আজঃ সোমবার ১৮ মে, ২০২৬

প্রথমবারের মতো নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠান হবে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায়।

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঐতিহাসিক বিজয় অর্জন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে জয়ী হয়ে এককভাবে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে দলটি। ইতোমধ্যে ঠিক হয়ে গেছে বিএনপির নতুন মন্ত্রীসভার শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের তারিখও। তবে, রীতি অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির বাসভবন বঙ্গভবনে শপথ অনুষ্ঠান হচ্ছে না এবার। দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠান হবে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায়।


মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টায় নতুন মন্ত্রীসভার সদস্যদের শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। এর আগে, ওইদিন সকালে নতুন নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পড়াবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার।মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও সংসদ সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে এসব তথ্য। সে অনুযায়ী এখন প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

পাঁচটি আটহাজারি পর্বত জয় করা প্রথম বাংলাদেশি ডা. বাবর আলী।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পর্বতারোহী ডা. বাবর আলী প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে বিশ্বের পঞ্চম উচ্চতম পর্বত মাউন্ট মাকালু জয় করেছেন। ৮ হাজার ৪৮৫ মিটার উচ্চতার এই শৃঙ্গে গত ২ মে বাংলাদেশ সময় ভোর পৌনে ৫টার দিকে পৌঁছান তিনি। এর মধ্যদিয়ে পাঁচটি আটহাজারি পর্বত জয় করা প্রথম বাংলাদেশিও হলেন তিনি। রোববার সকালে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে অভিযান পরবর্তী সংবাদ সম্মেলন ও পতাকা প্রত্যর্পণ অনুষ্ঠানে অভিযানের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন পর্বতারোহী ডা. বাবর আলী।অনুষ্ঠানের আয়োজন করে পর্বতারোহণ ক্লাব ভার্টিক্যাল ড্রিমার্স।

সংবাদ সম্মেলনে বাবর আলী বলেন, কয়েকটি আট হাজার মিটার উচ্চতার পর্বত আরোহণ করেছি। কিন্তু মাকালুর মতো ভয়াবহ ঠান্ডা আর বাতাসের মুখোমুখি কোথাও হতে হয়নি। প্রতিটি মিনিট ছিল কঠিন অভিজ্ঞতা। শুরুতে তাঁর লক্ষ্য ছিল কারাকোরাম হিমালয়ের নাঙ্গা পর্বত অভিযান। তবে অর্থসংকটসহ নানা কারণে শেষ মুহূর্তে মাকালু অভিযানের সিদ্ধান্ত নেন। মাকালুর আবহাওয়া খুব দ্রুত বদলে যায়। এর সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া সহজ নয়।

তিনি আরও বলেন, শিখর থেকে নামার পথে তাঁর মার্কিন বন্ধু শেলি জোহানসেন তুষারধসে প্রাণ হারান। আরেক রুশ বন্ধু কন্সট্যান্টিন তুষারক্ষতের কারণে হাত-পায়ের কয়েকটি আঙুল হারিয়েছেন। পর্বত মাঝে মাঝে খুব অন্যায্য আচরণ করে। লাল-সবুজ পতাকা হাতে চূড়ায় ওঠার আনন্দ যেমন আছে, তেমনি এই দুর্ঘটনাগুলো নিয়ে খারাপ লাগাও আছে।

প্রতিটি পর্বতচূড়ায় বাংলাদেশের পতাকা উঠলে দেশটাও একটু করে ওপরে ওঠে জানিয়ে ডা.বাবর আলী বলেন, পর্বতে যাওয়া কোনো খেয়ালিপনা নয়। এর পেছনে দীর্ঘ প্রস্তুতি ও সাধনা লাগে। চৌদ্দটি আটহাজারি শৃঙ্গ জয়ের স্বপ্নের পথে মাকালু আমার পঞ্চম সাফল্য। সবগুলো আটহাজারি শৃঙ্গে বাংলাদেশের পতাকা তুলতে চাই। পর্যাপ্ত পৃষ্ঠপোষকতা পেলে বাকি নয়টি শৃঙ্গেও উঠতে পারব বলে বিশ্বাস করি।

সংবাদ সম্মেলনে ভার্টিক্যাল ড্রিমার্সের সভাপতি ফরহান জামান বলেন, মাকালুতে বাংলাদেশের পতাকা ওড়ানো জাতির জন্য গর্বের। সঠিক পৃষ্ঠপোষকতা পেলে বাবর আন্তর্জাতিক পর্বতারোহণে দেশকে আরও উঁচুতে নিয়ে যেতে পারবেন। অনুষ্ঠানে অভিযানের পৃষ্ঠপোষক প্রতিষ্ঠান সামুদা স্পেক-ক্যাম লিমিটেডের ব্রান্ড ম্যানেজার ইমতিয়াজ ইবনে ইমাম ও ভার্টিক্যাল ড্রিমার্স উপদেষ্টা আবু মোহাম্মদ শিহাব উদ্দিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত, গত ৭ এপ্রিল বাংলাদেশ থেকে নেপালের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেন বাবর আলী। ১৭ এপ্রিল পৌঁছান মাকালুর উচ্চতর বেসক্যাম্পে। কয়েক ধাপে উচ্চতার সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার পর ৩০ এপ্রিল চূড়ান্ত আরোহণ শুরু করেন। ১ মে রাতে ক্যাম্প-৩ থেকে যাত্রা করে টানা ১ হাজার ১০০ মিটারের বেশি খাড়া পথ অতিক্রম করে ২ মে ভোরে শিখরে পৌঁছান তিনি। ২০১০ সালে পার্বত্য চট্টগ্রামে ট্রেকিংয়ের মাধ্যমে বাবরের পাহাড়যাত্রা শুরু। ২০১৭ সালে ভারতের নেহরু ইনস্টিটিউট অব মাউন্টেনিয়ারিং থেকে প্রশিক্ষণ নেন। ২০২২ সালে আমা দাবলাম জয় করেন তিনি। ২০২৪ সালে একই অভিযানে এভারেস্ট ও লোৎসে জয় করেন। ২০২৫ সালে অন্নপূর্ণা-১ এবং অক্সিজেন ছাড়া মানাসলু জয় করেন ডা. বাবর।

বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফের জানাজায় মানুষের ঢল।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে হাজারো মানুষের উপস্থিতিতে বর্ষীয়ান রাজনীতিক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মোশাররফ হোসেনের জানাজা হয়েছে। নগরের জমিয়াতুল ফালাহ জাতীয় মসজিদ প্রাঙ্গণে আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় এই জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।পরে জয় বাংলা স্লোগানে তাকে বিদায় জানান দলীয় সমর্থক ও নেতাকর্মীরা।জানাজায় অংশ নেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, সাবেক মেয়র ও জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী, প্রয়াতের বড় ছেলে সাবেদুর রহমান সমুসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও শ্রেণি পেশার মানুষ। এর আগে মরদেহ জমিয়াতুল ফালাহ জাতীয় মসজিদ প্রাঙ্গণে পৌঁছালে বর্ষীয়ান রাজনীতিককে একনজর দেখতে ও শ্রদ্ধা জানাতে মানুষের ঢল নামে। ফুলে ফুলে ছেয়ে যায় কফিন।সাবেক এই মন্ত্রীর রাজনৈতিক জীবন ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের কথা স্মরণ করে বক্তব্য দেন বিভিন্ন দলের নেতারা।

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ও বিএনপি নেতা শাহাদাত হোসেন সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বলেন, ‘সাবেক মন্ত্রী মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন। রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে বৃহত্তর চট্টগ্রামের উন্নয়নে তিনি অনেক অবদান রেখেছেন। মিরসরাইয়ের সন্তান হলেও বৃহত্তর চট্টগ্রামের জন্য কাজ করে গেছেন।চট্টগ্রামের উন্নয়নে তাঁর অবদানের জন্য মানুষ তাঁকে স্মরণ করবেন।


উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ আতাউর রহমান বলেন, ‘একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে তার ভূমিকা চিরদিন মনে রাখতে হবে। তিনি আমাদের মাঝ থেকে হারিয়ে গেছেন। সারাজীবন তার সঙ্গে রাজনীতি করেছি।’সাবেক সিটি মেয়র মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, ‘পাকিস্তান আমল থেকে উনার সাথে আমার স্মৃতি। চট্টগ্রামের উন্নয়নে অনেক উদ্যাোগ নিয়েছেন। তিনি কথা শুনতেন। চট্টগ্রামের ইতিহাসে মোশাররফ হোসেন এক অবিস্মরণীয় নাম হয়ে থাকবে।’

মোশাররফ হোসেনের সন্তান সাবেদুর রহমান বলেন, ‘দীর্ঘদিন আইসিইউতে থাকার পর তিনি চলে গেছেন। উনি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। দেশের উন্নয়নে উনি কাজ করেছেন। সবাই আমার বাবার জন্য দোয়া করবেন।’শ্রদ্ধা জানান সিপিবি নেতা মোহাম্মদ শাহ আলম, ন্যাপ-কমিউনিস্ট পার্টি-ছাত্র ইউনিয়ন গেরিলা বাহিনী, মীরসরাই অ্যাসোসিয়েশনসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতারা।জানাজা অংশ নেন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় পার্টি, সিপিবিসহ বিভিন্ন দলের নেতাকর্মীরা।

পরে মরদেহের কফিন অ্যাম্বুলেন্সে ওঠানোর পর হাজারো সহযোদ্ধা, রাজনৈতিক সহচর ও অনুসারীরা স্লোগান দিতে শুরু করেন। এ সময় ‘বীর চট্টলার মোশাররফ ভাই, আমরা তোমায় ভুলি নাই’, ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান শোনা যায়।নেতাকর্মীরা মরদেহবাহী গাড়ির সঙ্গে জমিয়তুল ফালাহ মসজিদ মাঠ থেকে বের হয়ে আসেন। এসময় পুলিশ সদস্যরা মাঠের মূল ফটকে দাঁড়িয়ে ছিল। অ্যাম্বুলেন্সটি মীরসরাইয়ের ধুম গ্রামের উদ্দেশে রওনা হয়। সেখানে বাদ আসর ফজলুর রহমান স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে তৃতীয় নামাজের জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হবে।

মোশাররফ হোসেনের জন্ম ১৯৪৩ সালের ১২ জানুয়ারি চট্টগ্রামের মীরসরাই উপজেলার ধুম গ্রামে। বাবা এস রহমান ষাটের দশকে প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য ছিলেন। দেশভাগের পর তিনি কলকাতা থেকে চট্টগ্রামে চলে আসেন এবং ‘ওরিয়েন্ট বিল্ডার্স কর্পোরেশন’ নামে একটি কোম্পানি খুলে ব্যবসা শুরু করেন।

মোশাররফ হোসেন চট্টগ্রাম কলেজিয়েট স্কুল থেকে ম্যাট্রিক এবং স্যার আশুতোষ সরকারি কলেজ থেকে ইন্টারমিডিয়েট শেষ করেন। এরপর লাহোরে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার সময় ছয় দফা আন্দোলনে সম্পৃক্ত হন। সে সময় তিনি পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র পরিষদের সভাপতির দায়িত্বও পালন করেন।লাহোর থেকে দেশে ফিরে তিনি আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে যোগ দেন এবং ১৯৭০ সালে পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। এই মুক্তিযোদ্ধা ১ নম্বর সেক্টরের সাব সেক্টর কমান্ডার ছিলেন। যুদ্ধের সময় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অপারেশনের নেতৃত্ব দেন তিনি।

১৯৭২ সালের সংবিধান প্রণেতাদের অন্যতম মোশাররফ হোসেন চট্টগ্রামের মীরসরাই আসন থেকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে ১৯৭৩, ১৯৮৬, ১৯৯৬, ২০০৮, ২০১৪ ও ২০১৮ সালে ছয়বার এমপি হন। আমৃত্যু তিনি ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য।আওয়ামী লীগের ১৯৯৬-২০০১ মেয়াদের সরকারে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ছিলেন ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন। পরে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব পান। পরে ২০১৪-২০১৯ মেয়াদের আওয়ামী লীগ সরকারেও তিনি গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।চব্বিশের জুলাই আন্দোলনে আওয়ামী লীগের সরকার পতনের পর ২৭ অক্টোবর রাজধানীর ভাটারা থানা এলাকা থেকে মোশাররফ হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে নেওয়া হয়।

পরের বছর ২০২৫ সালের ৫ অগাস্ট রাতে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে কারাগারের হাসপাতাল থেকে তাকে বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে গত ১৪ আগস্ট জামিনে মুক্তি পান।
ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন তিন ছেলে ও এক মেয়ে রেখে গেছেন। তার ছেলে মাহবুব রহমান রুহেল দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে চট্টগ্রাম ১ আসন থেকে এমপি হয়েছিলেন।

আলোচিত খবর

চট্টগ্রাম কাস্টমসে নির্দিষ্ট সময়ে ডেলিভারি না নেয়া ২২০ কন্টেইনার পণ্য বিক্রি হবে নিলামে।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নির্দিষ্ট সময়ে ডেলিভারি না নেওয়া ২২০ টি কন্টেইনার নিলামে তোলার পদক্ষেপ নিয়েছে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস। বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং দীর্ঘদিনের জট নিরসনে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংস্থাটি। সর্বমোট ১৩৭টি লটে ২২০ কন্টেইনার পণ্য নিলামে তোলা হবে। বিশেষ করে আমদানির পর নির্দিষ্ট সময়ে ডেলিভারি না নেওয়া এসব কন্টেইনার পণ্য নিলামে বিক্রি করা হচ্ছে।এই নিলাম প্রক্রিয়া অনলাইনে (ই-অকশন) সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।

কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, পুরো মে মাস জুড়ে দরদাতাদের জন্য সরেজমিনে পণ্য পরিদর্শনের সুযোগ রাখা হয়েছে। তবে সর্বোচ্চ দরদাতাদের পণ্য খালাসের ক্ষেত্রে আমদানি নীতি আদেশ ২০২১-২০২৪ এর শর্তাবলী মেনে চলতে হবে বলে জানিয়েছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।
চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বন্দরকে কন্টেইনার জটমুক্ত করতে এবং ভৌত ও আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের নিলাম কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

কাস্টমস সূত্র জানায়, আমদানিকৃত এসব পণ্য মাসের পর মাস বন্দরে পড়ে থাকায় একদিকে যেমন বন্দরের জায়গা দখল হয়ে আছে, অন্যদিকে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা আটকে রয়েছে। এতে বন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম ও সক্ষমতা কমছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় রোধে মে মাসে দুই ধাপে এই ই-অকশন অনুষ্ঠিত হবে।

জানা গেছে, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের বিশেষ আদেশ অনুসারে ‘ই-অকশন-৪/২০২৬’-এর আওতায় ১২০টি লটে ১৬০ কন্টেইনার পণ্য নিলামে তোলা হবে।
এই তালিকায় রয়েছে বিভিন্ন ধরণের কেমিক্যাল, মেশিনারিজ, কাগজ, কাপড় (ফেব্রিক্স), গৃহস্থালির সামগ্রী এবং এসি পার্টস। বিশেষ বিষয় হলো, এই পণ্যগুলোর নিলামে কোনো সংরক্ষিত মূল্য থাকছে না। এই ধাপের দরপত্র আগামী ৯ জুন সকাল ১১টায় খোলা হবে। অন্যদিকে, স্থায়ী আদেশ অনুযায়ী ‘ই-অকশন-৫/২০২৬’-এর আওতায় ১৭টি লটে আরও ৬০ কন্টেইনার পণ্য নিলামে বিক্রি করা হবে।

এর মধ্যে রয়েছে ক্যাপিটাল মেশিনারিজ, প্যাসেঞ্জার এলিভেটর, স্টিল স্ক্র্যাপ, গাড়ি এবং লবণ। এই ধাপের দরপত্র আগামী ১৪ মে দুপুর ৩টায় উন্মুক্ত করা হবে। নিলাম প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করতে সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে কার্যক্রমটি পরিচালিত হচ্ছে। আগ্রহী ক্রেতারা ঘরে বসেই বাংলাদেশ কাস্টমসের অফিসিয়াল ই-অকশন পোর্টালে নিবন্ধন করে দরপত্র দাখিল করতে পারবে বলে জানা গেছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ