আজঃ সোমবার ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

আগামী নির্বাচন জনগণের ক্ষমতা ফিরিয়ে দেওয়ার নির্বাচন : আবু সুফিয়ান।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম-৯ আসনে বিএনপির প্রার্থী আবু সুফিয়ান বলেছেন, দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্রকে সমুন্নত রাখতে হলে ধানের শীষের বিকল্প নেই। শান্তি, শৃঙ্খলা, জবাবদিহি ও গণতান্ত্রিক ধারা ফিরিয়ে এনে বাংলাদেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে হলে ধানের শীষকেই জয়ী করতে হবে। বিএনপিই একমাত্র দেশপ্রেমিক শক্তি, যারা দেশের স্বার্থ বিকিয়ে দিয়ে রাজনীতি করেনা। গণতন্ত্রের জন্য বিএনপি বার বার লড়াই করেছে। লড়াই করতে গিয়ে বিএনপির নেতাকর্মীরা নির্যাতিত হয়েছে, নিগৃহীত হয়েছে। দেশ ও জনগণের স্বার্থে বিএনপি কখনোও আপোষ করেনি।

আগামীতেও ক্ষমতায় এলে জনগণের ক্ষমতা ফিরিয়ে দিয়ে তাদের জীবনমান উন্নয়নই হবে বিএনপির রাজনীতির মূল লক্ষ্য।৩ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার) সকালে ৩১নং আলকরণ ওয়ার্ডের ফলমণ্ডি, চৈতন্য গলি, রিয়াজুদ্দিন বাজার, নিউমার্কেট এলাকায় গণসংযোগকালে আয়োজিত এক পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় তিনি এইসব এলাকার অলিগলিতে গিয়ে সাধারণ ভোটার ও ব্যবসায়ীদের সাথে কুশলাদি বিনিময় করেন। তাদের দোয়া ও সমর্থন কামনা করেন এবং ধানের শীষে ভোট চান। গণসংযোগকালে এলাকায় ব্যাপক উৎসাহের সৃষ্টি হয়। নেতাকর্মী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ ধানের শীষে প্রচারণা চালান। ধানের শীষের স্লোগানে স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়ে ওঠে।

তিনি আরও বলেন, সারাদেশে ধানের শীষের জোয়ার বইছে। প্রতিটি এলাকায়, মহল্লায় যেখানে যাচ্ছি, ধানের শীষে পক্ষে অভূতপূর্ব সাড়া পাচ্ছি। সাধারণ মানুষের স্বর্তঃস্ফুর্ত উপস্থিতিতে প্রতিটি গণসংযোগ জনস্রোতে পরিণত হচ্ছে। মানুষের বাঁধ ভাঙ্গা উচ্ছ্বাস প্রমাণ করে ধানের শীষের প্রতি তাদের অগাধ ভালোবাসা ও সমর্থন রয়েছে। তারপরও নির্বাচন নিয়ে ষড়যন্ত্রেও শেষ নেই। আগামী ১২ই ফেব্রুয়ারি সকল ষড়যন্ত্র-চক্রান্ত মোকাবেলা করে জনগণই ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করবে।

শুধুমাত্র চট্টগ্রাম-৯ আসন নয়, চট্টগ্রামের সকল আসনে ধানের শীষ বিজয় লাভ করবে, ইনশাআল্লাহ।
প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম-৯ আসনের চিফ কোঅর্ডিনেটর ও চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর বলেন, আগামী নির্বাচন গণতন্ত্রকে নির্বাসন থেকে পুনঃরুদ্ধার করার নির্বাচন। আইনের শাসন, মত প্রকাশ, সংবাদ পত্র ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করে দেশকে গণতান্ত্রিক ধারায় পরিচালিত করার নির্বাচন। এই নির্বাচনের মাধ্যমে মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হবে। সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে বাংলাদেশকে একটি নিরাপদ ও শান্তিময় দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে পারবো।

৩১নং আলকরণ ওয়ার্ড বিএনপির আহবায়ক আব্দুল মান্নান এর সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব ইকবাল হোসেন সংগ্রাম এর সঞ্চালনায় এতে বিশেষ অতিথির চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক সিহাব উদ্দিন মোবিন, সদস্য আনোয়ার হোসেন লিপু, বিএনপি নেতা জাকির হোসেন, সাহেদ বক্স, ২২নং এনায়েত বাজার ওয়ার্ড বিএনপির আহবায়ক আব্বাস খান, সদস্য সচিব মো. আলমগীর। বক্তব্য রাখেন হাজী মো. ইদ্রিস, মো. সেলিম খান, মো. আমিন, আব্দুল বাতেন, আবুল কালাম, মো. একরাম, মো. মোরশেদ, মো. বেলাল, সাইফুল ইসলাম, মো. সাদেক, মো. রাশেদ, সালেহ আহম্মদ, জসিম মিয়া, মো. আনোয়ার, মো. রিয়াদ, আব্দুল কাদের, মো. ফিরোজ, মো. ইউসুফ, মাঈনুদ্দিন প্রমুখ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম-২ আসনে বিএনপির সাথে দুই প্রার্থীর ঐক্যের ঘোষণা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চট্টগ্রাম- ২ (ফটিকছড়ি) আসনে বিএনপি প্রার্থীর সাথে আরেক দুই প্রার্থী ঐক্যের ঘোষণা দিয়েছেন। শনিবার এক বৈঠকে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী সরওয়ার আলমগীর, জনতার দল মনোনীত ইঞ্জিনিয়ার গোলাম নওশের আলী (কলম) এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী জিন্নাত আক্তার (হরিণ) আনুষ্ঠানিকভাবে একসঙ্গে নির্বাচনে কাজ করার ঘোষণা দেন।

ঐক্যের ঘোষণাকালে সরওয়ার আলমগীর বলেন, মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তিগুলোর জাতীয় ঐক্যের সূচনালগ্নে আমরা ফটিকছড়িতে তিন প্রার্থী ঐক্যবদ্ধ হয়েছি। অন্য প্রার্থীরাও অচিরেই আমাদের সঙ্গে যুক্ত হবেন বলে আশা করি। তিনি অভিযোগ করেন, এক প্রার্থীর পক্ষে আগাম সিলমোহর দেওয়া ব্যালট পেপার প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলে তারা প্রশাসনকে অবহিত করেছেন। নির্বাচনে সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখার জন্য প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

জনতার দল মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার গোলাম নওশের আলী বলেন, দদেশের এই ক্রান্তিলগ্নে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তিগুলোর ঐক্য ছাড়া বিকল্প নেই।
স্বতন্ত্র প্রার্থী জিন্নাত আক্তার বলেন, একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ ফটিকছড়ি গড়ার লক্ষ্যে আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়েছি। নির্বাচন পরবর্তী সময়েও উন্নয়নের স্বার্থে একসঙ্গে কাজ করব।

জানা গেছে, এ আসনে মোট আটজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন, ১১ দলীয় জোট মনোনীত জামায়াতে ইসলামীর অধ্যক্ষ নূরুল আমিন (দাঁড়িপাল্লা), বিএনপি মনোনীত সরওয়ার আলমগীর (ধানের শীষ), বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির চেয়ারম্যান সৈয়দ সাইফুদ্দিন আহমদ মাইজভাণ্ডারী (একতারা), গণঅধিকার পরিষদের রবিউল হাসান তানজিম (ট্রাক), জনতা পার্টির গোলাম নওশের আলী (কলম), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জুলফিকার আলী মান্নান (হাতপাখা), স্বতন্ত্র প্রার্থী আহমদ কবির করিম (ফুটবল) ও জিন্নাত আক্তার (হরিণ)।

শুধু জনপ্রতিনিধি নয়, এই নির্বাচন দেশ পুনর্গঠনের-তারেক রহমান।।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দেশের মানুষ ফেব্রুয়ারির ১২ তারিখ ভোটের হারানো দিনের অধিকার ফিরে পেতে যাচ্ছেন মন্তব্য করে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, হারিয়ে যাওয়া অধিকার প্রয়োগের সময় এসেছে। তিনি বলেন, এই নির্বাচন শুধু জনপ্রতিনিধি নির্বাচন নয়, দেশকে পুনর্গঠনের নির্বাচন।


শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১২টার দিকে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথি বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় তারেক রহমান বলেন, বিগত তিনটি নির্বাচনে মানুষের প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। তবে এবার সময় এসেছে জনপ্রতিনিধি নির্বাচন আর দেশ পুনর্গঠনে হাত দেওয়ার।

তিনি বলেন, দেশকে অর্থনৈতিকভাবে সাবলম্বী করে গড়তে চাই, এজন্য ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে। যার মাধ্যমে নারীরা সাবলম্বী হবে। এছাড়া কৃষকদের জন্য কৃষক কার্ড দেওয়া হবে। এতে কৃষক সহজে ঋণ-সার-ফসলের বীজ পাবেন। ১২ তারিখ ধানের শীষকে বিজয়ী করলে ১০ হাজার টাকার কৃষি ঋণ মওকুফ করা হবে বলেও প্রতিশ্রতি দেন তিনি। 

দেশকে সামনে এগিয়ে নিতে চাই, দেশের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে দেশকে পুনর্গঠন করতে চাই উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, এই কাজ করতে হলে জনগণের সহযোগিতা প্রয়োজন। কারণ দেশের মালিক জনগণ। তাই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ধানের শীষে ভোট চাই।

বক্তব্যে অঞ্চলটির উন্নয়নে নানা প্রতিশ্রুতি দেন তারেক রহমান। বলেন, চিনিকলসহ এই অঞ্চলের শিল্প কারখানাগুলো পুনরায় চালু করা হবে। ঠাকুরগাঁও ক্যাডেট কলেজ করার চেষ্টা করবে বিএনপি। এছাড়া হিমাগার তৈরি করা হবে, যেন কৃষক তাদের পণ্য সংরক্ষণ করতে পারে। পাশাপাশি বেকারদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষে আইটি সেক্টরেও হাব তৈরি করা হবে। তিনি বলেন, মেডিক্যাল কলেজের দাবি বাস্তবায়ন করবে বিএনপি। এছাড়া পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাপারেও ইতিবাচক প্রতিশ্রুতি তিনি।

পাশাপাশি সরকার গঠন করলে যতো দ্রুত সম্ভব এই এলাকার বিমানবন্দর চালু করা হবে বলেও প্রতিশ্রুতি দেন তারেক রহমান।ফ্যাসিষ্ট সরকার নিজেদের স্বার্থ দেখেছে, জনগণের স্বার্থ দেখেনি মন্তব্য করে বিএনপির এই শীর্ষ নেতা বলেন, সবার চিকিৎসা নিশ্চিত করতে হেলথ কেয়ারার নিযুক্ত করে ঘরে বসে চিকিৎসা নিশ্চিত করা হবে।

সমাবেশে উপস্থিত হাজারও জনতার উদ্দেশে তারেক রহমান বলেন, দেশটি সবার, বিএনপির শেষ ঠিকানা বাংলাদেশ। জনগণের সমর্থন নিয়ে দেশকে পুনর্গঠন করতে চায় বিএনপি, যেখানে সবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি দেশের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে কোটি মানুষের নিরাপদ রাষ্ট্র গঠন করতে চায় বিএনপি।

তিনি বলেন, দেশে সব ধর্মের মানুষ শান্তিতে বসবাস করবে, প্রতিটি মানুষকে বিচার করা হবে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে,  ধর্মের ভিত্তিতে নয়। এসময় নিরাপদ দেশ গড়ার শপথ নিয়ে তিনি বলেন, সবাই একসঙ্গে  দেশকে গড়ে তুলবো। শেষে তিনি এই এলাকার উন্নয়নসহ দেশের উন্নয়নে ধানের শীষে ভোট প্রার্থনা করেন। 

সমাবেশ মঞ্চে উপস্থিত বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ধ্বংসস্তূপ থেকে দেশকে বাঁচাতে গোটা দেশ তারেক রহমানের দিকে তাকিয়ে। কঠিন সময়ে তারেক রহমান নেতৃত্ব দিচ্ছেন, তাকে শতভাগ সমর্থন দিতে হবে।ধানের শীষের কোনো বিকল্প নাই মন্তব্য করেন মহাসচিব বলেন, ধানের শীষের জয়ের মাধ্যমে দেশকে বাঁচাবেন তারেক রহমান।

আলোচিত খবর

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে চট্টগ্রাম বন্দর ইজারা চুক্তি হচ্ছে না।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দর ইজারা সংক্রান্ত কোনো চুক্তি হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী। রোববার ৮ ফেব্রুয়ারি বিকেলে সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান – ডিপি ওয়ার্ল্ডের পক্ষ থেকে কিছুটা সময় চাওয়া হয়েছে। তবে সরকারের হাতে এখন মাত্র দুইটি কার্যদিবস বাকি রয়েছে। এই সীমিত সময়ের মধ্যে চুক্তি সম্পন্ন করা সম্ভব নয় বলেই বিষয়টি এ পর্যায়ে এগোচ্ছে না।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ