আজঃ শনিবার ৭ মার্চ, ২০২৬

ফেব্রুয়ারি ৪৪৮ দুর্ঘটনায় ৪৪৭ জন নিহত—যাত্রী কল্যাণ সমিতি।

এম মনির চৌধুরী রানা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আজ ০৬ মার্চ ২০২৬, শুক্রবার :বিদায়ী ফেব্রুয়ারি মাসে দেশের গণমাধ্যমে ৪৪৮ টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৪৪৭ জন নিহত, ১১৮১ জন আহতের তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। এই সময়ে রেলপথে ৩৪ টি দুর্ঘটনায় ২৬ জন নিহত, ১১ জন আহত, নৌ পথে ০৬ টি দুর্ঘটনায় নিহত ০৪ জন ও আহত ০৫ জন হয়েছে। সড়ক, রেল ও নৌ-পথে সর্বমোট ৪৮৮ টি দুর্ঘটনায় ৪৭৭ জন নিহত এবং ১১৯৭ জন আহত হয়েছে। এই সময়ে ১৫১ টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ১৬৭ জন নিহত, ১৩৭ জন আহত হয়েছে। যা মোট দুর্ঘটনার ৩৩.৭০ শতাংশ, নিহতের ৩৭.৩৬ শতাংশ ও আহতের ১১.৬০ শতাংশ। এই মাসে সবচেয়ে বেশি সড়ক দুর্ঘটনা সংগঠিত হয়েছে ঢাকা বিভাগে ১১৩ টি সড়ক দুর্ঘটনায় ১১৫ জন নিহত ও ৩৮৭ জন আহত হয়েছে, সবচেয়ে কম সড়ক দুর্ঘটনা সংগঠিত হয়েছে বরিশাল বিভাগে ২২ টি সড়ক দুর্ঘটনায় ১৯ জন নিহত ও ৮৫ জন আহত হয়েছে। বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির দুর্ঘটনা মনিটরিং সেল গণমাধ্যম পর্যবেক্ষণে এই তথ্য পাওয়া গেছে।

সংগঠনের মহাসচিব মোঃ মোজাম্মেল হক চৌধুরী স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই প্রতিবেদন তুলে ধরে সংগঠনটি। দেশের জাতীয়, আঞ্চলিক ও অনলাইন সংবাদপত্রে প্রকাশিত সড়ক, রেল ও নৌ পথের দুর্ঘটনার সংবাদ মনিটরিং করে এই প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে।

সড়কে দুর্ঘটনায় আক্রান্ত ব্যক্তির মধ্যে ৫৬ জন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, ৯৩ জন চালক, ৭৬ জন পথচারী, ২০ জন পরিবহন শ্রমিক, ৫৮ জন শিক্ষার্থী, ০৪ জন শিক্ষক, ৬৩ জন নারী, ৫৫ জন শিশু, ০২ জন সাংবাদিক, ০২ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং ০৬ জন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীর পরিচয় মিলেছে। এদের মধ্যে নিহত হয়েছে- ০৩ জন পুলিশ সদস্য, ০৩ জন সেনা সদস্য, ০১ জন ফায়ার সার্ভিস সদস্য, ০২ জন আনসার সদস্য, ০২ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা, ৮৫ জন বিভিন্ন পরিবহনের চালক, ৭২ জন পথচারী, ৪৩ জন নারী, ৪১ জন শিশু, ৪৭ জন শিক্ষার্থী, ১২ জন পরিবহন শ্রমিক, ০৪ জন শিক্ষক ও ০৫ জন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী।

এই সময় সড়ক দুর্ঘটনায় সংগঠিত ৬৮৭ টি যানবাহনের পরিচয় মিলেছে। এতে দেখা যায়, ২৬.৩৪ শতাংশ মোটরসাইকেল, ২৩.৭২ শতাংশ ট্রাক-পিকাপ-কাভার্ডভ্যান ও লরি, ১৫.২৮ শতাংশ বাস, ১৪.২৬ শতাংশ ব্যাটারিচালিত রিক্সা ও ইজিবাইক, ৪.৮০ শতাংশ সিএনজিচালিত অটোরিক্সা, ৮.৮৭ শতাংশ নছিমন-করিমন-মাহিন্দ্রা-ট্রাক্টর ও লেগুনা, ৬.৪৭ শতাংশ কার-জিপ-মাইক্রোবাস সড়কে দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে।

সংগঠিত মোট দুর্ঘটনার ৪১.৭৪ শতাংশ গাড়ি চাপা দেওয়ার ঘটনা, ৩৩.২৫ শতাংশ মুখোমুখি সংঘর্ষ, ১৭.১৮ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে, ৬.৪৭ শতাংশ বিবিধ কারনে, ০.২২ চাকায় ওড়না পেছিয়ে এবং ১.১১ শতাংশ ট্রেন-যানবাহনের সংঘর্ষে ঘটে।

দুর্ঘটনার ধরন বিশ্লেষণে দেখা যায়, এই মাসে সংগঠিত মোট দুর্ঘটনার ৪২.৬৩ শতাংশ জাতীয় মহাসড়কে, ২৫.৪৪ শতাংশ আঞ্চলিক মহাসড়কে, ২৭ শতাংশ ফিডার রোডে সংঘটিত হয়েছে। এছাড়াও সারা দেশে সংঘটিত মোট দুর্ঘটনার ৩.৩৪ শতাংশ ঢাকা মহানগরীতে, ০.৪৪ শতাংশ চট্টগ্রাম মহানগরীতে ও ১.১১ শতাংশ রেলক্রসিংয়ে সংগঠিত হয়েছে।

বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির পর্যবেক্ষণ মতে, ফেব্রুয়ারি মাসে সড়ক দুর্ঘটনার উল্লেখযোগ্য কারণসমূহ :
১. সড়ক পরিবহন সেক্টর পরিচালনায় অনভিজ্ঞতা, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা, নীতি ও কৌশলগত দুর্বলতা।
২. সারাদেশে নিয়ন্ত্রণহীন ব্যাটারিচালিত অটোরিক্সা, মোটরসাইকেল, সিএনজি অটোরিক্সা ও নসিমন-করিমন সড়ক-মহাসড়কে অবাধে চলাচল।
৩. জাতীয় মহাসড়কে রোড সাইন বা রোড মার্কিং, সড়কবাতি না থাকায় হঠাৎ ফিডার রোড থেকে যানবাহন উঠে আসা।
৪. সড়কে মিডিয়ান বা রোড ডিভাইডার না থাকা, সড়কে গাছপালায় অন্ধবাঁেকর সৃষ্টি।
৫. মহাসড়কের নির্মাণ ক্রটি, যানবাহনের ক্রটি, ট্রাফিক আইন অমান্য করার প্রবণতা।
৬. উল্টোপথে যানবাহন, সড়কে চাদাঁবাজি, পণ্যবাহী যানে যাত্রী পরিবহন।
৭. অদক্ষ চালক, ফিটনেসবিহীন যানবাহন, অতিরিক্ত যাত্রীবহন।
৮. বেপরোয়া যানবাহন চালানো এবং বিরামহীন ও বিশ্রামহীনভাবে যানবাহন চালানো।

দুর্ঘটনার প্রতিরোধে সুপারিশসমূহ :
১. সড়ক পরিবহন সেক্টর পরিচালনায় উন্নত বিশ্বের নীতি ও কৌশল অনুসরন করা।
২. দক্ষ চালক তৈরির জন্য চালকদের ইনক্লুসিভ প্রশিক্ষণ কার্যক্রম দ্রুত শুরু করা।
৩. সিসি ক্যামরা পদ্ধতিতে ট্রাফিক আইনের প্রসিকিউশন পদ্ধতি চালু করা।
৪. গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় মহাসড়কে ফুটপাতসহ সার্ভিস লেইনের ব্যবস্থা করা।
৫. সড়কে চাদাঁবাজি বন্ধ করা, চালকের বেতন ও কর্মঘন্টা সুনিশ্চিত করা।
৬. মহাসড়কে ফুটপাত ও পথচারী পারাপারের ব্যবস্থা রাখা, রোড সাইন, রোড মার্কিং স্থাপন করা।
৭. সড়ক পরিবহন আইন উন্নত বিশ্বের আদলে ডিজিটাল প্রযুক্তিতে প্রয়োগ করা।
৮. সারাদেশে উন্নতমানের আধুনিক বাস নেটওর্য়াক গড়ে তোলা, নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধি করা।
৯. মানসম্মত সড়ক নির্মাণ ও মেরামত সুনিশ্চিত করা, নিয়মিত রোড সেইফটি অডিট করা।
১০. মেয়াদোর্ত্তীন গণপরিবহন ও দীর্ঘদিন যাবত ফিটনেসহীন যানবাহন স্ক্যাপ করার উদ্যোগ নেওয়া।
১১. মোটরসাইকেল ও ব্যাটারিচালিত রিক্সা আমদানী ও নিবন্ধন নিয়ন্ত্রণ করা ।
১২. বিআরটিএ ও ট্রাফিক বিভাগের সক্ষমতা বৃদ্ধি করা।
১৩. রাজধানীসহ দেশের সকল নগরীতে করিডোর ভিত্তিক আধুনিক বাস সার্ভিস চালু করা।
১৪. সড়ক পরিবহন সেক্টর পরিচালনায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দেশী-বিদেশী দক্ষ ও অভিজ্ঞ, বিশেষজ্ঞ লোকজনদের সমন্ময়ে একটি বিশেষজ্ঞ টাস্কফোর্স গঠন করা।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে গ্যাস সংকট : বৃহৎ দুই সার কারখানা সিইউএফএল ও কাফকো’’র উৎপাদন বন্ধ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সরকারি নির্দেশনার প্রেক্ষিতে গ্যাস সংকটের কারণে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত দুটি বৃহৎ সার কারখানা চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লিমিটেড (সিইউএফএল) ও কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো)’র উৎপাদন কার্যক্রম সাময়িক বন্ধ রাখা হয়েছে। দেশে চলমান গ্যাস সংকটের কারণে শিল্পখাতে গ্যাস সরবরাহ সীমিত করার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। এর ফলে সার কারখানাগুলোতে গ্যাসের চাপ কমে যায়।

পর্যাপ্ত গ্যাস সরবরাহ না থাকায় উৎপাদন স্বাভাবিকভাবে চালিয়ে যাওয়া সম্ভব না হওয়ায় সরকারি নির্দেশনায় উৎপাদন বন্ধ রাখা হয়েছে।
জানা গেছে, সিইউএফএল স্বাভাবিক সময়ে দৈনিক প্রায় ১ হাজার ১০০ থেকে ১ হাজার ২০০ মেট্রিক টন ইউরিয়া সার উৎপাদন করে। অন্যদিকে কাফকোর দৈনিক উৎপাদন সক্ষমতা প্রায় ১ হাজার ৭২৫ মেট্রিক টন ইউরিয়া এবং প্রায় ১ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন অ্যামোনিয়া। গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকায় বর্তমানে এই বিপুল পরিমাণ উৎপাদন স্থগিত রয়েছে।

কারখানায় কর্মরত শ্রমিক-কর্মচারীরা জানান, সার উৎপাদন সম্পূর্ণভাবে গ্যাসনির্ভর। পর্যাপ্ত চাপ ও নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহ ছাড়া উৎপাদন চালানো ঝুঁকিপূর্ণ। কম চাপের গ্যাসে উৎপাদন অব্যাহত রাখলে যন্ত্রপাতির ক্ষতির আশঙ্কা থাকে। তাই নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে এবং সরকারি সিদ্ধান্তের আলোকে কারখানাগুলো সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে।
হঠাৎ উৎপাদন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সার সরবরাহ নিয়ে কিছুটা উদ্বেগ দেখা দিলেও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আশ্বস্ত করেছেন, গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হলেই দ্রুত উৎপাদন পুনরায় চালু করে বাজারে সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে।
এ বিষয়ে জানতে দুই কারখানার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তাদের কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

এর আগে গত বছরের ১ নভেম্বর দীর্ঘ সাড়ে ছয় মাস বন্ধ থাকার পর বহুল আলোচিত রাষ্ট্রায়ত্ত সিইউএফএল পুনরায় চালু করা হলেও তা ১২ ঘণ্টাও উৎপাদন সচল রাখতে পারেনি কর্তৃপক্ষ। এরপর কয়েক দফায় যান্ত্রিক ত্রুটি, গ্যাস সংকটসহ নানা কারণ দেখিয়ে কারখানাটি চালু ও বন্ধের মধ্যে ছিল। সবশেষ আবারও গ্যাস সংকটে বন্ধ হলো কারখানাটি।অন্যদিকে কাফকোও গত বছরের অক্টোবর মাসে অভ্যন্তরীণ সমস্যাজনিত কারণে প্রায় ১৫ দিন উৎপাদন বন্ধ রেখেছিল। এরপর সবশেষ গতকাল গ্যাস সংকটের কারণে কারখানাটির উৎপাদন কার্যক্রমও বন্ধ হয়ে যায়।

শাহ আমানতে আরও ৪ ফ্লাইট বাতিল, নামতে পারেনি ১টি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আরও চারটি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা ২টি অ্যারাইভাল ফ্লাইট এবং এয়ার আরাবিয়ার মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা ২টি অ্যারাইভাল ফ্লাইট রয়েছে।ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধের কারণে মধ্যপ্রাচ্যে দুবাই, আবুধাবি, শারজাহ ও দোহার এয়ারফিল্ড বন্ধ থাকায় ফ্লাইটগুলো বাতিল করেছে কর্তৃপক্ষ। বৃহস্পতিবার প্রেস নোটে বিষয়টি জানিয়েছেন বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল।

বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সকালে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে দুটি ফ্লাইট আসার কথা ছিল। এই দুটি অ্যারাইভাল ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। একইসঙ্গে এয়ার আরাবিয়ার মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসার আরও দুটি ফ্লাইটও বাতিল করা হয়েছে।এদিকে মাস্কাট থেকে আসা সালাম এয়ারের ফ্লাইটটি কুয়াশার কারণে সরাসরি চট্টগ্রামে নামতে না পেরে ঢাকায় ডাইভার্ট হয়। পরে ঢাকা থেকে পুনরায় রওনা হয়ে সকাল ১০টা ৫৫ মিনিটে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। পরে একই উড়োজাহাজ যাত্রী নিয়ে মাস্কাটের উদ্দেশে চট্টগ্রাম ত্যাগ করেছে।

বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল জানান, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাব পড়েছে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চলাচলে। সর্বশেষ ৪টিসহ শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে মোট ৫০টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।

আলোচিত খবর

জুলাই জাতীয় সনদের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে ডেপুটি স্পিকার বিরোধী দল থেকে নেওয়ার সিদ্ধান্ত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাজনৈতিক সমঝোতার অংশ হিসেবে জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার পদে বিরোধী দল থেকে প্রতিনিধি নেওয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন- জুলাই জাতীয় সনদের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের ধারাবাহিকতায় এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সোমবার ২ মার্চ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ তথ্য জানান। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

তিনি জানান, রাজনৈতিক ঐকমত্যকে গুরুত্ব দিয়ে প্রধান বিরোধী দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে ডেপুটি স্পিকারের জন্য একটি নাম প্রস্তাব করতে অনুরোধ করা হয়েছে। তাদের সঙ্গে এ বিষয়ে মৌখিক ও সরাসরি যোগাযোগও করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

স্পিকার নির্বাচনের দিনই ডেপুটি স্পিকার পদেও নির্বাচন সম্পন্ন করা যেতে পারে। এতে সংসদ পরিচালনায় ভারসাম্য ও অংশগ্রহণমূলক পরিবেশ তৈরি হবে বলে আশা প্রকাশ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়- জাতীয় সনদের আলোকে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে যে সমঝোতা হয়েছে, সেটি ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের লক্ষ্যেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ