আজঃ সোমবার ২ মার্চ, ২০২৬

দৌলতপুরে শীর্ষ মাদক-অস্ত্র ব্যবসায়ী রাকিবুল গ্রেপ্তার।

হৃদয় রায়হান কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধি 

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে জনি হত্যা মামলার পলাতক আসামি রাকিবুল (৩৩) কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। উপজেলার প্রাগপুর ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী জামালপুর গ্রামে নিজ বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। রাকিবুল ওই গ্রামের শামু মন্ডলের ছেলে এবং জনি হত্যা মামলার অন্যতম পলাতক আসামি হিসেবে পুলিশের তালিকাভুক্ত। স্থানীয়দের দাবি, তিনি দীর্ঘদিন ধরে সীমান্ত এলাকায় শীর্ষ মাদক ও অস্ত্র ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ২৯ নভেম্বর দুপুরে প্রাগপুর ইউনিয়নের মহিষকুন্ডি মাঠাপাড়া সীমান্ত এলাকায় মাদক পাচার সংক্রান্ত অর্থ লেনদেনের বিরোধকে কেন্দ্র করে জনি (৩০) নামের এক যুবককে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়।

সীমান্ত এলাকার শীর্ষ মাদক ও অস্ত্র চোরাকারবারী নাজিম উদ্দিনের ছেলে সোহান এবং আমিরুল ইসলাম সুমনের নেতৃত্বে ৩০-৩৫ জনের একটি সশস্ত্র দল জনির ওপর হামলা চালায়; ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে পায়ের রগ কেটে তাকে ঘটনাস্থলেই হত্যা করা হয়। নিহত জনি একই ইউনিয়নের সীমান্ত সংলগ্ন জামালপুর গ্রামের মৃত জাকির হোসেনের ছেলে; হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই আসামি রাকিবুল পলাতক ছিলেন। জনি হত্যা মামলার পলাতক আসামি গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আরিফুর রহমান বলেন, জনি হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি রাকিবুলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং আইনি প্রক্রিয়া অনুযায়ী তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। তিনি আরও বলেন, সীমান্ত এলাকায় মাদক ও অস্ত্র চোরাচালান এবং এসবকে কেন্দ্র করে সংঘটিত হত্যাকান্ডসহ গুরুতর অপরাধ নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশের বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

পাবনা-৩ আসনের সংসদ সদস্য কে সংবর্ধনা ও ভাঙ্গুড়া পৌর জামায়াত এর ইফতার মাহফিল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাবনা-৩ (চাটমোহর-ভাঙ্গুড়া-ফরিদপুর) আসনের নব-নির্বাচিত সংসদ সদস্য অধ্যাপক মাওলানা মুহাম্মদ আলী আছগার কে সংবর্ধনা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।


রোববার (১ মার্চ) ভাঙ্গুড়া উপজেলার সরকারি ভাঙ্গুড়া ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ মাঠে সম্মিলিত ব্যবসায়ী সমাজ ও ভাঙ্গুড়া পৌর জামায়াত এর আয়োজনে এ ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হয়।


ভাঙ্গুড়া শিল্প ও বণিক সমিতির সাবেক সভাপতি আলহাজ্ব হাফিজ উদ্দিন বাহার’র সভাপতিত্বে এবং ভাঙ্গুড়া পৌর যুব ও ক্রীড়া বিভাগের সভাপতি সুলতান আহমেদ’র সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পাবনা-৩ আসনের নব-নির্বাচিত সংসদ সদস্য পাবনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী তরবিয়াত সেক্রেটারি ও ভাঙ্গুড়া উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির অধ্যাপক মাওলানা মুহাম্মদ আলী আছগার।এসময়ে আরো উপস্থিত ছিলেন ভাঙ্গুড়া ব্যবসায়ী সমিতির সদস্যবৃন্দ।


দাদি-নাতনি’র খুনের বর্ণনা দিলো ডিবি’র কাছে অভিযুক্ত শরীফ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলায় দাদি ও নাতনি কে খুনের ঘটনার রহস্য উদঘাটন করেছে পাবনা জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। এই হত্যাকাণ্ডে শরিফুল ইসলাম শরীফ (৩৫) নামে এক যুবক কে গ্রেফতার করা হয়েছে। সে সম্পর্কে নিহত কিশোরীর চাচা।

শরীফ পুলিশের কাছে স্বীকার করেছে, যৌন হয়রানির চেষ্টা ও তাতে নাতনির বাধার কারণে সৃষ্ট ক্ষোভ থেকেই তিনি জয়নাল খাঁর মা সুফিয়া খাতুন (৬৫) ও তার নাতনি জামিলা আক্তারকে (১৫) খুন করে। গ্রেফতার শরীফ ও নিহতরা পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার দাশুড়িয়া ইউনিয়নের ভবানীপুর উত্তরপাড়া এলাকার বাসিন্দা। জামিলা স্থানীয় একটি মাদ্রাসার নবম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। ঘটনায় জামিলার বোন বাদী হয়ে ঈশ্বরদী থানায় অজ্ঞাতদের আসামি করে একটি মামলা করে।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, জামিলার বাবা জয়নাল খাঁ কাজের তাগিদে প্রায়শই ঢাকার সাভারে তার বড় মেয়ের শ্বশুর বাড়িতে থাকতেন। জামিলা তার দাদি সুফিয়া খাতুনের সঙ্গেই গ্রামের বাড়িতে বসবাস করতো। ঘটনার সময়ও জামিলার বাবা বাড়িতে ছিলেন না।
পাবনা ডিবি পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতার ট্রাক চালক শরিফুল ইসলাম শরীফ হত্যাকাণ্ডের বিস্তারিত বিবরণ দিয়েছে। শরীফ ভবানীপুর উত্তরপাড়া গ্রামের মোফাজ্জল হোসেনের ছেলে।

শরীফ এর বর্ণনা অনুযায়ী, গত ২১ ফেব্রুয়ারি রাতে সে জামিলাদের বাড়িতে বাজার পৌঁছে দিতে যায়। সে সময় সুফিয়া খাতুন বাড়িতে না থাকার সুযোগে তার নাতনিকে যৌন হয়রানির চেষ্টা করে। কিশোরী এতে প্রচণ্ড ক্ষুব্ধ হন এবং তাকে চড় মারেন। সেখান থেকে শরীফ অপমানিত হয়ে ফিরে আসে।

এর কয়েকদিন পর, গত শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে শরীফ আবারও জামিলাদের বাড়িতে যান। এবার তিনি দাদি সুফিয়া খাতুন ও নাতনি জামিলার কাছে পূর্বের ঘটনার জন্য ক্ষমা চায়। তবে সুফিয়া খাতুন তাকে ক্ষমা না করে চিৎকার করেন। এতে শরীফ ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। একপর্যায়ে শরীফ পাশে পড়ে থাকা একটি কাঠের বাটাম দিয়ে সুফিয়া খাতুনের মাথায় উপর্যুপরি আঘাত করে। বৃদ্ধা মাটিতে লুটিয়ে পড়লে জামিলা চিৎকার করতে শুরু করে। এতে শরীফ তাকেও কুন্নি (রাজমস্ত্রিদের প্লাস্টার করার কাজে ব্যবহৃত সরঞ্জাম) দিয়ে জামিলার মাথায় ও কপালে আঘাত করে। জামিলা মাটিতে পড়ে গেলে শরীফ তাকে টেনেহিঁচড়ে বাড়ির পাশের একটি খোলা সরিষাক্ষেতের দিকে নিয়ে যায়।

মাঝে পুকুর পাড়ে নিয়ে কিশোরী কে ধর্ষণ করে। এরপর গলা টিপে মৃত্যু নিশ্চিত করে লাশ সরিষাক্ষেতে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে স্থানীয়রা বাড়ির উঠানে সুফিয়া খাতুনের রক্তাক্ত ও পরে সরিষা ক্ষেতে জামিলার লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন। ঈশ্বরদী থানা পুলিশ ও ডিবি পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ দুটি উদ্ধার করে এবং ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।

ঘটনার পরে ​প্রাথমিকভাবে ঈশ্বরদী থানার ওসি মমিনুজ্জামান এবং ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন, কিশোরীকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে।পাবনা জেলা ডিবির ওসি রাশিদুল ইসলাম জানান,​হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে পাবনা ডিবি পুলিশের একটি বিশেষ দল তদন্ত শুরু করে। তারা স্থানীয় তথ্য এবং প্রযুক্তির সহায়তায় সন্দেহভাজন হিসেবে শরীফুল ইসলাম কে শনিবার রাত ১০টার দিকে আটক করে। ডিবি কার্যালয়ে অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের মুখে সে নিজের অপরাধ স্বীকার করে এবং হত্যাকাণ্ডের লোমহর্ষক বর্ণনা দেয়।

আলোচিত খবর

বাংলাদেশিদের জন্য শিগগিরই চালু হচ্ছে ভারতীয় ভিসা- পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশিদের জন্য শিগগিরই চালু হচ্ছে ভারতীয় ভিসা: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ