আজঃ শনিবার ৩১ জানুয়ারি, ২০২৬

বাংলাদেশ প্রেসক্লাব ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিটির উদ্যোগে এক আনন্দঘন বিভাগীয় পিকনিক।

মোঃ নূর উদ্দিন মন্ডল দুলাল নেত্রকোনা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ প্রেসক্লাব ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিটির উদ্যোগে এক আনন্দঘন বিভাগীয় পিকনিক অনুষ্ঠিত হয়েছে। ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিটির সভাপতির উপস্থিতিতে নগরীর জয়নাল আবেদীন পার্ক সংলগ্ন ব্রহ্মপুত্র নদীর তীরে দিনব্যাপী এ আয়োজন সম্পন্ন হয়।

পিকনিক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন জেলার গণমাধ্যমকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে সংগঠনের কার্যক্রম ও সাংগঠনিক বিষয়াদি নিয়ে বক্তব্য প্রদান করা হয়, যেখানে সংগঠনকে আরও সুসংগঠিত ও গতিশীল করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
পরবর্তীতে সাংস্কৃতিক পর্বে গান পরিবেশন অনুষ্ঠানে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি করে। এছাড়াও উপস্থিত সদস্যদের অংশগ্রহণে আকর্ষণীয় রেফেল ড্র অনুষ্ঠিত হয়, যা অনুষ্ঠানের আনন্দকে বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।


সৌহার্দ্য, ভ্রাতৃত্ববোধ ও পারস্পরিক সম্পর্ক জোরদার করার লক্ষ্যে আয়োজিত এ বিভাগীয় পিকনিকটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়। বক্তারা বলেন, এ ধরনের আয়োজন সাংবাদিকদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং সংগঠনের ঐক্য সুদৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

নির্বাচনকে সামনে রেখে ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বিএনপি’র ‘নির্বাচনী উঠান বৈঠক’।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের পক্ষে ‘নির্বাচনী উঠান বৈঠক’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) রাত ৮টার দিকে ঠাকুরগাঁও পৌর বিএনপির আয়োজনে পৌরশহরের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের পানিউন্নয়ন বোর্ড কোলনী এলাকায় উঠান বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।

উঠান বৈঠকের মধ্যভাগে ঠাকুরগাঁও পৌর এলাকার ৬ নম্বর ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের ১৫জন নেতাকর্মী বিএনপিতে যোগদান করেন। এসময় তাদেরকে ফুলের মালা পরিয়ে বরণ করেন নেন ঠাকুরগাঁও পৌর বিএনপির সভাপতি শরিফুল ইসলাম শরিফ।

ঠাকুরগাঁও পৌর এলাকার ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি লিয়াকত আলীর সভাপতিত্বে ‘নির্বাচনি উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, ঠাকুরগাঁও পৌর বিএনপির সভাপতি শরিফুল ইসলাম শরিফ।

বিএনপি নেতা শরিফুল ইসলাম শরিফ বলেন, ঠাকুরগাঁও পৌর এলাকার ৬ নম্বর ওয়ার্ডেরই বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তার সম্পর্কে আপনাদেরকে নতুন করে কোনকিছু বলার নেই। তিনি আপনাদেরই মানুষ।

বিএনপি নেতা শরিফুল ইসলাম বলেন, আপনাদের কাছে একটাই চাওয়া- আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আপনারা সকলেই মিলে মির্জা ফখরুলের ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিয়ে উনাকে বিজয়ী করবেন। আপনাদের ভোটের মাধ্যমে মির্জা ফখরুল বিজয়ী হলে ঠাকুরগাঁও সদর আসনকে একটি মডেল আসন হিসেবে রূপান্তর করা হবে। আসুন উন্নয়নের স্বার্থে সবাই মিলে মির্জা ফখরুলের বিজয় নিশ্চিত করি।

এছাড়াও নির্বাচনী উঠান বৈঠকে বক্তব্য দেন, ঠাকুরগাঁও জেলা স্বেচ্ছাবেক দলের সভাপতি মাসুদুল ইসলাম মুন্না, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি মো. কায়েস, জেলা বিএনপি নেতা মমিনুল হক বাবু, ঠাকুরগাঁও পৌর এলাকার ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ মোবারক আলী প্রমুখ।

এসময় বক্তারা আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে ভোট দেওয়ার আহবান জানান।

জনগণের জন্য উন্নয়নের পরিকল্পনা- মির্জা ফখরুল।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের চন্ডিপুর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) নির্বাচনী গণসংযোগকালে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নির্বাচনী প্রতিপক্ষের উদ্দেশে এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি বাহিনী অনেক অত্যাচার করেছে, বাড়িঘর পুড়িয়ে দিয়েছে, পেট্রোল পাম্প-ট্যাংক সবই নিয়ে গিয়েছিল। পাকিস্তানি সেনাদের কারা সহযোগিতা করেছিল, আমরা তা জানি।

আগে একাত্তর সালের জন্য মাফ চান, তারপর ভোট চান।মির্জা ফখরুল আরও বলেন, হাসিনার আমলে আমরা কাজ করতে পারিনি। পরে আমরা উন্নয়নের কাজ শুরু করেছি। আগে ১০০ টাকা আয় হতো, এখন ২০০ টাকা আয় করাকে উন্নয়ন বলা হচ্ছে। প্রকৃত উন্নয়ন তখনই সম্ভব যখন মানুষের কর্মসংস্থান ও কৃষির উন্নতি হবে।

তিনি আগামী নির্বাচনের গুরুত্ব নিয়ে বলেন, ভোটে সঠিক সিদ্ধান্ত না নিলে আমরা ভুল করব। বিএনপি আগামী নির্বাচনে সরকার গঠন করবে, আর তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হবেন। তারেক জিয়াকে দেশে আসতে দেয়নি ১৮ বছর। দেশে ফিরেই তিনি জনগণের জন্য উন্নয়নের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন। ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে ন্যায্যমূল্যে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সুবিধা, কৃষি কার্ডের মাধ্যমে সার-বীজ এবং কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা হবে।
এ সময় দলের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা উপস্থিত ছিলেন।

আলোচিত খবর

টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্র বিস্ফোরণ সংক্রান্ত মামলায় ক্ষতিপূরণ পাওয়ার রায় পেয়েছে বাংলাদেশ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্র বিস্ফোরণ সংক্রান্ত মামলায় ক্ষতিপূরণ পাওয়ার রায় পেয়েছে বাংলাদেশ। আন্তর্জাতিক সালিশি আদালত কানাডাভিত্তিক জ্বালানি প্রতিষ্ঠান নাইকোকে বাংলাদেশ সরকারকে ৪ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর সেটেলমেন্ট অব ইনভেস্টমেন্ট ডিসপিউটস (আইসিডি/ICSID)-এর ট্রাইব্যুনাল এই রায় ঘোষণা করে। জ্বালানি মন্ত্রণালয় সূত্রে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।


জ্বালানি সচিব বলেন, বাংলাদেশ এই মামলায় প্রায় ১০০ কোটি মার্কিন ডলার ক্ষতিপূরণ দাবি করেছিল। প্রাপ্ত অর্থ সেই দাবির তুলনায় অনেক কম। রায়ের বিভিন্ন দিক পর্যালোচনার জন্য সংশ্লিষ্ট আইনজীবীদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে এবং পরবর্তী করণীয় ঠিক করা হবে।প্রসঙ্গত, ২০০৩ সালের ১৬ অক্টোবর টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্রে খনন ও উন্নয়ন কাজের দায়িত্ব পায় কানাডিয়ান প্রতিষ্ঠান নাইকো।

পরবর্তীতে নাইকোর পরিচালনাধীন অবস্থায় টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্রে ভয়াবহ বিপর্যয় ঘটে। ২০০৫ সালের ৭ জানুয়ারি এবং একই বছরের ২৪ জুন গ্যাসক্ষেত্রে পরপর দুটি মারাত্মক বিস্ফোরণ হয়। এসব বিস্ফোরণের ফলে বিপুল পরিমাণ মজুদ গ্যাস পুড়ে যায় এবং আশপাশের অবকাঠামো, পরিবেশ ও সম্পদের ব্যাপক ক্ষতি হয়। টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্র কার্যত অচল হয়ে পড়ে, যা দেশের জ্বালানি খাতে দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ