আজঃ রবিবার ১৫ মার্চ, ২০২৬

যাকে চিনে না মানুষ তাকে ভোট দেবে কেমনে? আসিফ কে শহীদ ওমরের মা।

এস মনির চৌধুরী রানা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম–৮ আসনে ১০ দলীয় জোট আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী জোবাইরুল হাসান আরিফকে মনোনয়ন দিয়েছে। কিন্তু মাঠের গল্পটা একেবারেই অন্য রকম। বিশেষ করে জামায়াতের প্রার্থী ডা. আবু নাসেরকে কেন্দ্র করে স্থানীয় মানুষের মনোভাব, দীর্ঘদিনের ব্যক্তিগত নেটওয়ার্ক এবং তার জনপ্রিয়তা সব মিলিয়ে যেন জোটের সিদ্ধান্তের ওপর ছায়া ফেলে দিয়েছে।

এই দ্বন্দ্ব, এই অস্বস্তির সব রং স্পষ্ট হয়ে ওঠে আজ (২৬ জানুয়ারি) সোমবার বোয়ালখালীর উপজেলার ফুলতল দুপুরে জুলাই অভ্যুত্থানে শহিদ মো. ওমর বিন নুরুল আবছারের মা রুবি আক্তারের মুখে।

এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া আজ ফুলতলায় গণসংযোগে যান। পোস্টার, মাইক, কয়েক ডজন কর্মী-সব মিলিয়ে প্রচারণার সাধারণ ছবি। কিন্তু উপস্থিত জনতার দৃষ্টি তখন অন্য দিকে শহিদ ওমরের মা রুবি আক্তার কাছে আসতেই মানুষের ভিড় জমে যায়। অল্প কথায়, শান্ত গলায়, কিন্তু ক্ষতবিক্ষত অভিজ্ঞতা আর গভীর আক্ষেপ মিশিয়ে তিনি বলেন, চট্টগ্রাম ৮ আসনে স্থানীয় মানুষের ভোট বেশি। স্থানীয় মানুষ চাইবে স্থানীয় মানুষকেই ভোট দিতে।

তিনি বলেন, জুলাইকে কখনো বিক্রি করিনি, কোনো সুবিধাও নেইনি। আমরা মতো পরিবার এলাকার জন্য সবসময়ই ছিলাম। এই আসন যদি কোনো কারণে খালি হয়ে যায় বড় ক্ষতি হয়ে যাবে।

রুবি আক্তারের কথা মাঝপথে থামিয়ে এনসিপির প্রার্থী জোবাইরুল হাসান আরিফ বলেন, আন্টি, আমরা ১০ দলীয় জোট। সবাই যদি সহযোগিতা করে, এই সিট কখনো হাতছাড়া হবে না। রুবি আক্তার তার কথার উত্তরে বলেন, জোট ঠিক আছে, কিন্তু এখানে স্থানীয় মানুষ অনেক বেশি। জোটের ভোট ২০ শতাংশ, স্থানীয় ভোট ৮০ শতাংশ। যাকে প্রার্থী দিয়েছেন তাকে তো কেউ চিনে না।

রুবি আক্তারের এই কথায় শুধু ব্যক্তিগত ক্ষোভ নয়, এলাকার নির্বাচনি অঙ্কও উঠে আসে যেন ! এ সময় আসিফ মাহমুদ বলেন, আমরা তো এখনো মাঠে নেমে গেছি।

এর জবাবে রুবি আকতার স্পষ্ট ভাষায় বলেন, তাহলে আমি বলি এই আসনটি ওপেন রাখা হোক। এনসিপিও করবে, জামায়াতের আবু নাসের ভাইও করবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্: চট্টগ্রাম মহানগরে ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে মাসব্যাপী পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্: চট্টগ্রাম মহানগরে ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে মাসব্যাপী পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। শনিবার সকাল ১০টায় নগরীর ডিসি হিলে এই কার্যক্রমে অংশ নেন চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার মো. জিয়াউদ্দীন, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা এবং জেলার সিভিল সার্জন জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। এ সময় বিভাগীয় কমিশনার বলেন, সামনে বর্ষাকাল আসছে। তার আগেই যদি আমাদের শহরকে পরিচ্ছন্ন করতে পারি তাহলে ডেঙ্গু মশার বিস্তার রোধ করা সম্ভব হবে। এতে নগরবাসী উপকৃত হবে। ডেঙ্গু প্রতিরোধটাই সবচেয়ে বড় পদক্ষেপ। সরকার এ কাজে মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।

অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক কার্যক্রম মাসব্যাপী চলছে। এ কাজে সবচেয়ে কার্যকর উপায় হচ্ছে মানুষকে সচেতন করা ও পরিষ্কার করা। চট্টগ্রামে যেসব জায়গা বেশি অরক্ষিত, যেখানে ডেঙ্গু বেশি বিস্তার ঘটতে পারে সেগুলো আমরা পরিষ্কার করব এবং নিরাপদ ও সুস্থ চট্টগ্রাম আমরা গড়ে তুলব।
বেলুন উড়িয়ে মাসব্যাপী এই পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। এরপর পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে প্রশাসনের কর্মকর্তারা, স্কাউটের সদস্য এবং পরিচ্ছন্ন কর্মীরা অংশ নেন। এরপর চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে ‘ডেঙ্গু রোগের ভয়াবহতা ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে’ আলোচনা সভার আয়োজন করে।

চট্টগ্রামে রেলওয়ের প্রধান সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ে আগুন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে রেলওয়ের প্রধান সরঞ্জাম
নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ে আগুন
ছবি-৩
চট্টগ্রাম ব্যুরো: চট্টগ্রাম মহানগরে বাংলাদেশ রেলওয়ের প্রধান সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রকের (সিসিএস) কার্যালয়ে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। পাহাড়তলী এলাকায় অবস্থিত এই কার্যালয়ে শুক্রবার রাতে কার্যালয়ের একটি অংশে হঠাৎ করে আগুন লাগে। খবর পেয়ে রাত ১১টা ২৫ মিনিটে আগ্রাবাদ ফায়ার স্টেশন থেকে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে।বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স চট্টগ্রাম কন্ট্রোল রুম। এদিকে প্রাথমিকভাবে আগুন লাগার সুনির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত করে কিছু জানাতে পারেননি সংশ্লিষ্টরা।
পাহাড়তলীতে অবস্থিত প্রধান সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রকের এই কার্যালয় থেকে বাংলাদেশ রেলওয়ের বিভিন্ন সরঞ্জাম, যন্ত্রপাতি ও প্রয়োজনীয় মালামাল সংরক্ষণ ও সরবরাহ কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ