আজঃ রবিবার ১৯ এপ্রিল, ২০২৬

পাবনা-০৩ এলাকায় চাটমোহরে নব-নির্বাচিত এমপি মাওলানা আলী আছগার ‘দল পালার জন্য টিআর-কাবিখা প্রকল্প দেয়া হতো’

প্রভাষক গিয়াস উদ্দিন সরদার, বিশেষ প্রতিনিধি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিগত সময় দল পালার জন্য সরকারের টিআর কাবিখা প্রকল্প দেয়া হতো। ওই টাকা দিয়ে দলগুলো পরিচালনা করা হতো। এখন থেকে টিআর,কাবিখা প্রকল্পের টাকায় মসজিদ, মন্দির, গির্জার উন্নয়নে ব্যয় করা হবে। কোন প্রকল্প থেকে এক পয়সাও আমার পকেটে ঢুকবে না। আমার কাজের মধ্যে কোন বৈষম্য থাকবে না। সরকারের ভাল কাজগুলো আমরা সহযোগিতা করবো। মন্দ কাজের সমালোচনা করবো। সরকারের সকল সিদ্ধান্ত ভালো হলেও বাস্তবায়নে নানা রকম ত্রুটি থাকে। পাবনা-০৩ আসনের (চাটমোহর ফরিদপুর ও ভাঙ্গুড়া) উপজেলার মধ্যে চাটমোহর বড় উপজেলা হিসেবে বরাদ্দ বেশি থাকবে।

সোমবার সকালে পাবনার চাটমোহর উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে পাবনা-০৩(চাটমোহর, ভাঙ্গুড়া,ফরিদপুর) এই তিন আসনের নব-নির্বাচিত এমপি অধ্যাপক মুহাম্মদ আলী আছগার উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।

তিনি আরো বলেন মাদকের ব্যাপারে জিরো টলারেন্স থাকবে, ভূমি অফিসের দুর্নীতির ব্যাপারে কোন ছাড় দেয়া হবে না। বক্তব্যের এক পর্যায়ে আবেগ আপ্লূত হয়ে তিনি বলেন, মহান আল্লাহ তা’আলা আমাকে যে এতবড় দায়িত্ব দিয়েছেন সেই আমানত আমি যেন রক্ষা করতে পারি। সে জন্য সকলের দোয়া এবং সহযোগিতা একান্তভাবে কামনা করি।

চাটমোহর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুসা নাসের চৌধুরীর সভাপতিত্বে তার সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার ওমর ফারুক বুলবুল, থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ গোলাম সারওয়ার হোসেন, পৌর বিএনপির সভাপতি মোঃ আসাদুজ্জামান আরশেদ, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ আব্দুর রহিম কালু,জামায়াতে ইসলামের চাটমোহর উপজেলা শাখার সভাপতি মোঃ আব্দুল হামিদ, সহকারী মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মিস্টার ইগনাসিউস গোমেজ, উপজেলার পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি শ্রী অশোক চক্রবর্তী, হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি শ্রী জয়দেব কুন্ডু, চাটমোহর প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি রকিবুর রহমান টুকুন, সভাপতি হেলালুর রহমান জুয়েল, সাধারণ সম্পাদক এস এম মাসুদ রানা প্রমুখ।

সভায় বক্তারা চাটমোহরে নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতা, হাসপাতালে চিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নতি, চিকিৎসক নিয়োগ, রমজানে বাজার মনিটরিং, আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে মতামত ব্যক্ত করেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

রিহ্যাব নির্বাচনে পরিচালক নির্বাচিত আবদুল গাফফার মিয়াজী।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দেশের আবাসন খাতের শীর্ষ সংগঠন রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব)-এর বহুল প্রতীক্ষিত নির্বাচনে পরিচালক পদে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন এ এস এম আবদুল গাফফার মিয়াজী। শনিবার (১৮ এপ্রিল) রাজধানী ঢাকায় অনুষ্ঠিত এ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে তিনি এ সাফল্য অর্জন করেন।

এ এস এম আবদুল গাফফার মিয়াজী চট্টগ্রামের ব্যবসায়ী ও সামাজিক অঙ্গনে সুপরিচিত মুখ। তিনি জাতীয় ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প সমিতি, বাংলাদেশ (নাসিব) চট্টগ্রাম মহানগর শাখার প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি বাংলাদেশ মানবাধিকার ফোরাম চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটির সাবেক সহ-সভাপতি, নাগরিক উন্নয়ন ফোরাম চট্টগ্রামের সাধারণ সম্পাদক এবং রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের যুগ্ম মহাসচিব হিসেবেও যুক্ত রয়েছেন। বিভিন্ন সামাজিক ও ব্যবসায়িক সংগঠনে সক্রিয় ভূমিকার কারণে তিনি ইতোমধ্যে একটি গ্রহণযোগ্য নেতৃত্ব হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

ব্যবসা পরিচালনায় দেড় যুগেরও বেশি অভিজ্ঞতাসম্পন্ন আবদুল গাফফার মিয়াজী বলেন, আবাসন খাত বর্তমানে বহুমাত্রিক সংকটের মুখে রয়েছে। নির্মাণসামগ্রীর অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি, ব্যাংক ঋণের উচ্চ সুদহার, নতুন ড্যাপ নীতিমালা এবং গ্রাহকের ক্রয়ক্ষমতা হ্রাস—সব মিলিয়ে খাতে স্থবিরতা তৈরি হয়েছে।

তিনি বলেন, আমি দীর্ঘদিন ধরে আবাসন খাতের সঙ্গে সম্পৃক্ত। একজন সৎ, দক্ষ ও দূরদর্শী সংগঠক হিসেবে খাতের সমস্যাগুলো কাছ থেকে দেখেছি। নির্বাচিত হওয়ার পর এসব সমস্যা সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে। স্বচ্ছতা, দক্ষতা ও উদ্ভাবনী চিন্তার সমন্বয় একটি শিল্পখাতকে এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

তিনি রিহ্যাবের সদস্যদের অধিকার রক্ষা এবং ব্যবসা পরিচালনায় আইনি ও নীতিগত বাধা দূর করতে তিনি কাজ করবেন। আবাসন খাতকে আরও গতিশীল, বিনিয়োগবান্ধব ও গ্রাহকবান্ধব করতে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের কথাও জানান।

শিপিং সেক্টরে নতুন বাজার সৃষ্টিতে নাবিকগণ দূত হিসেবে কাজ করবে – নৌপরিবহন মন্ত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম এমপি নতুন নাবিকদের দেশের সম্পদ হিসেবে উল্লেখ করে শিপিং সেক্টরে নতুন বাজার সৃষ্টিতে তাদের আরো সততা, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সাথে সমুদ্রগামী জাহাজে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করার পাশাপাশি অর্থনীতিতে রেমিটেন্সের যোগান দিতে তারা দেশের দূত হিসেবে কাজ করবেন। শনিবার চট্টগ্রামে ন্যাশনাল মেরিটাইম ইনস্টিটিউট(এনএমআই)’র ২৮তম প্রি-সী রেটিংসদের শিক্ষা সমাপনী পাসিং আউটে প্রধান অতিথি বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
নৌ পরিবহন মন্ত্রী বলেন,শিক্ষা শুধু পূঁথিগত বিদ্যা নয় বরং জ্ঞান অর্জন এবং শারীরিক ও মানসিক বিকাশ সাধনের একটি পরিপূর্ণ স্তর হচ্ছে শিক্ষা। এ প্রতিষ্ঠান থেকে হাতে কলমে অর্জিত জ্ঞান দ্বারা নাবিকগণ সমুদ্রগামী জাহাজ চলাচল, জাহাজ ব্যবস্থাপনা ও পণ্য পরিবহনের আধুনিক পথিকৃত হিসেবে নিজেকে তুলে ধরবেন। তাদের আন্তরিক দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক সমুদ্র পরিবহনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ উন্নত বিশ^কে চ্যালেঞ্জ জানানোর পাশাপাশি উত্তরোত্তর সামনে এগিয়ে যাবে।

মন্ত্রী এনএমআই’র প্রশিক্ষণের গুণগত মানের প্রশংসা করে বলেন, প্রশিক্ষণ চলাকালীন শৃংখলা, কঠোর নিয়ম কানুন ও অনুশীলন, হাতে কলমে প্রদত্ত জ্ঞানের কারনে এটি আন্তর্জাতিক নৌ-সংস্থা এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের মেরিটাইম সেফটি এজেন্সী কর্তৃক স্বীকৃতি প্রাপ্ত। এখানকার ক্যাডেটরা তাই পরিবার, দেশ ও জাতির সম্পদ।
নৌ মন্ত্রী বলেন, মেরিটাইম সেক্টরে দেশের মানসম্মত অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে ১৯৯২ সালে বেগম খালেদা জিয়ার সরকার একনেকে ‘ডেভেলপমেন্ট অব সীম্যান্স ট্রেনিং স্কুল’ প্রকল্প পাস করেন। প্রকল্পটি ১৯৯৩-৯৫ সময়কালে বাস্তবায়নের কারনে আজকে এখানে এতবড় আন্তর্জাতিক মানের প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। তিনি বলেন, প্রশিক্ষণ শুরুর পর থেকে আজ পর্যন্ত এ প্রতিষ্ঠান থেকে সাড়ে চার হাজার নাবিক সফলভাবে প্রশিক্ষণ সমাপ্ত করেছে। তাদের মধ্যে চার হাজার নাবিক দেশি-বিদেশি জাহাজে কর্মরত রয়েছে। তারা দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার মেরিটাইম খাতসহ সম্ভাবনাময় সকল ক্ষেত্রে কর্মসং¯’ান সৃষ্টির উপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করছে। এজন্য যেখানে যা প্রয়োজন সরকার সকল সহযোগিতা প্রদানে বদ্ধ পরিকর।

অনুষ্ঠানের শুরুতে মন্ত্রী কূচকাওয়াজ পরিবদর্শন করেন। প্রশিক্ষণের বিভিন্ন ট্রেডে ভাল ফলাফল করায় তিনি কয়েকজন নতুন নাবিককে ক্রেস্ট ও সনদ প্রদান করেন। এদের মধ্যে ইঞ্জিন বিভাগের রাব্বি ইসলাম কানন অলরাউন্ড নৈপুন্য প্রদর্শন করায় গোল্ড মেডেল অর্জন করেন। অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় সেশনে মন্ত্রী বিভিন্ন শিপিং কোম্পানী ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান প্রদত্ত পুরস্কার শ্রেষ্ঠ নাবিকদের হাতে তুলে দেন।

নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব জাকারিয়া, নৌপরিবহন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শফিউল বারী, ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ ক্যাপ্টেন আতাউর রহমান অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন। এ সময় চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যনা রিয়াল এডমিরাল এস এম মনিরুজ্জামান, বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশনের এমডি কমডোর মাহমুদুল মালেকসহ সামরিক ও বেসামরিক ব্যক্তিবর্গ, দেশি-বিদেশি জাহাজ মালিক, প্রতিনিধি, শিপিং এজেন্ট ও নতুন নাবিকদের পরিবারের সদস্যরা এসময় উপস্থিত ছিলেন।

আলোচিত খবর

সমুদ্রপথে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে ক্যাডেটরা প্রস্তুত: চট্টগ্রামে নৌ পরিবহনমন্ত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মেরিটাইম খাতে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত তরুণরাই ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবে এবং দেশের সক্ষমতা তুলে ধরবে বলে মন্তব্য করেছেন নৌ পরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। শনিবার সকালে চট্টগ্রাম মেরিটাইম ইনস্টিটিউটে ২৮তম ব্যাচের পাসিং আউট প্যারেড অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেছেন, শিক্ষা শুধুমাত্র জ্ঞান অর্জনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এর মূল লক্ষ্য শারীরিক ও মানসিক পূর্ণ বিকাশ।আপনারা শুধু ব্যক্তি নন, আপনারা জাতির সম্পদ। বিশ্বের বিভিন্ন বন্দরে গিয়ে আপনারা বাংলাদেশের পরিচয় তুলে ধরবেন, দেশের সক্ষমতা ও স্মার্টনেস প্রদর্শন করবেন।যারা এই কোর্স সম্পন্ন করে সমুদ্রে যাবেন, তারা নানা প্রতিকূলতা ও চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে শিখেছেন। জাহাজ ব্যবস্থাপনা কিংবা নৌ চলাচল-যেখানেই থাকুন না কেন, দৃঢ়তা ও পেশাদারিত্বের মাধ্যমে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে হবে।পৃথিবীর প্রায় ৭০ শতাংশই জলভাগ, যা একসময় ছিল দুর্গম। তবে আধুনিক বিশ্ব সেই সীমাবদ্ধতা জয় করেছে।

কারিগরি শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরে শেখ রবিউল আলম বলেন, একমাত্র অ্যাকাডেমিক সার্টিফিকেটভিত্তিক শিক্ষা অনেক সময় বেকারত্ব তৈরি করে। এর বিপরীতে দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষা কর্মসংস্থানের পথ খুলে দেয়। ১৯৯০-এর দশকে প্রতিষ্ঠিত মেরিটাইম প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা থেকে ইতোমধ্যে হাজারো দক্ষ জনশক্তি তৈরি হয়েছে, যা দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। ভবিষ্যতে এই খাত আরও সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া ক্যাডেটদের উদ্দেশে তিনি স্বাস্থ্য সচেতনতার কথাও উল্লেখ করেন। দীর্ঘসময় রোদে প্যারেড করার কারণে সানস্ক্রিন ব্যবহারের পরামর্শ দেন তিনি। এছাড়া অনুষ্ঠানে মেরিটাইম ইনস্টিটিউটের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও অভিভাবকরাও উপস্থিত ছিলেন। পাসিং আউট প্যারেডে অংশ নেওয়া ক্যাডেটদের শৃঙ্খলাবদ্ধ কুচকাওয়াজ ও দক্ষতা উপস্থিত সবাইকে মুগ্ধ করে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ