আজঃ শনিবার ২১ মার্চ, ২০২৬

হেলদি সিটি বানাতে রেড ক্রিসেন্টকে ভূমিকা রাখতে হবে- মেয়র শাহাদাত।

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

হেলদি ও মানবিক নগর হিসেবে চট্টগ্রামকে গড়ে তুলতে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটিকে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) টাইগারপাসের চসিক কার্যালয়ে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির চেয়ারম্যান ডা. হালিদা হানুমের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলের সঙ্গে মতবিনিময়কালে মেয়র এ আহ্বান জানান। তিনি বলেছেন, মানবিক সেবা, স্বাস্থ্য সচেতনতা ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় রেড ক্রিসেন্টের অভিজ্ঞতা ও সক্ষমতা চট্টগ্রামের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

মানবিক সেবার আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে রেড ক্রিসেন্টের সদস্যরা সবসময় সমাজের বিপন্ন ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে।দুর্যোগকালীন সহায়তা, স্বাস্থ্যসেবা, রক্তদান, প্রাথমিক চিকিৎসা ও স্বেচ্ছাসেবী কার্যক্রমে রেড ক্রিসেন্টের অবদান প্রশংসনীয়। ভবিষ্যতেও এই ঐতিহ্য বজায় রেখে রেড ক্রিসেন্ট চট্টগ্রামবাসীর সেবায় আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখবে।

একটি হেলদি সিটি গড়ে তুলতে শুধু অবকাঠামো উন্নয়ন নয়, স্বাস্থ্য সচেতনতা, প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবা, পরিচ্ছন্নতা, পুষ্টি ও মানবিক মূল্যবোধ, এই সবকিছুর সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে রেড ক্রিসেন্টের সঙ্গে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন যৌথভাবে কাজ করতে আগ্রহী।প্রয়োজনীয় সমন্বয় ও সহযোগিতা দিতে চসিক সবসময় প্রস্তুত থাকবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

মেয়র বলেন, চট্টগ্রাম একটি ঘনবসতিপূর্ণ মহানগর। এখানে স্বাস্থ্যঝুঁকি, দুর্যোগ ও মানবিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সিটি করপোরেশন, রেড ক্রিসেন্টসহ সব স্বেচ্ছাসেবী ও সামাজিক সংগঠনের সম্মিলিত উদ্যোগ অপরিহার্য। আমরা চাই, রেড ক্রিসেন্ট তার দক্ষ স্বেচ্ছাসেবকদের নিয়ে চট্টগ্রামকে একটি হেলদি, নিরাপদ ও মানবিক নগরে রূপান্তরের অংশীদার হোক।ডা. হালিদা হানুম বলেন, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবা ও মানবিক কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণ করা সম্ভব।

তিনি চট্টগ্রামকে হেলদি সিটি হিসেবে গড়ে তুলতে রেড ক্রিসেন্টের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।এ সময় উপস্থিত ছিলেন রেড ক্রিসেন্টের চট্টগ্রাম সিটি ইউনিটের ভাইস চেয়ারম্যান এমএ ছালাম, ডেপুটি সেক্রেটারি মেজর (অব.) রেজা আহমেদ, চট্টগ্রাম সিটি ইউনিটের সাধারণ সম্পাদক গোলাম বাকি মাসুদ, সিডিএর বোর্ড সদস্য জাহিদুল করিম কচি, ডা. এসএম সারোয়ার আলম, সদস্য ফারহানাজ মাবুদ, নিজামুল আলম, জিয়াউল হক সোহেল, মেহেদী হাসান রায়হান, আব্দুর রহিম, রেড ক্রিসেন্ট ইয়ুথ কমিটির মো. সাহাফ, তানজুম, নিজাম উদ্দীন প্রমুখ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

উৎসব মুখর পরিবেশে ঈদ হয়ে উঠুক আনন্দঘন ও নিরাপদ : আবু সুফিয়ান এম.পি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে চট্টগ্রাম-৯ আসনের সর্বস্তরের জনসাধারণসহ চট্টগ্রামবাসীকে পবিত্র ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান।এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি চট্টগ্রাম-৯ আসনের সর্বস্তরের জনসাধারণ, বিএনপির সর্ব পর্যায়ের নেতাকর্মী, সাংবাদিক, পেশাজীবি এবং দেশ-বিদেশে অবস্থানরত প্রবাসীসহ সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা জানান।

শুভেচ্ছা বার্তায় আবু সুফিয়ান বলেন, দীর্ঘ একমাস সিয়াম সাধনার পর ভাতৃত্ববোধ, সহমর্মিতা এবং পারস্পরিক ভালোবাসার বার্তা নিয়ে পবিত্র ঈদুল ফিতর আমাদের মাঝে সমাগত হয়েছে। সিয়াম সাধনার মাধ্যমে অর্জিত আত্মসংযম, ধৈর্য ও ত্যাগের শিক্ষা-আমাদের ব্যক্তি, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় জীবনে প্রতিফলিত হোক। পবিত্র ঈদুল ফিতর সবার জীবনে বয়ে আনুক অনাবিল সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি।

দেশ ও জাতির মঙ্গল কামনা করে তিনি বলেন, ঈদের আনন্দ শুধু বাংলাদেশেই নয়, সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ুক এবং বিশ্বজুড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হোক। পবিত্র ঈদুল ফিতরের মহিমায় উদ্ভাসিত হয়ে উঠুক সকল নাগরিকের জীবন। ঈদের আনন্দঘন দিনে মানুষে মানুষে প্রীতি ও বন্ধনের যোগসূত্রের মাধ্যমে দূর হয়ে যাক সকল অনৈক্য ও বিভেদ। উৎসব মুখর পরিবেশে সকলের ঈদ হয়ে উঠুক আনন্দঘন ও নিরাপদ। সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা। ঈদ মোবারক।

প্রসঙ্গত, মাননীয় সংসদ সদস্য ঈদের দিন সকাল ৮টায় জমিয়াতুল ফালাহ জাতীয় মসজিদে ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করবেন। পরে চান্দগাঁও আবাসিক এ-ব্লকে অবস্থিত নিজ বাসভবনে সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন।

ঈদের ২য় দিন সন্ধ্যায় বাকলিয়া শাহ আমানত সেতু সংযোগ সড়কে অবস্থিত কে.বি কনভেনশন হলে মাননীয় সংসদ সদস্য’র উদ্যোগে “ঈদ পুনর্মিলনী” অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। উক্ত অনুষ্ঠানে তিনি চট্টগ্রাম-৯ নির্বাচনী এলাকা, চট্টগ্রাম মহানগর, থানা ও ওয়ার্ড বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সর্বস্তরের নেতাকর্মী, সাংবাদিক, পেশাজীবিসহ বিভিন্ন শ্রেনী-পেশার মানুষের সাথে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন।

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দিরা ঈদুল ফিতরের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারবেন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দিরা ঈদুল ফিতরের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারবেন। কারা কতৃপক্ষ জানিয়েছেন -বন্দিদের ঈদের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলার সুযোগ দেয়া হবে। এর পাশাপাশি রয়েছে বিশেষ খাওয়া দাওয়ার আয়োজন।এছাড়া বাড়ি থেকে পাঠানো খাবার খাওয়ার সুযোগ মিলছে বলে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার সৈয়দ শাহ্ শরীফ জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, প্রতিবছরের মত এবারও ঈদের দিন সকালে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। ঈদের দিন সকালে বন্দিদের জন্য থাকছে পায়েস ও মুড়ি। আর দুপুরে থাকবে পোলাও, গরু অথবা খাসি, সালাদ, মিষ্টি, পান-সুপারি। আর রাতের বেলায় সাদা ভাত, আলুর দম ও রুই মাছের আয়োজন করা হয়েছে।

জেলার শাহ্ শরীফ আরো জানান-এছাড়া ঈদের পরদিন বন্দিরা বাড়ি থেকে পাঠানো খাবার খাওয়ার সুযোগ পাবেন। ঈদের দিন থেকে তিন দিন বন্দিরা স্বজনদের সাথে পাঁচ মিনিট করে টেলিফোনে এবং একবার স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাত করতে পারবেন।

সাধারণ সময়ে হাজতিরা মাসে দুই বার এবং কয়েদীরা মাসে একবার করে স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পেলেও ঈদের সময় বিশেষ ভাবে সাক্ষাতের সুযোগ পাবেন।একই ভাবে ১০ টাকার বিনিময়ে মাসে দুই বার স্বজনদের সাথে টেলিফোনে ১০ মিনিট কথা বলার সুযোগ পান বন্দীরা। তবে ঈদে বিনামূল্যে পাঁচ মিনিট করে কথা বলার সুযোগ পাবেন।বর্তমানে কারাগারে হাজতি ও কয়েদী মিলে পাঁচ হাজার ৮৫৮ জন বন্দি রয়েছেন।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ