পরিচ্ছন্নতা ও জনদুর্ভোগ এড়ানোর বিষয়গুলো সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।

সিটি করপোরেশন লজিস্টিক সাপোর্ট যেমন বালু না ওড়ার জন্য মাঠে পানি দেওয়া, ভ্রাম্যমাণ শৌচাগার ইত্যাদি দিয়ে থাকে। অন্য বিষয়গুলো বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল থেকে করবে। মেয়র বলেন, এটা বৃহত্তর চট্টগ্রামের সমাবেশ। আমাদের ১৬ জন সংসদ সদস্য প্রার্থী সমর্থকদের নিয়ে মহাসমাবেশে আসবেন। বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে দেখতে, উনার প্ল্যান সম্পর্কে জানতে বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষও সমাবেশে অংশ নেবেন।মহাসমাবেশ শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে সবাইকে সহযোগিতার আহ্বান জানান মেয়র।

জানা গেছে, তারেক রহমান সর্বশেষ চট্টগ্রামে এসেছিলেন ২০০৫ সালে। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের নির্বাচনি প্রচারণায় এসে তিনি নগরীর লালদিঘী ময়দানে জনসভা করেছিলেন। এরপর এক-এগারো পরবর্তী জরুরি অবস্থায় তিনি গ্রেফতার হয়ে কারাবরণ করেন এবং একপর্যায়ে দেশ ছেড়ে যেতে বাধ্য হন। দেড় দশক পর দেশে ফিরে তিনি পিতা জিয়াউর রহমানের শাহাদাৎ বরণের স্মৃতিবিজড়িত চট্টগ্রাম শহরে আসছেন রাজনৈতিক কর্মসূচিতে যোগ দিতে।
এদিকে নগরীর পলোগ্রাউন্ড ময়দানে এখন সমাবেশের জোর প্রস্তুতি চলছে। মাঠটিকে সংস্কারের মাধ্যমে সমাবেশের উপযোগী করা হয়েছে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিতব্য জনসমাগমটি কেবল রাজনৈতিক কর্মসূচি নয়, বরং দেশের সর্বসাধারণের অংশগ্রহণে একটি ব্যতিক্রমধর্মী সমাবেশ হবে।তিনি বলেন, অতীতে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া যখন পল্টন মাঠে কিংবা চট্টগ্রামে সমাবেশে অংশ নিয়েছেন, তখন সেখানে রাজনৈতিক পরিচয়ের বাইরে সর্বস্তরের মানুষের উপস্থিতি দেখা গেছে। এলাকার অফিসগুলো বন্ধ রেখে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত হয়েছেন, শিক্ষার্থীরাও অংশ নিয়েছে। রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত নন—এমন বহু মানুষও শুধু এক নজর দেশনেত্রীকে দেখার জন্য সভায় এসেছিলেন। একই ধরনের উৎসাহ ও উদ্দীপনা এখন চট্টগ্রামবাসীর মধ্যে লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, তারেক রহমান দেশে আসার পর বিভিন্ন কর্মসূচিতে যে জনসমাগম দেখা গেছে, সেটির ধারাবাহিকতা চট্টগ্রামেও দেখা যাবে। এটি শুধু রাজনৈতিক সমাবেশে সীমাবদ্ধ থাকবে না। তবে কতটা বিশাল জনসমাগম হবে, তা আগাম বলা কঠিন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ভারতে পলাতক শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার না করার আহ্বান

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ভারতে পলাতক শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার না করতে গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে সরকার। মঙ্গলবার তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় থেকে এআহ্বান জানানো হয়েছে।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি) গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জুলাই-আগস্ট গণহত্যা মামলার আসামি, ক্ষমতাচ্যুত ও পলাতক শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারে ইতোপূর্বে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। আইসিটির এই নিষেধাজ্ঞা জুলাই আন্দোলনের মূল চেতনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

আইসিটি পলাতক শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার না করা ও দণ্ডিত আসামির পূর্বে দেওয়া সব বিদ্বেষমূলক বক্তব্য বিভিন্ন মাধ্যম থেকে সরাতে ও বন্ধ করতে এবং প্রচার ও প্রকাশ না করতে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়, আইসিটি বিভাগ ও বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)-কে নির্দেশ দিয়েছে।

জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস গণতন্ত্র, অধিকার ও ঐক্যবদ্ধ সংগ্রামের এক গৌরবময় স্মারক দিপ্তী-শাহেদ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক সভাপতি মোশাররফ হোসেন দিপ্তী বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস আমাদের গণতন্ত্র, অধিকার ও জনগণের ঐক্যবদ্ধ সংগ্রামের একটি গৌরবময় স্মারক। আগামী ৪ আগস্ট চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠন র‌্যালির মাধ্যমে আমরা সেই সব শহীদ ও আহত সংগ্রামীদের গভীর শ্রদ্ধা জানাই, যাদের আত্মত্যাগে দেশের মানুষ নতুন করে স্বপ্ন দেখার সাহস পেয়েছে।

তিনি আজ ০৩ আগস্ট সোমবার বিকালে কাজীর দেউরীস্থ নাসিমন ভবন দলীয় কার্যালয় সম্মুখ মাঠে চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের উদ্যোগে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের আগামীকাল ৪ আগস্ট জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসের র‌্যালি ও ১৪ আগস্ট চট্টগ্রাম জেলা স্টেডিয়ামে মহানগর বিএনপি আয়োজিত শহীদ জিয়া ও খালেদা জিয়া স্মৃতি আন্তঃস্কুল গোল্ড কাপ ফুটবল টুর্ণামেন্ট সফল করার লক্ষ্যে প্রস্তুতি সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, আমরা প্রতিজ্ঞতা করছে শহীদের স্বপ্নে বাংলাদেশ গড়তে যুব সমাজকে সঙ্গে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যাব।

চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ শাহেদ বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস কেবল একটি স্মরণীয় দিন নয়, এটি অন্যায় অবিচারের বিরুদ্ধে তরুণদের সাহসী অবস্থানের প্রতীক। আগামী কালকের র‌্যালি থেকে আমরা দেশের যুব সমাজকে ঐক্যবদ্ধ থাকার এবং দেশ গঠনে ইতবাচক ভূমিকা রাখার আহ্বান জানাই। তিনি আরও বলেন, শহীদদের আত্মত্যাগ যেন কখনো বৃথা না যায়, সে লক্ষ্যে আমরা গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, সামাজিক ন্যায় বিচার এবং একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে নিরলসভাবে কাজ করে যাব। নগর বিএনপি আয়োজিত শহীদ জিয়া ও খালেদা জিয়া স্মৃতি আন্তঃস্কুল গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্ণামেন্ট সফল করার লক্ষ্যে যুবদল সার্বিক শৃঙ্খলার দায়িত্ব পালন করবে।

প্রস্তুতি সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক সিনিয়র সহ সভাপতি ইকবাল হোসেন, সাবেক সহ-সভাপতি এস এম শাহ আলম রব, শাহেদ আকবর, এম এ রাজ্জাক, ফজলুল হক সুমন, মোহাম্মদ মুসা, মিয়া মোহাম্মদ হারুন, নাসির উদ্দিন চৌধুরী নাসিম, মুজিবুর রহমান, জসিমুল ইসলাম কিশোর, অরুপ বড়ুয়া, মোহাম্মদ আলী সাকী, সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক মোশাররফ হোসাইন, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক মোঃ হুমায়ুন কবির, রাশেদুল হাসান লেবু, এরশাদ হোসেন, সেলিম উদ্দিন রাসেল, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এমদাদুল হক বাদশা, মোরশেদ আলম, রাজন খাঁন, তানভীর মল্লিক, হেলাল হোসেন, গুলজার হোসেন, সাবেক সহ সাধারণ সম্পাদক আসাদুর রহমান টিপু, জাহাঙ্গীর আলম বাঁচা, ওসমান গনি সিকদার, শাহজালাল পলাশ, মুজিবুর রহমান রাসেল, সাবেক সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য জিল্লুর রহমান জুয়েল, মোহাম্মদ আলাউদ্দিন, মহিউদ্দিন মুকুল,

এস এম বখতিয়ার উদ্দিন, ইফতেখার শাহরিয়ার আজম, মোহাম্মদ ইকবাল, আসাদুজ্জামান রুবেল, সাবেক সহ- সম্পাদকবৃন্দ আতিকুর রহমান, মনোয়ার হোসেন মানিক, কমল জৌতি বড়ুয়া, কামরুল ইসলাম, কোরবান আলী, শাহেদুল ইসলাম, জহিরুল ইসলাম, মেজবাহ উদ্দিন মিন্টু, জাহাঙ্গীর আলম বাবু, জিয়াউল হক মিন্টু, গুলজার হোসেন মিন্টু, জাহাঙ্গীর আলম মানিক, মোহাম্মদ ইউসুফ, মোহাম্মদ হাসান, আবুল কালাম, মনজুর আলম মনজু, মিজানুর রহমান দুলাল, হোসেন জামান, ইয়াছিন আজাদ, আবদুল্লাহ আল জিতু, মোহাম্মদ জসিম, সাবেক সদস্য শাবাব ইয়াজদানী, কলিম উল্লাহ, প্রফেসর সাইদুল হক সিকদার, শাখাওয়াত কবির সুমন, থানা যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক মোহাম্মদ আজম, মোশাররফ আমীন , বজল আহমেদ, কুতুবউদ্দিন কুতুব, মোহাম্মদ সেলিম, সাবেক সদস্য সচিব শেখ রাসেল, মোহাম্মদ হাসান, শওকত খান রাজু, মোহাম্মদ মুসা, মোরশেদ কামাল, আশিক মল্লিক আরসি, মনজুর আলম মনজু, মোহাম্মদ সোহেল, ওয়ার্ড যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক মোহাম্মদ আকতার, এস এম আলী, আবু বক্কর বাবু, সাইফুল আলম, জহিরুল ইসলাম, মাসুদ আলম, জাহাঙ্গীর আলম বাবলু প্রমুখ।

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আহমেদ পদত্যাগ করেছেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। আজ শুক্রবার ২৪ জুলাই বিকেলে তিনি গণমাধ্যমকে নিজেই পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র এরই মধ্যে পৌঁছানো হয়েছে।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে সংসদ ভবনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছেন।

কয়েক দিন ধরেই রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছিল। বঙ্গভবন সূত্রে জাবা যায়, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন এবং পদত্যাগপত্রও প্রস্তুত করেছেন। তবে স্পিকার বিদেশ সফরে থাকায় তা জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি।

সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। তার পাঁচ বছরের মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত থাকার কথা ছিল। দায়িত্ব পালনকালে তিনি সময়ের ব্যবধানে তিনজন সরকারপ্রধানকে শপথবাক্য পাঠ করান।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিভিন্ন মহল থেকে তার পদত্যাগের দাবি ওঠে। তখন তিনি পদত্যাগ করেনননি। গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বঙ্গভবন ঘেরাওসহ বিভিন্ন কর্মসূচিও পালিত হয়। তবে সংসদ ভেঙে দেওয়া, অন্তর্বর্তী সরকার গঠনসহ গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখেন।

২২ তম এরাষ্ট্রপতির পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হলো। নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার আগ পর্যন্ত সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে মো. সাহাবুদ্দিন জেলা ও দায়রা জজ এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় পাবনা জেলার স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ছিলেন এবং ১৯৭১ সালে প্রশিক্ষণ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ