কৃষকদের জন্য কৃষি কার্ড চালু করা হবে: মির্জা ফখরুল।

রেজাউল ইসলাম মাসুদ, জেলা প্রতিনিধি ঠাকুরগাঁওঃ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কৃষকদের জন্য কৃষি কার্ড চালু করা হবে বলে জানিয়েছেন ঠাকুরগাঁও-১ আসনের বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) সকালে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের কাজীপাড়া এলাকায় নির্বাচনী গণসংযোগে এসব কথা বলেন তিনি।বিএনপি মহাসচিব আরও বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় এলে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত সুদসহ কৃষিঋণ মাফ করা হবে। পাশাপাশি মায়েদের জন্য ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষকদের জন্য কৃষি কার্ড চালু করা হবে। তিনি দাবি করেন, শিক্ষিত বেকারদের এক কোটি মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে।

মহাসচিব বলেন, আমরা যা বলি তা কাজে করে দেখাই। বিগত সময়ে ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় এলাকার অনেক উন্নয়ন করেছি। দীর্ঘ সময় ধরে আপনাদের সঙ্গে রয়েছি, নির্বাচন হেরেছি কিন্তু আপনাদের ছেড়ে কখনো চলে যাইনি। বিজয়ী হয়েছি, আপনাদের সঙ্গে ছিলাম কাজ করেছি। তাই অন্য যে প্রার্থী রয়েছে তাদেরকে আপনারা ভোট দেবেন না কি আমাকে দেবেন সেটি আপনাদের বিবেচনায় রেখে দিলাম।

মির্জা ফখরুল আরো বলেন, আমাদের দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বলেছেন সৎ থাকবেন সততার সঙ্গে দেশের কাজ করবেন। এক সময় দেশে আওয়ামী লীগের শেখ মুজিব ছিলেন, সে সময় দেশে দুর্ভিক্ষ হয়েছিল, তাদের ব্যর্থতার জন্য সেদিন দেশ ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান দেশটাকে আবার ওপরের দিকে তুলে নিয়ে এসেছেন। বিএনপি শান্তি ও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনবে এবং সব ধর্মের মানুষ শান্তিতে বসবাস করতে পারবে।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে হিন্দু-মুসলিম সকলকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।এসময় ঠাকুরগাঁও জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতির ফেসবুক পোস্ট তীব্র বিতর্ক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সিলেট ও হবিগঞ্জে এনসিপি নেতা–কর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলামের ফেসবুক পোস্ট তীব্র বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।পোস্টে হামলার পেছনে ‘সুপরিকল্পিত উদ্দেশ্য’ থাকতে পারে বলে মন্তব্য করায় শুরু হয় পাল্টাপাল্টি বক্তব্য। পরে পোস্টটি সরিয়ে নেয়ার পরও বিতর্ক থামেনি।

একদিকে এপোস্টকে নিয়ে এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিনসহ একাধিক নেতা জাহিদুল ইসলামের বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করেছেন। মনিরা শারমিন নিজের ফেসবুক পোস্টে জামায়াতের সাম্প্রতিক বিতর্কিত একটি ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে হামলার প্রতিবাদ না জানিয়ে ‘ডিপ প্ল্যান’ খোঁজার প্রবণতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেন।

অন্যদিকে, শিবির-সমর্থিত বিভিন্ন ফেসবুক অ্যাকাউন্টে জাহিদুল ইসলামের বক্তব্যের পক্ষের পোস্টও যথেষ্ট দেখা যায়। বিষয়টি নিয়ে এনসিপি ও জামায়াত-সমর্থকদের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য অব্যাহত রয়েছে।

ভিপি ক্ষমা না চাইলে সারা দেশের সাংবাদিকদের সম্পৃক্ত করে কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সব ধরনের কর্মসূচি বয়কট করার ঘোষণা দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন সাংবাদিক সংগঠনের সদস্যরা। একই সঙ্গে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রাকসু ভিপি মোস্তাকুর রহমান জাহিদ প্রকাশ্যে নিঃশর্ত ক্ষমা না চাইলে সারা দেশের সাংবাদিকদের সম্পৃক্ত করে কঠোর কর্মসূচিরও হুঁশিয়ারি দেয়া হয়েছে।

২৯ জুলাই বিকেলে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার্স ইউনিটি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি (রাবিসাস) ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রেস ক্লাবের সম্মিলিত এক প্রতিবাদলিপিতে এ ঘোষণা দেয়া হয়।

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আহমেদ পদত্যাগ করেছেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। আজ শুক্রবার ২৪ জুলাই বিকেলে তিনি গণমাধ্যমকে নিজেই পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র এরই মধ্যে পৌঁছানো হয়েছে।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে সংসদ ভবনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছেন।

কয়েক দিন ধরেই রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছিল। বঙ্গভবন সূত্রে জাবা যায়, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন এবং পদত্যাগপত্রও প্রস্তুত করেছেন। তবে স্পিকার বিদেশ সফরে থাকায় তা জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি।

সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। তার পাঁচ বছরের মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত থাকার কথা ছিল। দায়িত্ব পালনকালে তিনি সময়ের ব্যবধানে তিনজন সরকারপ্রধানকে শপথবাক্য পাঠ করান।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিভিন্ন মহল থেকে তার পদত্যাগের দাবি ওঠে। তখন তিনি পদত্যাগ করেনননি। গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বঙ্গভবন ঘেরাওসহ বিভিন্ন কর্মসূচিও পালিত হয়। তবে সংসদ ভেঙে দেওয়া, অন্তর্বর্তী সরকার গঠনসহ গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখেন।

২২ তম এরাষ্ট্রপতির পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হলো। নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার আগ পর্যন্ত সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে মো. সাহাবুদ্দিন জেলা ও দায়রা জজ এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় পাবনা জেলার স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ছিলেন এবং ১৯৭১ সালে প্রশিক্ষণ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ