মহিলা সংরক্ষিত আসনে ত্যাগী ও যোগ্য নেত্রী গোলতাজ বেগমকে চট্টগ্রাম মহানগর থেকে মনোনীত করার আহ্বান।

প্রেস রিলিজ

বিভিন্ন সংগঠনের বিবৃতি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দল চট্টগ্রাম নগরে গত ৩৮ বছরে ধরে ত্যাগী ও যোগ্য নেত্রীদের তালিকায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের উদ্যোক্তা ও কেন্দ্রীয় মহিলা দল নেত্রী গোলতাজ বেগমের নাম উল্লেখযোগ্য। ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনে অনেক জুলুম নির্যাতন সহ্য করেও সাংগঠনিক কার্যক্রম চালিয়ে গেছেন। উল্লেখ্য যে, ১৯৭৮ সালের মহানগর বিএনপির কমিটিতে তার বাবা ২৮নং ওয়ার্ডের বিএনপির ভাইস প্রেসিডেন্ট ছিলেন। সে সময় থেকে তার পরিবার বিএনপির আদর্শ ও জাতীয়তাবাদী দলের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত তার ধারাবাহিকতায় গোলতাজ বেগম চট্টগ্রাম কলেজে ১৯৮৮ থেকে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের রাজনীতির সাথে শুরু করে অদ্যবধি অনেক ত্যাগ তিতিক্ষার মাধ্যমে ২০২৬ সাল পর্যন্ত রাজনীতিতে সক্রিয় রয়েছেন। তার স্বামী বিশিষ্ট শিল্প উদ্যোক্তা মুহাম্মদ নুরুল ইসলাম।

১৯৯১ সালের জাতীয় নির্বাচনে ২৮নং ওয়ার্ডের কমার্স কলেজ এলাকায় আওয়ামী লীগ সন্ত্রাসীদের আক্রমণে তার বাড়িঘর ভাঙচুর সহ অগ্নি সংযোগ করা হয়েছিল। জীবন ঝুকি নিয়ে গোলতাজ বেগম, তার ভাইদের সহযোগিতায় সে নির্বাচনে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও পরবর্তীতে উপ-নির্বাচনে আমির খসরু মাহমুদকে নির্বাচিত করার জন্য প্রান্তিক পর্যায়ে সাংগঠনিক কাজ করেন। ২০০৮ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত ২৮নং ওয়ার্ডে নিজ বসতবাড়ীতে আওয়ামী লীগের ছত্র ছায়ায় তার বাড়ি ঘর এবং সামনের দোকান দখল করে রাখে। ২০২০ এর করোনা কালীন সময়ে এলাকার মানুষের জন্য নিবেদিত প্রাণ হিসেবে কাজ করার স্বীকৃতি স্বরূপ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এর স্বাক্ষরিত স্বীকৃতি পত্র প্রদান করেন। একজন শিক্ষিত, মার্জিত এবং উদ্যোক্ত পরিচালক হিসেবে সমাজে তার অবদান অনশীকার্য।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১১ আসনে বিএনপি’র প্রার্থী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর জন্য সকল ওয়ার্ডে গণসংযোগ কার্যক্রমে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন। গোলতাজ বেগম ফ্যাসিবাদ বিরোধী দীর্ঘ সাড়ে সতের বছর দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নির্দেশনায় ঢাকায় জাতীয় রাজনীতিতে এবং চট্টগ্রামের আঞ্চলিক রাজনীতিতে তৃণমূল পর্যায়ের নেতৃবৃন্দের সুখে দুঃখে পাশে ছিলেন। তাই তার উল্লেখযোগ্য কাজ বিবেচনা করে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে মহিলা সংরক্ষিত চট্টগ্রাম মহানগর আসন থেকে গোলতাজ বেগমকে মনোনীত করার জন্য বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধান মন্ত্রী তারেক রহমানসহ বিএনপির শীর্ষ নেতৃবৃন্দের প্রতি নগরের ১৫টি থানার এবং ৪১টি সাংগঠনিক ওয়ার্ডের প্রান্তিক মহিলা নেত্রীবৃন্দ সহ সামাজিক, ব্যবসায়িক নেতৃবৃন্দ আহ্বান জানিয়েছেন।

বিবৃতি দাতারা হলেন যথাক্রমে, রাহেলা সুলতানা, কামরুন্নেছা, খাদিজা বেগম, তানিয়া আক্তার, কমলা বেগম, তানজিনা আলম, সুইটি আক্তার, বেনু রানী শীল, ঋতুপর্ণা বড়ুয়া, সৃষ্টি গোমেজ, শাহনাজ আক্তার, পারভীন সুলতানা, সাহানা সিদ্দিকা, বৃষ্টি বড়ুয়া, মরিয়ম বেগম, পারভিন খাতুন, হেনা বেগম, মালা আক্তার, সাবিহা সুলতানা, কুসুম আক্তার, কামরুন্নাহার ডলি, সাহানুর সুলতানা, রেজিয়া বেগম, হাসনা বানু, জুলেখা আক্তার, মরিয়ম বেগম, মনি আক্তার, মুক্তা বেগম, রাশেদা বেগম, ইশরাত জাহান, উম্মে কুলসুম, হাবিবা আক্তার, সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দের মধ্যে আলোড়ন ক্লাবের কার্যকরী কর্মকর্তাবৃন্দ আল হেরা সামাজিক প্রতিষ্ঠানের কার্যকরী কমিটির নেতৃবৃন্দ, আগ্রাবাদ বাণিজ্যিক এলাকার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ, খাতুনগঞ্জ বাজার ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ, বৃহত্তর চট্টগ্রামের গার্মেন্টস্ কর্মকর্তা-কর্মচারী নেতৃবৃন্দ উল্লেখযোগ্য।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড স্থগিত থাকার পর ফের এইচএসসি পরীক্ষা শুরু, অনুপস্থিত ১ হাজার ৮২৫

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সোমবার (২৭ জুলাই) পুনরায় শুরু হয়েছে। বন্যা পরিস্থিতির কারণে স্থগিত থাকার পর সোমবার সকালে শুরু হয়। পরীক্ষায় চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীন পাঁচ জেলায় মোট ৭৭ হাজার ৫৫৬ পরীক্ষার্থীর মধ্যে অংশ নিয়েছেন ৭৫ হাজার ৭৩১ জন। অনুপস্থিত ছিলেন ১ হাজার ৮২৫ জন, যা মোট পরীক্ষার্থীর প্রায় ২ দশমিক ৩৫ শতাংশ।

পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর ড. মো. পারভেজ সাজ্জাদ চৌধুরী বলেন, বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় প্রায় দুই সপ্তাহ পর পুনরায় এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হয়েছে। সব কেন্দ্রেই সার্বিক পরিস্থিতি ভালো ছিল।
চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় থেকে প্রকাশিত দৈনিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রথম দিনের পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে এক জন পরীক্ষার্থী বহিষ্কৃত হয়েছেন। সব মিলিয়ে ১১৪টি কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

জেলাভিত্তিক তথ্যে দেখা যায়, চট্টগ্রাম জেলায় ৫৬ হাজার ৫৮৭ পরীক্ষার্থীর মধ্যে অংশ নিয়েছেন ৫৫ হাজার ৩৮৫ জন। অনুপস্থিত ছিলেন ১ হাজার ২০২ জন এবং একজন পরীক্ষার্থী বহিষ্কৃত হয়েছেন।কক্সবাজারে ৯ হাজার ৯২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে অনুপস্থিত ছিলেন ২৬৩ জন। রাঙামাটিতে ৩ হাজার ৯৬৬ পরীক্ষার্থীর মধ্যে অনুপস্থিত ১০৯ জন। খাগড়াছড়িতে ৫ হাজার ২১৯ পরীক্ষার্থীর মধ্যে অনুপস্থিত ১৫৪ জন এবং বান্দরবানে ২ হাজার ৬৯২ পরীক্ষার্থীর মধ্যে অনুপস্থিত ছিলেন ৯৭ জন।

চট্টগ্রামে ডেঙ্গু কেড়ে নিল আরও এক বৃদ্ধার প্রাণ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ৬০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধার মৃত্যু হয়েছে। এনিয়ে চট্টগ্রামে ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ জনে। সোমবার জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদনে নুরজাহান বেগম নামে ওই বৃদ্ধার মৃত্যুর তথ্য জানানো হয়। এর আগে গত ১২ জুলাই ডেঙ্গুতে মরিয়ম বেগম (৩১) নামে এক নারীর মৃত্যু খবর দিয়েছিল সিভিল সার্জন কার্যালয়। এদিকে ডেঙ্গুর সংক্রমণ বাড়তে থাকায় সবাইকে আরও সচেতন থাকার পরামর্শ দিয়েছে জেলা সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলম।

জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, নগরীর পাঁচলাইশ এলাকার বাসিন্দা নুরজাহান বেগম গত ২৬ জুলাই মুমূর্ষু অবস্থায় নগরীর বেসরকারি পার্কভিউ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। ডেঙ্গু ও উচ্চরক্তচাপজনিত জটিলতার কারণে ‘মাল্টি অর্গান ডিসফাংশন সিনড্রোম’ দেখা দেওয়ায় তার মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। জেলায় নতুন করে আরও ২৭ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছে।

বর্তমানে চট্টগ্রামের বিভিন্ন হাসপাতালে মোট ৯৯ জন রোগী চিকিৎসাধীন আছেন, যার মধ্যে সরকারি হাসপাতালে ৭৭ জন এবং বেসরকারি হাসপাতালে ২২ জন ভর্তি রয়েছেন। এছাড়া, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে ২৭ জুলাই পর্যন্ত চট্টগ্রামে মোট ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭৫৫ জনে।এর মধ্যে নারী আক্রান্তের সংখ্যা ১৯১ জন, যেখানে পুরুষ ৪৩৯ জন এবং শিশু ১২৫ জন। জুলাই মাসেই আক্রান্তের সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। এই এক মাসেই ৪৫৭ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন।

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আহমেদ পদত্যাগ করেছেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। আজ শুক্রবার ২৪ জুলাই বিকেলে তিনি গণমাধ্যমকে নিজেই পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র এরই মধ্যে পৌঁছানো হয়েছে।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে সংসদ ভবনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছেন।

কয়েক দিন ধরেই রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছিল। বঙ্গভবন সূত্রে জাবা যায়, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন এবং পদত্যাগপত্রও প্রস্তুত করেছেন। তবে স্পিকার বিদেশ সফরে থাকায় তা জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি।

সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। তার পাঁচ বছরের মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত থাকার কথা ছিল। দায়িত্ব পালনকালে তিনি সময়ের ব্যবধানে তিনজন সরকারপ্রধানকে শপথবাক্য পাঠ করান।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিভিন্ন মহল থেকে তার পদত্যাগের দাবি ওঠে। তখন তিনি পদত্যাগ করেনননি। গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বঙ্গভবন ঘেরাওসহ বিভিন্ন কর্মসূচিও পালিত হয়। তবে সংসদ ভেঙে দেওয়া, অন্তর্বর্তী সরকার গঠনসহ গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখেন।

২২ তম এরাষ্ট্রপতির পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হলো। নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার আগ পর্যন্ত সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে মো. সাহাবুদ্দিন জেলা ও দায়রা জজ এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় পাবনা জেলার স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ছিলেন এবং ১৯৭১ সালে প্রশিক্ষণ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ