চট্টগ্রামের চার জেলায় ২০টি সংসদীয় আসনে র‌্যাবের ৫০টি টহল দল।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে চট্টগ্রামে নিরাপত্তা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে র‌্যাব-৭ বিশেষ টহল, চেকপোস্ট স্থাপন এবং গোয়েন্দা নজরদারি বাড়িয়েছে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে র‌্যাব।

বুধবার সকালে নগরের এনায়েত বাজার মহিলা কলেজ কেন্দ্রে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় সার্বিক নিরাপত্তা ও টহল কার্যক্রম জোরদারের বিষয়ে র‌্যাব-৭ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো.হাফিজুর রহমান ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, র‌্যাব-৭ এর আওতাধীন চার জেলায় ২০টি সংসদীয় আসনে মোট ৫০টি টহল দল মোতায়েন রয়েছে।পাশাপাশি একটি ডগ স্কোয়াড ও বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট দায়িত্ব পালন করছে। এ কার্যক্রম ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে।

নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য নাশকতা বা অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে শহর ও উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথে চেকপোস্ট বসানো হয়েছে জানিয়ে মো.হাফিজুর রহমান বলেন, সন্দেহভাজন ব্যক্তি ও যানবাহনে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অন্যান্য ইউনিটের সঙ্গে সমন্বয় করে যৌথ টহলও পরিচালিত হচ্ছে।

চট্টগ্রাম জেলা ও মহানগর মিলিয়ে ১৬টি সংসদীয় আসন রয়েছে, যেগুলোকে গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনায় নিয়ে ৪০টি টহল দল কাজ করছে। ভোটাররা যেন ভীতি ছাড়াই কেন্দ্রে গিয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সেজন্য সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হচ্ছে।

লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো.হাফিজুর রহমান বলেন, যেকোনো ধরনের সহিংসতা বা নাশকতার বিরুদ্ধে আইনানুগ কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন ও গণভোট সম্পন্ন করতে আমরা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস২০২৬ উপলক্ষে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে বাংলাদেশ রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের শ্রদ্ধাঞ্জলি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস২০২৬ উপলক্ষে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে বাংলাদেশ রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ। এতে বাংলাদেশ রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক জনাব মোঃ সুবক্তগীন এবং পূর্বাঞ্চলের বিভাগীয় প্রধানগণসহ অন্যান্য কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

অস্তিত্বহীন ব্যক্তির নামে জন্মনিবন্ধন সনদ ইস্যু, ইউপি সচিবকে ৩ বছরের কারাদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অস্তিত্বহীন ব্যক্তির নামে জন্মনিবন্ধন সনদ ইস্যুর অভিযোগে দায়ের করা মামলায় ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সচিব মোহাম্মদ নূরুল আলমকে ৩ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন একটি আদালত। দণ্ডপ্রাপ্ত মোহাম্মদ নূরুল আলম (৪৭), কক্সবাজার জেলার চকরিয়া উপজেলার মানিকপুর এলাকার মৃত আবু সালামের ছেলে।তিনি পেকুয়া উপজেলার মগনামা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সচিব।মঙ্গলবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ মিজানুর রহমানের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন। একই মামলায় অপর দুই আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

খালাসপ্রাপ্ত দুই আসামি হলেন মগনামা ইউনিয়ন পরিষদের তৎকালীন চেয়ারম্যান শরাফত উল্লাহ ওয়াসিম এবং পেকুয়া উপজেলার তৎকালীন প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) সৌভ্রাত দাশ। রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আদালতে অনুপস্থিত ছিলেন। তাই তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানামূলে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

মামলার নথি অনুযায়ী, দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) প্রধান কার্যালয়ের নির্দেশনায় কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার মগনামা ইউনিয়ন পরিষদের তৎকালীন সচিব মোহাম্মদ নূরুল আলম ক্ষমতার অপব্যবহার করে চারজন ভুয়া ও অস্তিত্বহীন ব্যক্তির নামে জন্মনিবন্ধন সনদ ইস্যু করেন। তিনি নিজে লাভবান হওয়ার উদ্দেশ্যে ছৈয়দ আহমদ, মো. ইউনুছ, শামসুন্নাহার ও রহিম উল্লাহ নামে চারজনের জন্মনিবন্ধন তৈরি করেন, যাদের বাস্তবে কোনো অস্তিত্ব ছিল না। এসব জন্মনিবন্ধন ব্যবহার করে প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনার অভিযোগ আনা হয়। দুদকের তদন্ত শেষে দণ্ডবিধির ৪২০ ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় তার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। অভিযোগপত্র গ্রহণের পর আদালত অভিযোগ গঠন করে বিচার কার্যক্রম শুরু করেন।

দুদকের পিপি মোকাররম হোসাইন বলেন, মামলায় ১০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য-প্রমাণে সাবেক ইউপি সচিব মোহাম্মদ নূরুল আলমের বিরুদ্ধে ভুয়া ও অস্তিত্বহীন ব্যক্তির নামে জন্মনিবন্ধন সনদ ইস্যুর অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তাকে ৩ বছরের কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন। অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাকে আরও ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আহমেদ পদত্যাগ করেছেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। আজ শুক্রবার ২৪ জুলাই বিকেলে তিনি গণমাধ্যমকে নিজেই পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র এরই মধ্যে পৌঁছানো হয়েছে।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে সংসদ ভবনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছেন।

কয়েক দিন ধরেই রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছিল। বঙ্গভবন সূত্রে জাবা যায়, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন এবং পদত্যাগপত্রও প্রস্তুত করেছেন। তবে স্পিকার বিদেশ সফরে থাকায় তা জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি।

সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। তার পাঁচ বছরের মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত থাকার কথা ছিল। দায়িত্ব পালনকালে তিনি সময়ের ব্যবধানে তিনজন সরকারপ্রধানকে শপথবাক্য পাঠ করান।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিভিন্ন মহল থেকে তার পদত্যাগের দাবি ওঠে। তখন তিনি পদত্যাগ করেনননি। গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বঙ্গভবন ঘেরাওসহ বিভিন্ন কর্মসূচিও পালিত হয়। তবে সংসদ ভেঙে দেওয়া, অন্তর্বর্তী সরকার গঠনসহ গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখেন।

২২ তম এরাষ্ট্রপতির পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হলো। নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার আগ পর্যন্ত সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে মো. সাহাবুদ্দিন জেলা ও দায়রা জজ এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় পাবনা জেলার স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ছিলেন এবং ১৯৭১ সালে প্রশিক্ষণ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ