ধানের শীষে ভোট দিন গণতন্ত্র ন্যায় ও মানুষের অধিকার রক্ষায় – মুহাম্মদ শাহেদ

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় কমিটির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাবেক সহ-সভাপতি ও চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ শাহেদ বলেছেন, আজ আমরা এক ঐতিহাসিক সময়ের মুখোমুখি। দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব হারানো গণতন্ত্র, মানুষের ভোটাধিকার পুনরুদ্ধারে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আপনাদের একটি সিদ্ধান্তই নতুন বাংলাদেশ গড়তে সহায়তা করবে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীনকে ভোট দিয়ে জয় যুক্ত করবেন।

ধানের শীষ কোনো একক দলের প্রতীক নয়, ধানের শীষ হলো খেঁটে খাওয়া মানুষ, কৃষক, শ্রমিক, যুবক ও সাধারণ মানুষের আশা-আকাক্সক্ষার প্রতীক। তিনি আজ ৫ ফেব্রুয়ারি, বৃহস্পতিবার বিকালে চট্টগ্রাম-৫ সংসদীয় আসন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীনের ধানের শীষের সমর্থনে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির অন্তর্গত ৪৪নং সাংগঠনিক ওয়ার্ডের কুঞ্জছায়া আবাসিক এলাকায় গণসংযোগকালে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে গুপ্ত রাজনীতি আর চলবে না। বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ৩১দফার আলোকে ভবিষ্যত বাংলাদেশ চলবে। একটি রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় আসার জন্য দেশের জনগণের সাথে তামাশায় লিপ্ত। স্বাধীনতার ঘোষক হতে শুরু করে বেহেশতের টিকিট বিক্রি করে চলছে।

এদেশের মানুষ যথেষ্ট সচেতন। ফ্যাসিস্ট পলাতক খুনী হাসিনাও সকাল বিকাল এমন মিথ্যা অপপ্রচার চালাতো। চট্টগ্রাম-৫ আসনের প্রার্থী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এ এলাকার কৃতী সন্তান, সুখে দুঃখে আপনাদের পাশে সবসময়ে থাকবেন। আপনাদের একটি ভোট ধানের শীষে পড়লে, তাহা হবে অন্যায় অবিচার মিথ্যা প্রপাগান্ডা’র বিরুদ্ধে প্রতিবাদ, হবে উন্নয়ন ও গণতন্ত্রের পক্ষে দৃঢ় অবস্থান। গণতন্ত্র ন্যায় ও মানুষের অধিকার রক্ষায় আগামী ১২ই ফেব্রুয়ারি ধানের শীষে ভোট দিন।

গণসংযোগকালে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কুঞ্জছায়া আবাসিক এলাকার সেক্রেটারি শাহ আলম কন্ট্রাক্টর, ৪৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির আহ্বায়ক মামুন আলম, আলমগীর শিকদার, আলহাজ্ব দিদারুল আলম, মোঃ মূসা, মোঃ আবু কন্ট্রাক্টর, সাইফুদ্দীন আহমেদ, ইঞ্জিনিয়ার মো: মহসীন, মহানগর যুবদলের সাবেক প্রচার সম্পাদক জিল্লুর রহমান জুয়েল, সাবেক সহ-সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম বাবু, মহানগর যুবদলের সাবেক সদস্য শাবাব ইয়াজদানী, প্রফেসর সাঈদুল হক সিকদার, থানা যুবদলের শাহ আলম, শাহাবুদ্দিন, শফিউল বাশার শামু, অমিত হাসান, মনির হোসেন, থানা ছাত্রদলের সদস্য সচিব আকিব, জয়নাল, রাকিব, নাবিদ, মেহেদী, ইমন প্রমূখ নেতৃবৃন্দ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

সাংবাদিকের কাজ ক্ষমতাবানকে প্রশ্ন করা -কাদের গনি চৌধুরী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) মহাসচিব কাদের গণি চৌধুরী বলেছেন- রাষ্ট্র ও ক্ষমতাবানকে প্রশ্ন করা এবং তাদের জবাবদিহিতার মধ্যে রাখা সাংবাদিকতার কাজ। এটি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করে, জনগণের অধিকার রক্ষা করে এবং সমাজে স্বচ্ছতা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে সাহায্য করে।২ আগস্ট রোববার দুপুরে গাজীপুর জেলা প্রশাসন ও ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ আয়োজিত সাংবাদিক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় তিনি এসব বলেন।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতা কর্মী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষে ২০ জন আহত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাজধানীতে পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের সঙ্গে স্থানীয়দের সংঘর্ষের ঘটনায় বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান এবং স্থানীয় সংসদ সদস্য জাহাঙ্গীর হোসেনের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। নেপচুন এক্সেসরিজ নামে একটি গার্মেন্টস প্রতিষ্ঠানের পক্ষ হয়ে ভাড়াটে সন্ত্রাসীরা এ হামলা চালায়।ডিএনসিসির জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. জাকির হোসেন এক জরুরি বার্তায় গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান।

জানা যায়, উত্তর সিটির ৪৬ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তরখান রাজাবাড়ি সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।ডিএনসিসির তথ্য অনুযায়ী, হামলায় চারজন গুরুতর আহতসহ ১৫ থেকে ২০ জন পরিচ্ছন্নতাকর্মী আহত হন। গুরুতর আহত চারজনকে উত্তরা বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আহমেদ পদত্যাগ করেছেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। আজ শুক্রবার ২৪ জুলাই বিকেলে তিনি গণমাধ্যমকে নিজেই পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র এরই মধ্যে পৌঁছানো হয়েছে।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে সংসদ ভবনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছেন।

কয়েক দিন ধরেই রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছিল। বঙ্গভবন সূত্রে জাবা যায়, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন এবং পদত্যাগপত্রও প্রস্তুত করেছেন। তবে স্পিকার বিদেশ সফরে থাকায় তা জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি।

সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। তার পাঁচ বছরের মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত থাকার কথা ছিল। দায়িত্ব পালনকালে তিনি সময়ের ব্যবধানে তিনজন সরকারপ্রধানকে শপথবাক্য পাঠ করান।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিভিন্ন মহল থেকে তার পদত্যাগের দাবি ওঠে। তখন তিনি পদত্যাগ করেনননি। গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বঙ্গভবন ঘেরাওসহ বিভিন্ন কর্মসূচিও পালিত হয়। তবে সংসদ ভেঙে দেওয়া, অন্তর্বর্তী সরকার গঠনসহ গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখেন।

২২ তম এরাষ্ট্রপতির পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হলো। নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার আগ পর্যন্ত সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে মো. সাহাবুদ্দিন জেলা ও দায়রা জজ এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় পাবনা জেলার স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ছিলেন এবং ১৯৭১ সালে প্রশিক্ষণ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ