আজঃ সোমবার ২৩ মার্চ, ২০২৬

চট্টগ্রামে দুঃস্থদের জন্য এবারো দেশব্যাপী ‘১ টাকায় রোজার বাজার’।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

প্রতিবছরের ন্যায় এবারো দেশব্যাপী ‘১ টাকায় রোজার বাজার’ পরিচালনা করছে বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন। দুঃস্থ রোজাদারদের পাশে দাঁড়াতে এউ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সহযোগিতায় প্রতিদিন হাজারো ছিন্নমূল রোজাদারদের ইফতার-সাহরি খাওয়ানোর পরিকল্পনার পাশাপাশি নিম্ন আয়ের পরিবারগুলোর জন্য ‘১ টাকায় বাজার’ এর আয়োজন করছে বিদ্যানন্দ। বৃহস্পতিবার সকাল ১১ টায় নগরীর বিপ্লব উদ্যানে এই বাজারের উদ্ধোধন করেন সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

তিনি বলেন, অসহায় মানুষদের প্রতি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়া সামর্থ্যবান প্রতিটি মানুষের নৈতিক ও সামাজিক কর্তব্য। বিদ্যানন্দের আজকের এই ‘এক টাকায় রোজার বাজারে’ এসে আমার মনে হচ্ছে শায়েস্তা খাঁর আমল ফিরে এসেছে। অভাবী মানুষ জন এখান থেকে ১ টাকা মূল্য পরিশোধ করে হাজার টাকার অধিক পণ্য বাছাই করার স্বাধীনতা পাচ্ছে। এই আইডিয়া অভাবনীয় প্রশংসার দাবি রাখে। বিদ্যানন্দ থেকে দেখে যদি সমাজের অন্যান্য বিত্তবানেরা মানুষের পাশে এগিয়ে আসেন তাহলে এই রমজানে মানুষ কিছুটা হলেও স্বস্তি পাবেন বলে আমি বিশ্বাস করি।

নগরীর বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত নিম্ন আয়ের মানুষজন উৎসবমুখর পরিবেশে তাদের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বাজার করছেন। তাদের চোখে মুখে হাসি। কারণ কোন ভিক্ষা নয় মাত্র ১ টাকা দিয়ে তারা নিজেদের পছন্দে হাজার টাকার বাজার করার সুযোগ পেয়েছেন। এই বাজারে দেখা মিলেছে চাল-ডাল, ছোলা, তেল ও ডিমসহ ১৬ রকমের পণ্য। একটি পরিপূর্ণ সুপারশপ। এই বাজারে পাওয়া যাচ্ছে ১ কেজি চাল ১ টাকায়, ১ কেজি ছোলা ২ টাকায়, ১ ডজন ডিম দেড় টাকায়, ১ লিটার তেল ৩ টাকায় কিংবা ১টি মুরগী ৪ টাকায়। যদিও তারা মাত্র ১ টাকা দিয়ে ১০টি টোকেন মানি পান যেটি দিয়ে তারা বিভিন্ন কাউন্টারে গিয়ে বাজার করার সুযোগ পান। বাজারের সিস্টেম বুঝিয়ে দিতে পযাপ্ত স্বেচ্ছাসেবী কাজ করছে।

বিদ্যানন্দের গভর্নিং বডির পরিচালক জামাল উদ্দিন বলেন, রমজান মাসকে বলা হয় ‘সহমর্মিতার মাস’। কেননা এক মাসের রোজা পালনের দ্বারা রোজাদার ক্ষুধার্ত মানুষের কষ্ট উপলব্ধি করতে সক্ষম হয়। এর ফলে তার অন্তরে আর্ত-পীড়িত ও ব্যথিত মানব-গোষ্ঠীর প্রতি সহমর্মিতা জাগে। রোজাদারের উচিত তার এই জাগ্রত সহানুভূতিকে কাজে লাগানো এবং তাদের ব্যথা উপশমে কার্যকরী ভূমিকা রাখা। বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন ও তার স্বেচ্ছাসেবী দাতারা সেই কাজটিই বছরের পর বছর করে যাচ্ছে। আজকেই এই বাজারে ৫ শতাধিক দরিদ্র পরিবার ১ টাকা দিয়ে কমপক্ষে ১ হাজার টাকার নিত্যপণ্য নিয়ে যেতে পারবেন, যা তাদের এই দু:সময়ে একটু হলেও স্বস্তি নিয়ে আসবে বলে আমাদের বিশ্বাস।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

মুনশী আব্দুর রহমান মিয়া মসজিদ” এর কার্যনির্বাহী কমিটি ২০২৬ – ২০২৮ গঠিত হয়েছে ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

উপমহাদেশের প্রসিদ্ধ আলেম মুনশী আব্দুর রহমানের প্রপৌত্র , বীরমুক্তিযোদ্ধা শিক্ষাবিদ সালাউদ্দিন মিয়ার সন্তান, বদরপুর মহাবিদ্যালয়ের সিনিয়র প্রভাষক কবি শাহাবুদ্দিন রিপন শান কে সভাপতি এবং
মুনশী আব্দুর রহমানের পৌত্র, বিশিষ্ট সমাজসেবক মনির আহমদ মিয়ার সন্তান, চতলা সাতবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ ফয়েজ উল্যাহ মিয়াকে সাধারণ সম্পাদক করে # বীরমুক্তিযোদ্ধা সালাউদ্দিন মিয়া বাড়ির দরোজায় অবস্থিত মুনশী আব্দুর রহমান মিয়া মসজিদের একান্ন সদস্য বিশিষ্ট কার্যনির্বাহী কমিটি গঠিত হয়েছে ।দক্ষিণ ধলীগৌরনগর চতলা সালাউদ্দিন মিয়া বাড়ির দরোজায় , ২১ মার্চ ২০২৬ যোহরবাদ মসজিদের মুসল্লিদের আন্তরিক বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে এই কমিটি গঠিত হয় ।

কমিটির অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সদস্যগণ হচ্ছেন – প্রধান উপদেষ্টার মর্যাদায় নির্বাহী সভাপতি- ডাচ বাংলা ব্যাংকের সিনিয়র এসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট একেএম গিয়াসউদ্দিন মুরাদ । সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ হাফেজ আহমেদ মিয়া, সহ-সভাপতি গণ হচ্ছেন- মহিউদ্দিন আহমেদ মিয়া, আব্দুর রশিদ বেপারী এবং মোহাম্মদ হোসেন খন্দকার । যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকগণ হচ্ছেন- মোঃ অজিউল্যাহ মিয়া, মোঃ রফিকুল ইসলাম বাবুল, মোঃ জহিরুদ্দিন ফরহাদ এবং মোঃ আলমগীর বেপারী । কোষাধ্যক্ষ নির্বাচিত হয়েছেন- মোঃ মিলন মোল্লা ।

সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন- মাহতাব উদ্দিন মিরাজ শান । সম্পাদকীয় বিভিন্ন পদে নির্বাচিত হয়েছেন -মোঃ রুবেল শান (মুক্তিযুদ্ধ ও মানবাধিকার), নেছার উদ্দিন রাসেল (তথ্য ও গবেষণা), কৌশিক আহমেদ (শিক্ষা ও সংস্কৃতি). মোঃ জসিম আহমেদ (প্রচার ও প্রকাশনা), সিয়াম আহমেদ (সমাজকল্যাণ ও আপ্যায়ন), তাসলিমা শরীফ আঁখি (নারী ও শিশুকল্যাণ), মাওলানা মফিজুল ইসলাম ( ধর্ম বিষয়ক), মোঃ রফিক বেপারী (ত্রাণ ও পূণর্বাসন), মোঃ মোসলেউদ্দিন (ক্রীড়া) , মোঃ কুদ্দুস মিয়া (মানবসম্পদ), মোঃ সুমন বেপারী (কৃষি ও সমবায়), মোঃ কামরুল ইসলাম (প্রশিক্ষণ) , মোঃ নুরুন্নবী (পাঠাগার), মোঃ জাহিদুর রহমান (অনুষ্ঠান) , মোঃ শাহাবুদ্দিন জুলহাস (মিলনায়তন) প্রমুখ ।

নির্বাহী সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন- মোঃ আজিম উদ্দিন লিটন, মোঃ শরিফ উদ্দিন টিপু, মোঃ গিয়াসউদ্দিন নিরব, মোঃ ফজলে করিম, মোঃ আব্দুল করিম, মোঃ মাফুল করিম , মোঃ হানিফ মোল্লা, মোঃ মোস্তফা মোল্লা , মোঃ মাকসুদ মিয়া , মোঃ আঃ রাজ্জাক, মোঃ বেলাল প্রমুখ ।।

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দিরা ঈদুল ফিতরের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারবেন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দিরা ঈদুল ফিতরের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারবেন। কারা কতৃপক্ষ জানিয়েছেন -বন্দিদের ঈদের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলার সুযোগ দেয়া হবে। এর পাশাপাশি রয়েছে বিশেষ খাওয়া দাওয়ার আয়োজন।এছাড়া বাড়ি থেকে পাঠানো খাবার খাওয়ার সুযোগ মিলছে বলে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার সৈয়দ শাহ্ শরীফ জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, প্রতিবছরের মত এবারও ঈদের দিন সকালে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। ঈদের দিন সকালে বন্দিদের জন্য থাকছে পায়েস ও মুড়ি। আর দুপুরে থাকবে পোলাও, গরু অথবা খাসি, সালাদ, মিষ্টি, পান-সুপারি। আর রাতের বেলায় সাদা ভাত, আলুর দম ও রুই মাছের আয়োজন করা হয়েছে।

জেলার শাহ্ শরীফ আরো জানান-এছাড়া ঈদের পরদিন বন্দিরা বাড়ি থেকে পাঠানো খাবার খাওয়ার সুযোগ পাবেন। ঈদের দিন থেকে তিন দিন বন্দিরা স্বজনদের সাথে পাঁচ মিনিট করে টেলিফোনে এবং একবার স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাত করতে পারবেন।

সাধারণ সময়ে হাজতিরা মাসে দুই বার এবং কয়েদীরা মাসে একবার করে স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পেলেও ঈদের সময় বিশেষ ভাবে সাক্ষাতের সুযোগ পাবেন।একই ভাবে ১০ টাকার বিনিময়ে মাসে দুই বার স্বজনদের সাথে টেলিফোনে ১০ মিনিট কথা বলার সুযোগ পান বন্দীরা। তবে ঈদে বিনামূল্যে পাঁচ মিনিট করে কথা বলার সুযোগ পাবেন।বর্তমানে কারাগারে হাজতি ও কয়েদী মিলে পাঁচ হাজার ৮৫৮ জন বন্দি রয়েছেন।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ