আজঃ মঙ্গলবার ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

আগামী নির্বাচন জনগণের ক্ষমতা ফিরিয়ে দেওয়ার নির্বাচন : আবু সুফিয়ান।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম-৯ আসনে বিএনপির প্রার্থী আবু সুফিয়ান বলেছেন, দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্রকে সমুন্নত রাখতে হলে ধানের শীষের বিকল্প নেই। শান্তি, শৃঙ্খলা, জবাবদিহি ও গণতান্ত্রিক ধারা ফিরিয়ে এনে বাংলাদেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে হলে ধানের শীষকেই জয়ী করতে হবে। বিএনপিই একমাত্র দেশপ্রেমিক শক্তি, যারা দেশের স্বার্থ বিকিয়ে দিয়ে রাজনীতি করেনা। গণতন্ত্রের জন্য বিএনপি বার বার লড়াই করেছে। লড়াই করতে গিয়ে বিএনপির নেতাকর্মীরা নির্যাতিত হয়েছে, নিগৃহীত হয়েছে। দেশ ও জনগণের স্বার্থে বিএনপি কখনোও আপোষ করেনি।

আগামীতেও ক্ষমতায় এলে জনগণের ক্ষমতা ফিরিয়ে দিয়ে তাদের জীবনমান উন্নয়নই হবে বিএনপির রাজনীতির মূল লক্ষ্য।৩ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার) সকালে ৩১নং আলকরণ ওয়ার্ডের ফলমণ্ডি, চৈতন্য গলি, রিয়াজুদ্দিন বাজার, নিউমার্কেট এলাকায় গণসংযোগকালে আয়োজিত এক পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় তিনি এইসব এলাকার অলিগলিতে গিয়ে সাধারণ ভোটার ও ব্যবসায়ীদের সাথে কুশলাদি বিনিময় করেন। তাদের দোয়া ও সমর্থন কামনা করেন এবং ধানের শীষে ভোট চান। গণসংযোগকালে এলাকায় ব্যাপক উৎসাহের সৃষ্টি হয়। নেতাকর্মী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ ধানের শীষে প্রচারণা চালান। ধানের শীষের স্লোগানে স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়ে ওঠে।

তিনি আরও বলেন, সারাদেশে ধানের শীষের জোয়ার বইছে। প্রতিটি এলাকায়, মহল্লায় যেখানে যাচ্ছি, ধানের শীষে পক্ষে অভূতপূর্ব সাড়া পাচ্ছি। সাধারণ মানুষের স্বর্তঃস্ফুর্ত উপস্থিতিতে প্রতিটি গণসংযোগ জনস্রোতে পরিণত হচ্ছে। মানুষের বাঁধ ভাঙ্গা উচ্ছ্বাস প্রমাণ করে ধানের শীষের প্রতি তাদের অগাধ ভালোবাসা ও সমর্থন রয়েছে। তারপরও নির্বাচন নিয়ে ষড়যন্ত্রেও শেষ নেই। আগামী ১২ই ফেব্রুয়ারি সকল ষড়যন্ত্র-চক্রান্ত মোকাবেলা করে জনগণই ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করবে।

শুধুমাত্র চট্টগ্রাম-৯ আসন নয়, চট্টগ্রামের সকল আসনে ধানের শীষ বিজয় লাভ করবে, ইনশাআল্লাহ।
প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম-৯ আসনের চিফ কোঅর্ডিনেটর ও চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর বলেন, আগামী নির্বাচন গণতন্ত্রকে নির্বাসন থেকে পুনঃরুদ্ধার করার নির্বাচন। আইনের শাসন, মত প্রকাশ, সংবাদ পত্র ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করে দেশকে গণতান্ত্রিক ধারায় পরিচালিত করার নির্বাচন। এই নির্বাচনের মাধ্যমে মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হবে। সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে বাংলাদেশকে একটি নিরাপদ ও শান্তিময় দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে পারবো।

৩১নং আলকরণ ওয়ার্ড বিএনপির আহবায়ক আব্দুল মান্নান এর সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব ইকবাল হোসেন সংগ্রাম এর সঞ্চালনায় এতে বিশেষ অতিথির চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক সিহাব উদ্দিন মোবিন, সদস্য আনোয়ার হোসেন লিপু, বিএনপি নেতা জাকির হোসেন, সাহেদ বক্স, ২২নং এনায়েত বাজার ওয়ার্ড বিএনপির আহবায়ক আব্বাস খান, সদস্য সচিব মো. আলমগীর। বক্তব্য রাখেন হাজী মো. ইদ্রিস, মো. সেলিম খান, মো. আমিন, আব্দুল বাতেন, আবুল কালাম, মো. একরাম, মো. মোরশেদ, মো. বেলাল, সাইফুল ইসলাম, মো. সাদেক, মো. রাশেদ, সালেহ আহম্মদ, জসিম মিয়া, মো. আনোয়ার, মো. রিয়াদ, আব্দুল কাদের, মো. ফিরোজ, মো. ইউসুফ, মাঈনুদ্দিন প্রমুখ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম-৯ আসন ভোটারের সমর্থন আদায়ের লড়াইয়ে ব্যাস্ত ধানের শীষের সুফিয়ান, দাঁড়িপাল্লার ফজলুল।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম-৯ আসনে জয়ের জন্য দিনরাত মাঠ-ঘাট, অলিগলি চষে বেড়াচ্ছেন মূল প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা। অন্যান্য আসনের মতো চট্টগ্রামের এ আসনটিতেও মূল প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে ভোটারের বিবেচনায় আছেন বিএনপি মনোনীত আবু সুফিয়ান এবং জামায়াতে ইসলামী মনোনীত ডা. একেএম ফজলুল হক। মূল লড়াইয়ের আগে ভোটারের সমর্থন আদায়ের লড়াইয়ে উভয় প্রার্থীই যেন সমানে-সমান! গণসংযোগ, প্রচার-প্রচারণায় কেউ যেন পিছিয়ে না পড়েন, উভয়ের প্রাণান্ত চেষ্টা নজরে পড়ছে যে কারও। আবু সুফিয়ান না-কি একেএম ফজলুল হক, কাকে বেছে নেবেন চট্টগ্রাম-৯ আসনের ভোটারেরা, না-কি কোনো চমক অপেক্ষা করছে, সেটা জানা যাবে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটের ফলাফল ঘোষণার পর।
চট্টগ্রাম মহানগরীর প্রাণকেন্দ্র চট্টগ্রাম-৯ সংসদীয় আসন। শহরের মূল পয়েন্টকে ঘিরে এ আসনের অবস্থান হওয়ায় যে কোনো রাজনৈতিক দলের কাছে এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ আসন হিসেবে বিবেচিত। এ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়াকে বিশেষ মর্যাদার বিবেচনা করা হয়, যার কারণে মূল রাজনৈতিক দলগুলোর মরিয়া চেষ্টা থাকে নিজেদের প্রার্থীকে জিতিয়ে আনার। প্রার্থীও মরিয়া হয়ে মাঠে নামেন, অতীত নির্বাচনগুলোর ইতিহাস তাই বলে। এবারও ব্যতিক্রম হয়নি।

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-৯ আসনে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকায় আছেন মোট ১০ জন। এদের মধ্যে বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থী ছাড়া প্রচারে ঘাম ঝরাচ্ছেন কাঁচি মার্কায় বাসদের (মার্কসবাদী) প্রার্থী শফি উদ্দিন কবির আবিদ ও চেয়ার প্রতীকে ইসলামিক ফ্রন্টের মুহাম্মদ ওয়াহেদ মুরাদ। গণসংযোগ, মিছিল-পথসভার মধ্য দিয়ে এই দুই প্রার্থীও ভোটারদের আলোচনায় এসেছেন।প্রার্থীদের মধ্যে আরও আছেন- নাগরিক ঐক্যের নুরুল আবছার মজুমদার, গণসংহতি আন্দোলনের সৈয়দ হাসান মারুফ, জনতার দলের হায়দার আলী চৌধুরী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আব্দুস শুক্কুর, জেএসডি’র আবদুল মোমেন চৌধুরী এবং ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের মোহাম্মদ নঈম উদ্দীন।

জানা গেছে, নগরীর কোতোয়ালী, চকবাজার এবং বাকলিয়ার মোট ১৪টি ওয়ার্ড নিয়ে চট্টগ্রাম-৯ আসনের অবস্থান। এর মধ্যে শিক্ষিত-সচেতন নাগরিকদের আধিক্য আছে কোতোয়ালী-চকবাজার অংশে আর বাকলিয়ায় আছেন শ্রমজীবী ও ভাসমান মানুষের আধিক্য। আবার আসনটিতে সংখ্যালঘু আছেন মোট ভোটারের অন্তত ৩৫ শতাংশ। প্রায় সমসংখ্যক শ্রমজীবী-ভাসমান মানুষ আছে বাকলিয়ায়।

এ আসনে মোট ভোটার সোয়া ৪ লাখের মতো। এর মধ্যে দেড় লাখেরও বেশি সংখ্যালঘু ভোটার বলে ধরা হয়। বাকলিয়ায় আছে সোয়া লাখের মতো ভোটার।
রাজনীতি সচেতন বাসিন্দাদের মতে, বাকলিয়া বিএনপির ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত, তবে জামায়াতের সমর্থকের সংখ্যাও একেবারে কম নয়। এবারের প্রেক্ষাপটে বাকলিয়ার ভোট দুই ভাগে ভাগ হবে। সেক্ষেত্রে ভোটে জয়-পরাজয়ের ফ্যাক্টর হবে সংখ্যালঘুরা। এ বাস্তবতা মাথায় রেখে ধানের শীষ এবং দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী দুজনই সংখ্যালঘুদের কাছে টানার চেষ্টায় যেমন আছেন, তেমনি চষে বেড়াচ্ছেন বাকলিয়ায়ও।

বিএনপির প্রার্থী আবু সুফিয়ান একেবারে ছাত্রদল থেকে উঠে আসা নেতা। চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সামনের কাতারে আছেন। দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক পদেও ছিলেন। তিনি মূলত নগরীর চান্দগাঁও এলাকার বাসিন্দা, যেটি চট্টগ্রাম-৮ আসনের মধ্যে পড়েছে। ওই আসন থেকে আওয়ামী লীগের আমলে তিনি দুই দফায় সংসদ সদস্য পদে নির্বাচন করেছিলেন। কিন্তু বিএনপি এবার তাকে ওই আসন থেকে সরিয়ে এনে চট্টগ্রাম-৯ আসন থেকে মনোনয়ন দিয়েছে।

আন্দোলন-সংগ্রাম, সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড ও বিএনপির দলীয় কার্যালয় ঘিরে রাজনৈতিক কার্যক্রমে সরব সুফিয়ান অবশ্য এ আসনের ভোটারদের মধ্যেও পরিচিত মুখ। চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন এবং সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্করকে পাশে পাওয়ায় নির্বাচনের মাঠে বাড়তি জোর পাচ্ছেন সুফিয়ান।
অন্যদিকে জামায়াতের প্রার্থী একেএম ফজলুল হক চিকিৎসক হিসেবে চট্টগ্রামে পরিচিত মুখ। পারিবারিকভাবেও তার ভালো পরিচিতি আছে। এলাকায় সজ্জন মানুষ হিসেবেই তাকে লোকজন চেনে। রাজনীতির মাঠে অত বেশি পরিচিত না হলেও সমাজসেবার কারণে তার আলাদা একটি ভাবমূর্তি আছে। তবে আমেরিকার নাগরিকত্ব নিয়ে জটিলতায় প্রথম দফায় তার মনোনয়ন বাতিল হলে তিনি কিছুটা পিছিয়ে পড়েন। পরে অবশ্য প্রার্থিতা ফেরত নিয়ে এসে মাঠে নেমে গেছেন জোরশোরে।

মাঠের ‘পোড়খাওয়া’ নেতা আবু সুফিয়ান এবং ‘ভদ্রলোক’ ফজলুল হককে ঘিরেই আবর্তিত চট্টগ্রাম-৯ আসনের ভোটের মাঠ। প্রচারে নেমে মাঝেমধ্যে অবশ্য দুজন দুজনের দিকে খানিকটা তীর ছুড়ছেন। যেমন- ফজলুল হকের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের আমলের কোনো মামলা নেই। অথচ সুফিয়ানের বিরুদ্ধে অর্ধশতাধিক মামলা। সুফিয়ানের সমর্থকরা যখন ভোটারের কাছে সেটা তুলে ধরে সহানুভূতি চাচ্ছেন, তখন ফজলুল হক সুফিয়ানের ‘আয়ের উৎস’ জানতে চেয়ে কামান দাগেন। জবাবে সুফিয়ান তার মার্কিন নাগরিকত্ব ও নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া আয় বিবরণীতে মিথ্যা তথ্য উপস্থাপনের অভিযোগ করেন।

তবে এসব কথার যুদ্ধ ছাপিয়ে উভয়ের নির্বাচনি প্রতিশ্রুতিই ভোটারদের কাছে গুরুত্ব পাচ্ছে বেশি। সন্ত্রাস, মাদক নির্মূল, কিশোর গ্যাংয়ের লাগাম টানা; এসব বিষয় গুরুত্ব পাচ্ছে সুফিয়ানের প্রচার। তবে গণসংযোগে যেসব অলিগলিতে যাচ্ছেন, সেখানকার বাসিন্দাদের সমস্যা, অভাব-অভিযোগ শুনে সমাধানের আশ্বাসও মিলছে সুফিয়ানের কাছ থেকে। এক্ষেত্রে বাড়তি সুবিধা হচ্ছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়রের চেয়ারে আছেন বিএনপি নেতা শাহাদাত, যা নিয়ে ইতোমধ্যে এনসিপি অভিযোগ তুলেছে।
আবু সুফিয়ান বলেন, আমাদের রাষ্ট্রনায়ক তারেক রহমানের ৩১ দফা সংস্কার প্রস্তাব আছে। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে সেটা অবশ্যই বাস্তবায়ন করবে। আরেকটা হচ্ছে, স্থানীয়ভাবে নানা সমস্যা আছে। যেমন-জলাবদ্ধতা। এটা সমাধানে জোর উদ্যোগ নেওয়া হবে। বাকলিয়ার অনেক এলাকা অনুন্নত রয়ে গেছে। সেখানে মানুষের নানা অভিযোগ আছে। আমি সেগুলো সমাধানের চেষ্টা করব। ভোটারদের কাছে আমার বার্তা হচ্ছে; আমি যদি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হতে পারি, আমি সেটাকে পবিত্র দায়িত্ব হিসেবে আমানত হিসেবে গ্রহণ করব।

ক্ষমতার দাপট দেখানো, মানুষের ওপর অত্যাচার-নির্যাতন, সন্ত্রাস, মাদক, কিশোর গ্যাং; এসব চলতে পারবে না।অন্যদিকে ফজলুল হক শিক্ষা, স্বাস্থ্য, এলাকায় শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান, চাঁদাবাজি প্রতিরোধকে গুরুত্ব দিচ্ছেন। বাকলিয়ায় গণসংযোগে গিয়ে ঘোষণা করেছেন, তিনি নির্বাচিত হতে না পারলেও বাকলিয়ায় ২৫০ শয্যার একটি হাসপাতাল করে দেবেন। ফজলুলের এই প্রতিশ্রুতি আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তিনি বাকলিয়াকে একটি নিরাপদ, পরিচ্ছন্ন ও মানবিক জনপদ হিসেবে গড়ে তোলা, অপরিকল্পিত নগরায়ণ, জলাবদ্ধতা, মাদক ও কিশোর গ্যাংসহ বিভিন্ন সামাজিক সমস্যার স্থায়ী সমাধানের আশ্বাসও দিচ্ছেন। ফজলুল হক প্রতিদিনই চট্টগ্রাম-৯ আসনের বিভিন্ন অলিগলিতে একাধিক মিছিল, পথসভা করছেন। পুরো এলাকাকে শান্তিতে বসবাসের জন্য নিরাপদ হিসেবে গড়ে তোলা, তরুণদের কর্মসংস্থান, নাগরিক সেবা সহজ ও দুর্নীতি করার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন প্রচারে।

পাবনা-৩ আসনের দিলপাশার ইউনিয়ন বিএনপি কর্তৃক আয়োজিত কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন ভাইয়ের ধানের শীষ প্রতীকের নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাবনা-০৩ আসনে দিলপাশার ইউনিয়ন বিএনপি সহ সকল অঙ্গ সহযোগী সংগঠন কর্তৃক আয়োজিত কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন ভাইয়ের ধানের শীষ প্রতীকের নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

দিলপাশার ইউনিয়ন বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহবায়ক আলহাজ্ব মোঃ আফজাল হোসেন এর সভাপতিত্বে ভাঙ্গুড়া উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক মোঃ আলতাব হোসেন খান এর পরিচালনায় প্রধান অতিথি পাবনা-০৩ এলাকার ধানের শীষ প্রতীকের এমপি পদপ্রার্থী কেন্দ্রীয় কৃষি দলের সভাপতি কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন তার বক্তব্য বলেন-জনগণের ভাগ্য বদলের জন্য ‘ধানের শীষ’ প্রতীকের ভোট চাইলেন আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ “১২ ফেব্রুয়ারি’র নির্বাচনে”

আজ সোমবার(২ফেব্রুয়ারি) বিকালে ভাঙ্গুড়া উপজেলার দিলপাশার ইউনিয়ন বিএনপি সহ অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী কর্তৃক আয়োজিত নির্বাচন মতবিনিময় সভায় বক্তব্যের মাধ্যমে এই কথা তিনি তুলে ধরে সাধারণ জনগণের কাছে ধানের শীষ প্রতীকের ভোট প্রার্থনা করেন।

কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন বলেন, ‘দেশকে যদি বাঁচাতে হয় ইনশাল্লাহ আগামী মাসের ১২ ফেব্রুয়ারিতে যে নির্বাচন, সেই নির্বাচনে এই দেশের বহু মানুষ বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়েছে বহু মানুষ গুমগুনের শিকার হয়েছে। সেই নির্বাচনের মাধ্যমে যদি আমরা দেশে গণতন্ত্রের সূচনা করতে চাই একই সাথে মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করতে চাই তাহলে কোথায় সিল মারতে হবে? অবশ্যই ধানের শীষ প্রতীকে আমাদেরকে সিল মারতে হবে।’ কারণ ধানের শীষ প্রতীক হলো ১৯৭১ সালের স্বাধীনতার দল মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি।

‘দেশ পূনর্গঠনে সকলকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে’ ৭০,পাবনা-০৩ আসনের (ভাঙ্গুড়া,চাটমোহর ও ফরিদপুর) বাসীর প্রতি আহ্বান জানান পাবনা-০৩ এলাকার ধানের শীষ প্রতীকের এমপি পদপ্রার্থী কেন্দ্রীয় কৃষি দলের সভাপতি কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন।

দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বিএনপির অঙ্গীকারের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমাদেরকে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া চালু করতে হবে, দেশে মানুষের কথা বলার অধিকার দিতে হবে। একমাত্র এই নিশ্চয়তা দিতে পারে কে? কোন দল? একমাত্র ধানের শীষ প্রতীকই দিতে পারে এই নিশ্চয়তা।
এখানে অনেক বয়সক্য, মুরুব্বি মানুষ উপস্থিত আছেন। মুরুব্বীরা সাক্ষী আছেন, যখনই ধানের শীষ দেশ পরিচালনার দায়িত্ব ছিল তখনই পৌরসভার ইলেকশন হোক, ইউনিয়ন পরিষদের ইলেকশন হোক আল্লাহর রহমতে মোটামুটি ঠিকঠাক ভাবে ইলেকশন হয়েছে। যখন ধানের শীষ ক্ষমতায় ছিল প্রত্যেকটা মানুষ মন খুলে কথা বলতে পেরেছে, সরকারের সমালোচনা করতে পেরেছে। যদি কোন ভুল হয়ে থাকে সরকারকে বলতে হয়েছে। কোন মানুষ গুমের শিকার হয়নি, খুনের শিকার হয় নাই।’

তিনি তার বক্তব্যে দেশের উন্নয়নে তার পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন।

আরো বক্তব্য রাখেন ভাঙ্গুড়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এ্যাডঃ মোঃ মজিবর রহমান, বিএনপির আহবায়ক নুর মুজাহিদ স্বপন, যুগ্ম আহবায়ক মোঃ আব্দুল আজিজ প্রমূখ।

এসময়ে আরো উপস্থিত ছিলেন ভাঙ্গুড়া উপজেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক আলহাজ্ব মোঃ রাজিউল হাসান বাবু,উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব ও সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রভাষক মোঃ জাফর ইকবাল হিরোক সরদার, বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ আব্দুল মতিন রাজু,সাবেক উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মোছাঃ জোছনা খাতুন,যুব দলের আহবায়ক মোঃ ফরিদুল ইসলাম, সাবেক ভিপি মোঃ ফিরোজ আহমেদ,কৃষক দলের সাবেক সভাপতি মোঃ হুমায়ুন কবির,বিএনপি নেতা মোঃ করিম সরদার, মোঃ আক্তারুজ্জামান বাবু, দিলপাশার বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব মোঃ সজীব খান,সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক মোঃ আব্দুল হাই,সদস্য হুমায়ুন কবির সরদার সহ দিলপাশার ইউনিয়ন বিএনপির সকল নেতাকর্মীবৃন্দ।
কোরআন তেলওয়াত করেন মাওলানা মোঃ আলতাব হোসেন প্রামানিক।

আলোচিত খবর

ডাকযোগে কারাবন্দিদের ভোট শুরু হয়েছে।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ডাকযোগে কারাবন্দিদের ভোট শুরু হয়েছে। যা চলবে আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। আজ ৩ ফেব্রুয়ারি দুপুরে নির্বাচন কমিশন এ তথ্য জানিয়েছে।আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট। দেশের ইতিহাসে এবারই প্রথম পোস্টাল ব্যালটে কারাবন্দিদের জন্যও ভোট দেয়ার সুবিধা রেখেছে নির্বাচন কমিশন।

দেশের ৭১টি কারাগারে বন্দি রয়েছে ৮৪ হাজার। অনেক বন্দির এনআইডি জটিলতা আছে, আবার অনেক বন্দি আশায় আছেন ভোটের আগে জামিনে বের হবেন। তা নাহলে বন্দিদের মধ্যে ভোটার সংখ্যা আরও বাড়তো বলে জানিয়েছে কারা কর্তৃপক্ষ।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ