আজঃ রবিবার ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

গাউসিয়া কমিটি সারজাহ শাখার নবগঠিত পরিষদের অভিষেক ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত।

মোহাম্মদ আরমান চৌধুরী ইউ এ ই প্রতিনিধি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

গাউসিয়া কমিটি সারজাহ শাখার নবগঠিত পরিষদের অভিষেক অনুষ্ঠান ও আলোচনা সভা শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) রাতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজাহ জেএনপি খানকা শরীফে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানের প্রথম অধিবেশন পরিচালনা করেন আলহাজ মোহাম্মদ ইয়াসিন। এতে সভাপতিত্ব করেন আলহাজ মোহাম্মদ সৈয়দ মুসা। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলহাজ মাওলানা মোহাম্মদ আবদুল কাদের এবং প্রধান বক্তা ছিলেন আলহাজ মাওলানা মোহাম্মদ দিদারুল আলম।

এ সময় শাখার পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের আহ্বায়ক আলহাজ মোহাম্মদ মুনসুর আলম। আরও বক্তব্য রাখেন যুগ্ম আহ্বায়ক হাজী নুর নবী, ইউনিয়ন মল শাখার সভাপতি মোহাম্মদ ছৈয়দ হোসাইন মানিক, যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ নেজাম উদ্দীন এবং সদস্য মোহাম্মদ আলমগীর ও মোহাম্মদ আব্দুল করিম।
অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় অধিবেশন পরিচালনা করেন মাওলানা মোহাম্মদ হাসান মুরাদ। এতে সভাপতিত্ব করেন আলহাজ মোহাম্মদ মনছুর আলম। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আরব আমিরাত কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি কাজী মোহাম্মদ ওমর গনি এবং প্রধান বক্তা ছিলেন আলহাজ মাওলানা মোহাম্মদ মোবারক।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুফতি মাওলানা মোহাম্মদ ইকতিয়ার, মাওলানা মোহাম্মদ আব্দুল গফুর নোমানী, মাওলানা মোহাম্মদ মহিউদ্দিন, মাওলানা মোহাম্মদ আমিন ও হাজী ইয়াকুব,সাংবাদিক সাইফুল ইসলাম তালুকদার, সাংবাদিক আরমান চৌধুরী সহ আরও অনেকে।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদ মাঈনুদ্দীন, মাওলানা মোহাম্মদ মুনসুর আলম, মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, মোহাম্মদ ইয়াসিন, মোহাম্মদ মুনসুর, মোহাম্মদ শাফি, হাফেজ এনাম, মোহাম্মদ হারুন এবং মাওলানা মোহাম্মদ আব্দুল হক।আলোচনা সভা শেষে সর্বসম্মতিক্রমে ১৪৪ সদস্যবিশিষ্ট গাউসিয়া কমিটি সারজাহ শাখার নতুন কার্যনির্বাহী পরিষদ গঠন করা হয়।

এতে আলহাজ মোহাম্মদ আব্দুল কাদের সভাপতি,
মোহাম্মদ মুনসুর আলম নির্বাহী সভাপতি এবং
নুরুল আবছার সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে আখেরি মোনাজাত পরিচালনা করেন মাওলানা আব্দুল করিম। দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

শ্রমিকের অধিকার আদায়ের আন্দোলনে আলহাজ্ব শুক্কুর মাহামুদ ও মোজাম্মেল হকের অবদান অবিস্মরণীয়।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

শ্রমিক কাজ করে মজুরি নিবে- এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু এই মজুরি নেওয়ার ক্ষেত্রে শ্রমিকরা কত বিড়ম্বনার স্বীকার হয় তা যারা ভুক্তভোগী একমাত্র তারাই জানেন। নির্যাতিত ও ভুক্তভোগী শ্রমিকদের বেতন কাঠামোর ধরন কিভাবে নির্ধারণ করা হবে তা এদেশের শিল্প এবং শ্রমিকের কর্মক্ষেত্রে প্রতিটি রন্ধ্রে রন্ধ্রে বিষয়টি অস্পষ্ট ছিল। এতে করে শ্রমিক মালিকদের দ্বন্দ্ব বিভাজন প্রতিনিয়ত লেগেই থাকতো।

এমনিই উদ্ভুত পরিস্থিতিতে নিয়ম নীতির আলোকে রাষ্ট্রীয় কাঠামোর মাধ্যমে সমাধান করার জন্য শ্রমিকের বেতন, মজুরি বোর্ড গঠন, বেতন কাঠামো নির্ধারণ করে সরকারি গেজেট প্রণয়ন আন্দোলনের অন্যতম প্রবক্তা বাংলাদেশ জাহাজী শ্রমিক ফেডারেশনের সাবেক সভাপতি আলহাজ্ব শুক্কুর মাহামুদ-এর ৬ষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী ও সদ্য প্রয়াত বাংলাদেশ জাহাজী শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি মোজাম্মেল হকের স্মরণ সভা ও দোয়া মাহফিল অদ্য ২৯ জানুয়ারি বিকাল ৩টায় মাঝিরঘাটস্থ কার্যালয়ে বাংলাদেশ জাহাজী শ্রমিক ফেডারেশন চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটির উদ্যোগে সংগঠনের সভাপতি এম. নুরুল হুদা চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাহাজী শ্রমিক ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সভাপতি মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান মাস্টার। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার আদায়ে আন্দোলন এই দুই নেতার অবদান দেশে ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। তারা আমাদের অনুসরনীয় ব্যক্তিত্ব। নতুন পে-স্কেল কার্যকর হওয়ার সাথে সাথে শ্রমিকদের গেজেটের মজুরি বৃদ্ধির লক্ষ্যে আমাদের ঐক্য গড়ে তুলতে হবে। প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জাহাজী শ্রমিক ফেডারেশনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এস এম মনিরুল ইসলাম মাস্টার।

তিনি বলেন, নৌ-সেক্টরে বিরাজমান সংকট থেকে উত্তরণের তাদের অবদান স্মরণীয়। এতে আরো বক্তব্য রাখেন, চট্টগ্রাম লাইটারেজ শ্রমিক ইউনিয়নের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আকতার জামান মাস্টার, সাংগঠনিক সম্পাদক আজগর হোসেন তালুকদার, অর্থ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার জাহাঙ্গীর আলম, সহ সম্পাদক রশিদ আহমদ মাস্টার, সাজ্জাদ হোসেন জনি, বাংলাদেশ জাহাজী শ্রমিক ফেডারেশন চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী আসাদুজ্জামান বাবু ড্রাইভার, সম্পাদকমন্ডলীর সদস্য সাব্বির আফরোজ, ইয়াহিয়া খান কুতুবী, মিরাজ হোসেন, সোহাগ লস্কর, আল আমিন, মো. ফিরোজ সুখানী, কাজল মোড়ল প্রমুখ। সভায় আলহাজ্ব শুক্কুর মাহামুদ ও মোজাম্মেল হকের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে খতমে কোরআন তেলাওয়াত এবং মোনাজাত পরিচালনা করেন আইচ ফ্যাক্টরী রোড মহিউসুন্নাহ মাদ্রাসার পরিচালক হাফেজ মাওলানা মাহমুদুল হক।

আব্দুল মাবুদ সওদাগর রোড দোকান মালিক সমবায় সমিতি’র নব নির্বাচিত কার্যকরী পরিষদ ২০২৬-২৮ শপথ ও অভিষেক অনুষ্ঠান সম্পন্ন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

১৯ জানুয়ারি সকাল ১০.০০ ঘটিকায় সি ইপিজেড ব্যারিস্টার কলেজ সংলগ্ন আব্দুল মাবুদ সওদাগর রোডস্থ মাঠে অন্তবর্তী ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ রানা এর সভাপতিত্বে ও উপদেষ্টা বাবু শ্যামল বিশ্বাস এর সঞ্চালনায় হাফেজ মোহাম্মদ মহিউদ্দিন এর কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। শপথ বাক্য পাঠ করান নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য হাজী মোহাম্মদ জাহেদ হোসেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন অন্তবর্তী কমিটির সদস্য প্রকাশ কান্তি দাশ।
উক্ত অনুষ্ঠানে প্রবিএ গীতা পাঠ করেছেন শ্রী আপেল দেবনাথ মহোদয় এবং প্রবিএ এিপিটক পাঠ করেছেন সন্জয় চাকমা।

নবনির্বাচিত কার্যকরী সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ করলেন সভাপতি মোহাম্মদ কাউসার,সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান, সিনিয়র সহ সভাপতি মো: আজাদ,সহ সাধারণ সম্পাদক অনিক দে,অর্থ সম্পাদক ইকবাল বাহার,সহ অর্থ সম্পাদক সুমন সওদাগর, সাংগঠনিক সম্পাদক হৃদয় কুমার দে, সমাজ ও ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক রবিউল হক সুমন,প্রচার ও দপ্তর সম্পাদক মো: ইব্রাহীম, সদস্য দীপন চাকমা,আজিজ মিয়া।
উপদেষ্টা সদস্য হলেন – সাইফুল ইসলাম মিয়া,বাবু শ্যামল বিশ্বাস, হাজী মোহাম্মদ জাহেদ হোসেন, স্বপন গোলদার,মনির হোসেন,আফজাল হোসেন।
এছাড়া উপ কমিটির সদস্য হলেন যারা,

মোহাম্মদ আবুল কাশেম,নাঈম উদ্দিন রানা,মোহাম্মদ হিরো, মোহাম্মদ নুর আলম,ইয়াছিন উদ্দিন, শাকিল বড়ুয়া।এতে উপস্থিত ছিলেন দোকান মালিক সমিতির অন্যান্য সদস্যবৃন্দ সহ এলাকার গণ্যমান্য সামাজিক ব্যক্তিবর্গ।

নবনির্বাচিত কার্যকরী সদস্যদের শুভেচ্ছা বক্তব্য, উপস্থিত সদস্যদের সাথে পরিচয় শেষে দোয়া মোনাজাত পরিচালনা করেন মাওলানা মোঃ আব্দুর রহিম। তিনি ব্যবসায়ীদের একতা সততার উপর গুরুত্ব দিয়ে সংগঠন এর উন্নয়নে বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেন

সমিতির নিয়ম কানুন মেনে চলা, একে অপরের সহযোগী হিসেবে কাজ করা,রাস্তায় সাধারণ মানুষের চলাচলে যাতে ব্যাঘাত না ঘটে সে দিকে গুরুত্ব দিয়ে সকলকে সততার সঙ্গে ব্যবসায় পরিচালনা আহবান জানিয়ে ধৈর্য্য সহকারে অনুষ্ঠানে থাকায় সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে সভাপতি অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

আলোচিত খবর

টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্র বিস্ফোরণ সংক্রান্ত মামলায় ক্ষতিপূরণ পাওয়ার রায় পেয়েছে বাংলাদেশ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্র বিস্ফোরণ সংক্রান্ত মামলায় ক্ষতিপূরণ পাওয়ার রায় পেয়েছে বাংলাদেশ। আন্তর্জাতিক সালিশি আদালত কানাডাভিত্তিক জ্বালানি প্রতিষ্ঠান নাইকোকে বাংলাদেশ সরকারকে ৪ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর সেটেলমেন্ট অব ইনভেস্টমেন্ট ডিসপিউটস (আইসিডি/ICSID)-এর ট্রাইব্যুনাল এই রায় ঘোষণা করে। জ্বালানি মন্ত্রণালয় সূত্রে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।


জ্বালানি সচিব বলেন, বাংলাদেশ এই মামলায় প্রায় ১০০ কোটি মার্কিন ডলার ক্ষতিপূরণ দাবি করেছিল। প্রাপ্ত অর্থ সেই দাবির তুলনায় অনেক কম। রায়ের বিভিন্ন দিক পর্যালোচনার জন্য সংশ্লিষ্ট আইনজীবীদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে এবং পরবর্তী করণীয় ঠিক করা হবে।প্রসঙ্গত, ২০০৩ সালের ১৬ অক্টোবর টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্রে খনন ও উন্নয়ন কাজের দায়িত্ব পায় কানাডিয়ান প্রতিষ্ঠান নাইকো।

পরবর্তীতে নাইকোর পরিচালনাধীন অবস্থায় টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্রে ভয়াবহ বিপর্যয় ঘটে। ২০০৫ সালের ৭ জানুয়ারি এবং একই বছরের ২৪ জুন গ্যাসক্ষেত্রে পরপর দুটি মারাত্মক বিস্ফোরণ হয়। এসব বিস্ফোরণের ফলে বিপুল পরিমাণ মজুদ গ্যাস পুড়ে যায় এবং আশপাশের অবকাঠামো, পরিবেশ ও সম্পদের ব্যাপক ক্ষতি হয়। টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্র কার্যত অচল হয়ে পড়ে, যা দেশের জ্বালানি খাতে দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ