বেগম খালেদা জিয়াকে মরণোত্তর সম্মাননা দেবে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব।

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশের তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে মরণোত্তর সম্মাননা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব। গত ১৯ জানুয়ারি প্রেস ক্লাবের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় সর্বস্মতিক্রমে এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

সভায় জানানো হয়, বেগম জিয়া প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন সময়ে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের চরম দুঃসময়ে ১৯৯৫ সালে ১৫ লাখ টাকা অনুদান প্রদান করেন। তিনি দ্বিতীয় দফায় প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচিত হওয়ার পর ২০০১ সালে তৃতীয় দফায় প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর চট্টগ্রাম উন্নয়ন কতৃপক্ষের মাধ্যমে চট্টগ্রামের সাংবাদিকদের জন্য কল্পলোক আবাসিক এলাকায় ভূমি বরাদ্দের ব্যবস্থা করেন।

তাঁর এসব অবদানের জন্য তাঁকে মরণোত্তর সম্মাননা দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। এর আগে ১৯৮০ সালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানও চট্টগ্রামের সাংবাদিকদের আবাসিক সংকট দূর করার জন্য নগরীর বায়েজিদ এলাকায় নামমাত্র মূল্যে ১৬ একর জায়গা বরাদ্দ দেন।

সভায় আরও বলা হয়, বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন বাংলাদেশের তিন বারের প্রধানমন্ত্রী এবং একজন সফল, সৎ ও আদর্শ রাজনীতিবিদ। তাঁর নেতৃত্বকালেই বাংলাদেশ সংসদীয় গণতন্ত্রে রূপান্তরিত হয়। স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে বেগম জিয়ার আপসহীন নেতৃত্ব গণতান্ত্রিক অধিকার আদায়ে এদেশের মানুষকে পথ দেখিয়েছেন। বাংলাদেশে গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে বেগম খালেদা জিয়ার অবদান এবং সংগ্রাম দেশ ও জাতির কাছে আজীবন চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

সভায় উপস্থিত ছিলেন, প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচি, সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা মুরাদ, সহ-সভাপতি ডেইজি মওদুদ, যুগ্ম সম্পাদক মিয়া মো. আরিফ, অর্থ সম্পাদক আবুল হাসনাত, সাংস্কৃতিক সম্পাদক রূপম চক্রবর্তী, ক্রীড়া সম্পাদক রুবেল খান, গ্রন্থাগার সম্পাদক মো. শহীদুল ইসলাম, সমাজসেবা ও আপ্যায়ন সম্পাদক হাসান মুকুল, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ফারুক আবদুল্লাহ, কার্যকরী সদস্য সালেহ নোমান, রফিকুল ইসলাম সেলিম, সাইফুল ইসলাম শিল্পী এবং আরিচ আহমেদ শাহ।সভা শেষে জানানো হয়, প্রেস ক্লাবের পক্ষ থেকে শিগগিরই আনুষ্ঠানিকভাবে এই সম্মাননা প্রদানের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ছেলেকে হত্যার অভিযোগে বাবা গ্রেপ্তার, স্ত্রী অন্যত্র বিয়ে করায় ক্ষুদ্ধ স্বামী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাবা ছেলেকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছে, এমন অভিযোগে নোয়াখালীর সুবর্ণচরে বাবাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।নাঈম (১৪)লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার চরজঙ্গালিয়া গ্রামের ইব্রাহীম খলিলের ছেলে।

শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সকালে এ ঘটনায় নিহতের মা ফাতেমা আক্তার সুমি বাদী হয়ে নিহতের বাবাকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। এর আগে, গত মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার চরজুবলী ইউনিয়নের মধ্য বাগ্যা গ্রামের একটি ধানখেতের পাশ থেকে নাঈমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নাঈমের নানা এবায়েদ উল্যাহ বলেন, সোমবার রাতে নাঈম আমার বসতঘরে ঘুমিয়ে ছিল। ভোরে ফজরের নামাজের সময় আমি ঘুম থেকে উঠে দেখি, ঘরের দরজা খোলা এবং নাঈম শয়নকক্ষে নেই। পরে সকাল ৭টার দিকে সার আনতে যাওয়ার পথে বাড়ি থেকে প্রায় ১০০ গজ দূরে ধানখেতের পাশে রাস্তার ওপর নাঈমের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখতে পাই।

পরিবারের সদস্যরা জানান, প্রায় তিন বছর আগে তার মা-বাবার বিচ্ছেদ হয়। এরপর নাঈম নানার বাড়িতে থেকে চরজব্বর ইউনিয়নের দারুল উলুম মাদানী নগর মাদ্রাসার নাজেরা বিভাগে পড়াশোনা করত। সোমবার ২১ সেপ্টেম্বর রাতের খাবার খেয়ে নানার বসত ঘরেই ঘুমিয়ে ছিল নাঈম। সকালে। মঙ্গলবার সকালে বাড়ি থেকে প্রায় ১০০ গজ দূরে ধানক্ষেতের পাশে পাওয়া যায় তার মরদেহ। গত ২০-২৫ দিন আগে নাঈমের মা সুমি আক্তার দ্বিতীয় বিয়ে করেন। এরপর থেকে নাঈমের বাবা ইব্রাহীম খলিল সাবেক স্ত্রী সুমির ওপর ক্ষুদ্ধ হয়ে উঠে।

পরবর্তীতে বিভিন্নভাবে হুমকি ধমকি দিয়ে আসছিলেন। ছেলের আয়-রোজগার খেয়ে কীভাবে মা খায়, তা দেখে নেওয়ার হুমকিও দিয়েছিলেন তিনি। ঘটনার পরপরই নাঈমের মা সুমি তার সাবেক স্বামী খলিলকে সন্দেহ করেন। সকালে নাঈমের মৃত্যুর খবর জানাতে খলিলকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি কল ধরেননি। পরে তিনি নিজে ফোন করলে ছেলের মৃত্যুর খবর তাকে জানানো হয়। সুমি দ্বিতীয় বিয়ে করায় খলিল তার ছেলেকে শ্বশুরের ঘর থেকে ডেকে নিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে।

নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আহমেদ পেয়ার বলেন, বৃহস্পতিবার অভিযুক্ত বাবাকে আটক করা হয়। থানায় জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে ছেলের হত্যাকান্ডে নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেন। শুক্রবার বিকেলে তাকে নোয়াখালী চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হবে।

গাউছিয়া শাহাজাহান মঞ্জিলে শাহসূফি সৈয়দ আবদুল কাদের জিলানী (ক.) এর ওফাত দিবস ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহুম উপলক্ষে মাহফিল অনুষ্ঠিত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পবিত্র ১১ই রবিউস ছানী বড়পীর হুজুর হযরত গাউছুল আজম শাহসূফি সৈয়দ আবদুল কাদের জিলানী (ক.) এর ওফাত দিবস, ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহুম উপলক্ষে মাহফিল ও তাবাররুক বিতরণ কার্যক্রমসহ দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় গাউছিয়া শাহাজাহান মঞ্জিলে অনুষ্ঠিত হয়। মাহফিলে ছদারত করেন শাহানশাহ হযরত শাহসূফি সৈয়দ মোহাম্মদ শাহাজাহান চৌধুরী মাইজভাণ্ডারী (ক.) কেবলা কাবার শাহজাদাদ্বয় হযরত শাহসূফি সৈয়দ মোহাম্মদ এস্কান্দর মির্জা চৌধুরী মুকুট মাইজভাণ্ডারী (মা.জি.আ) ও হযরত শাহসূফি সৈয়দ মোহাম্মদ সেকান্দার মির্জা চৌধুরী মহান মাইজভাণ্ডারী (মা.জি.আ)। আছরের নামাজের পর প্রস্তুত করা হয় এদিনের বিশেষ ঐতিহ্য ‘চারদানা সিন্নী’। বাদে মাগরিব মিলাদ-কেয়াম ও তাওয়াল্লোদে গাউছিয়া আদায়ের পর তা ভক্তবৃন্দের মাঝে বিতরণ করা হয়। এশার নামাজের পর অনুষ্ঠিত হয় মাহফিলে সেমা। পরিশেষে বড় শাহজাদা হুজুর কর্তৃক মোনাজাত পরিচলানার পর আগতদের মাঝে তাবাররুক বিতরণের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকতা সমাপ্ত হয়।

আলোচিত খবর

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ডেনমার্ক ও যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ইস্যুতে সমঝোতায় পৌঁছেছে । আগামী সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইড মিটিং এ দুই দেশের মধ্যে এ-সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা জানিয়েছেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এ বিষয়ে বক্তব্য স্পষ্ট, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘমেয়াদি নিয়ন্ত্রণের সুযোগ পাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ