আজঃ শুক্রবার ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

চট্টগ্রামে বার্মা কলোনির বসতঘরগুলোতে অভিযানে আটক ৩ শতাধিক রোহিঙ্গা।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে অভিযান চালিয়ে নারী-পুরুষ ও শিশুসহ ৩০০-এর বেশি রোহিঙ্গাকে আটক করা হয়েছে। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে পুলিশ, বিজিবি ও সেনাবাহিনীর যৌথ অভিযানে তাদের আটক করা হয়। বুধবার রাতে চন্দনাইশ উপজেলার দোহাজারি পৌরসভার বার্মা কলোনি ঘিরে যৌথবাহিনী এ তল্লাশি অভিযান চালায় বলে চন্দনাইশ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. ইলিয়াছ খান জানিয়েছেন।

পুলিশ জানায়, রাত ১২টার পর শুরু হওয়া এ অভিযানে বার্মা কলোনির শতাধিক বসতঘরের প্রতিটিতে তল্লাশি চালানো হয়। সেখান থেকে ১৭৬ জন পুরুষ, ৮৬ জন মহিলা ও ৮৩ শিশু-কিশোরকে আটক করে থানায় নেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেল পর্যন্ত তাদের নাগরিকত্ব ও রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ঠিকানা যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। এরপর শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনের (আরআরআরসি) প্রতিনিধিদের মাধ্যমে তাদের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাঠানো হবে।

ওসি ইলিয়াছ খান বলেন, আমরা মোট ৩৪৫ জনকে আটক করে থানায় এনেছি। তবে সবাই রোহিঙ্গা নন। এর মধ্যে এখন পর্যন্ত ৩২২ জন রোহিঙ্গা বলে নিশ্চিত হয়েছি। আরও কয়েকজন পাওয়া যেতে পারে। তাদের কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ঠিকানা যাচাই-বাছাই করে সেখানে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে অপরাধপ্রবণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত বার্মা কলোনিতে এ অভিযান চালানো হয়েছে বলে জানান ওসি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম বন্দরে অনির্দিষ্টকালের কর্মববরতিতে শ্রমিক-কর্মচারীদের তোপের মুখে নৌ উপদেষ্টা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বন্দরে এসে শ্রমিক-কর্মচারীদের তোপের মুখে পড়েছেন নৌপরিবহন উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সাখাওয়াত হোসেন। কয়েক’শ শ্রমিক-কর্মচারী বন্দর ভবনে প্রবেশের পথে উপদেষ্টার গাড়ি আটকে বিক্ষোভ করে। পরে বন্দর ভবনের ভেতরে উপদেষ্টা হেঁটে ঢোকার সময়ও তারা আশপাশে অবস্থান নিয়ে স্লোগান দিতে থাকে। বৃহস্পতিবার অনির্দিষ্টকালের কর্মববরতি চলাকালে এমন চিত্র দেখা গেছে। সকাল পৌনে ১১টার দিকে উপদেষ্টার বন্দর ভবনে প্রবেশ নিয়ে শ্রমিক-কর্মচারীদের মধ্যে এ উত্তেজনা তৈরি হয়।


জানা গেছে, নৌপরিবহন উপদেষ্টা সাখাওয়াত হোসেন সরাসরি ঢাকা থেকে সকাল সোয়া ১০টায় চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছান। পৌনে ১১টার দিকে উপদেষ্টাকে বহনকারী গাড়ি বন্দর ভবনের অদূরে কাস্টমস মোড়ে পৌঁছায়। সামনে-পেছনে পুলিশের নিরাপত্তার গাড়ি ছিল। উপদেষ্টার পেছনের গাড়িতে ছিলেন বন্দর চেয়ারম্যান, যিনি বিমানবন্দর থেকে উপদেষ্টাকে নিয়ে বন্দর ভবনে আসছিলেন।

নৌপরিবহন উপদেষ্টা চট্টগ্রাম বন্দরে আসার খবর পেয়ে সকাল থেকেই আন্দোলনরত শ্রমিক-কর্মচারীদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। শত, শত শ্রমিক-কর্মচারী চট্টগ্রাম বন্দর ভবনের অদূরে ৪ নম্বর জেটিগেট থেকে কাস্টমস মোড়সহ আশপাশের এলাকায় অবস্থান নেয়। পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও বন্দরের নিজস্ব নিরাপত্তারক্ষীরা সকাল থেকেই অন্যান্যদিনের চেয়ে বাড়তি কঠোর অবস্থানে ছিলেন।

নৌপরিবহন উপদেষ্টার গাড়িবহর কাস্টমস মোড়ে পৌঁছানোর সাথে সাথেই আশপাশে থেকে আন্দোলনরত শ্রমিক-কর্মচারীরা বেরিয়ে আসেন। তারা স্লোগান দিতে দিতে গাড়িবহর আটকে দেন। এ সময় তাদের ডিপি ওয়ার্ল্ডের দালালেরা- হুঁশিয়ার সাবধান, গো ব্যাক অ্যাডভাইজার গো ব্যাক, মা মাটি মোহনা- বিদেশিদের দেব না- এমন নানা স্লোগান দিতে শোনা যায়। অনেকে উপদেষ্টার গাড়ির সামনে গিয়ে ভুয়া ভুয়া, দালাল দালাল বলে স্লোগান দেন।

প্রায় ১৫ মিনিট আটকে থাকার পর পুলিশ চারপাশে নিরাপত্তা বেস্টনী তৈরি করে গাড়িগুলোকে বন্দর ভবনের ভেতরে নিয়ে যায়। গাড়ি মূলফটক দিয়ে বন্দর ভবনে প্রবেশের সাথে সাথেই নিরাপত্তারক্ষীরা সেটি বন্ধ করে দেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু শতাধিক শ্রমিক-কর্মচারী স্লোগান দিতে দিতে ভেতরে ঢুকে পড়েন।

উপদেষ্টা সাখাওয়াত বন্দর ভবনের নিচে গাড়ি থেকে নেমে ভেতরে প্রবেশের সময় শ্রমিক-কর্মচারীরা স্লোগান দিতে থাকেন। তখন উপদেষ্টাকে পুলিশও বন্দরের নিরাপত্তারক্ষীদের পাহারায় দ্রুত বন্দর ভবনের ভেতরে প্রবেশ করে লিফটে ওপরে উঠতে দেখা যায়। বন্দর ভবনে নৌপরিবহন উপদেষ্টা অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি, অচলাবস্থা নিয়ে জরুরি বৈঠকে বসেন বলে জানা গেছে।
এদিকে চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের ডাকা অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতিতে বৃহস্পতিবারও পুরোপুরি বন্ধ আছে বন্দরের সব ধরনের অপারেশনাল কার্যক্রম। বহির্নোঙ্গর থেকে বন্দরের জেটিতে জাহাজ আসা-যাওয়া বন্ধ হয়ে গেছে। জেটিতে আটকে আছে পণ্য খালাসের জন্য আসা জাহাজ।

নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) আরব-আমিরাতভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ডিপি ওয়ার্ল্ডকে ইজারা দেওয়ার প্রক্রিয়া বন্ধ, আন্দোলন দমাতে হয়রানি, দমন-পীড়ন বন্ধের দাবিতে গতকাল বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে বন্দরে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি শুরু হয়।এর ফলে বন্দরের তিনটি টার্মিনাল জিসিবি, সিসিটি ও এনসিটিসহ সব জেটিতে অপারেশাল কার্যক্রম বন্ধ আছে। তিন টার্মিনালে জাহাজ থেকে কনটেইনার ওঠানো-নামানোর কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে।

এর ফলে পণ্য খালাসের জন্য আসা জাহাজগুলো ঠাঁই দাঁড়িয়ে আছে। কনটেইনার টার্মিনালগুলোতে যন্ত্রপাতির অপারেটররাও কাজে যোগ দেননি। বন্দরে পণ্য পরিবহনকারী যানবাহন প্রবেশ বন্ধ আছে। ইয়ার্ড থেকে কনটেইনার ও পণ্য খালাস হচ্ছে না। ১৯টি অফডক থেকে বন্দরে কনটেইনার পরিবহনও বন্ধ আছে।

গত শনিবার (৩১ জানুয়ারি) ও রোববার দুইদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চট্টগ্রাম বন্দরে কর্মবিরতি পালন করে বিএনপিপন্থী দুই সংগঠন চট্টগ্রাম বন্দর জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল ও চট্টগ্রাম বন্দর জাতীয়তাবাদী সাবেক সিবিএ। তৃতীয়দিনে সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) ‘চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ’র ডাকে সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত কর্মবিরতি পালিত হয়। তিনদিনই কর্মবিরতি চলাকালে বন্দরের শ্রমিক-কর্মচারীদের অধিকাংশই কাজে যোগ দেননি। এর ফলে প্রায় সব ধরনের অপারেশনাল কার্যক্রম বন্ধ হয়ে অচলাবস্থা তৈরি হয় চট্টগ্রাম বন্দরে।

এ অবস্থায় সোমবার নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের এক অফিস আদেশে ১৫ জনকে বদলির সুপারিশ করা হয়, যাদের মধ্যে আন্দোলনের সামনের সারিতে থাকা বিএনপিপন্থী দুই শ্রমিক নেতাও আছেন। নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব মো. বেলায়েত হোসেনের সই করা আদেশে দাফতরিক প্রয়োজনে বদলিপূর্বক সংযুক্তি প্রদান করার কথা জানানো হয়। এর মধ্যে আটজনকে পায়রা বন্দরে এবং সাতজনকে মোংলা বন্দরে বদলি করা হয়।বদলি-হয়রানির প্রতিবাদে এবং এনসিটি ইজারা প্রক্রিয়া বন্ধের দাবিতে মঙ্গলবার ২৪ ঘন্টার কর্মবিরতির ডাক দেওয়া হয়। ওই কর্মসূচি শেষ হওয়ার আগেই মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে চট্টগ্রাম বন্দর ভবনের সামনে এক সংবাদ সম্মেলনে চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা পরিষদ লাগাতার কর্মবিরতির কর্মসূচি ঘোষণা করে।

চবি মেডিকেল সেন্টারে মিনি অপারেশন থিয়েটার উদ্বোধন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল সেন্টারের উদ্যোগে এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) সহযোগিতায় মিনি অপারেশন থিয়েটার বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টায় চবি মেডিকেল সেন্টারে উদ্বোধন করা হয়।

মিনি অপারেশন থিয়েটারের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ও উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) ও চবি মেডিকেল উপদেষ্টা কমিটির সভাপতি প্রফেসর ড. মোঃ কামাল উদ্দিন। এসময় উপস্থিত ছিলেন চবি জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. গোলাম কিবরিয়া, শাহ আমানত হলের প্রভোস্ট প্রফেসর ড. চৌধুরী মোহাম্মদ মনিরুল হাসান ও অতীশ দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞান হলের প্রভোস্ট এ.জি.এম. নিয়াজ উদ্দিন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) প্রফেসর ড. মোঃ কামাল উদ্দিন এমন উদ্যােগের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, এটি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল সেন্টার এর জন্য একটি মাইলফলক। শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যসেবার বিষয়টি আমরা গুরুত্ব সহকারে দেখছি। এসময় উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) চবি মেডিকেল সেন্টার কর্তৃপক্ষ ও চাকসুকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। উদ্বোধকের বক্তব্যে তিনি মেডিকেল সেন্টারের সার্বিক উন্নয়নে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতার বিষয়ে আশ্বাস প্রদান করেন।

বিজয় ২৪ হল সংসদের স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক সানজিদা শারমিন তৃষার সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন চাকসুর স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক আফনান হাসান ইমরান। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন চবি মেডিকেল সেন্টারের চিফ মেডিকেল অফিসার ডা. মোহাম্মদ আবু তৈয়ব। সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, আমরা শিক্ষার্থীদের সব ধরনের স্বাস্থ্য সেবা দিতে বদ্ধপরিকর। এই মিনি ওটি চালু হওয়ায় ছোটখাটো অস্ত্রোপচারের জন্য শিক্ষার্থীদের আর ক্যাম্পাসের বাইরে ছুটতে হবে না। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন মেডিকেল সেন্টারের চিকিৎসকগণ, অফিসারগণ, আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ, চাকসু ও হল সংসদের প্রতিনিধিবৃন্দ এবং অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

আলোচিত খবর

র‌্যাব নাম বদলে হচ্ছে এসআইএফ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতিসংঘের পাশাপাশি বিভিন্ন মানবাধিবকার সংগঠন বহুদিন ধরে পুলিশের বিশেষ বাহিনী র‌্যাব বিলুপ্ত করার আহ্বান জানিয়ে এলেও তার বদলে নাম বদলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ান বা র‌্যাবের নতুন নাম হবে স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স বা এসআইএফ।

মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আইনশৃঙ্খলা–সংক্রান্ত কোর কমিটির সভা শেষে তিনি সাংবাদিকদের বলেন-ইতোমধ্যে এ ব্যাপারে প্রধান উপদেষ্টা অনুমোদন দিয়েছেন। শিগগিরই একটি সরকারি আদেশ জারি হবে।নামের সঙ্গে পোশাকেও পরিবর্তন আসছে জানিয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন-ইতোমধ্যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এসআইএফ সদস্যদের নতুন পোশাকে দেখতে পাবেন।বিএনপি নেতৃত্বাধীন চার দলীয় জোট সরকারের সময়ে জঙ্গিবাদের উত্থান ও আইনশৃঙ্খলার ক্রমাগত অবনতির মধ্যে ২০০৪ সালের ২৬ মার্চ পুলিশ, সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমান বাহিনী, আনসার ও ভিডিপি, বিজিবি ও কোস্ট গার্ড সদস্যদের নিয়ে র‌্যাব গঠিত হয়।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ